লেবেল

রবি স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
রবি স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, ৯ জুন, ২০২১

রবি স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি।। সোমাশ্রী মন্ডল।।Ankurisha ।।E.Magazine ।। Bengali poem in literature ।।

 ‌     





রবি স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি 

সোমাশ্রী মন্ডল





সবার প্রিয় রবীন্দ্রনাথ‌       


সেকেলের কলকাতার  ওই‌ জোড়াসাঁকোর ঠাকুর বাড়ি‌

রূপকথার সব গল্প ছেড়ে‌, মা সেখানে  দেয় পাড়ি।   

 ‌  

খুকু বলে‌,  মা আমায় এই গল্প‌ ‌কেন শোনাও মিছেমিছি

থাকত কে সে? কোথায় সেটা? আমার বাড়ির কাছাকাছি?   ‌     

 

মা বলেন, 'না রে খুকু‌   সেথায় থাকত  সে এক ছেলে‌'

তাঁহার  মতো রত্ন এখন, দেশ- বিদেশে কোথায়  মেলে?'     ‌     


‌জন্ম যখন হল তাঁর , তখন তা বৈশাখ মাস  ‌

সূর্য মামার প্রখর তাপে‌,করছে   সবাই হাঁসফাঁস!      ‌       


সেই থেকে তা লেখা শুরু  সবাই ভাসে গানের স্রোতে, 

‌গ্রীষ্মে হঠাৎ ‌শোনা গেল,অঝোরধারায় বর্ষা হতে৷‌      ‌      


খুকু বলে,'আচ্ছা মা,গ্রীষ্মের পরে বর্ষা নামলে ‌  সবাই কি হয় খুশি?'  

সেই ছেলেটার বয়স কত? আট না নয়? না, একটু বেশী?          



মা বলেন, 'আট বছরের তোরই মতো ভীষণ পাজি  ‌

লেখাপড়া বাদ দিয়ে সে সবাইকে দেয় গানের বাজি৷‌'  ‌                       

                       

‌সময় যখন  হঠাৎ করে কলম তাঁর  উঠল নড়ে‌    ‌

প্রথম লাইনে লেখেন 'জল পড়ে, পাতা নড়ে৷'      ‌                                              


সেই থেকে তাঁর যাত্রা শুরু  কত  সাহিত্যে বাহার ‌

ধীরে ধীরে উঠলেন তিনি কবিগুরু  সবার৷‌           ‌                                              ‌


কয়েক বছর বাদে যখন‌ বয়স  মাত্র  সবে ষোল,      

'ভানুমতীর পদাবলী' লিখে  বিশ্ব সেরা সেই হলো৷‌       ‌  



সাহিত্যাকাশে  প্রথম নোবেল  সাল  ঊনিশ'শ তেরো‌  ‌  

 'গীতাঞ্জলি' জ্বালিয়ে তিনি  আহ্বান দিলেন প্রদীপ ধরো।      ‌ ‌                                              ‌



সারা বিশ্বে যেখানে যাও ‌ শোনা যায় তাঁর  জয়গান    

 ‌সাহিত্যে প্রথম নোবেল এনে‌  রাখলেন বাংলা-মায়ের মান৷‌‌ ‌          

 


বীরপুরুষ আর লুকোচুরি আদরণীয় সবার ঘরে-ঘরে    ‌

বাংলায় এখন কোথায় তিনি এই  স্থান তা  পূরণ করে?   ‌          

                                   ‌  ‌ ‌ 

বিশ্বকবির উপাধিতে বলছে ধরা কানে কানে 

সাহিত্য,ছবি,গানের ভাষায় বেঁচে থেকো  আমাদের  প্রাণে।  ‌    

                                    

      ‌ 

তারপরে তো হঠাৎ করে কবি দিলেন আকাশ পাড়ি  

কবির শোকেই কাতর তখন কলকাতার ওই ঠাকুরবাড়ি।  ‌       



খুকু বলে,   কে মাগো সে, যার গল্পতে কাটলো রাত?  ‌   

মুচকি হেসে মা বলেন, তিনিই আমাদের  রবীন্দ্রনাথ।

 ‌             ‌  





আরও  পড়ুন👇👇


https://wwwankurisha.blogspot.com/2021/06/ankurisha-emagazine-bengali-poem-in_50.html


                                ‌                      -             ‌

রবিবার, ১৬ মে, ২০২১

রবি স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি -৩৩।। ব্রততী পরামাণিক।।Ankurisha ।। E.Magazine ।।Bengali poem in literature ।।







রবি স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি -৩৩

ব্রততী পরামাণিক

১.

 হে মোর দেবতা

 


শয়নে,সপনে,জাগরণে হে রবীন্দ্রনাথ 
আমার হৃদয় করেছো উন্মোচিত, মথিত,উত্তোলিত
ঋষিবর,প্রশান্ত মুখমণ্ডল, প্রদীপ্ত চোখ 
আমিও খুঁজে বেড়ায় তোমার মধ্যে আমাকে 
পাই,পেয়েও যাই আমার শত জিজ্ঞাসার উত্তর 
আর তাই তো তোমায় আঁকড়ে পড়ে থাকি জীবনভর 
জানি,অনন্ত পথের যাত্রী তুমি, অনন্তকালের সাক্ষী -
ঝড়-ঝাপটা,দুঃখ-যন্ত্রণাগুলো কাঁটা নয়
ফুল করে অঞ্জলিতে ভরিয়ে দিয়েছো,
বিশ্ব-বিধাতার কাছে অজস্র আকুতিতে
সমর্পণ করেছো নিজেকে, নিজের ব্যথামালাতে
আর তা সর্বজনীন করে বিলিয়ে দিয়েছো
"আমি বহু বাসনায় প্রাণপণে চাই,বঞ্চিত করে বাঁচালে মোরে 
এ কৃপা কঠোর সঞ্চিত মোর জীবন ভ'রে"
দিয়েছো দু-হাত তুলে, যা আমার মতো 
অভাগীদের চলার পথের পাথেয় 
মৃত্যু নয়, জীবনের মন্ত্রের গানেই
কন্টকাকীর্ণ পথকে সুকোমল করেছো
তোমার বাণীতে,লেখনীতে আর বিশ্বাসে
"হে মোর দেবতা, ভরিয়া এ দেহ, প্রাণ
কী অমৃত তুমি চাহ করিবারে পান।"









২.
সেই তো তুমি আলো


পরিচয় কবিতায়,গানে, গল্প-উপন্যাসে সাহিত্যের প্রতিটি আঙিনায় 
তবু কত কাছের তুমি, আমার একান্ত আশ্রয়স্থল
বটবৃক্ষের মতো ছায়াদান, আর তৃষ্ণার্ত হৃদয়ে এক আঁজলা জল
আ:, মুক্তি,এবার শান্তি নিজের হৃদয় ও মস্তিষ্ক 
"প্রভু আমার,প্রিয় আমার পরম ধন হে 
চির পথের সঙ্গী আমার চিরজীবন হে" 
সংসারের জ্বালায়, সমাজের জ্বালায় যখন জর্জরিত 
কে উদ্ধারিবে? না তুমি, শুধু তুমি
হে রবীন্দ্রনাথ তুমি ত্রাণকর্তা,
সমস্যাদীর্ণ কন্টকতায় 
প্রতিটি পদক্ষেপেই তোমার লেখনীই তো আমার সম্বল 
পেটের ক্ষুধা নয়,মানসিক উৎপীড়নে চোখের জলেই দিনাতিপাত 
কেউ নেই,কেউ নয় তখনই অপার প্রশান্তি দিতে হাজির তুমি
"তোমারে জানিনে হে, তবু মন তোমাতে ধায় 
তোমাতে না জেনে বিশ্ব তবু তোমাতে বিরাম পায়"
হে সত্যদ্রষ্টা মহামানব,তুমি যে আমায় অনেক দিয়েছো
"অনেক দিয়েছো নাথ,আমায় অনেক দিয়েছো নাথ"
শূন্যতা পূর্ণ করেছো ,পূজার থালায় দিয়েছো অঞ্জলির ফুল
তোমার আলোয় আলোকিত হয়েছে আমার জীবনের সমস্ত অন্ধকার 
"অন্ধকারের উৎস হতে উৎসারিত আলো 
সেই তো তোমার আলো"







লেখা পাঠান 👇👇






শুক্রবার, ১৪ মে, ২০২১

রবি স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি -৩১ ।। তীর্থঙ্কর সুমিত।। Ankurisha ।।E.Magazine ।।Bengali poem in literature ।।

 




রবি স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি -৩১



তীর্থঙ্কর সুমিত



১.

এক দৃষ্টে আমি তাকিয়ে ...
উড্ডীনতায় গান গায় পাখি
উড়ে উড়ে আরো দূরে
স্মরলিপির গান ঠোঁটে
মেঘ ভাসা শহরে পাখির কথা
ব্যর্থতায় জমা হয় ইতিহাস
আলাদীনর অন্তহীনতা গায়ে মেখে
হেঁটে চলি পাখির সাহসিকতাকে ছোঁবো বলে ___

তাইতো এ পথে এখনও ধুলো ওড়ে।
 








২.

নৌকো বাঁধা আছে ঘাটে
অবনীর দরজায় তালা ঝুলছে
রাস্তাটা মোটেও সোজা নয়
পথ দেখার অভীপ্সা সকলের
যত এগোই তত গভীর ক্ষত
মনে হয় সব নয়ের নামতায় বিয়োগ বসেছে
সেজে উঠেছি আমি,তুমি,প্রত্যেকে
কেউ শিকি কেউ আধুলি কেউ ...
গান গেয়ে যায় বাউলে

অবনী চির নিদ্রায়
তালাটা আজও ঝুলছে দরজায়।











রবি স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি  জানিয়ে আপনিও আপনার মৌলিক ও অপ্রকাশিত লেখাটি পাঠিয়েদিন। 

ankurishapatrika@gmail. com






শুক্রবার, ৭ মে, ২০২১

রবি স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি -২৮ ।। গৌতম মণ্ডল।। Ankurisha ।।E.Magazine ।।Bengali poem in literature ।।






রবি স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি -২৮

গৌতম   মণ্ডল



 

১.

পঁচিশে   বৈশাখ


ধূপের  ধোঁয়ায়   দীপের আলোয়

বাজল  যখন  শাঁখ ৷

বছর  বাদে  আসলো ফিরে

পঁচিশে   বৈশাখ ৷


চাঁপার  বনে   আপন  মনে

রবির  কথা  কইছে  গানে ৷

পদ্যে  ছড়ায়, গল্পে  কথায়

ও  রবি   তুই  থাক্ ৷

বছর   বাদে   আসলো  ফিরে

পঁচিশে   বৈশাখ ৷


রৌদ্র   ওঠে   বৃষ্টি  পড়ে

কাঁচা  বাঁশের পাতা  নড়ে ৷

ধান  কাটে ঐ  চাষির  মেয়ে

যেথায়  নদীর   বাঁক্ ৷

বছর  বাদে  আসলো  ফিরে

পঁচিশে    বৈশাখ  ৷


মতি বিলে  হাঁসের  দলে

জল  ছিটিয়ে   সাঁতরে  চলে ৷

বাগদি  বুড়ি  চুপড়ি  নিয়ে

তুলছে  সেথায়  শাক ৷

বছর  বাদে   আসলো  ফিরে

পঁচিশে   বৈশাখ ৷


পদ্ম  দিঘির  কালো   জলে

কলমিলতা  মুখটি  তুলে

বলছে  হেঁকে  এ   বৈশাখে

ও  রবি   তুই   থাক্ ৷

বছর   বাদে  আসলো   ফিরে

পঁচিশে   বৈশাখ ৷ 




২.

ছবি


খাতার  পাতায়  আঁকছি  ছবি

আকাশ  ছোঁয়া   মাঠ ৷

জল  থৈ  থৈ  পদ্ম   পুকুর

শালুক  ফোটা   ঘাট  ৷


খাতার  পাতায়  আঁকছি  ছবি

কুমোর  পাড়ার   গাড়ি  ৷

ঘোমটা টানা  কুমোর  বউয়ের

নকশা  কাটা  শাড়ি ৷


তুলতুলে  এক  মেঘ  এঁকেছি

আকাশ  নীলের   মাঝে ৷

সেই   মেঘটা   যাচ্ছে   দেখি ...

অমল - সুধার   কাছে ৷


নদীর   বুকে  ঢেউ   এঁকেছি

রঙ  দিয়েছি   ঢেলে ৷

কেয়া  পাতার  নৌকোখানি

নাচছে   ঢেউয়ের  তালে ৷


এঁকে  ছবি   রঙ  দিয়েছি

সেই   নদীটার   বুকে৷

খাতার পাতায়  দেখতে  পেলাম 

রবীন্দ্রনাথকে !






কবি প্রণাম জানান👇👇








রবি স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি - ২৫।। আরণ্যক বসু।। Ankurisha ।। E.Magazine ।।Bengali poem in literature ।।

 






রবি স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি - ২৫

আরণ্যক বসু 




১.

আমি গীতাঞ্জলির পাতা

   


আমার   শান্ত হৃদয়ধ্বনি

আমার   হিয়া দুরুদুরু বুক

মহা      শ্রাবণের ধারাজল

ভরা      বৈশাখে উন্মুখ !


আমার      হৃদয়েশ্বর নেই

আমি   আকাশের মতো একা

সেই   দুর্বিপাকের পথে

ভানু    তোর সাথে হল দেখা !


আমি    বিপন্ন ইতিবৃত্ত 

তুমি    আশি বছরের আলো

শুধু   ব‍্যর্থ মালাটি গাঁথি

যদি   গীতসুধারস ঢালো !


যদি   আগামী জন্মে দেখি

হয়ে   ঝড়ের কৃষ্ণকলি

না না   ও নাম আমার নয়

তবু    একটা কথাই বলি ?


ওগো    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 

হবে    আমার গানের খাতা ?

হও   অপাপবিদ্ধ মরণ 

আমি    গীতাঞ্জলির পাতা


তুমি     নিভৃত হৃদয়কথা

লিখো  গভীর হাওয়ায় রাতে

সেই   ভরা পঁচিশের স্মৃতি

ছোঁবো  শ্রাবণের বর্ষাতে...









২.

চারুলতা থেকে কাদম্বরী

   


( হৃদয় আমার আকুল হল ,

নয়ন আমার মুদে এল রে--

কোথা দিয়ে কোথায় গেল সে॥

গীতবিতান/ প্রেম /১৯২ )


ঘরবন্দী পঁচিশে বৈশাখের প্রতীক্ষা ছিল 

টিভির পর্দায় সকালের চারুলতা থেকে রাতের কাদম্বরী পর্যন্ত ।


আমারও অপেক্ষা ছিল সেই কোন অতীতে ফিরে , অভিযাত্রিকের পাতা হয়ে জিপসী ক‍্যাম্প ভ‍্যানিশেস ইনটু দ‍্য ব্লু'র রূপকথার স্বপ্ন-কথায়...


ও কবি , যে যায় , সে কি ছায়ার মতো একেবারেই মিলিয়ে যায় ?


আমার প্রতীক্ষা ছিল , বুদ্ধদেব বসুর তিথিডোর উপন্যাস থেকে আপনার নষ্টনীড় ছোটগল্প পর্যন্ত ! কারণ ?  আকাঙ্খার বিবাহলগ্ন, আবার দীর্ঘ জীবনপথে হারানো সত্তা

ফিরে পাওয়ার আমোদিত ইচ্ছেটুকু যে ভীষণ ও আন্তরিকভাবে জড়িয়ে থাকে  কবিগুরু!


না রজনীগন্ধা, না পলাশ,না উলু উলু মাদারের ফুল, না কাশ-শিউলি-সাদা পালের স্নিগ্ধ হাতছানি ;

কেউ আমাকে জানাতে পারেনি নিরুদ্দেশের শেষ ঠিকানা।


আমার   প্রাণের 'পরে চলে গেল কে

বসন্তের   বাতাসটুকুর মতো ।

সে  যে   ছুঁয়ে গেল ,নুয়ে গেল রে--

ফুল    ফুটিয়ে গেল শত শত ।


আপনি বলুন ভানু, মানবিক ভূপতিকে কেন এতটাই নির্লিপ্ত স্বামী হতে হল, যে চারুলতার দুচোখ ভরা কৌতুহল , তাঁকে টপকে অন‍্য কাব্যভাষার দিকে চলে গেল ?

ভানুসিংহ আপনি  জানান, বিষণ্ণ বৌঠানের জন্মদিন কেন তার খেলা ও খুনসুটির দোসর দেবরই শুধু মনে রাখে ?

স্বামীর বুকে কি ভালোবাসার জলছাপ শেষ পর্যন্ত মুছে যাওয়া দিন হয়ে যায় ?


সে    চলে গেল বলে গেল না -- সে   কোথায় গেল ফিরে এল না।

সে    যেতে যেতে চেয়ে গেল   কী    যেন গেয়ে গেল ---


বিশ্বকবি ,দয়া করে বলে দিন শুভদৃষ্টির মালার গন্ধ থেকে আকেলে হাম আকেলে তুম-এর বিচ্ছেদ-সংস্কৃতিই কি হাহাকার জীবনের চরম সত‍্য ?


ঘুম-পাড়ানি ওষুধ, ঘুম না পাড়িয়ে কেন যমের বাড়ির ঠিকানা লেখা চিরকুট হাতে ধরিয়ে দেয় ?


প্রিয় ভানুসিংহ , ফরাসডাঙার মোরান সাহেবের বাংলোর দরাজ ছাদ যে আজও জাজিম পেতে অপেক্ষায় ....

 আকাশ আমি ভরব গানের সেই তারাদীপ জ্বলা রাত আরেকবার ফিরিয়ে আনা যায় না ? সাধের আসনে কবিতার খাতা নিয়ে প্রিয় কবি বিহারীলাল,বহুদূরের কুষ্ঠিয়া থেকে রবিদর্শনে পায়ে পায়ে হেঁটে আসা দোতারার লালন ফকির , অকুন্ঠ হৃদয়বান জ‍্যোতিদাদা, সব কিছুতেই বিস্মিত হতে ভালোবাসা নতুন বৌঠান ,আর প্রভাতসঙ্গীতের পটে আঁকা এক ও অদ্বিতীয়  যুবাপুরুষ রবীন্দ্রনাথ -- এই স্থির ও প্রতিবিম্বিত চিত্র আরেকবার ফিরিয়ে আনা যায় না ?

কেন চলে যেতে হয়- ওগো দুখজাগানিয়া নিঃসঙ্গ মানবীকে ? অমন একা একা ? বিসর্জনের নীলকণ্ঠ পাখির একটা পালক পর্যন্ত সঙ্গে থাকে না তার !

কেন আঁচল লোটানো অনিয়ন্ত্রিত পদক্ষেপে একগুচ্ছ অভিমানকে ক্রমশ অতীতের দিকে চলে যেতে হয় ,ভানু?


সে    ঢেউয়ের মতন ভেসে গেছে,  চাঁদের আলোর দেশে গেছে,

যেখান দিয়ে হেসে গেছে,  হাসি তার রেখে গেছে রে---


বিকেলের পড়ন্ত রোদে, শিলাইদহ থেকে জোড়াসাঁকোতে সদ‍্য ফেরা জমিদার রবীন্দ্রনাথ, মুহূর্তেই রবিবাউল হয়ে, নতুন বৌঠানের কানের লতি ছোঁয়া রূপোলি চুলের হালকা গুচ্ছের দিকে তাকিয়ে যদি বলে উঠতে পারতেন--বৌঠান, তোমাকে আজ খুব সুন্দর লাগছে ...

সেও তো একধরনের বিপন্নতাবিহীন পাওয়া,ভানু !


নতুন বৌঠান , আপনার ভগ্নহৃদয়, ভেঙে টুকরো টুকরো কলিজা, প্রিয় আয়নায় দেখা শতচ্ছিন্ন প্রতিবিম্বকে কেমন করে বোঝানো যাবে-- পরিবারের সকলের সঙ্গে , সকলের আনন্দ দুঃখে, বেদনা-বিষাদে , প্রদীপে-মঙ্গলঘটে , সাংসারিক ইত্যাদি-প্রভৃতিতে মিশে, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিশ্বকবি হবার শুভসংবাদ বয়ে আনা টেলিগ্রাম প্রৌঢ় দুচোখের আলোতে তুলে ধরবার যে অতিজীবিত আনন্দ ...


কুসুমবনের উপর দিয়ে কী কথা সে বলে গেল,

ফুলের গন্ধ পাগল হয়ে সঙ্গে তারি চলে গেল


হে চিরজীবী রবি-দিগন্ত , একমাত্র আপনিই হয়তো পারেন, অথবা পারেন না--

পথের শেষ কোথায় বলতে !


দাঁড়ান কাদম্বরী, দাঁড়ান ভালোবাসার স্তব্ধ মুখশ্রী,

আপনার জন্য গীতাঞ্জলি এনেছে হারানো নীলিমার প্রাণ জুড়নো সুবাতাস...


তাই   আপন-মনে বসে আছি 

কুসুমবনেতে...






আজই পাঠান আপনার সৃজন 👇👇



রবি স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি -২৭। ভবানী প্রসাদ দাশগুপ্ত।। Ankurisha ।। E.Magazine ।। Bengali poem in literature ।।

  







রবি স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি -২৭

ভবানী প্রসাদ দাশগুপ্ত





গুরু রবি বন্দনা



আজি হতে সার্ধশতাধিক বছর আগে,

নববর্ষের রুদ্ররাগে পঁচিশে বৈশাখে,

এলেন দেবেন্দ্রের দেবালয়ে পরম সুখে

সুরের  যাদুকর  রূপে এ ধরার  বুকে।

স্বাগত হে কবি প্রকৃতির সুন্দর আলয়ে

সুশিক্ষা সাদরে লভিলে  অন্তর-বলয়ে,

ডুবিলে জ্ঞানসমুদ্রে সৃজিলে ছন্দ লয়ে

সুরে অমৃতধারা ছড়ালে তাপিত হৃদয়ে।

তব চিন্তাচেতনায় অধরা প্রকৃতি খেলে

অদম্য জ্ঞানপিপাসায় সারাবিশ্ব ভ্রমিলে,

জ্ঞানামৃত সুধাপানে তপ্ত হৃদয় জুড়ালে

স্বীয় আত্মা পরমাত্মায় মিলন ঘটালে।

হে কবি-শিরোমণি প্রেমের খনি কবিন্দ্র          

তুমি  সুরের  মায়ায়  সুর-স্রষ্টা  সুরেন্দ্র,

বাণী বন্দনায় ভাবের মূর্চ্ছনায় জিতেন্দ্র         

  ভুবনে বিশ্বকবি নামে নাথ হলে রবীন্দ্র।

বাংলা সাহিত্যে প্রতিক্ষেত্রে তব বিচরণ

কবিতা উপন্যাস নাট্যে অবাধ সন্তরণ,

আবেগের অন্তঃস্থলে জাগালে শিহরণ

আনন্দে  বিমোহিত  পাঠক ভক্তগণ।

বাংলার কবি ধন্য রবি বিশ্ব-সংসারে,

মানুষ পরম শ্রদ্ধাভরে পুজিছে অন্তরে।

আজি এ প্রভাতে শুভ জন্মদিন স্মরণে,

প্রণাম জানাই কবিতীর্থে নত কায়মনে।

   







আরও  পড়ুন 👇👇


https://wwwankurisha.blogspot.com/2021/05/ankurisha-e-magazine-bengali-poem-in.html






রবি স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি - ২৬।। পার্থ সারথি চক্রবর্তী।। Ankurisha ।। E. Magazine ।।Bengali poem in literature ।।

 






রবি স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি - ২৬

পার্থ সারথি চক্রবর্তী 





১.
কবিতার আলো


এই রবি অস্ত যান না, যেতে পারেন না!
জ্বলজ্বল করছেন আমার খাতায়,
আমার পড়ার টেবিলে, মনের কোণে।
চোখ বুজি আমি-
হৃদয়ে বাজে ঝংকার, গীতবিতানের 
সহজ পাঠ সেরে বন্ধ দুয়ার খুলি-
ঝড় আসে সেই রাতে
ভাসায় সব কালো, অন্ধকার।
বুক জুড়ে শুধু আমার-
আলো, কবিতার আলো।





২.
আশ্রয় 


সেদিন ভোরে স্বপ্ন দেখে ঘুম ভাঙে-
চোখ মেলি, দেখি আকাশের রঙসজ্জা
মন উড়ে যায় নীলাকাশে
গুনগুনিয়ে ওঠে মন-
সব চিন্তা ঝেড়ে ফে'লে।
একমাত্র আশ্রয়, আশ্রয় আমার-
তোমার সৃজন, তোমার মনন
"আমার পরাণ যাহা চায়, তুমি তাই"-
সত্যিই তো তুমি তাই!
তুমি আছো দুঃখে, প্রেমে, বিরহে, আনন্দে।
আমার মনজুড়ে-
জীবনে আলোর দিশা হয়ে।






আরও  পড়ুন 👇👇


https://wwwankurisha.blogspot.com/2021/05/ankurisha-emagazine-bengali-poem-in_38.html



রবি স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি -২৪।। সুবীর ঘোষ।। Ankurisha ।। E.Magazine ।। Bengali poem in literature ।।

 






রবি স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি -২৪

সুবীর ঘোষ



১.

শীতল রবীন্দ্রছায়া

                     

 

এই রুক্ষ প্রান্তরে হোঁচট খেয়ে পড়ার থেকে দু’দণ্ড রেহাই পেতে

এসে দাঁড়াই ওই শাখাবিস্তারী গাছের নীচে।

যত অপরাধবোধ উড়ন্ত পায়রার মতো ঘুরে ঘুরে এসে

পালক ছড়িয়ে গেছে।

যদি  দৈন্য তুলে নাও হাতে বাঁশের বাঁশির সুরে তবে পাবে বৈভবের ভাগ ।

বয়ে গেছে অনেক জল গঙ্গায় পদ্মায় ।

জলের ভেতর থেকে উঠে আসেনি কোনো কাঙ্ক্ষিত মৎস্যকন্যা ।

সাঁঝে ফোটা ঝিঙেফুল অচিহ্নিত ঝরে গেছে বৈশাখের ভোরে। 

এস যদি যাবে পদব্রজে । যাবই আমি যাবই ওগো বাণিজ্যেতে যাবই।

আর সেই বাণিজ্যমনস্কতাতেই কী

হারিয়ে যাবে আমাদের রবীন্দ্রবোধ!

 

   

     



২.


      পঁচিশে বৈশাখ

                   

 

          আপন হতে বাহিরে যাই

                    স্বাধীন হব বলে

          তোমার জাদুমায়ায় আসি

                    ফিরে ফিরেই চলে।

 

          বৈশাখের এই ভোরের হাওয়ায়

                    হৃদয় অভিলাষী

          আমার সুরে লাগে তখন

                    শুধু তোমার হাসি।









লেখা পাঠান 👇👇










 

রবি স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি -২৩ ।। বিকাশ দাস।। Ankurisha ।।E.Magazine ।।Bengali poem in literature ।।









রবি স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি -২৩

বিকাশ দাস




রবীন্দ্রনাথ



বলতে পারো... 

কোন বাঙালির হাঁটাচলায় চোখে-মুখে, আপাদ-মস্তকে

পথে-ঘাটে বিপদে-আপদে আসতে-যেতে তর্ক-বিতর্কে

যেখানে নেই রবীন্দ্রনাথ।

বলতে পারো...

কোন বাঙালির হাসি-কান্না, সুখ-দুঃখ গল্প কবিতা গানে

শরীরের স্বর রমণ প্রবণ , নিবিড় উজান সম্পর্কের টানে

যেখানে নেই রবীন্দ্রনাথ ।

বলতে পারো...

বিশ্বদুয়ার আন্তর্জালে নিমজ্জিত আলোর বর্তিকার দর্পণে

প্রকৃতির সংঘাত ধুলো মাটির উড়ু-উড়ু অনুভূতির অর্পণে

যেখানে নেই রবীন্দ্রনাথ।

বলতে পারো...

সভ্যতার সংকটে, নির্বিশেষ সর্বতোমুখী প্রতিভার কিরণে

স্বচ্ছন্দের সংসার সংস্কারের সংস্কৃতির প্রান্তিকের মিলনে

যেখানে নেই রবীন্দ্রনাথ ।

বলতে পারো...

মেঘের উল্লাস বৃষ্টির উল্লাস গাছগাছালির উল্লাস প্রকৃতির মুখে

আকাশ অরণ্য-বুঁদ চাওয়ার নিশ্চুপ ভালোবাসার চিরন্তন সুখে

যেখানে নেই রবীন্দ্রনাথ।

বলতে পারো...

পঁচিশে বৈশাখ আনন্দ উৎসবে, বাইশে শ্রাবণ নীরব শোকে

কল্পনার দু’হাতে ভাগ্যরেখা বাস্তব আঁকা হিজিবিজি স্তবকে

যেখানে নেই রবীন্দ্রনাথ ।

বলতে পারো...

টানাপোড়েন দিনে, পরিশুদ্ধ হতে স্নান সারে রবির করে

একতার সুরে জল পড়ে পাতা নড়ে সৃষ্টি ধরার কণ্ঠভরে

যেখানে নেই রবীন্দ্রনাথ।

বলতে পারো...

কটাক্ষে মরণ,কটাক্ষে জীবন , প্রণয়ের অমৃত সুধা পানে

ছন্দ-ধ্বনি হিল্লোল তুলে কল্লোলে চলে যায় প্রাণের টানে

যেখানে নেই রবীন্দ্রনাথ।

বলতে পারো...

আগুন জ্বলে ছাই হলে অন্তরে শান্তির শিকড় মেলে

সন্ধ্যাবাতির আলোর মহলে চাঁদের জ্যোৎস্না ঢেলে

যেখানে নেই রবীন্দ্রনাথ।




আরও  পড়ুন👇👇👇


https://wwwankurisha.blogspot.com/2021/05/ankurisha-emagazine-bengali-poem-in_94.html





রবি স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি -২২।। শ্রাবণী বসু।। Ankurisha ।।E.Magazine ।। Bengali poem in literature ।।

 






রবি স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি -২২

শ্রাবণী বসু




পরম শম ও স্নান



আজ  বুকের ভিতরসীমাহীন ভয় 

 বিশাল উপত্যকা গড়েছে ,

ভয়কে জয় করবার অভয়মন্ত্রটি

 হাতড়ে বেড়াই জল,স্থল,অন্তরীক্ষে -

সর্বত্র ঘুরে ঘুরে যখন ক্লান্ত -


জানালা দিয়ে ভেসে এলো রবীন্দ্রগান,

গানের ভিতর থেকে উড়ে এলো

প্রাণের আরামের নির্ভুল স্বরলিপি।


চিত্তের শান্তিই শম।

মনের মালিন্য ধুয়ে ফেলাই পরম স্নান।বিভ্রান্ত আমি দিনান্তে - 

ক্লান্ত দেহ জুড়িয়ে নিই।

সুরের সাগরে অবগাহন করে

মালিন্য মুছে ফেলি,

অনন্ত জলধারে লাভ করি পরম স্নান।





আরও  পড়ুন 👇👇


https://wwwankurisha.blogspot.com/2021/05/ankurisha-emagazine-bengali-poem-in_7.html




রবি স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি -২১।। স্নেহদিয়া (গৌরী)।। Ankurisha ।। E.Magazine ।। Bengali poem in literature ।।






রবি স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি -২১

স্নেহদিয়া (গৌরী)



১.

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর



সুন্দর পৃথিবীতে তুমি এসে ছিলে তাই তো

সব অন্ধকার কেটে গিয়ে পৃথিবী আলোকিত হয় রবির কিরণে।

সাহিত্য জগতের অন্ধকার কালো মেঘ বৃষ্টি রূপে ভেসেছে।


তুমি এসে ছিলে তাই তো

গানে গানে ঝংকারের সুর বাজে।

খর বায়ু বয় বেগে/"জল পড়ে পাতা নড়ে"।

"চিত্রাঙ্গদা" ,"চন্ডালিকা".....

 চক্ষে আমার তৃষ্ণা জাগে।


তুমি এসে ছিলে তাই তো

"রক্তকরবী" ফোটে...

সখী ভাবনা কাহারে বলে,

সবই যেন মনে দাগ কাটে।

"ডাকঘর" থেকে "পোষ্ট মাষ্টার"

"ইউরোপ প্রবাসীর পত্র"

সবই যেন মন কাড়ে।


তুমি এসে ছিলে তাই তো

"ভগ্নহৃদয়" দিয়ে করেছো আপন,

"শেষলেখা"আর "শেষকথা" দিয়ে যায় ভালোবাসা বসন্ত জাগ্রত দ্বারে...।


"মালিনী" ,"সন্ধ্যা সঙ্গীত"প্রদীপ জ্বেলে তুলসী তলায়

"নৈবেদ্য" দেয়।


তুমি এসে ছিলে তাই তো

"ঠাকুরদাদা" থেকে শুরু করে

"বউঠাকুরানী হাট" 

মনে মালা গাঁথে।

জাতীয় সঙ্গীত "জন_গন_মন" আজ বাজে সারা পৃথিবী জুড়ে।

আমাদের"সোনার বাংলা" সকলের কাছে

"মৃত্যুঞ্জয়ী" হয়ে আছে।

তোমার কথা ভেবে আজ ও

বাঙালি মাথা উঁচু করে বাঁচে।





২.

২৫শে বৈশাখ



তোমার কবিতা আকাশ ঢাকা

বর্ষা মুখর মেঘের অন্ধকারে,

রোদেলা দুপুরে সোনালী ধানের

জ‍্যোৎস্না খেতের পারে।


শতবর্ষ আগে কোন এক প্রভাতে

নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গে তোমার প্রকাশে,

ফোটালে কসুমরাজি কাব্যের মাঝে।


হাতে লয়ে অমৃতের বাণী

জগতের যত সুখ যত প্রেম ,

যা কিছু আছে সবই বেদনাদায়ক।


শূন্যতার নদীর ওপার থেকে

ভেসে আসে তোমারই গান,

স্বর্ণাক্ষরে রয়ে গেছে তোমার লেখনীর মাঝে

প্রেমের ওই স্বাক্ষরের মান।


তোমার গানে সুরের সমুদ্র থেকে

উঠে আসে যেন মহাকাল ,

সূর্যের আলো ভরিয়ে দিয়ে

তুমি এলে পঁচিশে বৈশাখে।






আরও  পড়ুন 👇👇👇


https://wwwankurisha.blogspot.com/2021/05/ankurisha-emagazine-bengali-poem-in_15.html


বৃহস্পতিবার, ৬ মে, ২০২১

রবি স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি - ২০।। শাহীন রেজা।। Ankurisha ।।E.Magazine ।।Bengali poem in literature ।।

 







রবি স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি - ২০ 


শাহীন রেজা 



রবীন্দ্রনাথ 



ফুল ফোঁটার আগেই বসন্ত এসে গেল,
অথচ দড়ির ওপর দিয়ে হাঁটা মানুষগুলো 
কিছুতেই না ছুঁলো আকাশ না ছুঁলো মাটি–
ওদের রবীন্দ্রনাথ কী তবে শেষের কবিতা হয়ে ওঠেনি এখনও? 
ব্রাহ্মপুত্রের জল গতকালও লিখেছিল উর্মিলিপি,
আজ সেখানে নেই জ্যোৎস্না-কোলাহল 
শুধু সুনসান নীরবতা, বাতাসের মৌনব্রত–
বুকের ত্রিকোণ ছুঁয়ে একটি রাত পার হলো, 
একটি মেঘের চাতাল ছুঁয়ে ভেসে গেল অন্যমেঘ।

তিনি ছিলেন তাই আমাদের জানালায় মুনিয়ার ঝাঁক, তিনি আছেন বলেই কবিতার যৌবনে এত জৌলুস। 
রবীন্দ্রনাথ আমাদের ফুলের আগেই যেন বসন্ত বাহার, শব্দ সুরুয়ায় ডোবা চাঁদ মনিহার।





আরও পড়ুন 👇👇

https://wwwankurisha.blogspot.com/2021/05/ankurisha-emagazine-bengali-poem-in_21.html







রবি স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি -১৯।। সাতকর্ণী ঘোষ।। Ankurisha ।।E.Magazine ।।Bengali poem in literature ।।

 






রবি স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি -১৯

সাতকর্ণী ঘোষ




১.

বলছি ঠাকুর শোনো



রবীন্দ্রনাথ বলছি শোনো
অসুখ নিয়ে বাস করি
পৃথিবীর এই চরম দিনেও
জন্মদিনে গড় করি

তোমার অমল ঘরের এখন
শুধুই জানালা খোলা 
সুধাও তোমার বন্দি ঘরে
আসেনাও দইওয়ালা

পাঁচমুড়া সেই গ্রামের কথা
বড্ড মনে পড়ে
ভাবছি ঠাকুর তোমায় নিয়ে 
ওই গ্রামের ওই ঘরে

জমিয়ে খাব মিঠাই পায়েস
অমল সুধাও খাবে
আমি একা নই আমার সাথে
সমস্ত দেশ যাবে। 





ছবি


চোখ খুললেই মৃত্যু - মিছিল 
চোখ বুজলেই কবি 
মাথার পাশে গীতাঞ্জলি
হৃদয়জুড়ে রবি।














আরও  পড়ুন👇👇


https://wwwankurisha.blogspot.com/2021/05/ankurisha-emagazine-bengali-poem-in_13.html



কবিতায় রবি স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি -১৮।। অমিত কাশ‍্যপ।।Ankurisha ।।E.Magazine ।।Bengali poem in literature ।।

 







কবিতায় রবি স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি -১৮

অমিত কাশ‍্যপ





ঠাকুর ঘর


বৈকুন্ঠপুর। একান্নবর্তী পরিবার, ছিল, এখন নেই। সাতমহলা বাড়ি, ছিল, এখন নেই। আমরা ছোটরা ছুটে বেড়াতাম সবখানে। চোর-পুলিশ, কানামাছি ছিল খেলার অঙ্গ। আমরা এক-একজনকে খুঁজেই পেতাম না এক-এক দিন। আমাদের সদস্য সংখ্যা কত ছিল, কঠিন অঙ্ক।


সমস্ত ঘরে আমাদের যাতায়াত থাকলেও একটি বিশেষ ঘর বন্ধ থাকত। খোলা হত একটি দিন, এবং তার একদিন, দুদিন আগে পরিষ্কার, আলপনা, ফুল দিয়ে  সাজান হত। একটি বিশেষ ছবিতে মালা পরিয়ে ধূপ দেওয়া হত ওই বিশেষ দিনে। দিনটি পঁচিশে বৈশাখ।






আরও  পড়ুন 👇👇👇


https://wwwankurisha.blogspot.com/2021/05/ankurisha-emagazine-bengali-poem-in_6.html





কবিতায় রবি স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি -১৭।। নন্দিনী মান্না।। Ankurisha ।।E.Magazine ।। Bengali poem in literature ।।

 




কবিতায় রবি স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি -১৭

নন্দিনী মান্না 


১.

এক মুষ্টিতে বিশ্ব রবি


অফুরন্ত সৃষ্টির মাঝে,

অবিস্মরনীয় কৃষ্টি বাজে।

একার একতারার ভান্ডার,

সূর্য চাঁদের মিলিত ঝংকার।

দূরদর্শিতায় নতুনত্বের স্বভাব,

সৃষ্টিতে অমরতার প্রভাব।

এক মুষ্টিতে বিচিত্র কারুকার্যতা,

পুষ্টির উর্বরতায় সাহিত্যের মহানতা।

ক্ষণজন্মা আগমনে অবিরাম উদ্ভাবন,

বাঙালি মন পিপাসার নন্দনকানন।

নোবেলের সম্মানে সমাদর বাঙালিতে,

কবি পরিপূর্ণতায় সমাসীন বিশ্ব -রবিতে।।





২.

আত্মার কবিগুরু 



প্রভাতের প্রথম সূর্যের আলো,

কবিতায় প্রকাশে আনন্দ পেলো।

দিন-রাতের চারপাশে,

লেখনি ঝরে কোন আবেশে।।


জনগনমন অধিনায়ক সংগীত,

মর্যাদার আসনে জাতীয় সংগীত।

দার্শনিক প্রজ্ঞার কতো যুক্তি,

আধ্যাত্মিকতায় মেশানো সংস্কৃতি।।


গল্প রূপের ঘটলো চলচ্চিত্রায়ন,

বাঙালির সম্মান -দ্বারের  উন্মোচন।

ঝড়ের বিপর্যয়ে ছন্দ প্রকাশমান,

শান্তির বার্তায় ছন্দ হিমায়ন।।


মননে -চিন্তনে আবেশ জড়ানো,

উপলব্ধির সচেতনতায় পরশ মাখানো।

ভালো-মন্দের ভাবনা মেশানো,

সুখ-দুঃখের আবেগ ভেজানো।।





আরও পড়ুন 👇👇


https://wwwankurisha.blogspot.com/2021/05/ankurisha-emagazine-bengali-poem-in_51.html



বুধবার, ৫ মে, ২০২১

কবিতায় রবি স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি-১৬ ।। শুভ্রাশ্রী মাইতি।। Ankurisha ।। E.Magazine ।।Bengali poem in literature ।।

 






কবিতায়  রবি স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি-১৬

শুভ্রাশ্রী মাইতি



১.

সৃষ্টি



ওঁকারের আশ্চর্য শব্দে নাভিকুন্ড থেকে উদাত্ত সুর উঠে আসতেই
মেঘে মেঘে আলোর মতো প্রতিফলিত হল গুঞ্জন---
‘ ধ্বনিল আহ্বান উদার গম্ভীর...'
বীজের মতো অঙ্কুরিত হলাম নতুন ভোর-জানালায়...
‘আলোকের ঝর্ণাধারায়' স্নেহ শিকড় চারিয়ে গেল মাটির অন্তরে অন্তরে।
দুলে উঠলাম মধু বাতাসে, 
দুটি পাতা একটি কুঁড়ির নরম গাছ হয়ে...
তারপর জল-মাটির আশ্চর্য স্নেহসুধায় 
আমার অঙ্গে অঙ্গে ফুল আর ফলের বিচিত্র সম্ভার...
নিবেদনের অপূর্ব মুদ্রায় দেবতার চরণে অশ্রুবিন্দু হয়ে ঝরে পড়তেই
পাখিরা গেয়ে উঠল সন্ধ্যাসংগীতের মূর্চ্ছনায় ---
‘ আরো প্রেমে, আরো প্রেমে...'





২.
ঠাকুর...অনন্তের...



বৈশাখের আনন্দ কলতানে তোমাকে নিবিড় করে পাই না সেভাবে
যেভাবে পাই, বেদনের ঘনঘোর বর্ষার নিভে আসা আলোয়
মার মালাদোলানো ছবির সামনে দাঁড়ালে...

তখন দুরন্ত কর্কট মহানন্দে তার আশ৫গ্রাসী শিকড় চারিয়েছে
মার বুক থেকে মস্তিষ্কের স্নায়ুতে স্নায়ুতে...
হাসপাতালে যাওয়ার আগে শেষবার তোমার ছবির সামনে বসে
আমার উদভ্রান্ত মা নীচু গলায় গেয়ে উঠলেন,
“ আছে দুঃখ, আছে মৃত্যু, বিরহ দহন লাগে..."
অক্ষর শ্রাবণ তখন আশ্চর্য আকুলতায় ভিজিয়ে দিচ্ছে ঘরের প্রতিটি কোণা
মার বিষণ্ন মুখে যন্ত্রণাভাঙা মগ্নমেদুর আলো,
প্রশান্তির, পূর্ণতার, সুন্দরের...
সেই থেকে তুমি শুধু কবিমাত্র নও আর জানি
ঠাকুর, জীবনের, আনন্দের, অনন্তের...






আরও  পড়ুন 👇👇👇

https://wwwankurisha.blogspot.com/2021/05/ankurisha-emagazine-bengali-poem-in_16.html





মঙ্গলবার, ৪ মে, ২০২১

কবিতায় রবি স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি-১৫।। অনিন্দিতা শাসমল।। Ankurisha ।।E.Magazine ।।Bengali poem in literature ।।

 






কবিতায় রবি স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি-১৫

অনিন্দিতা শাসমল 


তোমাকেই মনে পড়লো 


প্রতি মুহূর্তে মৃত‍্যুর সাথে পাঞ্জা লড়তে লড়তে, বন্দীদশা শেষে 

সতেরো দিন পর ছাদে এসে দাঁড়ালাম।

মৃদু আলোর বন‍্যায় ভাসছে নির্মল আকাশ ; কী অপূর্ব প্রশান্তি !

আজ কি বৈশাখী পূর্ণিমা ?

জোছনায় জোছনায় আর ভেসে ভেসে বেড়ানো  মেঘে মেঘে , 

তোমার  মুখটাই  দেখতে পেলাম,কবি..

জীবন যখন শুকায়ে যায়...

তুমিই যে বাঁচার মন্ত্র শেখাও ,

তোমার কবিতায় আর গানে গানে।





২.

এই কি কথা ছিল !


জীবন আজ মৃত্যুর কাছে পরাজিত ;

আতঙ্কের প্রহর গুণছে তোমার জন্মমাস।

এই কি কথা ছিল কবি ?


ফুল আর মালা হাতে কত উজ্জ্বল হাসিমুখ,

স্কুলপ্রাঙ্গণে তোমার ছবির সামনে দাঁড়িয়ে ,

সত‍্যিকারের ঠাকুরপুজো করবে বলে একবছরেরও বেশি অপেক্ষায় !

"আলোকের এই ঝর্ণাধায়ায় ধুইয়ে দাও..." 

সুর তুলবে বলে ,নড়বড়ে হারমোনিয়ামটা অপেক্ষায় ছিল...


তার বদলে আবিশ্বে, একটাই সুর ধ্বনিত হয়ে চলেছে..

" না বাঁচাবে আমায় যদি মারবে কেন তবে ?

কিসের তরে এই আয়োজন এমন কলরবে ? 

অগ্নিবাণে তূণ যে ভরা,চরণভরে কাঁপে ধরা,

জীবনদাতা মেতেছে যে মরণ - মহোৎসবে।"


এই কি কথা ছিল কবি ?

তোমার জন্মমাসে !






আরও  পড়ুন👇👇


https://wwwankurisha.blogspot.com/2021/05/ankurisha-emagazine-bengali-poem-in_3.html


সোমবার, ৩ মে, ২০২১

কবিতায় রবি স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি -১৪।। গৌতম হাজরা।। Ankurisha ।। E.Magazine ।।Bengali poem in literature ।।

 









 কবিতায় রবি স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি -১৪

গৌতম হাজরা



শান্তিনিকেতনের রাতে


কোপাইয়ের জল আর তোমাকে ছোঁয়া না
রাঙামাটি থেকে আজ তোমার অবসর, 
এখন ছাতিম ফুল ফোটে কি জ্যোৎস্নায়? 
এখনও কি শোনো তুমি পাখির কলরব? 

তোমার কথা কি আজ ভুলতে বসেছি? 
কাল থেকে মন বড় বিষন্ন হয়েছে, 
মুক্ত বাতাসে নেই একতারার সুর
ভুবনডাঙ্গা আজও অপেক্ষায় রয়েছে। 

তোমাকে ঘিরেই এই জন্ম যাতায়াত
নরম অপেক্ষা ঘিরে রোজ সন্ধ্যা নামে, 
আলো বাতাসের সাথে সাঙ্গ হয় কথা
ছায়াকাল পেরিয়ে কেউ এখানে কি থামে? 

এবার বর্ষাশেষে দূর ওই মেঘেদের পাশে
দেখা হবে ঠিক পুনর্বার, 
উথালপাথাল হবো শান্তিনিকেতনের রাতে
তোমার গানের সুরে ভাসবো আবার! 








আরও  পড়ুন 👇👇



https://wwwankurisha.blogspot.com/2021/05/ankurisha-emagazine-bengali-poem-in_99.html




রবিবার, ২ মে, ২০২১

রবি স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি - ১৩।। তপনজ্যোতি মাজি।।Ankurisha ।।E.Magazine ।। Bengali poem in literature ।।

 








রবি স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি - ১৩

তপনজ্যোতি মাজি




হৃদয়ে রাখি            

 


 [ এক ]


 কখনও আগুন কখনও সীমাহীন নীলে সমর্পন

 অনিবার্য হয়ে ওঠে।

তোমার সান্নিধ্য খুঁজি অক্ষর , সুর , উচ্চারণে।

পতাকা , ফেস্টুন , স্লোগান , সমাবেশ ছাড়া

নীরব বিপ্লব ঘটে যায় অন্তর্লোকে।

মানবিক হতে হয়।

সংবেদী হতে হয়।

হতে হয় বিশ্ব নাগরিক।

 

 [ দুই ]

 

 নিজেকে দেখার জন্যে দর্পন।

 নিজেকে জানার  জন্যে মন।

 ভ্রমণের জন্যে অপার বিস্ময়।

 নীরবতা কি আত্মোপলব্ধির  প্রথম সোপান?

 নক্ষত্রের কাছে এই সব জানতে ।

 পাহাড়ের পদতলে দাঁড়িয়ে রেখেছি জিজ্ঞাসা।

 সমুদ্রের নীলে খুঁজেছি উত্তর।

 গীতবিতানের অক্ষরে অক্ষরে সব প্রশ্ন কি ভাবে যে

 সংগীত হয়ে গেছে!


 [ তিন ]

 

 ভালবাসা তিলোত্তমা।

 প্রেমের চূড়ান্ত মুহূর্ত নীরবতা।

 নগ্ন নির্জনে ঘুরে বেড়ান ঈশ্বর ঈশ্বরী।

 দেশপ্রেম সংকীর্ণতা নয়।

 মাটি, জল , হওয়া ও আকাশ কি

 চতুর্বেদ ?

বিভাজন নয় , সম্মিলন।

এই সব সত্যে সৌরদ্যুতি হীরক 

খণ্ডের মতো নিষ্পলক জ্বলে।

শুধু মাথা নত হয় মানবতার কাছে।

দারিদ্র কি মানুষের নির্মম উদাসীনতা?

মনে হয় তোমার  দীর্ঘ সাক্ষাৎকার প্রয়োজন ছিল।

মুখোমুখি তুমি ও মানুষ।



[ চার


স্বপ্নে অহর্নিশ তোমার মুখ।

প্রত্যয়ে তোমার কবিতা।

সংশয়ে তোমার প্রবন্ধ।

সংকটে তোমার সংলাপ।

নীরবতায় তোমার গান।

মনের মুক্তিতে দু -একবার শান্তিনিকেতন।

মংপু'র একতলা বাড়ি।

বৌদ্ধিক উৎকর্ষতার খোঁজে বার বার 

'শেষের কবিতা'।

তোমার ছায়ার নিচে নির্জন আমিকে 

রেখে আমাদের ছেঁড়াখোঁড়া জীবন।


 [ পাঁচ ]


বহুদিন আগে এরকম নিদাঘ প্রহরে কার কণ্ঠে

শুনেছি ' বাঁশিওয়ালা ' ?

চোখ বন্ধ করে  প্রার্থনার মতো কার উচ্চারণ 

শুনি, '  অন্তর মম বিকশিত করে... '।

পশ্চিমের ঘরে কে গায় ' তোমার অসীমে প্রাণ মন লয়ে 

যত দূরে আমি ধাই …'!

 বিস্ময় ও মুগ্ধতা ঘিরে জীবনের নিত্য আবর্তন।

তুমি আছো বলে  সমস্ত রুক্ষতায়   

অনুভবে স্নান করে এ আমির অন্তর জন।





আরও  পড়ুন 👇👇👇


https://wwwankurisha.blogspot.com/2021/05/ankurisha-emagazine-bengali-poem-in_2.html



শনিবার, ১ মে, ২০২১

রবি স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি -১২।। অজিত বাইরী।। Ankurisha ।।E.Magazine ।।Bengali poem in literature ।।

 





রবি স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি -১২

অজিত  বাইরী


১.

 নিবেদিত  কবিতা 

 


তুমি যেন অফুরান আলোর উৎস

অন্ধকারকে রেখেছ আড়াল করে।

কোন্ দূর-দূরান্ত থেকে আলো ফেল রোজ

আমাদের এই আটপৌরে জীবনে।

চক্ষে দেখি না তো, তবু প্রতিদিন

তোমার  উপস্থিতি টের পাই, যখন 

চারপাশে বেনোজলের মতো ধেয়ে আসে বিপন্নতা; 

যখন দুঃখ-শোকে ভারাক্রান্ত,মুহ্যমান;

তখনই তোমার মুখ জ্বলে ওঠে উজ্জ্বল বর্ণে।

বুঝতে পারি, তুমি সেই আলোর উৎস

যার সতত উদ্ভাস আছে, বিনাস নেই।




২.

এখানে আকাশ  


এখানে আদিগন্ত বিস্তৃত আকাশ;

আকাশে অপলক চোখ রেখে

দিনমান পাঠ নিই আকাশগ্রন্থের।


কখনও-সখনও একটি দুটি পাখি

আসা-যাওয়া করে জানলার ওপারে,

গরাদের ভেতর থেকে দৃষ্টি অনুসরণ করে

অনন্তের মাঝখানে উড্ডীন পাখির।


সন্ধ্যা নামে, এসে বসি বারান্দায়;

তারাদের সঙ্গে কথা হয়,

যতক্ষণ ঘুম না আসে।

এত তারা-ভরা আকাশ দেখিনি আগে।


ওই তারাদের ভিড়ে তুমিও কী

আছো কোথাও, প্রাণের রবীন্দ্রনাথ?

প্রতিপ্রাতের তর্পণ তোমারই জন্য;

তোমাকেই নিবেদিত প্রতিসন্ধ্যার আরতি।




আরও  পড়ুন👇👇



https://wwwankurisha.blogspot.com/2021/05/blog-post.html