লেবেল

গদ্য কবিতা ( উন্মুক্ত) লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
গদ্য কবিতা ( উন্মুক্ত) লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২৪

। প্রতিদিন বিভাগ।। ।। নভেম্বর সংখ্যা।। ।। গদ্য কবিতা ( উন্মুক্ত) —২৭।। শীত সকালের চিঠি — অসিত কুমার রায়।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।




।।।।  প্রতিদিন বিভাগ।। 

।। নভেম্বর সংখ্যা।। 

।। গদ্য কবিতা ( উন্মুক্ত) —২৭।। 




শীত সকালের চিঠি 

অসিত কুমার রায়



রঙ্গন বলেছিল ওখানে যখন শীত পড়বে বরফে ঢেকে যাবে শহর। তখন সে চলে আসবে আমার কাছে। আমার ৪২৬ এর উঠানে রক্তিম রঙে নিজেকে ফুটিয়ে নিতে। এখনো কি তেমন শীত পড়েনি বরফ জমেনি তোর জানলার শার্সিতে। বেলচা দিয়ে ঘরে ফেরার পথ পরিস্কার করতে হয়নি বল! তোর ফিরে আসার পথ চেয়ে আছিরে। ডানা মেলে পরিযায়ীরা আসতে শুরু করেছে। রোজ সকালে দেখি দলে দলে আসছে আকাশ ঘিরে ঘিরে। এখনো বুঝি তোর সময় হলনা। টগরের সবুজ হলুদ হয়ে শুকিয়ে যাচ্ছে ফুলেরা  যায় একে একে ঘুমের দেশে।এখনি তোর এই ফুলের বাসরে আসর জমিয়ে রাখা খুব প্রয়োজন।

    তাও বলে রাখি সামনের সপ্তাহে যদি আসিস আমায় পাবিনা।বাড়িতে তালা ঝোলা দেখে ভাবিস না আমি হারিয়ে গেছি বা ঠিকানা পাল্টে ফেলেছি। লখনউ যাচ্ছি কিছু হিসাব চুকিয়ে নিতে। আবার আসব ফিরে কথা দিলাম তখন যেন তোর পথ চেয়ে না আর বসে থাকতে হয়। অনেক কথা জমে আছে বুকে, সবটা শুনতে হবে এই আব্দার অবশ্যই আমিই করতে পারি।

বুধবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২৪

।। প্রতিদিন বিভাগ।। ।। নভেম্বর সংখ্যা।। ।। গদ্য কবিতা ( উন্মুক্ত) —২৬।। কোন না কোন অজুহাতে — বিকাশ দাস।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।




।।।।  প্রতিদিন বিভাগ।। 

।। নভেম্বর সংখ্যা।। 

।। গদ্য কবিতা ( উন্মুক্ত) —২৬।। 



কোন না কোন অজুহাতে

বিকাশ দাস

 

আঘাত পেলেও

তোমার কথা শুনতে আমার ভালো লাগে।  

তুমি মুখ ফিরিয়ে চলে গেলেও

আমার দু'চোখ তোমাকে ধরে রাখে

আমি তোমার অযোগ্য হলেও

স্রোতের শেষ নেই জেনে আজও জীবনের ফাঁকে

ফুলের মত ফুটে ওঠার জীবন দেখি চলার বাঁকে।

 

ফিরে আসি বার বার আগুনের হোমে বৃষ্টি-বাসনার সাধনাতে

তোমাকে ছুঁয়ে ভালোবাসার কাছে ভালোবাসা চেয়ে একসাথে

শুয়ে পড়ার নিশ্চিন্তের ঘুম খুঁজতে কোন না কোন অজুহাতে।

 


মঙ্গলবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২৪

।।। প্রতিদিন বিভাগ।। ।। নভেম্বর সংখ্যা।। ।। গদ্য কবিতা ( উন্মুক্ত) —২৫।। শ্রেষ্ঠ কবিতা — শান্তনু ঘোষ।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।




।।।।  প্রতিদিন বিভাগ।। 

।। নভেম্বর সংখ্যা।। 

।। গদ্য কবিতা ( উন্মুক্ত) —২৫।। 



শ্রেষ্ঠ কবিতা

শান্তনু ঘোষ

চারিদিকে মাটির গন্ধ। কী এক টানে
মানুষ তার সবটুকু রেখে যেতে চায় এখানে

                 ভাবি আর অবাক হই,

চাঁদের মতন পোড়া রুটি খেয়ে তবু
মাটির বুকে মানুষ খোঁজে শ্রেষ্ঠ আশ্রয়।

সোমবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২৪

।।।। প্রতিদিন বিভাগ।। ।। নভেম্বর সংখ্যা।। ।। গদ্য কবিতা ( উন্মুক্ত) —২৪।। নির্বাণের কবিতা — মারুফ আহমেদ নয়ন।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।




।।।।  প্রতিদিন বিভাগ।। 

।। নভেম্বর সংখ্যা।। 

।। গদ্য কবিতা ( উন্মুক্ত) —২৪।। 



নির্বাণের কবিতা

মারুফ আহমেদ নয়ন

মধু পূর্ণিমার রাতে, বৌদ্ধ সন্ন্যাসী হয়ে ঘুরি। 
চিরহরিৎ অরণ্যে ফুটো না কুসুম। সুন্দরী মৌটুসি
দেয় তীব্র শিস। বনে ফুটেছে বিজু। সোনালী
ধনুকের ক্ষতে লীণ হয়ে আছি। আমাকে দাও
শুশ্রুষা। সঙ্গম শেষে স্ত্রী অক্টোপাসটি খেয়েছে
পুরুষ সঙ্গীকে। তার শোকে পাথর হলাম।
প্রাণীজগৎ এর মাতমের কালে পেলাম মানব
জীবন। সবুজ ময়ূরী তোমার প্রেমে পড়লাম।
বিরহে মিশে গেছি হায়েনার দলে। করিনি লাভ
সম্যক দৃষ্টি। সংকল্পে জ্যোর্তিবিদ্যায় হতে পারিনি
নির্ভুল। আমার কি হবে মোক্ষ লাভ! বনপ্রান্তে
তিসির খেত থেকে পৌঁছে গেছি লুম্বিনীর রাজ
দরবারে। সংসার-বিরাগী পিতাকে কি চিনে
নেবেন পুত্র! পরণে গেরুয়া পোশাক। চোখে
নির্বাণের তেজস্বী। সাধক পুরুষ এসে দাঁড়ালো
ভিক্ষাপাত্র হাতে। তাকে আরোগ্য দাও। বলো,
নিব্বানং পরমং সুখং।

রবিবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২৪

।।। প্রতিদিন বিভাগ।। ।। নভেম্বর সংখ্যা।। ।। গদ্য কবিতা ( উন্মুক্ত) —২৩।। প্রত্যভিজ্ঞা — জীবন সরখেল।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।




।।।।  প্রতিদিন বিভাগ।। 

।। নভেম্বর সংখ্যা।। 

।। গদ্য কবিতা ( উন্মুক্ত) —২৩।। 



প্রত্যভিজ্ঞা

জীবন সরখেল


অস্থিরতার প্রারব্ধ দেওয়ালেও প্রজাপতি বুনে যায় সবুজ সংলাপ 
শস্য কেটে ফেলার পর উচ্ছিষ্ট শরীরে পড়ে মোমের আগুন প্রলেপ!
প্রলোভনের কেরোসিন শিখা স্বার্থচাঁদের সন্তান দত্তক নেয়;
হেরে যাওয়া অবনমনের ভোর পেছন দিকেই যেন এগিয়ে যায় 
আত্মসুখ ভোগ রোগ প্রবঞ্চনা চক্রের অবশ্যম্ভাবী যাঁতাকলে সঙ্গ দেয় উন্নাসিকতা ফোড়ন নাকি মায়াবী মায়ামোহজাল ?
তবু ঠিক একদিন হাতে হাত মিলিয়ে ঘাম রক্ত অশ্রু মেশা নোনাজলের লাল চোখে বেঁধে দেবোই প্রত্যয়ী বিবেক....

শনিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২৪

।।। প্রতিদিন বিভাগ।। ।। নভেম্বর সংখ্যা।। ।। গদ্য কবিতা ( উন্মুক্ত) —২২।। একটি জন্মদিন — অলক্তিকা চক্রবর্তী।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।




।।।।  প্রতিদিন বিভাগ।। 

।। নভেম্বর সংখ্যা।। 

।। গদ্য কবিতা ( উন্মুক্ত) —২২।। 



একটি জন্মদিন 

অলক্তিকা চক্রবর্তী 



দিনটি যেন গান...
অসঙ্গ শব্দের খুব কাছেই নতজানু সময়
 বিধিবদ্ধ নিয়মকানুন মেনে আরো একটা বছর পার

 বামাবর্তী নাকি দক্ষিণপন্থী,
 বুঝতে না বুঝতেই কেটে যাওয়া বেলায়
গুছিয়ে নেওয়া রসদ সংগ্রহ ক'রে
 কাঠকুটো জ্বালবার চেষ্টা করতেনা করতেই
আবার অথৈ...

 হাবুডুবু খাওয়ার সংসার আবর্তে 
ঢাল তলোয়ার বাঁচিয়ে যুদ্ধ-যুদ্ধ ধুলোখেলায় 
 যেন ইন্ধন যোগায় কলহান্তরিত মেঘ 

বাইরে তখন আকুল শ্রাবণ 
বেজেই চলেছে...বেজেই চলেছে

 কোন একটি বিশেষ দিনকে সঙ্গী করে

শুক্রবার, ২২ নভেম্বর, ২০২৪

।।।। প্রতিদিন বিভাগ।। ।। নভেম্বর সংখ্যা।। ।। গদ্য কবিতা ( উন্মুক্ত) —২১।। মরুক্ষেতে বৃষ্টি নামুক — জয়শ্রী সরকার।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।




।।।।  প্রতিদিন বিভাগ।। 

।। নভেম্বর সংখ্যা।। 

।। গদ্য কবিতা ( উন্মুক্ত) —২১।। 



মরুক্ষেতে বৃষ্টি নামুক 

জয়শ্রী সরকার 

মরুক্ষেতে শব্দবীজ বশ্যতা মেনেছে কি? 
পেরেছে কি অঙ্কুরোদ্গম ঘটাতে ?
পারেনি।  
পারেনি বলেই মেঘের কাছে 
বার্তা পাঠাচ্ছি —
মরুঝড় বন্ধ করে 
তরমুজ বনে বৃষ্টি আনুক মেঘ।

অক্ষর, পদ, পংক্তিমমা অতিক্রম করে 
শব্দবীজের মালা গেঁথে 
সম্পূর্ণ একটা বাক্য গড়ে উঠুক,
যার শেষ কথা —সাম্যবাদ !

বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর, ২০২৪

।।। প্রতিদিন বিভাগ।। ।। নভেম্বর সংখ্যা।। ।। গদ্য কবিতা ( উন্মুক্ত) —১৯।। যে কথা হয়নি বলা — বিকাশ দাস।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।




।।।।  প্রতিদিন বিভাগ।। 

।। নভেম্বর সংখ্যা।। 

।। গদ্য কবিতা ( উন্মুক্ত) —১৯।। 



যে কথা হয়নি বলা

বিকাশ দাস


 

এসে পড়লে যখন অন্তরের অন্তরে 

সেই এক বুক ঝোড়ো বৃষ্টির গল্প যাও করে

নিশির শিশির ভোর তোলপাড় একাকার করে

আমার ঘুমের গভীর ছুঁয়েছিল।

 

সেই গান আবার শুনতে চাই তোমার গলায়

আমার বিদায় বেলার শেষে আকাশের কুয়াশায়

চোখ রেখে তুমি গেয়েছিলে।

 

সেই ভোরের পাখি আলোর পালকি

সেই সাঁঝের ঘরে ফেরা পাখির কথা যাও বলে

যা কোনদিন বলোনি আমায় যদিও কথা দিয়েছিলে বলবে বলে। 

 

আলোর আড়ালে

আমার সেই ছবি কেন লুকিয়ে লুকিয়ে দেখো

আমার দৃষ্টি হারানোর পর তুমি তুলেছিলে নিজের হাতে।

আর ও আর ও ভালবাসবে বলে খোঁপায় গুঁজে জুঁই বেলি

জাগিয়ে রাখো আমার আঁখি অনিন্দ্য নিশীথ মাঝরাতে। 

 

 


বুধবার, ২০ নভেম্বর, ২০২৪

।।।। প্রতিদিন বিভাগ।। ।। নভেম্বর সংখ্যা।। ।। গদ্য কবিতা ( উন্মুক্ত) —১৮।। বৈভব-রাত্রি শেষে — গোবিন্দ মোদক।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।




।।।।  প্রতিদিন বিভাগ।। 

।। নভেম্বর সংখ্যা।। 

।। গদ্য কবিতা ( উন্মুক্ত) —১৮।। 




বৈভব-রাত্রি শেষে 

গোবিন্দ মোদক 


মনে পড়ে সেই সব অফুরান রাতের কথা ...

অজস্র তারার মালায় সাজানো 

সুষুপ্তির কথা ... 

যখন দু'হাতে এঁকেছি নিবিড় সমর্পণ 

আর দু'ঠোঁট জুড়ে ইচ্ছাপত্র ...

যখন অপূর্ব লাবণ্যে 

টুপটাপ ঝরে জ্যোৎস্না সমীহ... 

আশ্চর্য সুষমা তার নিবিড় নৈকট্যে,

যখন ঈষদুষ্ণ সময় জুড়ে প্রত্যাশার ভিড় ...

ক্লান্তিহীন অবগাহন ...

পরিপাটি চারুকলা-বন ... 

আহা! অসম্ভব মোহময় 

সে সব কমনীয় মুহূর্ত ...

চরাচর জুড়ে ভালোবাসার নিজস্ব অরণ্য... 

যখন মালকোশ-যাম জুড়ে 

ছন্দপতনের গান আর পুননির্মিত সমীকরণ,

পালকের ধূসরতা ছেড়ে 

উঁকি মারা হরিৎক্ষেত্র,

আহা! রাত্রির অন্ধকার থেকে

            মুছে নেওয়া তৃপ্তি ঘাম, 

মনে পড়ে, খুব মনে পড়ে .... 


মনে পড়ে সেই সব অফুরান রাতের কথা.... 

মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২৪

।।। প্রতিদিন বিভাগ।। ।। নভেম্বর সংখ্যা।। ।। গদ্য কবিতা ( উন্মুক্ত) —১৭।। পোষা আয়নায় — কুশল মৈত্র।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।




।।।।  প্রতিদিন বিভাগ।। 

।। নভেম্বর সংখ্যা।। 

।। গদ্য কবিতা ( উন্মুক্ত) —১৭।। 



পোষা আয়নায়

কুশল মৈত্র


গোপন কথারা ধরা দেয় ফেসবুকে 

ইচ্ছে আর অনিচ্ছের চারপাশ ঘিরে রয়েছ তুমি। 

নির্জনে তুমি আসো আমার পাশে 

দাঁড়াও চোখের পাতায়। 

অনির্বচনীয় ইচ্ছেগুলিকে আমি চাষ করি প্রতি রাতে 

তুমি অনুভবে ধরা দাও আমার গোপন রাতে! 

বিছানার ওপর জ্বর আসে 

নিয়ন্ত্রণহীন জীবন শুধু খোঁজে তোমায়! 

অন্তরালের আড়াল থেকে 

তুমি সবসময় দেখে চলেছ! 

মাস দিন বছর রাতগুলো চুরি হয়ে গেছে 

হয়তো বোধের ঘরে। 

আয়নায় ক্যানভাসে জলছবিতে তুমি বেরিয়ে আসো 

আমার বুকের মধ্যে থেকে। 

তোমাকে আমি রেখেছি আয়নায় জড়িয়ে...




সোমবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২৪

।।। প্রতিদিন বিভাগ।। ।। নভেম্বর সংখ্যা।। ।। গদ্য কবিতা ( উন্মুক্ত) —১৬।। দরজায় কড়া নাড়ার শব্দ — হীরক বন্দ্যোপাধ্যায়।। Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।




।।।।  প্রতিদিন বিভাগ।। 

।। নভেম্বর সংখ্যা।। 

।। গদ্য কবিতা ( উন্মুক্ত) —১৬।। 



দরজায় কড়া নাড়ার শব্দ 

হীরক বন্দ্যোপাধ্যায় 

আকাশ ভেঙে দাও বৃষ্টি নামুক
গান গল্প কথারা বহুদিন কবিতা হতে পারে নি 
কবিরা কখনো কাঁদে না মাথা নেড়ে সান্ত্বনা  দেয়
একটি নারী কিম্বা শিশুর কান্না আর যেন লজ্জা না দেয়,বলছি তো সেরে যাবে পৃথিবীর অসুখ 
রাস্তা  তৈরি  হচ্ছে. ..
আজ না হয় কাল ফের ভোর আসবে 
মানে সূর্যোদয়ের লালিমা জানবে সবাই
এতদিন তিলে তিলে বিষে নীল হয়ে গেছে পৃথিবীর শরীর, আকাশ ভেঙে দাও বৃষ্টি নামুক 
গান গল্প  কথারা বহুদিন কবিতা হয়ে উঠতে পারে নি 
থমকে আছে,স্নায়ুযুদ্ধে 
গভীর উদ্বেগভরা প্রিয় চিত্রকল্প গুলি উপমা উৎপ্রেক্ষা সব কুন্ডলী পাকিয়ে পড়ে আছে এককোণে
তোমার স্বৈরাচারি মুখ না দেখলে 
কেউ কি জানতো দরজায় কড়া নাড়ার শব্দ কতো 
ভয়ংকর হতে পারে  ....

রবিবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২৪

।।।। প্রতিদিন বিভাগ।। ।। নভেম্বর সংখ্যা।। ।। গদ্য কবিতা ( উন্মুক্ত) —১৫।। বৃষ্টিস্বপ্ন — অর্ণব মিত্র।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।




।।।।  প্রতিদিন বিভাগ।। 

।। নভেম্বর সংখ্যা।। 

।। গদ্য কবিতা ( উন্মুক্ত) —১৫।। 




বৃষ্টিস্বপ্ন  

অর্ণব মিত্র    

 

বৃষ্টির ছবি ভেসে আসে। ফিরে আসে সেই স্নিগ্ধ শীতল বৃষ্টিময় দিনরাত

সন্ধ্যের বৃষ্টিতে দেখা যায় ঝাপসা পাড়া, রেল-কোয়ার্টার ও ভাঙ্গা দোকানঘরের সারি। ঠাণ্ডা হাওয়ার সাথে সাথে ভেসে আসে বৃষ্টির শব্দ, হিন্দি গানের সুর

ও চলমান কোলাহল। 

কেউ চলে যায় দূরে, তার অবয়ব গিয়ে মেশে অন্ধকারে।

দেখা যায় রেল-কোয়ার্টারের ধারে ধারে লাল মাটির উপর পায়ে চলা পথ

ঘাসের সবুজ রঙের মধ্যে দিয়ে অদৃশ্য হয়েছে বৃষ্টিসন্ধার অন্ধকারে।

খুঁজি কিশোর বয়সের চিহ্ন বৃষ্টির কুয়াশায় ঢালুপথে  আবছা আলোয় ডুবে থাকা

মায়াবী পাড়ায়।দেখি -টিউশন থেকে বাড়ি ফেরার জলে ডোবা পথ।

বাল্বের আলোয় দেখা যায় মসজিদ পুকুরের উপচে পড়া জল আর তার উপর বৃষ্টির ফোটা।

মনে হয় স্কুল থেকে বাড়ি ফিরছি ভেজা দুপুরে -ট্রেনলাইনের ধার দিয়ে

ধ্বসে যাওয়া লাল মাটির পথেদূরে বৃষ্টিভেজা লোকাল ট্রেনের

যাওয়া আসার শব্দে

গাছপালার সীমার ওপারে দিগন্তে আলো কমে এসেছে।

সন্ধের ঠাণ্ডা হাওয়ার সাথে ভেসে আসে বৃষ্টিভেজা ঘরবাড়ির ছবি।

দেখা যায় তরুণ সঙ্ঘ ক্লাব ভেসে আসে আড্ডার শব্দ আর ক্লাবের সামনে নেতাজীর মূর্তির উপর বৃষ্টি পড়ে চলে সারারাত।

দেখি ,দুটি রেল –কোয়ার্টারের মাঝে বৃষ্টি ভেজা সেই গলিপথ আর বৃষ্টি থামার পর সেই নিম গাছের মাথায় গলির উপর এসে দাঁড়িয়েছে চাঁদ।

এমনই এক বৃষ্টিময় দৃশ্যের মধ্যে বৃষ্টিস্বপ্নের ভিতর ঘুমিয়ে থাকি-

সারারাত বৃষ্টি পড়ে স্বপ্নের ভিতর।

 

শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৪

প্রতিদিন বিভাগ।। ।। নভেম্বর সংখ্যা।। ।। গদ্য কবিতা ( উন্মুক্ত) —১৩।। ভুল — দীপক বেরা।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।




।।  প্রতিদিন বিভাগ।। 

।। নভেম্বর সংখ্যা।। 

।। গদ্য কবিতা ( উন্মুক্ত) —১৩।। 



ভুল 

দীপক বেরা 

মালতির মা-কে আমি দোষ দিই না। বাসন মাজা শেষ করে আমার ঘর মুছতে এসে, শত ব্যস্ততার মাঝেও সে বিস্ময়ে তাকিয়ে থাকে আমার বুকশেলফের দিকে, বেশ কিছুক্ষণ। তারপর ঘর মুছতে মুছতে বলে, —দাদাবাবু, এইসব হিজিবিজি বই সারাক্ষণ আপনার মাথার মধ্যে গিজগিজ করে। বেশি ল্যাখাপড়া করলে মাথার বেলেন্স থাকে না। সেজন্যি তো বাজারে আপনার ভুল হয়, আর বৌদির বকা খান।
সেদিন মাঝরাতে যখন কবিতা লিখছি, তখন তুমি পাশ ফিরে শুতে গিয়ে বিড়বিড় করে বললে, —একটা ভুল মানুষের সাথে আমার বিয়ে হয়েছিল। আমি তোমার ঘুমন্ত মুখের আশ্চর্য দেখি। গান থেমে গেছে। হাওয়া নেই। কবিতার সমগ্র অক্ষর নিস্পৃহ। কবিতার খাতার পাতায় তোমার ছায়া। তখন ঘুমের মধ্যে একটা ভুলের স্বপ্ন দেখতে দেখতে তুমি দিগন্ত পেরিয়ে যাচ্ছ, প্রতিদিন...

বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২৪

।। প্রতিদিন বিভাগ।। ।। নভেম্বর সংখ্যা।। ।। গদ্য কবিতা ( উন্মুক্ত) —১২।। কুচক্রী বাতাস — পুষ্প সাঁতরা।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।




।।  প্রতিদিন বিভাগ।। 

।। নভেম্বর সংখ্যা।। 

।। গদ্য কবিতা ( উন্মুক্ত) —১২।। 




কুচক্রী বাতাস

 পুষ্প সাঁতরা


বোধের নরম ঘাস ছিঁড়ে ছিঁড়ে খাচ্ছে
ছদ্মবেশী বাঘ
তার কাছে খাদ্যের স্বাদ রস আনন্দ
সব অর্থ হীন
করাত কলের ঘ্যাস ঘ্যাস শব্দ
কাঠ খড় পোড়াচ্ছে কুচক্রী বাতাস
সন্ধি করে বীভৎস মানবতার কঙ্কাল
বিষধর সাপ জেগে উঠছে ক্রমশই
যাবতীয় ক্রীড়নক অন্ধকার
তীব্র আগুনে গিলে নেয় সব কিছু
চিতা ভস্ম ঘেঁটে ঘেঁটে দেখি
রুগ্ন অসুস্থ সময় কে—

বুধবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২৪

।। প্রতিদিন বিভাগ।। ।। নভেম্বর সংখ্যা।। ।। গদ্য কবিতা ( উন্মুক্ত) —১১।। গলি থেকে রাজপথ — দীপক বন্দ্যোপাধ্যায়।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।




।।  প্রতিদিন বিভাগ।। 

।। নভেম্বর সংখ্যা।। 

।। গদ্য কবিতা ( উন্মুক্ত) —১১।। 



গলি থেকে রাজপথ

দীপক বন্দ্যোপাধ্যায় 

গলি ও রাজপথে বাতিকস্বভাব নিয়ে ঘোরেফেরে ব্যর্থ প্রত্যাশারা । ভোরের শব্দহীন গলিপথ যতখানি ফাঁকা, তার থেকে তাকে যেন আরও বেশি ফাঁকা মনে হয় । নিশুত রাতের নির্জনতায় গলি ও রাজপথ নিশুতি ছায়ায় ঢাকে নিজেদের । নির্বাক-নিস্তব্ধতায় নিরাকার ব্যর্থ প্রত্যাশারাও হাওয়াশরীর মেলে ফাঁকা ফাঁকা গলিপথ ও রাজপথের নিশুত-নিরালায় ভেসে ভেসে ঘুরেফিরে আসে-যায় অস্ফুট হাওয়ায় হাওয়ায় । কখনো নৈ:শব্দ ভেঙে ফাঁকা রাজপথ ধরে ইতস্তত ছুটে যায় এক-আধটা গম্ভীর শব্দ তোলা রহস্যগাড়ি । কাশির শব্দ ক'রে দৈবাৎ নির্জন গলিপথে নি:সঙ্গ হেঁটে যায় দু'-একটা অবাকমানুষ । এসবে ভ্রুক্ষেপ  না-রেখে ব্যর্থ প্রত্যাশারা গলি ও রাজপথে হাওয়ার স্বভাবে ঘোরেফেরে নিষ্ফল উদাসীনতায় । ভোরে ও নিশুত রাতের নেমে আসা নিরালা-নির্জনতায় গলি ও রাজপথ আরও বেশি ফাঁকা মনে হয় ।

মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর, ২০২৪

।। প্রতিদিন বিভাগ।। ।। নভেম্বর সংখ্যা।। ।। গদ্য কবিতা ( উন্মুক্ত) —১০।। প্রেত কারখানার মাংস ও থার্মোপ্লাস্টিক ব্লেডের ২য় অ্যাড্রিনালিন — নিমাই জানা।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।




।।  প্রতিদিন বিভাগ।। 

।। নভেম্বর সংখ্যা।। 

।। গদ্য কবিতা ( উন্মুক্ত) —১০।। 



 প্রেত কারখানার মাংস ও থার্মোপ্লাস্টিক ব্লেডের ২য় অ্যাড্রিনালিন

নিমাই জানা

মাইক্রোস্কোপিক ৩° হ্যালোজেন প্রপাত উনুনের মতো থলথলে জননতন্ত্রের সিঁড়ি দিয়ে উঠে কেউ পৃথিবীর পরিত্যক্ত নার্সিংহোমে ঢুকে ঘাড়ের পেছনের কার্বনিক মাংস খুবলে নিচ্ছে যাজ্ঞবল্কীয় হ্রিং মন্ত্রে  , এখানে ই টর্চ লাইট জ্বেলে মৃত মানুষের নাড়ি খোঁজা হচ্ছে বুকে পাম্প করা হচ্ছে গলায় নোঙর করা হচ্ছে আঙ্গুর ভর্তি জাহাজটাকে থামানোর জন্য , আমি ব্লেড দিয়ে সাপের আঁশ গিলে খাই নরম যুবতীর গায়ে পরজীবী থার্মোপ্লাস্টিক পাঁপড়ির মতো ,
একজন মানুষ গলার কাছের সরু নল দিয়ে প্রেত নদী খাওয়ার নিষিদ্ধ প্রবেশপথে ঢুকে পড়ছে ,
আহত মানুষের ভিগোরিয়াস পোস্টমর্টেম চলছে মাঝরাতে , কালো রুমাল অথচ ডোরাকাটা ক্যাম্ফায়ার রঙের শায়ার লেশটা জানে কেউ কেউ জন্মান্ধ চোখের ভিতরেও না ঘুমিয়ে মৃত মানুষের কর্কট স্বপ্ন দেখে আর দীর্ঘশ্বাস নিয়ে খাঁজকাটা বুকের রোগ বাঁধায় অথচ পাপ ভর্তি ক্যারাভান গুলো মরুভূমির মাঝখানে এসে খেজুর ভর্তি সরাইখানার সেবিকাটিকে কোনমতেই স্পাইসি করে তোলা গেল না , কো এনজাইম দিয়ে শুক্রাণু বাড়াচ্ছে থ্রি ট্রাই সেমিস্টার আর হাইড্রেনের পোকাদের মতো অস্থির বৃহৎ নিউক্লিয়াস ভর্তি ঝুলতে থাকা পেপাইন সংসার আর হ্যালোজেনিক ফ্লেভারের প্রসূতি সদনের মেডিসিনের ডাক্তার , গ্রিন মাম্বার কাপে করে জমাচ্ছে মৃত্যুর বিষ অথচ তরল স্যালমন মাছের মতো পিতার মাংসের প্যাকেট ঝুলঝুলে পাপেটের ন্যায় ঝুলে আছে আমার মাথার থেকে তরল গ্ৰীন কালারের মাংসের একদল ভূতাত্ত্বিক আলো , অনবদ্য উপহাসের শক্ত কার্তুজ খনির ভেতরে লিঙ্গবর্ধক রাত্রি মাখাচ্ছে সিরিস কাগজের কসমিকে  , ঢেকুর তুলছে ঘাতক জল্লাদ আর নীল শেমিজ গাড়ির দুর্দান্ত হাড় আর দুর্ঘটনা জনিত মৃত্যুর সনদপত্রে একটা দলা পাকানো কেঁচো উর্বরতা শক্তির হত্যালীলা লিখে দিচ্ছে সাপেদের নির্জন পাকস্থলীর রস তান্ত্রিক মিথিলেশ সংক্রান্ত প্রচার পত্রে , দ্বাপর পানশালায় কেউ নেই রক্তাক্ত জঙ্ঘার ব্যবসায়ী ছাড়া , নাইট্রো ফিউরানটাইন ঘোড়াটি জলের তলায় পিপাসার্ত ঝিনুকের স্তন্যপায়ী গর্তে মাংসাশী পিতারা উটের শরীরের মতো অতি শীতল বরফ মেখে নীল হ্রদের আত্মায় গঙ্গোত্রী উটের শরীরে লেপটে থাকা হিমালয়ান বরফের নীল মন্থন জনিত স্নান করছে। মূত্ররোগীরা মাঝরাতে চাঁদকে জামা পরায় ,
একটা কোয়ান্টাম অনামিকা নখের থেকেও আরো রাক্ষস শাস্ত্রের ইঙ্গিতপূর্ণ কালো রাক্ষস আর মধ্যরাতের ভিনিগার পোকা ভদগা ম্যাগনেসিয়াম দাঁতের থেকেও আরও দানাদার বিষধর কোন নষ্ট প্রেতের থেকেও আরো ভয়ংকর বন্ধ ৮.৫% ঘনত্বময় কার্বলিক অ্যাসিডের কারখানার নষ্ট গুদাম ঘরে প্রিম্যাচিউর মানুষদের মৃতদেহের উপর কালো কারুকৃতির খসখসে চামড়ার পেরিফেরাল গন্ধ উড়াচ্ছে ফোর্থ ডাইমেনশনাল শুক্রাণু ভর্তি আপেলের অ্যাবস্ট্র্যাক্ট ফিঙ্গারিং অ্যাবোরশন কিউরেট শরীরের অতিনিষ্ক্রিয় জাইগোট গর্তের অতি চন্দ্রবোড়ার আঠা খাওয়া মাকড়সা অঙ্কুরে , ঈশ্বরীকে উলঙ্গ স্নান করতে দেখেই আমি দুবার খুন হই ,
প্রতিটি আদিম মানুষ তিনবার অতি বিশুদ্ধতম ক্যাফিন মৃত্যুর মৎস্যবন্দর জনিত পকোড়া খায় আর জাহাজের করিডোরে লোহিত খনিজের অতি তেজস্ক্রিয় লিঙ্গের ক্রস সেকশনে মাখিয়ে দেয় বিষাক্ত সাপের ম্যারিনেট করা মসলার হা হা দরজা, পিশাচের আঙুলগুলো পায়ের নখ আর জীবিত মানুষের ঠোঁটগুলোকে চিরে জবাইয়ের রক্ত পাকস্থলী ঢুকিয়ে গর্ভপাত বিষয়ক কমলালেবুর অসুস্থতাতে লুকিয়ে রাখি বিষাক্ত চন্দ্রবোড়ার ডোরাকাটা জিভ ,
পৃথিবীর টু ডাইলিউট তলপেটে বিধ্বস্ত গর্ত করা ব্রহ্মচর্য নাভিতে ৩৩ ফোঁটা ফিনাইলের রক্ত মেশানো স্নায়ু গুলোকে জায়ফল দিয়ে ভদকার আলট্রাসোনিক বানাচ্ছে , ডক্টর ইন্দিরা বিশ্বাস ফ্যালিক্স ইনফার্টিলিটি সেন্টারে নাইট্রোজেন বরফের ভেতর থেকে সুদৃশ্য ঘাতকটিকে বের করছে যজ্ঞের অ্যাড্রেনালিন দিয়ে

সোমবার, ১১ নভেম্বর, ২০২৪

।। প্রতিদিন বিভাগ।। ।। নভেম্বর সংখ্যা।। ।। গদ্য কবিতা ( উন্মুক্ত) —৯।। অভিগত গোলক — তপনজ্যোতি মাজি।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।




।।  প্রতিদিন বিভাগ।। 

।। নভেম্বর সংখ্যা।। 

।। গদ্য কবিতা ( উন্মুক্ত) —৯।। 



অভিগত গোলক

তপনজ্যোতি মাজি


শূন্যের স্থিতি নিয়ে তর্ক হলো খুব। পূর্ণতার অর্থ কি সৌর সংসার? নিভে যাওয়া আগুনকে মৃত্যু

ভেবে কেউ কেউ খুঁজে নেয় অনন্ত সান্ত্বনা। যে

গোলক অভিগত সেখানে মায়া ও প্রপঞ্চ ব্যঞ্জন

কে সাজায় সমারোহে? অথচ দারিদ্র্য দ্যাখো তীব্র

ভর্ৎসনার মতো সপাটে চড় মারছে সভ্যত্যার মাজা

-ঘষা গালে।


অভিকর্ষ বল আর সম্পর্কের মুগ্ধতা কি জাগতিক

ও মহাজাগতিক সত্যের এপিঠ ওপিঠ? ঢেউ সরে

যাওয়া বালুত্বকে নব দম্পতি প্লাস চিহ্নের দুদিকে

লিখছে নিজেদের নাম। অপার্থিব মগ্নতা না পার্থিব

সুখ? উত্তর বলছে-না তরঙ্গ বিক্ষুব্ধ সমুদ্র। সময়ের

পিঠে কেউ চাপিয়েছে রানারের চিঠির বোঝা। সব

উল্লেখ অনুলেখ্য থাকে মিথুন-সময়ে।


হাতের মুদ্রায় ভাস্বর হয়ে উঠছে শিল্প। মার্জিত যে

মনন তার কাছে বসেছে জ্ঞান। মনীষার তীরে বসে

কে গাইছে ভানুসিংহের গান? হিংসা ও হননহীন যে

বিশ্বের কল্পনা করেছিলেন কেউ কেউ,এই প্রতিদ্বন্দ্বী

সময়ে কার্যত অসম্ভব। পোয়েটিক জাস্টিস কি বিরল

এক অতিকল্পনা? শ্রেষ্ঠ রমণীর মগ্ন প্রহরের উচ্চারণ

সব তুচ্ছকে মূল্যবান করে কবির অন্তরে। কবি ও

ঋষি বসেছেন প্রজ্জ্বলিত যজ্ঞাগ্নির মুখোমুখি। পার্থিব

স্পর্ধা ও অপার্থিব নৈশ আভায় স্বীকারোক্তি বিনিময়

করছে পুরুষ প্রকৃতি। অভিগত গোলকের অবিরাম

ঘূর্ণন পর্যবেক্ষণ করছে সমগ্র সৌর-সংসার।



শনিবার, ৯ নভেম্বর, ২০২৪

প্রতিদিন বিভাগ।। ।। নভেম্বর সংখ্যা।। ।। গদ্য কবিতা ( উন্মুক্ত) —৮।। রাতের নোনাহাওয়ায় — বিকাশ ভট্টাচার্য।।Ankurisha .। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।




।।  প্রতিদিন বিভাগ।। 

।। নভেম্বর সংখ্যা।। 

।। গদ্য কবিতা ( উন্মুক্ত) —৮।। 




রাতের নোনাহাওয়ায়

বিকাশ ভট্টাচার্য 


আমরা ভালোই ছিলাম জনা কয়েকের রাণিটুনি পরিবারের মতো। আমরা জমাট ছিলাম নরমে-গরমে কোমলে-কঠোরে।
আমাদের হাতগুলো সহজেই পৌঁছে যেত সকাতর হৃদয়ের দিকে। সাতপাঁচ ভাবনার খানাখন্দ তোয়াক্কা করিনি। শাদা  কথার নুড়ি ঘেঁটে খুঁজিনি বিষপাথর। আমরা তবু ভালোই ছিলাম অনটনে আনন্দে উৎসবে। আমাদের খুশি উপচে পড়তো সমুদ্রফেনার মতো হঠাৎ দেখায়। একসঙ্গে ছুঁয়েছি নীল ঢেউ, ততোধিক শুনেছি ঝরনা পাহাড়, সর্বগ্রাসী ধোপদুরস্ত রাবণের ক্ষুধা আর তার খাওয়ার তরিকা। দেখেছি কেমন করে বন্দি হতো রূপকুমারী রাজকন্যেরা; অথচ রক্তাক্ত ঠোঁট আর চোখের কোলে জমাট রক্তরেখায়  আজ আর তাদের চেনা যায় না। বিষাদসিন্ধুর তীরে আমরা যেন কালের সূর্যাস্ত দেখবো ব'লে দাঁড়িয়ে পড়েছি। সমাসন্ন রাতের নোনাহাওয়া আমাদের চোখেমুখে ঝাপটা দিয়ে যাচ্ছে।

শুক্রবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৪

প্রতিদিন বিভাগ।। ।। নভেম্বর সংখ্যা।। ।। গদ্য কবিতা ( উন্মুক্ত) —৭।। এক রাতে — সুমন দিন্ডা।। Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।




।।  প্রতিদিন বিভাগ।। 

।। নভেম্বর সংখ্যা।। 

।। গদ্য কবিতা ( উন্মুক্ত) —৭।। 



এক রাতে

সুমন দিন্ডা 


কোনো একরাতে জ্যোৎস্না ফুটে যেতে পারে শরীরে। মুগ্ধ দৃষ্টি ছুঁড়ে দিয়ে ছাতে বসে কিছুটা নেশা করা যেতেই পারে। পাশে থাকুক প্রিয় কোনো মানুষ, কিংবা ডেকে আনা কোনো পার্ষদ। একটা বা দুটো তারা, একটু পেছনে, নেহাৎ সাদামাটা। দেখেও দেখতে চাওয়া যাবে না। কিছু শব্দের খেলা হোক, শরীর তো ভিজেই আছে। পার হয়ে যাওয়া নদীর মতো মনে জাগুক নিস্তব্ধতা। কবিতার মতো আর কোনো নিস্তব্ধতা আছে কি? অতএব কলম আর মন জুড়ে সাজানো হোক চিত্র। আলো কিংবা অন্ধকার যাই আসুক চলবে। 
   এই রাত কেবল তোমাকেই ছুঁয়ে যাবে। মুঠোয় না রাখলে আফসোস করা ছাড়া কিছু থাকবে না।