গ্রীষ্মের দুপুর —৩২
দুর্গাদাস মিদ্যা
গরম না থাকলে
গ্রীষ্মের দুপুর —৩২
দুর্গাদাস মিদ্যা
গরম না থাকলে
গ্রীষ্মের দুপুর —৩১
সুদীপ কুমার চক্রবর্তী
দহনবেলা
গ্রীষ্মের দুপুর -৩০
জয়শ্রী সরকার
গ্রীষ্মকালের ভরদুপুরে
গ্রীষ্মের দুপুর —২৯
অরুণ কুমার দাঁ
গ্রীষ্ম দুপুর বাজায় নূপুর
গ্রীষ্মের দুপুর -২৮
মানস মণ্ডল
১.
গ্রীষ্মের দুপুর
কুব কুব কন্ঠে নিয়ে
নির্জন দুপুর
নেমে আসে পায়ে পায়ে
রৌদ্রের নূপুর।
বাজে গ্রীষ্ম শুষ্ক মাঠ
জ্বলে জটাজুট
কোথাও রয়েছে শান্ত
লেখা অর্ধস্ফূট।
এসেছি রাজার মত
যাব ঝড় তুলে
পেছনে মেঘের কাব্য
শোন পাতা খুলে।
২.
গ্রীষ্মের ভাষা
গ্রীষ্মের দুপুরটি
একা একা পুড়ছে
পথে-ঘাটে কেউ নেউ
পাখ-পাখি ধুঁকছে।
জল নেই, জল নেই
নদী-নালা খটখট
ফুটি-ফাটা মাঠ থেকে
কুকুরটা চটপট
ঘরে ফিরে, বোসেদের
দানাপানি চাটছে
ঘোষেদের হাঁসগুলো
ঘরে বসে ভাবছে।
আকাশ বাতাস কাঁদে
ঘোরে চক্রাকারে
কাটে না, কাটে না দিন
চাতকের হাহাকারে।
কবে যে আসবে মেঘ
ভেজাবে গ্রীষ্ম ভাষা
ছড়াটি পেখম মেলে
জাগালো নতুন আশা।
গ্রীষ্মের দুপুর -২৭
গ্রীষ্মের দুপুর
গ্রীষ্মের দুপুর -২৬
দীনেশ সরকার
গ্রীষ্ম
গ্রীষ্মের দুপুর -২৫
অনীশ ঘোষ
গরম কাটুক বৃষ্টি আসুক
গরমের দুপুরে
ঝমাঝম নূপুরে
নাচে যদি বরষা
আরামের প্রাণ
ভুলে আনচান
পায় পুরো ভরসা।
চাই না গরম এই
থাকব যে নরমেই
কুল কুল ঠান্ডা
ধেয়ে এসো বৃষ্টি
ধুয়ে দিয়ে সৃষ্টি
দেখাও তো ফান্ডা!
ঘুচে যাক কালোকুলো
গরমের দিনগুলো
সকলের হোক ভালো
প্রকৃতির শান্তি
দূরে যাক ক্লান্তি
জ্বলুক ঋতুর আলো।
গ্রীষ্মের দুপুর -২২
শঙ্খশুভ্র পাত্র
গ্রীষ্মের দুপুর
গ্রীষ্মের দুপুর যেন সে 'লু'-পুর
অঙ্গ ভরেছে ঘামে,
এই অশান্তি নিয়ে কি ক্লান্তি
পড়ে আছি নিজ গ্রামে ৷
শুকনো পুকুর, রুগ্ন কুকুর
খুকুর দুঃখ ভারি,
কালবৈশাখি দিল খুব ফাঁকি,
বর্ষার তরবারি
ঝলসে ওঠে না, বিজলি ফোটে না
নীল আকাশের বুকে,
তবু এ গ্রীষ্ম, দুপুর-দৃশ্য
কেউ আঁকে সুখে-দুখে ৷
গ্রীষ্মের দুপুর -২১
সুবীর ঘোষ
গ্রীষ্মের দুপুর
গ্রীষ্মের দুপুর -২০
দীপক বেরা
গ্রীষ্মের দিনলিপি
গ্রীষ্মের দুপুর —১৯
প্রদীপ্ত সামন্ত
গ্রীষ্মের পরিবেশ
ছন্দ বিহীন পথ চলা ওই
গাঁয়ের মেঠো আল ধরে,
ছায়ায় ঘেরা সকাল বিকেল
দিনের শেষে যায় সরে।
আম কাঁঠালের জামের বনে
লিচুর বাজার রমরমা,
ভাত ঘুমেরই পরেই দেখ
মনটা কেমন চনমনা!
জল কমেছে পুকুর খালে
বক দাঁড়িয়ে মাছ খোঁজে,
ডাহুক পাখি পানকৌড়ি
মাছরাঙা ঠিক তাল বোঝে।
তপ্ত হওয়ায় নিঝুম দুপুর
পথ ঘাটে নেই লোক কোন,
ভেংচি কাটে গোঠের রাখাল
কোকিলের ঐ ডাক শোন।
শান্তি যে নেই গরম ভীষণ
এসি ফ্যানের নাই বিরাম,
এক ফোঁটা জল বৃষ্টি যে চাই
তবেই মিলবে খুব আরাম।
গ্রীষ্মের দুপুর -১৮
সুনীল করণ
গ্রীষ্ম কাটুক গানে গানে
গ্রীষ্মের দুপুর -১৭
মুক্তি দাশ
ভালোই লাগে না গরমে
গ্রীষ্মের দুপুর -১৬
বদ্রীনাথ পাল
নিদ্ নেই
গ্রীষ্মের দুপুর -১৫
শ্রীমন্ত দাস
১.
তপ্ত দুপুর
তপ্ত দুপুর কুকুর গুলো ধুঁকছে পথের পরে,
তপ্ত রোদে পান্থ বাঁশীর সুর শোনা যায় দূরে।
জলের খোঁজে তপ্ত মাঠে হাঁড়িচাচার দল,
ঝাপটে ডানা কাকের ছানা খাচ্ছে ডোবার জল।
হাটুরেরা ফিরছে ঘরে ঘর্মে বেজায় নেয়ে,
পথের ধারে বিরাম নিতে বসছে তরুর ছায়ে।
খালের জলে নাইতে সেথায় আদুড় ছেলের দল,
ঝাঁপিয়ে মজায় জলের মাঝে ডুবছে অনর্গল।
ফিরছে বধূ কলসি কাঁখে সিক্ত বসন পরে,
ল্যাংটো শিশু ছুটছে পিছু মায়ের হাতটি ধরে।
তপ্ত রোদে বাইছে মাঝি খেয়ার যাত্রী নিয়ে
তীরে গাইছে অন্ধ কানাই কষ্টে পেটের দায়ে।
কাতরে গরু তপ্ত মাঠে হাম্বা হাম্বা করে,
গেরস্তবৌ দড়ির টানে তুলছে গোয়াল ঘরে।
ছাদের পরে তন্দ্রা ঘোরে ভাবছে খুকু জলি,
উদাস সুরে হাঁকিয়ে যেতো হলে বাসনওয়ালী।
মন্দ হয় না ভাবছে অমল পারতো যদি হতে!
দই ওয়ালা হয়ে সে আজ হাঁকতো পথে পথে।
তপ্ত রোদে ভিজতে মানা বাড়ির লোকের আদেশ,
শৈশব মন ইচ্ছেডানায় হচ্ছে নিরুদ্দেশ।
তপ্ত রোদে দুপুর বেলা ভাবছে কবিগন ,
গরম গরম হোক না কাব্য উদাস করে মন।
২.
অধিকার
কি রোদ্দুর! ভরদুপুরে
গ্রীষ্মে ঘর্ম ঝরে,
চাতক ডাকে কাতর হয়ে
ফটিক বারি তরে।
কাকের ছানা মেলে ডানা
তৃষায় খোঁজে জল,
মাঠের মাঝে ডোবায় নেমে
খাচ্ছে অনর্গল।
পানের শেষে ভিজিয়ে ডানা
করছে কাক স্নান,
শীতল হলো, শান্তি পেল
জুড়ালো তার প্রাণ।
ছুটলো সেথা বাতেলা বালা
দুইটি ধূর্ত শালিক,
বললো হেঁকে জল খেও না
আমরা তো এর মালিক।
যাঃ-যাঃ করে তাড়িয়ে এল
ক্রুদ্ধ কাকের ছানা,
প্রকৃতির সব সবার তরে
হেথায় কেন মানা?
কাকের ডাকে পাখপাখালি
এলো ঝাঁকে ঝাঁকে,
কাবু হলো ধূর্ত শালিক
আর কি সেথায় থাকে?
গ্রীষ্মের দুপুর —১৪
অশোক ব্যানার্জী
দেখি কবে বর্ষা আসে
তপ্ত দুপুর
চড়া রোদ্দুর
মাঝ আকাশে
সূর্য হাসে
অট্ট হাসি !
রাশি রাশি
আগুন ঝরে
যাচ্ছি দগ্ধে
যাচ্ছি পুড়ে।
এই গরমে
মানুষ জন
অতিষ্ঠ বেশ
সর্ব ক্ষণ।
কুকুর গুলো
ধুঁকছে বটে
মাঝে মাঝে
খেঁকিয়ে ওঠে।
কোথায় বর্ষা?
হাহাকার!
নাম গন্ধ
নেইতো তার।
শুনতে পাচ্ছি
উত্তরে
বর্ষা ঢুকলো
এইবারে।
দক্ষিণেতে
আসবে কবে
এবার সেটা
জানতে হবে।
সেই আশাতেই
আছি বসে
দেখি কবে
বর্ষা আসে।
গ্রীষ্মের দুপুর -১৩
মোঃ ফায়জল বাকী
গ্রীষ্মের দুপুর