লেবেল

'আষাঢ়ে গপ্প কথা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
'আষাঢ়ে গপ্প কথা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ৩ আগস্ট, ২০২১

আষাঢ়ে গপ্প কথা -১৮।। দেবাশীষ সরখেল।।Ankurisha ।। E.Magazine ।। Bengali poem in literature ।।

 





আষাঢ়ে গপ্প কথা -১৮




দেবাশীষ  সরখেল

কীর্তনীয়া 

 


 বাড়ির সবচেয়ে মেধাবী ছেলে নন্দ।  প্রথমবার ডেন্টালে পেয়েছিল।  সেকেন্ড টাইম বসলে  অবলীলায় সে ডাক্তার হতে পারত।  কিন্তু যেতে পারি ব্যান্ডের  জটু যত নষ্টের গোড়া।

 নন্দ সিঙ্গার,নন্দ কম্পোজার।  নন্দই মধ্যমণি ।  সে আবার মাটির গান লেখে।  মানুষের টানে গানের টানে  গায়ে চলে যায়।  জঠুর সাথে  জল জঙ্গল ও জীবনের  গন্ধ মেখে আসে।

 এদিকে পরিবারে অশান্তি চরম।  শিক্ষিকা দিদি  রাতবিরেতে রিয়াজ   জগঝম্প  বাজানো  তীব্র না-পসন্দ।  ঘোর অনিচ্ছায় বাড়ি ছেড়েছে ।  দাদা বৌদিকে নিয়ে ফ্লাটে ।  অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক বাবাকে  তারা বৃদ্ধাশ্রমের ভরে দিতে চেয়েছিল। 


 নন্দ হতে দেয়নি।  বাবা মৃত্যুর আগে  অর্থ-সম্পদ সমস্ত  নন্দর হেফাজতে রেখে  চলে যান।

 দাদা দিদি আর ফিরেও তাকায় নি।  

সে শুধু গান আর গান ।

 প্রথম অ্যালবাম হয়ে গেল।  প্রথম শো দুর্গাপুরে।  ভাগ্য কত খারাপ  সেদিনই অঝোর বর্ষা। রাস্তায় গাড়ি থামাতে হয়।  পাশের গাড়িতে তাদের প্রথম অ্যালবাম বাজছে ।  জটু ছুটে যান।  নিজের কানকে তারা বিশ্বাস করতে পারেন না।  গাড়ির দিদিকে জিজ্ঞেস করেন  ------ এ গান কোথায় কিনলেন?

 বলেন - অনেক  জায়গায় পাওয়া যায়।  এই সিঙ্গারের প্রাণ সঙ্গীতময় ।  ডাক্তারি পড়া ছেড়ে এসে সঙ্গীত সাধনা করে।

 যেখানে শো হবে  তার কাছাকাছি গাড়ি পৌঁছে যায়।  সকলেই ছাতা নিয়ে লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে।

 জটু বলেন — আমার  ভবিষ্যৎ বাণী  ফলে গেছে রে নন্দ।  কত লোক দেখ তোর গান শোনার জন্য  লাইন দিয়েছে।

 নন্দ হাসে।  দেখবে ---এ ভ্যাকসিনের লাইন।  মাথা খারাপ করো না।

 না জটুর কথাই সত্য।

 সো ভেঙ্গে গেলে  তরুণ-তরুণীরা ছেকে ধরে।

 অটোগ্রাফ চাই।  নন্দ তার পদবী বদলে  লেখে নন্দ কীর্তনীয়া।

 তার গানের ভুবনে  কত যে কীর্তনীয়া  বাউল  বিছানা পেতেছেন  সে নিজেও জানে না।






আরও পড়ুন 👇🏾👇🏾


https://wwwankurisha.blogspot.com/2021/08/ankurisha-emagazine-bengali-poem-in.html




সোমবার, ২ আগস্ট, ২০২১

আষাঢ়ে গপ্প কথা -১৭ ।। স্বপন ময়রা।। Ankurisha ।। E.Magazine ।। Bengali poem in literature ।

 




আষাঢ়ে গপ্প কথা -১৭



স্বপন ময়রা 

বাপ বঠে 


হ্যঁ দিদিমণি টুকুন পান্তা হইবেক! 

— কেনো রে কি হবে, বাসি ভাতে জল দিতে ভুলে গেছি, সেটাই পড়ে আছে, খাবি! 

— নাগো দিদিমণি মুর কুথাঠ বলিলাই , সাঁঝলি আর উয়ার বাপের জইন্য মাঙ্গছি, ঘরে চাইলটা বাড়ন্ত হঁইছে, মারাণঠাকুর জাইন্যে উরা কেইমন কইরে দিনটা কাটাইছে। 

মুই তো সেই কাকভোরে উঠাই তুদ্যের বাড়ী চলাইন আঁইছি, বিটিছিল্যাটার কুথাঠ ভুইলতে লারছি, মরদ টাই বা কি খাঁইছে বুইঝতে লারছি। 

তিনবাড়ীর কাজ সাইরতে সাঁঝবেলাটা হইয়া জাইবেক , দিনকালটা ভ্যাইল্য লয় রে দিদিমণি , ডর লাগে একা একা ঘরকে জাঁইতে। 

— ঠিক আছে তুই কাজ সেরে দুটো খেয়ে নে আর বাড়ীর লোকেদের জন্যে কিছু দিয়েদিচ্ছি , মনে করে যাবার সময় নিয়ে যাস। 

— মারণঠাকুর তুক্যে ভ্যাইল্যটা কইরবেক রে দিদিমণি।

সব কাজ সেরে সাঁঝলির মা কোঁচড়ে চাট্টি মুড়ি বেঁধে নিয়ে এক হাতে দুপুরের বাবুদের বাড়িতে বাড়তি ভাত তরকারি একটা টিফিন কোউটেতে ভরে বাড়ীর দিকে রওনা হলো , সূর্যদেব তখন অস্তাচলে যাবার পথে। 

ফাঁকা মেঠো পথ দিয়ে জাবার সময় একবারও ভাবতে পারেনি দুজন ষণ্ডামার্কা যুবক তার পিছু নিয়েছে ...


 — হ্যা বাপ তুই ইখনো চুপ কইরে থাকবি! কুথাঠ বলনা কেনে , পুলিস আঁইছে , খপোরের কাগজের মানুষ গুলান আঁইছে , ফটক তোলার কলটাকে তাক কইরে মুর মরা মাটার কুত্তো ফটক তুললো, কিছু বইলনা কেনে। 


আস্তে আস্তে সাঁঝলির বাপ পুলিসদের কাছে এসে হাত দুটো জড়ো করে বললো ...

হ্যা বাপ তুরা ইখানে কি কঁরছিস বঠে! জানা কেনে ওই শ্যঁয়তান গুলান কে ধরনা কেনে, যারা মুর বউটাকে কুকুরের মইতো কাঁমড়ে জীবনটাকে শেষ কইরাদিলো। 

হ্যা ফটক বাবু তুরা কেনে মুর মরা বউটার ইত্তো ফটক তুলছিস ? একবার তো উর সইনমানটা গেছে, কাগজে ফটক চাঁপাই উয়ার ইজ্জত যাবার কুথাঠ ঘইরে ঘইরে বিলাইন দিবির লগে আঁইছিস? 

থানার বড়ো বাবু বারবার জিগাইবে কেইমন কুরে হইলো, আগে কুঁইনো সম্পর্ক ছিলো কিনা? 

আর কুত্তো অপমান কইরবি তুরা , মইরে শান্তি পাইবেক লাই মুর বউটা। 

উ শ্যঁয়তান গুলান একবার উর ইজ্জত লুট কঁইরছে, তুরা বারবার উর ইজ্জতটা লিয়ে ব্যবসা কঁইরছিস,মরদ যদি হইয়ে থাকিস, জানা কেনে সমাজ থেইক্যা উসব শ্যঁয়তান গুলান কে শেষ কর। 

মুর ছোট্ট বিটিটার কুথা টুকুন ভাইব, উক্যে লিয়ে ই সইমাজে বাঁইচবো কিমন কইরে! 

আজ উর মায়ের ইজ্জত লিছে, দুদিন পর উয়ার শরীল  লিঁয়ে খেইলবেক। 

একটা কিছু কইরে দেখা বাবুমশাইরা , যাতে মা-মেইরা মাথা উঁচু কইরে বাঁইচতে পাইরে । 

দমে ভ্যালছিস তুরা মুর মরা বউটার দিকে , টুকুন শান্তি দে উকে। 

জানি তুরা ছাড়বিক লাই উকে, মড়াকাটার ঘইরে লিয়ে আবার উক্যে উলঙ্গ কইরে কাটাছেঁড়া কইরবি। 

বিটিছিল্যান হইয়ে জম্মানোটা পাপ তুদের ই সইমাজে। 

হ্যা মইনে রাখিস সইমাজের বাবুমশাইরা, তুদ্যের ঘইরে উ মা-বুনটা আছে বঠে, উদের সইনমানটা রাখিস বঠে । 

মারণঠাকুর তুদের ভ্যাইল্যটা  রাখুক কেনে।

        

                           


আরও  পড়ুন 👇🏾👇🏾


https://wwwankurisha.blogspot.com/2021/08/ankurisha-emagazine-bengali-poem-in.html


শনিবার, ৩১ জুলাই, ২০২১

আষাঢ়ে গপ্প কথা -১৬ ।। নীহার চক্রবর্তী—প্রিয়ামুখ ভাসে।। Ankurisha ।।E.Magazine ।। Bengali poem in literature ।।

 



আষাঢ়ে গপ্প কথা -১৬



নীহার চক্রবর্তী 

প্রিয়ামুখ ভাসে



যুদ্ধ-শিবির থেকে আমি ব্রায়ান বলছি--
'যুদ্ধের যা অবস্থা আমাকে হয়তো মরতে হবে । কিন্তু বাড়িতে যে বলে এসেছি ফিরছি। আমি মারা গেলে কী হবে?'
ওর পাশে বসেছিল আর এক যোদ্ধা ডেরেক।
সে হেসে উঠে বলল--
'কি আর হবে । ক্ষতিপূরণ পেয়ে নিজের পথ ধরে নেবে।'
শুনে খুব অবাক হল ব্রায়ান ।
ভ্রূ-কুঁচকে ডেরেককে বলল--
'তা বুঝি হয়? কতদিনের পথ আমাদের। মুছে যাবে অত সোজা। মনে হয় তা হবে না।'
আবার হেসে উঠলো ডেরেক। এবার আরও জোরে।
হঠাৎ সে মুখভার করে বলল ব্রায়ানকে--
'তাহলে তোমার যুদ্ধে যেতে হবে না। আবার একা ফেলে তো যাওয়া যায় না। তোমাকে মেরেই যাবো আমরা। যুদ্ধ মানে শুধুই বেগ। আবেগের কোন জায়গা নেই।'
শুনে থতমত খেলো ব্রায়ান।
মুখ কাচুমাচু করে তাকে বলল--
'তাহলে আর ভাবছি না। যুদ্ধ করতে এসেছি যুদ্ধ করেই যাবো। মরণের কথা ভাবি না। নিকুচি করেছে সে পথের।'
কথা শেষ করলো বটে ব্রায়ান, কিন্তু তার দুচোখ সহসা ছলছলিয়ে উঠলো।
সঙ্গে-সঙ্গে ডেরেক ওকে বুকে জড়িয়ে ধরে প্রায় অস্ফুট-গলায় কান্নাভেজা স্বরে বলল, 'আমারও সেই অবস্থা। বন্ধু, এখানে এত ভাবতে নেই যে।'
দুই যোদ্ধার করুণ আর্তনাদ চলল খুব সন্তর্পণে। কেউ-কেউ দেখে কিছুই বুঝতে পারলো না।







আরও পড়ুন 👇🏾👇🏾

https://wwwankurisha.blogspot.com/2021/07/ankurisha-emagazine-bengali-poem-in_30.html




মঙ্গলবার, ২০ জুলাই, ২০২১

আষাঢ়ে গপ্প কথা -৫ ।। দুর্গাদাস মিদ্যা।। Ankurisha ।। E.Magazine ।।Bengali poem in literature ।।

 





আষাঢ়ে গপ্প কথা -৫


দুর্গাদাস   মিদ্যা 


গ ল প


ঘটনা টা বেশ জবর। বর্ষাকাল বৃষ্টি হবে না তাতো নয়। গ্রামের ছেলে। মাঠে ঘাটে যাওয়ার অভ্যেস। দীর্ঘ দিন বাড়ির বাইরে থাকতে হয়েছে চাকরি সূত্রে করোনার  সময়ে গ্রামের বাড়িতে এসে যাওয়ার পরে আর ফিরে যেতে পারে নি। এখন এখান  থেকেই ওয়ারক ফ্রম হোম চলছে। তা গ্রাম তো সেই গ্রাম নেই। সেই ঘুটঘুটে অন্ধকার। গা ছমছমে ভাব ভুতের ভয়। 

এখন এমন কোন ঘর নেই যার বাড়িতে  ইলেক্ট্রিক  আলো নেই। 
সব ঠিক আছে কিন্তু সব ভয় যে একেবারে শেষ হয়ে গেছে তা নয়। এখনও একটি ভয়ে গা ছমছম করে রোদ্দুরের। জাত সাপ দুচারটে
 ফুটফাট বেরিয়ে পড়ে। এইতো সেদিন  গোয়ালের ভিতরে  কালো দুধেল  গাইটার বাঁট থেকে দুধ খাচ্ছিল বেশ বড় সড় দুধে খরিশ। মেজকাকা  দুধ দূইতে  গিয়ে দেখে এই কান্ড।  লাঠি নিয়ে মারতে গিয়ে সাপটা লাফ দিয়ে প্রায় মেজকাকাকে ছুঁয়ে ফেলে আরকি। 
সেই থেকে রোদ্দুরের ঘুম ছুটে গেছে। ভয়ে বাড়ি থেকে বের হওয়া প্রায় বন্ধ। ভয়ে শুকিয়ে যাচ্ছে দিনের পর দিন। 

ঘন ঘন বৃষ্টি। ব্যাঙের আওয়াজ। সেদিন ঘরের উঠোনে ব্যাঙের ত্রাহি ত্রাহি আওয়াজ। মেজকাকা  সাহসী। একটা টর্চের আলো নিয়ে দেখে সাপ বাবাজি যথারীতি ব্যাঙ শিকার করে বসে আছে। সেই সব দেখে শুনে রোদ্দুর সেন্সলেস হয়ে গেল। জ্ঞান ফিরতে দেখল সবাই ওর জন্য তটস্থ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। 










আরও পড়ুন 👇🏾👇🏾


https://wwwankurisha.blogspot.com/2021/07/ankurisha-emagazine-bengali-poem-in_93.html




শুক্রবার, ১৬ জুলাই, ২০২১

আজ থেকে শুরু হলো অঙ্কুরীশা-য় অণুগল্প পর্বের 'আষাঢ়ে গপ্প কথা' বিভাগ।। আষাঢ়ে গপ্প কথা - ১।। অজিত বাইরী।।Ankurisha ।।E.Magazine ।।Bengali poem in literature ।।

 







অণুগল্প পর্ব


আষাঢ়ে গপ্প কথা - ১

অজিত বাইরী 

 


 মাংস


যখন দক্ষিণের বাতাস বয়,সারাদিন টুপটাপ কাঁঠালপাতা পড়ে উঠোনে । কাঁঠালগাছটা বেশ ঝাঁকড়া আর পত্রববহুল। রাখাল ডালসমেত কাঁঠালপাতা সংগ্রহ ক'রে, সেগুলি টুকরো করে, ঝাঁকা বেঁধে  বাজারে নিয়ে গিয়ে বিক্রি করে । চাষিরা এসে কিনে নিয়ে যায় ছাগলের জন্য । রাখালের নিজেরও দুটি ছাগল আছে। সে দুটিও সারাবছর কাঁঠালপাতা চিবোয়। আর গোয়ালের বাইরে খুঁটোয় বাঁধা থাকে।


একদিন এক ব্যাপারী এলো  রাখালেরকাছে। বললো, তোমার ছাগল দুটি বেশ নধর হয়েছে , কাঁঠালপাতার মতো চকচকে। ওজনও ভাল হবে। বিক্রি কর, ভাল দাম পাবে।

রাখাল কথাগুলি শুনলো; কিন্তু ভাল লাগলো না। সে বললো, আমি এখন বিক্রি করবো না।

ব্যাপারী ফিরে গেল। আবার  কিছুদিন পরে এসে বললো, ছাগল দুটি আরও বড়ো হয়েছে । ওজনেও বেড়েছে। আগেরবারের থেকে আরও বেশি দাম পাবে।

এবারেও রাখাল ফিরিয়ে দিল। কিন্তু ব্যাপারী

নাছোড়বান্দা। ছাগল দুটি তার চাই-ই।

এবারেও রাখাল না-না করছিল।তখন ব্যাপারী বললো, এরপর কিন্তু ওজন বাড়বে না । বেশি দামও পাবে না । আচ্ছা দুটো যদি একসঙ্গে না দাও, অন্তত একটা দাও।

রাখাল ইতস্তত করে বললো, ঠিক আছে, কিন্তু ভাল দাম দিতে হবে।

ব্যাপারী জানে, এর মাংস বিক্রি করে সে লাভবানই হবে। ফলে  রাখাল যা চাইলো, তাতেই রাজি হয়ে গেল। সে ছাগলের গলার দড়ি খুলে দিল।

ব্যাপারী ছাগলটাকে টানতে টানতে রাখালের চোখের সামনে থেকে সরিয়ে  নিয়ে  গেল।

মাসখানেক পরে রাখাল বাজারে গেছে। সেদিন তার একটু মাংস কেনার লোভ হল। কসাইয়ের দোকানে গিয়ে  মাংস নিল। তখন পাশে দাঁড়িয়ে আরেকজন ক্রেতা বললো, এতো তোমারই ছাগলের মাংস!

রাখাল মুখে কিছু বললো না, শুধু মাংসের দোকানে মাংসের থলিটা নামিয়ে রেখে বললো, না, আমি মাংস নেব না।---বলে সে হনহন করে বাড়ির দিকে হাঁটা দিল।










অঙ্কুরীশা সাহিত্য পত্রিকা 

-----------------------------------------------


🙏🙏লেখা পাঠান 🙏🙏 লেখা পাঠান 🙏🙏

---------------- ---------------- -------------------------------- 


✍️✍শুরু হলো অঙ্কুরীশা ই-ম্যাগাজিনে 'আষাঢ়ে গপ্প কথা' বিভাগ। 


✍🏾 এই বিভাগ আজ থেকে  ৩০শে আগষ্ট ২০২১ পর্যন্ত  ক্রমশ  চলবে।


✍🏾✍🏾 এই বিভাগে ১০০ - ১২০ শব্দের মধ্যে গল্প মেল বডিতে টাইপ করে  পাঠানোর আবেদন জানাই। 


🙏🙏 কোন প্রকার ছবি বা পিডিএফ  ফাইল গ্রহণ   যোগ্য  নয়।


✍🏾✍🏾 লেখা  অবশ্যই  মৌলিক ও অপ্রকাশিত  হতে হবে।


 🙏এই বিভাগে আপনিও আপনার মৌলিক ও অপ্রকাশিত লেখা আজই  পাঠান। 👇👇👇


✍🏾✍🏾মেল-  ankurishapatrika@gmail.com


✍️🙏আপনার এই পাঠানো  লেখাটি অঙ্কুরীশা-য় সম্মানের সাথে প্রকাশিত হবে। 


নমস্কার। 

ভালো থাকুন। 

সুস্থ থাকুন। 


 সম্পাদক, 

 অঙ্কুরীশা