লেবেল

রথ বিষয়ক কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
রথ বিষয়ক কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ২১ জুলাই, ২০২৪

।। প্রতিদিন বিভাগ।। ।।জুলাই সংখ্যা।। ।।বিষয় -' রথ' বিষয়ক কবিতা -২০।। রথ যাত্রা — শ্রাবণী বসু।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।

 




  ।। প্রতিদিন বিভাগ।। 

।জুলাই সংখ্যা।। 

।বিষয় -' রথ' বিষয়ক কবিতা -২০।।



রথ যাত্রা

শ্রাবণী বসু 


আকাশ ভেঙে  বৃষ্টি  এলো -

  মেঘলীন রথের চূড়াটি ভিজতে ভিজতে

 হয়েছে  রঙিন জলছবি,

 ফুল থেকে জল ঝরছে - টুপ ,টুপ ,টুপ,

 কাঠামো থেকে জল ঝরছে,  ঝুপ,ঝুপ, ঝুপ ,


আকাশের ঢাকনাটা আজ কে যেন সরিয়ে দিয়েছে,

কোদালে মেঘের সিঁড়ি দিয়ে  নেমে এলেন স্বয়ং বলরাম,


বীজের ভিতর রেখে এলেন পদচিহ্ন,

মাটির মধ্যে রেখে এলেন শস্যের সম্ভার।

শনিবার, ২০ জুলাই, ২০২৪

। প্রতিদিন বিভাগ।। ।।জুলাই সংখ্যা।। ।।বিষয় -' রথ' বিষয়ক কবিতা -১৯।। রথযাত্রা ও সনাতন ধর্ম — ঋদেনদিক মিত্রো।। Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।





  ।। প্রতিদিন বিভাগ।। 

।জুলাই সংখ্যা।। 

।বিষয় -' রথ' বিষয়ক কবিতা -১৯।।




রথযাত্রা ও সনাতন ধর্ম

  ঋদেনদিক মিত্রো  


সনাতন হিন্দু ধর্ম বলো তো কী মধুর, 

কত রকম উৎসবেতে চিন্তাধারা সুদূর, 

তার মধ্যে রথযাত্রা একটি উৎসব, 

চাকা লাগানো কাঠের ঘর নিয়ে কলরব, 

হাজার-হাজার মানুষ এসে সেই ঘরকে ঘিরে -- 

মেলা করে ঠাসাঠাসি প্রান মজানো ভিড়ে, 

দড়ি দিয়ে সেই রথকে কত লোক টানে, 

পবিত্রতার আনন্দতে সবাই মিলে নামে। 

কত রকম করে সাজে রথের মুগ্ধ রূপ, 

সনাতন ধর্ম কত অনুভূতির সুখ।

 

রথ মানে তো এগিয়ে চলা, এটাই অনুভব, 

রথযাত্রা তারই প্রতীক, সনাতন উৎসব। 


বছরে এই মেলা আষাঢ় শুক্লা দ্বিতীয়ায়,

আষাঢ় শুক্লা দশমিতে রথটা ফিরে যায়, 

ফিরে যাবার দিনকে বলে উল্টো রথের মেলা, 

এ-উৎসবে মেতে ওঠে দুই দিকে বাংলা, 

উড়িষ্যার পুরিতে এর মূল উৎসব হয়, 

এর পিছনে ইতিহাসের কাহিনী বিষ্ময়। 

এই উৎসব ছড়িয়ে গেছে  সারা বিশ্ব-মাঝে, 

সনাতন ধর্ম নিয়ে পৃথিবীটা জাগে, 

সনাতন ধর্ম মানে চিরন্তনী জ্ঞান, 

কত রকম অনুভূতি, কত রকম ধ্যান, 

কত রকম ব্যাখ্যা আর আলোচনার ধারায় - 

সনাতন ধর্মটাই মানুষকে ভাবায়। 

সনাতন ধর্ম হল আত্ম-বোধের স্তব, 

তার মধ্যে রথযাত্রা একটি উৎসব। 


জগন্নাথদেব, বলরাম ও শুভদ্রা দেবী, 

তিন ভাইবোন বসেন রথে, সাজানো বেদী, 

কেমন করে এঁরা এলেন রথযাত্রার কারণ, 

সেই কাহিনীর ইতিহাসটা খুবই মনোরম।


সনাতন ধর্ম মানে আলোয় জেগে ওঠা,

প্রকৃতির সঙ্গে মিলে মঙ্গলকর প্রথা। 

অনেক রকম কুসংস্কার, নয় কো সনাতন, 

সনাতন মানে হলো শুধু ভালোর জীবন, 

কিন্তু অতীত কাল থেকে যে কারা কিভাবে -- 

নানা রকম অজ্ঞতাকে সনাতনের মাঝে -- 

ঢুকিয়ে দিয়ে নষ্ট করে সনাতন-সম্মান, 

সেগুলি না বুঝে কেন করবে অভিমান? 

সনাতন মানে হল জীবন হেঁটে যায়,

কালের প্রকরণে চলো আধুনিকতায়। 

আধুনিকতা মানে তো নয় পুরনো হলেই ভুল, 

আধুনিকতা মানে হল, বিশ্ব জগৎ কুল -- 

অজানা রহস্যয় বাঁধা কত কী দিশারী, 

সনাতন ধর্মকে কি না মেনে কেউ পারি?


সনাতন ধর্ম সেটাই, শুধু খুঁজে চলো, 

সনাতন ধর্ম মানে সত্য কথা বলো। 

সনাতন মানে হলো এই সৃষ্টি লোকে -- 

কী দেখছি, কেন দেখছি আমাদেরই চোখে, 

এসব নিয়ে অনেক কিছু অনুভবের ধারা, 

সনাতন ধর্ম মানে  আকাশ ভরা তারা, 

সনাতন ধর্ম মানে ভোরের সূর্যোদয়, 

সনাতন ধর্ম মানে, জীব, প্রকৃতির জয়। 

সনাতন ধর্ম মানে হাত খুলে দাও মেলে, 

বন্ধুত্বের জন্য তুমি এই বিশ্বে এলে। 

সনাতন ধর্ম মানে সুস্থ হয়ে বাঁচা, 

কোনো কিছু না বুঝে নয় পাগল হয়ে নাচা। 

প্রাণ এবং প্রকৃতির মাঝে যে-বন্ধন, 

সেটাই সনাতন, জেনো সেটাই সনাতন। 


সনাতন ধর্ম মানে কত কী জিজ্ঞাসা, 

প্রতি শ্বাসে দেহে মনে জ্ঞানের পিপাসা। 

অন্য কোন্ ধর্ম কেমন এসব প্রশ্ন নয়, 

সনাতন ধর্ম মানে ভালোবাসার জয়।



শুক্রবার, ১৯ জুলাই, ২০২৪

।। প্রতিদিন বিভাগ।। ।।জুলাই সংখ্যা।। ।।বিষয় -' রথ' বিষয়ক কবিতা -১৮।। জগন্নাথের রথ — প্রদীপ্ত সামন্ত।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।

 




  ।। প্রতিদিন বিভাগ।। 

।জুলাই সংখ্যা।। 

।বিষয় -' রথ' বিষয়ক কবিতা -১৮।।





জগন্নাথের রথ

প্রদীপ্ত সামন্ত


ওই যে দেখো জগন্নাথের রথ
পাশেই চলে সুভদ্রা বলরাম ,
চলার মানেই জীবন অগ্রগতি
কাটবে ওই ভয় জড়তা ভীতি ।

হাত পা নেই ঠুটোই তিনি বটে
তবুও তিনি হলেন জগৎস্বামী
সব দিকেতেই নজর রাখেন যিনি
পথ দেখিয়ে পথ চলাতেও তিনি ।

জগন্নাথের রথ কি শুধুই রথ ?
একটি কেবল কাঠের কাঠামো ;
জানতে গেলে ধ্যান-পূজা-পাঠ লাগে
ভেতর থেকে অন্তর্যামীই জাগে ।

জগন্নাথের রথ চালাতে গিয়ে
রথের রশি একটু ছুঁতেই চাই ,
কালের যাত্রা মন্ত্র 'চরৈবেতি'
-- মানেই হল 'নেতি থেকে ইতি' ।

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৪

। প্রতিদিন বিভাগ।। ।।জুলাই সংখ্যা।। ।।বিষয় -' রথ' বিষয়ক কবিতা -১৭।। উল্টোরথে — কালাকার।। Ankurisha।। E.Magazine। Bengali poem in literature।।





  ।। প্রতিদিন বিভাগ।। 

।জুলাই সংখ্যা।। 

।বিষয় -' রথ' বিষয়ক কবিতা -১৭।।




উল্টোরথে

                কালাকার


চলনা রে দীপ    আয়না মিলি

           উল্টোরথে যাই,

   রথের রশি     টানবো কষে

           খাব রসমালাই।


 কিনব নানান     গাছ গাছালি

        নানান ফুলের চারা,

 ফুচকা চাউমিন     খেয়ে পিৎজা

          হবো আত্মহারা।


 নাগরদোলায়    চড়বো রে খুব

         আর ঘূর্ণিদোলা,

 মন খুশিতে     ছাড়বো বেলুন

         হয়ে আত্মভোলা।


 বঙ্কিমের ওই        রাধারানী

            যদি খুঁজে পাই,

খোঁপায় গুঁজবো    বেল ফুল মালা

       ওর হাসি দেখতে চাই।


গুড় জিলাপি      আনবো কিনে

            মা-বাবার তরে,

 চপ বেগুনি       তারই সাথে

            ব্যাগ ভর্তি করে।


 চলনা রে যাই       মন কেমনের

         আজকে ফিরেন রথে,

 দুচোখ ভরে        জগন্নাথকে 

          করতে প্রণাম পথে।

বুধবার, ১৭ জুলাই, ২০২৪

। প্রতিদিন বিভাগ।। ।।জুলাই সংখ্যা।। ।।বিষয় -' রথ' বিষয়ক কবিতা -১৬।। ভালোবাসি — তীর্থঙ্কর সুমিত।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।

 




  ।। প্রতিদিন বিভাগ।। 

।জুলাই সংখ্যা।। 

।বিষয় -' রথ' বিষয়ক কবিতা -১৬।।




ভালোবাসি

তীর্থঙ্কর সুমিত

রথের দড়ি টান পড়েছে ঘুরছে রথের চাকা
রাস্তাঘাটে ভিড় জমেছে মন্দির আজ ফাঁকা
চারধারেতে উঠছে যে রব হই হই হই হই হই
মাগো আমার ছেলেবেলার দিনগুলো সব কই
হারিয়ে গেছে অনেক কিছু অনেক চেনা সুখ
জীবন পথে হোঁচট খেয়ে আলতো অভিমুখ
মনের কোণে জমছে এখন ক‍্যকটাসের ই হাসি
সত্যি মাগো ছেলেবেলা বড়ই ভালোবাসি। 

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই, ২০২৪

।। প্রতিদিন বিভাগ।। ।।জুলাই সংখ্যা।। ।।বিষয় -' রথ' বিষয়ক কবিতা -১৫।। আমার শৈশব — ডঃ রমলা মুখার্জী।। Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।

 




  ।। প্রতিদিন বিভাগ।। 

।জুলাই সংখ্যা।। 

।বিষয় -' রথ' বিষয়ক কবিতা -১৫।।



আমার শৈশব

 ডঃ রমলা মুখার্জী


ছেলেবেলা রঙের মেলা 

স্বপ্নে পেলুম আজ -

রথের মেলা নাগরদোলা 

বাদাম পুতুল নাচ।

আষাঢ়ের মেঘ-বাদলে

 রথ টানবার মজা-

উল্টোরথের মেলায় পুনঃ

পাঁপড় জিলিপি গজা।

সরস হলুদ কাঁঠাল-কোয়া

খেতাম এক ঝুড়ি-

আজকে শিশুর শৈশবটা

কে করল চুরি?

সোমবার, ১৫ জুলাই, ২০২৪

। প্রতিদিন বিভাগ।। ।।জুলাই সংখ্যা।। ।।বিষয় -' রথ' বিষয়ক কবিতা -১৪।। জীবনটা ঠিক নাগরদোলা — জয়শ্রী সরকার।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।





  ।। প্রতিদিন বিভাগ।। 

।জুলাই সংখ্যা।। 

।বিষয় -' রথ' বিষয়ক কবিতা -১৪।।




জীবনটা ঠিক নাগরদোলা

জয়শ্রী সরকার

বৃষ্টিভেজা ওই মেয়েটা দুলছিল তো নাগরদোলায়
মিষ্টি লাজুক হাসি হেসে মাতছিল সে দুঃখভোলায়। 

স্বপ্নে ভাসে প্রেমিক যুগল, বাঁধবে সুখের বাসা 
হাসবে ওরা প্রাণের সুখে কাটবে জীবন খাসা।

বুকের মাঝে উথাল পাথাল, আনন্দেতে মাতে 
কদমতলায় ঠিক যেন এক কৃষ্ণ বাঁশি হাতে।

বাঁশির সুরে হাসির ঝিলিক দুলছে নাগরদোলায়
মিষ্টি প্রেমের পাপড়ি শুধুই ব্যস্ত থাকে খোলায় !

ভিড় ক্রমশই বাড়তে থাকে রথের মেলা ঘিরে
আনন্দেতে টানছে সবাই রথের রশি ধীরে!

সব দোকানই উঠলো সেজে জমজমাটি মেলা
নাগরদোলায় প্রেমিক যুগল খেলছে প্রেমের খেলা!

ঝড় বাদল আর হড়কা বানে ছিঁড়লো নাগরদোলা
যুগলপ্রেমের এমন ছবি যায় কি বলো ভোলা!

জীবনটা ঠিক নাগরদোলা, ওঠানামার খেলা
শিকলটা তো ছিন্ন হলেই সাঙ্গ হবে মেলা!

রবিবার, ১৪ জুলাই, ২০২৪

। প্রতিদিন বিভাগ।। ।।জুলাই সংখ্যা।। ।।বিষয় -' রথ' বিষয়ক কবিতা -১৩।। রথতলাতে রথের মেলা — দীনেশ সরকার।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।





  ।। প্রতিদিন বিভাগ।। 

।জুলাই সংখ্যা।। 

।বিষয় -' রথ' বিষয়ক কবিতা -১৩।।



রথতলাতে রথের মেলা

দীনেশ সরকার

প্রতিবছর রথতলাতে বসে রথের মেলা
আমাদের এই মেলায় বসে হরেক রকম খেলা।
রথের দিনে মেলা শুরু উল্টোরথে শেষ
মেলায় গেলে মন ভরে যায় খুশি-মজা বেশ।

রথের দিনে রথের রশি সবাই মিলে টানে
আকাশ বাতাস মুখরিত "জয় জগন্নাথ" গানে।
দোকানদানি বসে প্রচুর রোজ রথের মেলায়
নিত্যদিনের হরেক জিনিস কিনতে পাওয়া যায়।

মন্ডামিঠাই জিলিপি আর গরম পাঁপড়ভাজা
ভারী মজায় খায় সকলে নোনতা-খাস্তা-খাজা।
ম্যাজিক শো আর পুতুলনাচও দেখা যায় মেলাতে
খোকা-খুকুর মন ভরে যায় মজার মজার খেলাতে।

আম-পেয়ারা লেবুর কলম আর ফল-ফুলের চারা
মেলার বড় আকর্ষণ তাই মনকে দেয় যে নাড়া।
আষাঢ় মাসের রথের মেলায় শুধুই মজা-হাসি
প্রতি বছর বসলে মেলা তাই তো ছুটে আসি।

শনিবার, ১৩ জুলাই, ২০২৪

।। প্রতিদিন বিভাগ।। ।।জুলাই সংখ্যা।। ।।বিষয় -' রথ' বিষয়ক কবিতা -১২। রথের মেলা — মায়া দে।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।





  ।। প্রতিদিন বিভাগ।। 

।জুলাই সংখ্যা।। 

।বিষয় -' রথ' বিষয়ক কবিতা -১২।





 রথের মেলা 

           মায়া দে 

       


ছোট্ট বুবুন 

     সারা দুপুর 

       ঘুম নেই তার চোখে 


বিকেল বেলা 

     রথের মেলা 

        বলছে সকল লোকে।


কেমন রথ !

     কেমন পথ !

       জানেই না সে কিছু 


মেলা যাবে 

     পাঁপড় খাবে  

        ধরছে দাদুর পিছু ।


বিকেল বেলা

     রথের মেলা 

          চললো দাদু নাতি 


রথের দড়ি 

       কাড়াকাড়ি 

           চলছে মাতামাতি ।


লোকের ভীড়ে 

        কষ্ট করে 

            ঠাকুর দেখে বুবুন 

 

    ঠাকুর কোথায়?

            রথের মাথায় 

                যেন বসে হুতুম ।


মনের মতন 

       ঠাকুর গড়ন 

              লক্ষ্ণী সরস্বতী 


ঠাকুর ত্রয়ে 

       দেখেই ভয়ে 

            কান্না জুড়ায় অতি ।


খোল কাঁসরে 

         ভক্তি ভরে 

         জয় জগন্নাথ নাম 


দুই পাশে 

      আছেন বসে 

          সুভদ্রা বলরাম।


হ্যাঁচকা মেরে 

      যাচ্ছে ছেড়ে 

         দাদুর হাতের মুঠি 


মস্ত বাঁদর 

      খাবে পাঁপড় 

          কেঁদেই লুটোপুটি ।


নাগর দোলায় 

         চড়ে হেলায়

              ভাবছে বসে বুবুন 


আড়াই বছরে 

       কেমন করে 

          বলছে এমন ভাবুন--


"বোকা মানুষ 

        বুদ্ধি ফানুস 

            ঠাকুর কারে ভাবে?

  

হ্যান্ডিক্যাপ 

     উইদাউট হ্যান্ড 

           আশীর্বাদ পাবে???

শুক্রবার, ১২ জুলাই, ২০২৪

। প্রতিদিন বিভাগ।। ।।জুলাই সংখ্যা।। ।।বিষয় -' রথ' বিষয়ক কবিতা -১১। রথযাত্রা — প্রদীপ কুমার চক্রবর্তী।। Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।





  ।। প্রতিদিন বিভাগ।। 

।জুলাই সংখ্যা।। 

।বিষয় -' রথ' বিষয়ক কবিতা -১১।


রথযাত্রা

প্রদীপ কুমার চক্রবর্তী 


উড়িয়ে ধ্বজা ছড়িয়ে মজা

ওই চলেছে জগন্নাথ,

রথতলাতে তিনি রাজা

তিনি ত্রাতা তিনিই প্রজা

সিংহাসনে তিনি আলো

  তিনি থাকেন সবার সাথ

জগৎ মাঝে স্রষ্টা তিনি

 তাঁহার কারণ সবাই মাত।


রথের মেলায় এই অবেলায়

 কত সাধারণ জমায় ভীড়,

তাঁহার পূজা সবার মাঝে

জয়ধ্বনির কাঁসর বাজে

প্রভুর রথ যে হাজার হাতে

আগায় ধীরে প্রেম নিবিড়

এই আষাঢ়ে বৃষ্টি ঝরুক

দেখছি প্রভুর উচ্চ শির ।


মেলা প্রাঙ্গণ সব ভরেছে 

খেলনা পুতুল রথ গাড়ি,

মিলেছে হেথায় নানান ধর্ম

নানান জাতির নানান কর্ম

জিলিপি পাঁপড় আম কাঁঠালের

হরেক দোকান সারি সারি 

তুচ্ছ মতের ভেঙেছে বাঁধন

প্রভুই দেখেন নর নারী।


তাঁহার রথ তো দিবস রাত্রে

ভক্ত সেবায় সমর্পণ,

কদম জুঁই এর মিষ্টি সুবাস

ভরেছে জগৎ আকুল বাতাস

রথের চূড়ায় অধিনায়ক ওই 

 তিনি যে সাজান সম্মোহন,

মানব ভূমির মহা কল্যাণ

তাঁহার হাতেই উদ্বোধন।


 

বৃহস্পতিবার, ১১ জুলাই, ২০২৪

। প্রতিদিন বিভাগ।। ।।জুলাই সংখ্যা।। ।।বিষয় -' রথ' বিষয়ক কবিতা -১০। রথের মেলা এসেই গেল গোবিন্দ মোদক।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।





  ।। প্রতিদিন বিভাগ।। 

।জুলাই সংখ্যা।। 

।বিষয় -' রথ' বিষয়ক কবিতা -১০।



রথের মেলা এসেই গেল 

গোবিন্দ মোদক


রথের মেলা এসেই গেল 

ভীষণ মজা তাই,

সবাই মিলে মেলায় গিয়ে 

পাঁপড় কিনে খায়। 

ছোটরা বাজায় ভেঁপু বাঁশি 

কেনে নতুন জিনিস,

ফুরফুরানো হাওয়াই মিঠাই

মুখে দিলেই ফিনিশ!

জিলিপি আর জিভেগজা 

ফুচকা পাপড়ি-চাট, 

নাগরদোলায় পুতুলনাচে 

খুশির রাজ্যপাট! 

নানা রকমের দোকানপাট 

খাবার জিনিস খেলনা, 

গৃহস্থালীর নানা রকমের 

হাতা খুন্তি বেলনা। 

হরেক মাল সাড়ে ছ’টাকায় 

যতো খুশি নাও 

তারপরেতে রথটি দেখে 

দড়িতে টান দাও।

রথে বসে জগন্নাথ আর 

সুভদ্রা, বলবাম, 

টানে সবাই রথের দড়ি 

“জয় জগন্নাথ” নাম! 

এরই মাঝে মেঘ ঘনিয়ে 

বৃষ্টি আসে তোড়ে, 

জল-কাদায় সবাই তখন 

রশি টানে জোরে। 

গড়গড়িয়ে রথের চাকা 

চলে মাসির বাড়ি, 

এমন মজার রথের মেলায় 

না এসে কি পারি!

বুধবার, ১০ জুলাই, ২০২৪

।। প্রতিদিন বিভাগ।। ।।জুলাই সংখ্যা।। ।।বিষয় -' রথ' বিষয়ক কবিতা -৯। নেওয়া দেওয়া - পরমেশ্বর গাইন।।Ankurisha।। E.Magazine। Bengali poem in literature।।

 




  ।। প্রতিদিন বিভাগ।। 

।জুলাই সংখ্যা।। 

।বিষয় -' রথ' বিষয়ক কবিতা -৯।





নেওয়া দেওয়া

পরমেশ্বর গাইন

মাসির বাড়ির পথে অগণিত মন
পবিত্রতায় রথের অপেক্ষায়
দেব ভক্তির প্রত্যাশায়। 

আপন আলোয় আয়েশ মাখতে
শ্রদ্ধাঞ্জলী সু স্বাগতম বাকী বিশেষণ
সব ভক্তি মোড়া উপঢৌকন... 

চাঁদের বাম হাতের পূজো
মণষা'র নজরানা
দ্রৌপদীর বস্ত্র হরণ সেও জরিমানা। 

দেওয়া আর নেওয়া
দেবভূমি ছুঁয়ে মাটি ভীজে
ধর্ম দেশে বেঁচে আছে... 

পূণ্য সুখ সঞ্চয়
রথ যাত্রায়
ভক্তির উপোঢৌকনে যেন হয়

ভেবেছিল ভীরু দূর্বলতা 
বছর শেষের আষাঢ়ে
ছোঁয়া হলো না রথ মঙ্গল অমঙ্গলের ভীড়ে। 

মঙ্গলবার, ৯ জুলাই, ২০২৪

। প্রতিদিন বিভাগ।। ।।জুলাই সংখ্যা।। ।।বিষয় -' রথ' বিষয়ক কবিতা -৮। রথযাত্রা — দুরন্ত বিজলী।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।





  ।। প্রতিদিন বিভাগ।। 

।জুলাই সংখ্যা।। 

।বিষয় -' রথ' বিষয়ক কবিতা -৮।




রথযাত্রা

দুরন্ত বিজলী

গতিময় জগতে পথ পারমিতা
গড়িয়ে চলেছে জীবন জগতের
ধূলিময় পথে যেন এক রথ
তার চাকায় জেগে ওঠে জঙ্গম বার্তা।

রথ মানে চলমান জীবনের স্রোত
বয়ে যায়, নদী ও সাগরে রাখে
আপন মহিমা, রথারূঢ় দেবতার
আশিসে জলেও জননী করেন বিরাজ।

'জলই জীবন' এই সত্যে বৃষ্টি নামে
ফসলের দিন সুখ সম্ভাবনায় উজ্জ্বল
গৃহবধূ কৃষকরমণী থেকে সর্বময়
মানুষের কণ্ঠে প্রণাম -- জয় জগন্নাথ!

রথের যাত্রাপথে অসংখ্য মানুষ
গতিতে মিলিত হতে হাতে রশি
দেবতার কালচক্রে দিয়ে টান
চাকার দাগে রাখে কর্মের প্রমাণ। 

সোমবার, ৮ জুলাই, ২০২৪

। প্রতিদিন বিভাগ।। ।।জুলাই সংখ্যা।। ।।বিষয় -' রথ' বিষয়ক কবিতা -৭।। দারু দেহে দেবতার দিশা - বিকাশ চন্দ।। Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।

 




  ।। প্রতিদিন বিভাগ।। 

।জুলাই সংখ্যা।। 

।।বিষয় -' রথ' বিষয়ক কবিতা -৭।।



দারু দেহে দেবতার দিশা

বিকাশ চন্দ 

মহানিমের শরীরে জেগে কৃষ্ণবর্ণ বাকল
জড়ানো আশ্চর্য শঙ্খ চক্র প্রতীক বিষ্ণুর
হয়তো পূজিত হন বৃক্ষ পিতা শ্যাওলা শরীরে মন্দির যেমন
পাহারায় ধারে কাছে সাপের বসতি 
সুউচ্চ শিখরে বজ্রপাতহীন সবুজ চারটি শাখা পাখপাখালি নেই
এমন বৃক্ষ আত্মায় সমাসীন জগতের নাথ

একই প্রজাতির গাছে আশ্চর্য রঙের বদল বাকলে
সেখানেও প্রতিভাত লাঙ্গল প্রতীক সাদা গাছের শরীরে 
উন্মুক্ত আকাশে ডানা মেলে সাতটি শাখা
মাটির শরীর ছুঁয়ে গাছে কৃষক সোহাগ আত্মায় বলরাম

হলুদ বাকলে সমাদৃত একই মহানিম
পাঁচটি শাখা উড্ডীন মহাকাশ ধরেছে শাখায়
পদ্মের পাপড়ির প্রতীক জড়িয়ে অভিনন্দিতা
সোহাগের সুভদ্রা ও এভাবেই জড়িয়ে গাছের আত্মায়

আশ্চর্য সমাধি স্থল ছুঁয়ে লাল রঙের বাকলে
মহাজাগতিক মহানিম শরীরে ছড়িয়ে চারটি শাখা চতুর্দিকে 
শঙ্খ চক্র গদার প্রতীক গাছের কাছেই নাগের সংসার
শ্রীসুদর্শন বাঁচিয়ে রাখেন বৃক্ষজননী নাকি যশোদা দৈবকী 

সময় ছুঁয়ে নবকলেবরে অপেক্ষায় চার মহানিম উৎসর্গ সময়ে
দেবতা নির্মাণে আরও গাছ জন্ম প্রকৃতি বিতানে 
কোথাও হাজারো গাছ নিধন শুধু রথের পথের নামে
বিস্ফারিত চোখে দেখেন ক্ষমতার কুশলী বৈভব 
নীরবে জগৎ ছুঁয়ে যায় দারু দেহে দেবতার দিশা 

রবিবার, ৭ জুলাই, ২০২৪

। প্রতিদিন বিভাগ।। ।।জুলাই সংখ্যা।। ।।বিষয় -' রথ' বিষয়ক কবিতা -৬।। রথের পাঁচালি - পুষ্প সাঁতরা।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।

 




  ।। প্রতিদিন বিভাগ।। 

।জুলাই সংখ্যা।। 

।।বিষয় -' রথ' বিষয়ক কবিতা -৬।।




রথের পাঁচালি

পুষ্প সাঁতরা

প্রথমে বন্দনা করি নীলমাধবের শ্রীচরণ
রথের পাঁচালি কথা শুন দিয়া মন।
রথের মধ্যে বসে থাকেন প্রভু জগন্নাথ
ভক্তদের কোল দেন ,নেই কোন জাতপাত।
গড়গড়িয়ে রথের চাকা হেলেদুলে চলে
পুনর্জন্ম হবে না আর দেখো নয়ন মেলে।
দলে দলে ভক্তেরা রথটানার অভিমূখে
মুখে বলে প্রভু আমার থাকো শুধু বুকে।
আঠার চাকা রথে সুন্দর জগন্নাথ
সুভদ্রা আর বলরাম আলোর প্রতিভাত।
নান্দীঘোষ তালধ্বজ  ও দর্পদলন নাম
তিন রথে তিন জন প্রেমের পুরীধাম।
রঙ বাহারী রথের শরীর আহা মরি মরি
লালরং লালসবুজ লালকালোয় সুন্দরী।
দাও টান রথের রশি যায় যাক যত মান
শঙ্খ চূড় সাপ রজ্জু আনন্দের অশ্রু বান।
ডুবে গেলে দিব্য রূপে মোহন মূর্তি বেশে
প্রভু এসে ধরা দেন ছদ্মবেশে এসে।
মাধুর্য রস ঘনীভূত রহস্য কাহিনি
মোহন মূর্তির সেবা দিয়ে হও গরবিনী।
গুনময় গুনাতীত রূপ অপরূপ
অচল ব্রহ্মে ভক্তিরসে শান্ত নিশ্চূপ!
প্রেমানন্দে সবাই একবার বলোহরি বোল
দড়িতে টান দাও বাজাও শঙ্খ খোল।



শনিবার, ৬ জুলাই, ২০২৪

। প্রতিদিন বিভাগ।। ।।জুলাই সংখ্যা।। ।।বিষয় -' রথ' বিষয়ক কবিতা -৫।। জয় জগন্নাথ — বিশ্বজিৎ রায়।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।

 




  ।। প্রতিদিন বিভাগ।। 

।জুলাই সংখ্যা।। 

।।বিষয় -' রথ' বিষয়ক কবিতা -৫।।



জয়  জগন্নাথ 

বিশ্বজিৎ রায়

 

জয় জগন্নাথ ! জয় জগন্নাথ !

প্রভু তোমার কৃপায় ভালোয়-মন্দে কাটে দিন-রাত

রাস্তাজুড়ে ছড়িয়ে থাকে যত নোংরা-আবর্জনা,  

হিংসা-রক্ত-মৃত্যু ও পাপ

তোমার রথের রসি ধরে যেন পেরিয়ে যেতে পারি

সেই সব  ইহজীবনের অভিশাপ…

 

জয় জগন্নাথ! জয় জগন্নাথ !

প্রভু, প্রাণখুলে তোমাকে ডাকি যতবার

দেখি, চোখের সামনে  যেন দাঁড়িয়ে আছো তুমি

সারা মনজুড়ে তখন অদ্ভুত শান্তি, নির্ভার

তুমি অদৃশ হলেই আবার  সব ভয়-আশংকা,

চারপাশ জুড়ে মনেহয় যেন শুধুই  অন্ধকার…

 

জয় জগন্নাথ! জয় জগন্নাথ!

প্রভু, রথারোহন করে তুমি পথ দেখাও আমাদের,

আমরা তোমায়  অনুসরণ  করি ---

লোভ-আকাঙ্খা-ভয়-ভীতি, সকল মনস্তাপ

দূরে ঠেলে আমরা যেন এগিয়ে যেতে পারি

স্পর্শ করে,  রেখে যাওয়া  তোমার পদছাপ … 

শুক্রবার, ৫ জুলাই, ২০২৪

। প্রতিদিন বিভাগ।। ।।জুলাই সংখ্যা।। ।।বিষয় -' রথ' বিষয়ক কবিতা -৪।। নাগরদোলা — সমাজ বসু।।Ankurisha।। E.Magazine। Bengali poem in literature।।

 




  ।। প্রতিদিন বিভাগ।। 

।জুলাই সংখ্যা।। 

।।বিষয় -' রথ' বিষয়ক কবিতা -৪।।




নাগরদোলা

সমাজ বসু


মেলার মাঠের সামান্য দূরত্বে গড়িয়ে যায় রথের দড়ি।

মেলা মানেই নাগরদোলা---

নাগরদোলা ওঠে আর নামে,নামে আর ওঠে

মুখোমুখি কিছু মানুষের উল্লাস ছড়িয়ে যায় মেলার মাঠে---

মেলার সব জৌলুস অচিরেই কেড়ে নেয় নাগরদোলা।

ক্রমশ আরও ওপর থেকে গড়িয়ে পড়ে হাসি,

ক্লান্তি আর বিষাদ---

কিংবা অবতরণের অদৃশ্য ভয়।

জীবন মানেও নাগরদোলা,

মানুষ ওঠে আর নামে,নামে আর ওঠে--

সুখ-দুঃখ-- আশা-নিরাশা-- ভাল- মন্দ। 


মাঠ বদলে যায় ---

এভাবেই আজীবন মেলা ও জীবনকে আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে রাখে 

নাগরদোলা।



বৃহস্পতিবার, ৪ জুলাই, ২০২৪

।। প্রতিদিন বিভাগ।। ।।জুলাই সংখ্যা।। ।।বিষয় -' রথ' বিষয়ক কবিতা -৩।। রথের মজা — দীপক বেরা।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।

 




  ।। প্রতিদিন বিভাগ।। 

।জুলাই সংখ্যা।। 

।।বিষয় -' রথ' বিষয়ক কবিতা -৩।।





রথের মজা 

দীপক বেরা 

ওই দেখা যায় তেরো-চূড়া রথ
আর বেশি নয়, বল? 
প্রতিটি বছর রথের মেলা 
বসেই মহিষাদল। 
ঊর্ধ্বশ্বাসে ছুটছে সবাই 
টানবে রথের রশি
মিলবে না রথ টানার সুযোগ 
দেরি হলে খুব বেশি। 
জয় জগন্নাথ, জয় জগন্নাথ 
আসছে ধ্বনি ভেসে 
সবাই যেন চাইছে যেতে 
মহাপ্রভুর দেশে। 
রথের রশি টানার সুযোগ 
একবার যদি হয় 
সবাই ভাবে তার মতো কেউ 
ভাগ্যবান আর নয়। 
মেলায় গিয়ে গরমাগরম 
চপ, বেগুনি খাই
পাপড় ভাজার স্বাদের মতো
আর কিছুতে নাই।
ছানার মুড়কি, জিভে-গজা
লালমোহন সরভাজা
মন্ডা-মিঠাই সবার মাঝে 
জিলিপিটাই রাজা। 
আম কাঁঠালের আমোদ-গন্ধ 
ভাসছে দেদার হাওয়ায়
সবার কাঁধে একটা কাঁঠাল 
বাড়ি ফেরার সময়। 
নাগরদোলার বিশাল চাকা
বন্ বন্ বন্ ঘোরে
সবাই চাই যে আকাশ ছুঁতে
নাগরদোলায় চড়ে। 
বাঁশিওয়ালা বাজায় বাঁশি
রঙিন বেলুন ওড়াই
রথের মেলার মজা, আনন্দ 
আর কোথাও নাই। 
আকাশ জুড়ে মেঘ করেছে
বাড়ি ফিরে আসি
মায়ের কোলে বাজাই বসে
মেলায় কেনা বাঁশি! 

সোমবার, ১ জুলাই, ২০২৪

আজ থেকে শুরু হল... অঙ্কুরীশা -র পাতায়... ।। প্রতিদিন বিভাগ।। ।।জুলাই সংখ্যা।। ।।বিষয় -' রথ' বিষয়ক কবিতা -১।। আজকের কলমে— — রথযাত্রা - সুব্রত চৌধুরী।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।

  




  ।। প্রতিদিন বিভাগ।। 

।জুলাই সংখ্যা।। 

।।বিষয় -' রথ' বিষয়ক কবিতা -১।।




রথযাত্রা

সুব্রত চৌধুরী


ছুট ছুটা ছুট ছুটছে মানুষ

ঘুরছে চাকা রথ,

টান টানা টান রথের দড়ি

পুরবে মনোরথ।


ঝম ঝমা ঝম বৃষ্টি নামে

গম গমা গম ভিড়ে ,

হুড়োহুড়ি লুটোপুটি

হয় যে চ্যাপ্টা চিড়ে।


পিঁ পিঁ পিঁ পিঁ বাঁশির সুরে

রথের মেলা ওই,

ক্যাঁচ ক্যাঁচা ক্যাঁচ নাগরদোলা

চড়ে খোকা সই।


‘হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ

কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে’,

রথের দড়ি টেনে টেনে

জগন্নাথকে স্মরে ।