।। জুলাই সংখ্যা।।
।। কবিতা বিভাগ।।
।। বিষয় — রথযাত্রা-১১।।
।। জুলাই সংখ্যা।।
।। কবিতা বিভাগ।।
।। বিষয় — রথযাত্রা-১১।।
।। জুলাই সংখ্যা।।
।। কবিতা বিভাগ।।
।। বিষয় — রথযাত্রা-১০।।
রথ
মানস মুখোপাধ্যায়
রথ দেখা কলা বেচা নয়,
রথ দেখা ঘুগনি বেচা!
সেই কিশোরবেলার উন্মাদনা
মাথায় পোকা নড়লে যা হয় ,
পাড়ার রথে বন্ধুদের নিয়ে ঘুগনি দোকান
কিছু একটা করতে পারা ---
এই আনন্দটুকু আজো স্মৃতিরেখায় উজ্জ্বল
বয়সটা গড়িয়ে গড়িয়ে আকাশের কাছাকাছি
জানা নেই হঠাৎই ধুপ করে
জ্বলে উঠতে পারি অগণিত তারাদের মাঝে
তবু মন চায় রথের রশি ধরে টানতে
যাতে অনেক খারাপের মাঝে
ভালো কিছু হয়!!
।। জুলাই সংখ্যা।।
।। কবিতা বিভাগ।।
।। বিষয় — রথযাত্রা-৩।।
দারুব্রহ্ম
পুষ্প সাঁতরা
।। জুলাই সংখ্যা।।
।। কবিতা বিভাগ।।
।। বিষয় — রথযাত্রা-২।।
রথের গান
।। প্রতিদিন বিভাগ।।
।।জুন সংখ্যা।।
।।বিষয় -' রথযাত্রা'—১৩।।
সময়ের রথ বড়ই মহান
মনোজ ভৌমিক
ঈশ্বরেরা বিকলাঙ্গ হলে
জেগে ওঠে সময়ের রথ!
প্রবল প্রতাপী হয় ধর্ম
সমস্বরে অজস্র শপথ!!
উন্মত্ত উন্মাদ কোলাহলে
গুঞ্জরিত আষাঢ় বাতাস,
কারুর হয় মহা মোক্ষলাভ
কারুর একান্তে হাহুতাশ!
দড়ি টানাটানির খেলায়
সঙ্কীর্ণ হয়ে যায় রাজপথ!
ঈশ্বরেরা মুচকি হাসেন,
পূর্ণ হোক ভক্ত মনোরথ।
প্রতিবার পরিমাপ করে
পথ আর রথের দূরত্ব,
অন্তহীন পথে রথ এগোয়
পথ যেন সময় নিমিত্ত।
সর্বজ্ঞ ঈশ্বরেরা জানেন,
প্রতিটি মানুষই বিকলাঙ্গ!
রথ আর প্রশস্ত পথ ছাড়া
ওরা এক্কেবারে নিস্তরঙ্গ।
সময়ের রথ বড়ই মহান
নির্জল মেঘে দুর্যোগের গান।
।। প্রতিদিন বিভাগ।।
।।জুন সংখ্যা।।
।।বিষয় -' রথযাত্রা'—১২।।
রথের মেলাতে
কালাকার
চারিদিকে সবাই খুশিতে ডগোমগো
নেই খুশির মাত্রা,
জগন্নাথ চলেছে আজ রথে চড়ে
আজ যে রথযাত্রা।
কেউ কেউ হাজির পুরীর সেই রথে
কেউ হুগলির মাহেশে,
আবার ও কেউবা ইস্কনের সাথে
দুলকি চালে আশেপাশে।
ভেসে যে আসছেই ম ম সেই গন্ধ
মানুষেরই কোলাহল,
নানা পসরাতেই সাজিয়ে বিকিকিনি
হুমড়িয়ে ক্রেতার ঢল!
বিকোচ্ছে নানান ফুলেরই চারা
নানান গাছ গাছালি,
গুড়ের জিলাপী ফাস্ট ফুড দোকানে
মুহূর্তে সব খালি!
নাগর দোলাতেই কেউ খুশি চড়েই
আনন্দে হাল্কা হাসি,
ভিড়ের সে মধ্যে ঠেলাঠেলি করেই
মনের আনন্দে বাঁশি!
ওই পথ শিশুটি এসেছেও মেলায়
আশ কিনবে সে খেলনা,
একরাশ হতাশা তাকিয়ে সে দিকেই
কে মেটাবে তার বায়না!
চারিদিকে ভীষণ খুশির সে মাঝেই
চোখ দিয়ে পড়ছে জল,
সোনার চামচে না জন্মানোর দুঃখে
নয়নে জল অবিরল!
বলরামের সাথে সুভদ্রাও চলেছে
সুসজ্জিত চড়ে রথে,
সবার মনে আশ টানবে রথ রশি
পাপ তাপ মুক্ত হতে!
ছুটেই গেল সেই পথ শিশুটিও
ছুঁতে রথের সেই রশি,
সব দুঃখ তাপ টেনে নেবেই দেব
যদি জীবনে সুখ আসি!
হঠাৎ দেখে সে যে পিঠে হাত দিয়েই
ছোটো এক পিকু সোনা,
বললে বাবাকেই আব্দার সে করে
তার আছে কিছু বায়না!
যদি কিছু তুমিই মনে নাহি করোই
দেবো আমার কেনা রথ,
দেখবো ওর আজ মুখের সেই হাসি
পুরেই ওর মনোরথ!
বিস্ময়ে হতবাক পথ সে শিশুটিও
আনন্দে চোখে জল,
সত্যিই এখনো আছে এমন মানুষ
নয়কো চোখের সে ছল!?
গর্বে বাবা তাই বুকের সেই মাঝে
জড়িয়ে পিকুকে ধরে,
তোকে জন্ম দিয়ে হলাম গর্বিত
ধন্য এই চরাচরে!
পথ শিশু তখন ছুটে এসে আদরে
পিকুকে দেয় ছোট্ট চুমি,
বলে, পেয়ে গেছি তো মোর সে জগন্নাথে
দেবশিশু ওরে তুমি!
।। প্রতিদিন বিভাগ।।
।।জুন সংখ্যা।।
।।বিষয় -' রথযাত্রা'—১১।।
শুভ রথযাত্রা
জীবন সরখেল
।। প্রতিদিন বিভাগ।।
।।জুন সংখ্যা।।
।।বিষয় -' রথযাত্রা'—১০।।
রথ দেখা কলা বেচা
।। প্রতিদিন বিভাগ।।
।।জুন সংখ্যা।।
।।বিষয় -' রথযাত্রা'—৯।।
জগতের নাথ
।। প্রতিদিন বিভাগ।।
।।জুন সংখ্যা।।
।।বিষয় -' রথযাত্রা'—৮।।
স্মৃতির ভেলায় রথের মেলা
জয়শ্রী সরকার
।। প্রতিদিন বিভাগ।।
।।জুন সংখ্যা।।
।।বিষয় -' রথযাত্রা'—৭।।
শুভ রথযাত্রা
।। প্রতিদিন বিভাগ।।
।।জুন সংখ্যা।।
।।বিষয় -' রথযাত্রা'—৬।।
কে যাবি আয় রথের মেলায়
দীনেশ সরকার
কে যাবি আয় রথের মেলায় আয় রে ছুটে আয়
রথের রশি টানতে হবে লগন বয়ে যায়।
জগন্নাথ আর বলভদ্র সুভদ্রা মাঝখানে
উপবিষ্ট আজ যে রথে মাসির বাড়ির টানে।
পৌঁছে দেবো মাসির বাড়ি টেনে রথের রশি
ধুয়ে যাবে পাপ সবই ভাই রশিতে হাত ঘষি।
উল্টোরথে ফিরবে তারা আবার রথেই চড়ে
রথতলাতে রথের মেলা চলবে ক’দিন ধরে।
রথের মেলায় ভারী মজা চল্ রে নেবো লুটে
করিস্ নে আর দেরী তোরা আয় রে সবাই ছুটে।
জিলিপি আর পাঁপড় ভাজা খাবো খাস্তা গজা
নাগরদোলায় দুলবো সবাই হবে ভারী মজা।
পুতুলনাচ আর ম্যাজিক শো-ও দেখবো দুচোখ ভরে
রথের মেলায় খুশি-মজা পড়বে শুধুই ঝরে।
কত কি যে কিনবো সবাই রথের মেলা থেকে
আষাঢ় মাসে রথের মেলা যাচ্ছে যে ওই ডেকে।
।। প্রতিদিন বিভাগ।।
।।জুন সংখ্যা।।
।।বিষয় -' রথযাত্রা'—৫।।
রথযাত্রা
।। প্রতিদিন বিভাগ।।
।।জুন সংখ্যা।।
।।বিষয় -' রথযাত্রা'—৪।।
রথের রচনা
মানস মুখোপাধ্যায়
পাড়ার রথ---
রথ দেখতে যাবো আর কলা বেচবো না ,
তাই কি হয়!
পাড়ার বন্ধুরা সহমত পোষণ করে স্হির হলো
এবার আমরা ঘুগনির দোকান দেবো,
উদ্বৃত্ত অর্থ পাড়ার পূজোতে ব্যয় করবো,
আমাদের রথ কাঁধে বয়ে নিয়ে যেতে হয়
থাকে না জগন্নাথের পরিবার!
থাকে রাধাকৃষ্ণ!
বিস্মিত হলেও এটাই সত্য !
ঘুগনি বেচা প্রায় শেষের পথে
চাহিদা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে,
বদবুদ্ধি মাথায় খেললো!
নিয়ে আসা হলো গরম জল
মেশাতেই ঘুগনির উচ্চতা বাড়লো!
মানুষের খাওয়ার চাহিদা মিটলো
তবু যেন মনে খচখচ রয়েই গেলো,
ভাবলাম এভাবেও মানুষকে
বোকা বানানো যায়!
আমার কথাটি ফুরালো নটে গাছটি মুরোলো!
______________________________________
।। প্রতিদিন বিভাগ।।
।।জুন সংখ্যা।।
।।বিষয় -' রথযাত্রা'—৩।।
রথযাত্রা ও বৃষ্টিধারা
গোবিন্দ মোদক
বুক পকেটে বর্ষা নিয়ে বের হয়েছি
রথতলার উদ্দেশে —
টগর হাসনুহানা স্নান সেরে সতেজ;
কচুবনে ব্যাঙেদের মহোল্লাস;
ওরা জানে না আজ মানুষদের রথযাত্রা এবং
জিলিপি পাঁপড় ঘুঘনির জমকালো আয়োজন;
ভিজে মাথায় রথের দড়ি টানার ইতিহাসও
ওদের নিতান্তই অজানা;
তবু সৃষ্টিসুখের উল্লাসে ওদের বৃন্দগানে
মাতোয়ারা হরিহরপল্লী পেরিয়ে
আমি পৌঁছে যাই কাঙ্খিত রথতলা প্রাঙ্গনে।
ইতিউতি জলকাদা। দোকানীরা বিভ্রান্ত।
পুণ্যার্থীরা এলোমেলো পদক্ষেপে দিশেহারা।
ওদিকে রথারূঢ় জগন্নাথ নির্বিকার।
বলরাম, সুভদ্রা চেয়ে থাকে দূরে… ।
ধূপের গন্ধে পূজারীর হিসাবনিকাশ
অনেকটাই এলোমেলো।
মাইকের গান ছাপিয়ে বাজ পড়ে ক্কড়-ক্কড়!
ছিপছিপে বৃষ্টি এখন মুষলধারা।
রথযাত্রা আর বৃষ্টিধারা একাকার হয়ে যায়।
।। প্রতিদিন বিভাগ।।
।।জুন সংখ্যা।।
।।বিষয় -' রথযাত্রা'—২।।
রথযাত্রা
সুব্রত চৌধুরী
ইলশেগুঁড়ি বিষ্টি ভেজা
কালো পিচের পথ,
মোক্ষলাভের আশায় ভক্ত
টানে প্রভুর রথ।
রথের ভেতর বসে আছেন
জগৎ প্রভু ওই,
হাতে হাতে বিলোয় প্রসাদ
নকুলদানা খই।
জগৎ প্রভুর ছবিখানি
ফুলে ফুলে সাজে,
হরিনামের সুরে সুরে
খোল করতাল বাজে।
নোলক নাকে সুভদ্রার ওই
হাসিমাখা মুখ,
রথের দড়ি টেনে ভক্ত
পায় যে অপার সুখ।
রথের চাকা কাদা মাখা
বৃষ্টি নামে ঝুপ,
জগৎ প্রভুর আশীষ পেয়ে
ভক্ত খুশি খুব।
।। প্রতিদিন বিভাগ।।
।।জুন সংখ্যা।।
।।বিষয় -' রথযাত্রা'—১।।
রথের মেলা