লেবেল

উৎসব বিষয়ক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
উৎসব বিষয়ক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৪

।। প্রতিদিন বিভাগ।। ।। অক্টোবর সংখ্যা।। ।। উৎসব বিষয়য়ক- ২০।। কালী রূপে••• অশোক ব্যানার্জী।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।



    ।।  প্রতিদিন বিভাগ।। 

    ।।  অক্টোবর সংখ্যা।। 

    ।।  উৎসব বিষয়য়ক- ২০।।


কালী রূপে•••

অশোক ব্যানার্জী


চারদিকে আজ বড়ই অস্থিরতা

আঁধার যুগ আবার এল ফিরে ?

ভ্রষ্টাচারে ভরে গেছে আজ দেশটা 

এ আঁধার তবে দূর হবে কি করে !


দূর আকাশে হঠাৎ চেয়ে দেখি

আলোর রেখা উঠেছে ঐ ফুটে

তীব্র জ্যোতির্ময়ী এক নারীর

বরাভয় হাত এবার দৃশ্যপটে ।


দৃপ্ত পায়ে এগিয়ে আসছেন তিনি

দু'চোখ থেকে আগুন যেন ঝরে

যত অনাচার, অমার্জিত অপরাধ,

ভষ্ম হবে সেই আগুনে পুড়ে।


বাম হাতে তার মুণ্ডমালা ঝোলে 

আরেক হাতে খাঁড়ার ঝলকানি

ডান হাতে তার আশীর্বাদের ভঙ্গী

আর একটি হাতে শান্তির ললিত বাণী ।


দেশটা যে আজ কালিমাতে ভরা

তাইতো তিনি কালী রূপে আজ

আসছেন ছুটে অসুর নিধন কল্পে

তাই বুঝি এই রণরঙ্গিনী সাজ !


দুর্দম বেগে আসছেন তিনি ছুটে

শিব শক্তি নিথর পায়ের কাছে

অশুভ শক্তি দমন করে এবার

সব কালিমা দেবেন ধুয়ে মুছে ।


পৃথিবীটাকে আলোয় ভরিয়ে দিয়ে

শিব শক্তির পূর্ণ জাগরণ !

কালিমা লিপ্ত ভ্রষ্টাচারের অন্ত,

কালো মেয়ের এটাই লক্ষ্য এখন ।

সোমবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৪

।। প্রতিদিন বিভাগ।। ।। অক্টোবর সংখ্যা।। ।। উৎসব বিষয়য়ক- ১৯।। হাইফেন — সোনালী জানা।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।



    ।।  প্রতিদিন বিভাগ।। 

    ।।  অক্টোবর সংখ্যা।। 

    ।।  উৎসব বিষয়য়ক- ১৯।।





হাইফেন 

সোনালী জানা


এসো স্বাক্ষর করি।
এ চুক্তিপত্র আমাদের ধূসর মৃত্যুর !

ওই যে তপস্যায় নীল হতে থাকা
খুদে মশাটার মতোই একদিন
কানের পাশ দিয়ে উড়ে যাবো দ্রুত,
নিঃশব্দ দংশন কিংবা ভনভন ছাড়া
দুপক্ষের কোনো স্বাভিমান থাকবে না!

এরপরও যদি মনে পড়ে যায়
বাকি থেকে গেছে কিছু ব্রহ্মজীবন,
কোনো এক আপসসন্ধ্যায়
বসবো স্বাতী নক্ষত্রের মুখোমুখি।
শেষ আলোয় মিলিয়ে নেবো মৃদুক্ষোভ
আর অবশিষ্ট লাভক্ষতির বহর...

তারপর সেই বাড়ি ফেরার পালা।
যেতে যেতে একেবারে শেষটানে -
এঁকে রেখে যাবো এক দীর্ঘ হাইফেন !

শুক্রবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৪

।। প্রতিদিন বিভাগ।। ।। অক্টোবর সংখ্যা।। ।। উৎসব বিষয়য়ক- ১৮।। বৃষ্টির রাতে — তিমির মিত্র।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।



    ।।  প্রতিদিন বিভাগ।। 

    ।।  অক্টোবর সংখ্যা।। 

    ।।  উৎসব বিষয়য়ক- ১৮।।



বৃষ্টির রাতে

তিমির মিত্র



বৃষ্টির রাতে 


তুমি আসা মানেই 

উজাড় করা শব্দ ,ছন্দ ,সুরের 

মস্ত এক মেলবন্ধন !

প্রবল বৃষ্টিতে 

খুলে যেতে থাকে অক্ষর ,শব্দ ,

ছন্দের শৃঙ্খল,

একেক সময় তাদের একেক রকম অর্থ,

মধ্য রাত্রির টাপুর টুপুর শব্দে কত 

অচেনা মহাদেশ জেগে ওঠে,

তুমি আসা মানেই  

এক লহমায় উবে যায় বৃষ্টিতে 

ভেজার ভয় !

চারপাশের পৃথিবীটাও তখন 

পাল্টে যেতে থাকে,

ইজরায়েল থেকে প্যালেষ্টাইনের দিকে তখন উড়ে যায় না বোমারু বিমান,

সুতোয় বাঁধা বেলুন গুলো বন্ধন 

ছিন্ন করে উড়ে যায় নিজের মত,

ধেয়ে আসা শব্দ , ছন্দ , সুর গুলো আমাকেও মুহূর্তে পাল্টে দেয় ।



বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৪

।। প্রতিদিন বিভাগ।। ।। অক্টোবর সংখ্যা।। ।। উৎসব বিষয়য়ক- ১৭।। নবমী নিশি — অলক্তিকা চক্রবর্তী।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।



    ।।  প্রতিদিন বিভাগ।। 

    ।।  অক্টোবর সংখ্যা।। 

    ।।  উৎসব বিষয়য়ক- ১৭।।





 নবমী নিশি

 অলক্তিকা চক্রবর্তী 


ওই তো ওঘরে পাশ ফিরে শুয়ে নরম ঠোঁটের কাঁপন। ‌
কী এক ফিসফিসে মৃদু উচ্চারণ । ওই... ওই তো ডাক, ছায়া ছায়া ভেসে যাওয়া কান্না যেমন।মায়াবী জোৎস্না মাখা,ওই কি ত্রিনয়ন? চকচকে ফলায় কেমন...
 ফিরে আসা জলে ভেজা গাল আর অস্তিত্বটুকু তুলে রাখা বিছানার পাশে ।উঁকিঝুঁকি লোভ শুধু মায়ের কোলের হাতছানি।
নিরালায় হাঁক ডাক শ্রান্ত হয়ে আসা চোখে ঘুম ঘোরে, কি যেন মোমের মতোই পালক পালক।হাত বুলিয়ে টানে মমতার কাছাকাছি।

ওইতো ভ'রে ওঠা টলটলে ত্রিনয়ন ঠিক যেন... অবিকল মায়েরই মতন 



ঝিঁঝি ডাক বাতাসের পরাজয় , জোনাকির মত সারি সারি মিটমিটে আলো দূরে জ্বলে নেভে
একান্তে, ওই শৈলশহরের ঝাড়বাতি । 
সেখানেও কি আছে এমনই অরূপরতন? বরাভয় আহ্লাদে কোল আঁচল টেনে, পাশ ফিরে ঘুম ঘোরে তুলে নেয়  ব্যথার অস্তিত্বটুকু
এই তবে শেষ রাত। চোখ মোছো আগামীর যাত্রাপথ । নদী হয়ে বয়ে
যাবে গোটা দেশকাল ?নামগোত্রহীন এক  উদ্গত ঢেউ শুধু টান ... মায়াবী ঘন হয়ে ছুঁয়ে

 থাকা না থাকায় আরো যেন একা হয়ে যাওয়া কেউ  
ঠিক  আবাল্যের সেই একরত্তি মায়া পুতুল।স্বভাব ছাপিয়ে যাওয়া ছোট্ট  সর্বংসহা তুমি মাগো!



 আসলে এতো যাওয়া নয়   শুধুই ফিরে ফিরে আসা বারংবার আশ্চর্য কৌশলে। চীৎকার বুকের ভেতর । বাইরের চাপা ঝড় শান্ত, আলো আর আগুনের ডালপালা  কুড়িয়ে ফেরে রাতের ক্ষোভ
 পরিণত কিছু স্মৃতিচিহ্ন ঘিরে দোলাচল। ঘর নেই , দোর নেই, ছড়ানো ছিটানো নেই সম্পর্কের অলিগলি । এত কিছু 'নেই' নিয়ে একা, আরো একা হয়ে যাওয়ার ভয়ে ডুকরিয়ে ওঠা সেই প্রথম দিনের মতো

আর পায়ে পায়ে নবমীর ঘরে রেখে আসা বিন্দু বিন্দু পিছুটান,'যেও না' কথা কটি ব'লে...

বুধবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৪

। প্রতিদিন বিভাগ।। ।। অক্টোবর সংখ্যা।। ।। উৎসব বিষয়য়ক- ১৯।। দিগন্তপুরে উমার যাত্রা — প্রদীপ কুমার চক্রবর্তী।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।



    ।।  প্রতিদিন বিভাগ।। 

    ।।  অক্টোবর সংখ্যা।। 

    ।।  উৎসব বিষয়য়ক- ১৯।।




দিগন্তপুরে  উমার যাত্রা

প্রদীপ কুমার চক্রবর্তী 


তিথি গোলমালে নবমী দশমী 

সব মিশে একাকার 

এইতো বাজলো বোধনের ঢাক

এখনই যাবার তাড়া 

এখনও শরৎ বৃষ্টি ঝরায় 

বর্ষাতে সমাহার 

বাঙালী আবেগ জমকালো বেগ

আছে ঠিক শিরদাঁড়া।


আনন্দ ও ক্ষোভ, টক মিষ্টিতে 

শারদীয়া ছিল মগ্ন 

ঝরা শিউলি কুড়িয়ে এনেও 

 হয় নিকো মালা গাঁথা 

দুলে দুলে কাশ পায় অবকাশ 

 ঝরে পড়া সেই লগ্ন

আকাশ আঁখিতে শাপলারা ফোটে 

 জমে সেথা কতো ব্যথা ।


নানা অবিচার অনাচার মাঝে

 মন ছিল কতো রুষ্ট 

আনন্দ স্রোতে ছিল না মাতন 

থেমে গেছে যতো সাড়া 

হাজারে হাজারে সব রাত জাগে 

 কেউ হয়নি তো তুষ্ট 

হায় রে সমাজ ! হায় মহাকাল!

  সোজা আছে শিরদাঁড়া।


উমা চলে যাবে হিমালয় কোলে

মনেতে গভীর ছায়া 

মর্তের উমা হয়েছে নিধন

 সে বিভৎস মহিষাসুর 

আগাছার মতো তারা হয়েছে  লালিত 

কতো অভিশাপ ভরা মায়া 

বিষাদগ্রস্ত শারদীয়া হাসে 

 ডাকে যে দিগন্তপুর ।



মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৪

। প্রতিদিন বিভাগ।। ।। অক্টোবর সংখ্যা।। ।। উৎসব বিষয়য়ক- ১৮।। দীপাবলি — সুব্রত চৌধুরী।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।



    ।।  প্রতিদিন বিভাগ।। 

    ।।  অক্টোবর সংখ্যা।। 

    ।।  উৎসব বিষয়য়ক- ১৮।।


দীপাবলি

সুব্রত চৌধুরী

দীপাবলির আলোকছটায়
প্রাণের নতুন সুরে,
আতশবাজির আলোয় হাসে
রাতের আকাশ দূরে।

পটকাবাজির খেলায় খোকা
খুশির ভেলায় ভাসে,
দীপাবলির আলোর শিখায়
অসুর শক্তি নাশে।

চড়কা রকেট আঁধার রাতে
আকাশ পানে ছোটে,
দুম ফুটা ফুট শব্দে খুশির
শতদল যে ফোটে।

ঘুম ছুটা ছুট দাদু দিদার
কানে লাগে তালা,
দীপাবলির আলোয় সাজে
মায়ের বরনডালা ।

সোমবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৪

।। প্রতিদিন বিভাগ।। ।। অক্টোবর সংখ্যা।। ।। উৎসব বিষয়য়ক- ১৭।। মহিষাসুর ছিল বলেই — গোবিন্দ মোদক।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।



    ।।  প্রতিদিন বিভাগ।। 

    ।।  অক্টোবর সংখ্যা।। 

    ।।  উৎসব বিষয়য়ক- ১৭।।


মহিষাসুর ছিল বলেই 

গোবিন্দ মোদক 


মহিষাসুর ছিল বলেই লোকে চিনল মা-দুর্গাকে, 

মহিষাসুর না থাকলে কে-ই বা চিনত তাকে !

মহিষাসুরের অত্যাচারে যখন কষ্টে বিশ্ব সুদ্ধ, 

দেবতারা সেসব দেখেই হলেন ভীষণ ক্ষুব্ধ ! 

তাঁদের তেজরাশি থেকেই জন্ম দুর্গামা'র, 

ভীষণ বলশালিনী তিনি দশটি হাত যে তাঁর !

তাঁর সঙ্গে থাকে বিদ্যা-বুদ্ধি সরস্বতী স্বরূপিনী, 

সঙ্গে থাকে অর্থ-সম্পদ স্বয়ং লক্ষ্মী যিনি !

শৌর্য-বীর্যের অধিকারী কার্তিকেয় সঙ্গে রয়, 

তারই সঙ্গে সিদ্ধিদাতা গণেশের বরাভয় !

পশু-শ্রেষ্ঠ  সিংহ  তাঁর  বাহন  যখন  হন, 

তখন তো তিনি জিতবেন অনায়াসেই রণ !

মহিষাসুরকে বধ করতে এতো যে আয়োজন, 

কারণ অসুর চিরদিনই অশুভের প্রতীক হন ! 

যুগে যুগে অসুর দমনে আসেন যে তিনি, 

পরোক্ষভাবেই তিনি হন অসুরের কাছে ঋণী !

মানুষের মনে অশুভ যা তাকেই অসুর মানি, 

শুভ-বুদ্ধি  দুর্গার  জয়  এ-কথাটা  জানি !

তবুও অসুর  ছিল বলেই  মা দুর্গার জয়,

মায়ের দশ  হাতেই অস্ত্র,  সঙ্গে বরাভয় !!

রবিবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৪

।। প্রতিদিন বিভাগ।। ।। অক্টোবর সংখ্যা।। ।। উৎসব বিষয়য়ক- ১৬।। শবের ওপরে... — সোমা চক্রবর্তী।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।



    ।।  প্রতিদিন বিভাগ।। 

    ।।  অক্টোবর সংখ্যা।। 

    ।।  উৎসব বিষয়য়ক- ১৬।।




শবের ওপরে...

সোমা চক্রবর্তী

উৎসব এলোনা উৎসব হয়ে 
শবের ওপরে দাঁড়িয়ে 
ক্যালেন্ডারের পাতায় উৎসব এসেছিলো!
চলেও গেলো 

তুমি এসো উৎসব, আবার 
আগের মতো 
আনন্দ নিয়ে 

সাদা পায়রার ডানায় শান্তির বার্তা নিয়ে!

শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৪

। প্রতিদিন বিভাগ।। ।। অক্টোবর সংখ্যা।। ।। উৎসব বিষয়য়ক- ১৫।। দ্রোহের উৎসব — দীনেশ সরকার।। Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।



    ।।  প্রতিদিন বিভাগ।। 

    ।।  অক্টোবর সংখ্যা।। 

    ।।  উৎসব বিষয়য়ক- ১৫।।



দ্রোহের উৎসব

দীনেশ সরকার  

 

তিলোত্তমা পায় নি বিচার, সুখ আছে কি মনে?

ধিকি ধিকি জ্বলছে আগুন বুকে সর্বক্ষণে।

দশ বছরের ছোট্ট উমা পড়তে গেল টিউশন

সেও ঘরে ফিরলো না আর, গেল তারও জীবন!

 

অসুরকুলের তান্ডব যে আজ সারা রাজ্যব্যাপী

প্রশাসনিক নির্বিকারে অবাধ দাপাদাপি।

দুর্নীতি আর খুন-ধর্ষণ যে নিত্য দিনের ব্যাপার

অন্ধ কানুন, নির্যাতিতা পাবে কি ন্যায় বিচার?

 

তিলোত্তমা এবং উমার সুবিচার কি হবে?

কেমন করে ফিরবো বলো এবারের উৎসবে?

প্রতিবাদের আগুন বুকে ঘরের মাঝেই আছি

নয়তো পথে প্রতিবাদে সবার কাছাকাছি।

 

উৎসব হোক দ্রোহের উৎসব, মুখর প্রতিবাদে

‘সুবিচার চাই !’  অন্তরাত্মা নীরবে আজ কাঁদে।

বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৪

।। প্রতিদিন বিভাগ।। ।। অক্টোবর সংখ্যা।। ।। উৎসব বিষয়য়ক- ১৪।। নীল কন্ঠ পাখির আর্তনাদ — পুষ্প সাঁতরা।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।



    ।।  প্রতিদিন বিভাগ।। 

    ।।  অক্টোবর সংখ্যা।। 

    ।।  উৎসব বিষয়য়ক- ১৪।।




নীল কন্ঠ পাখির আর্তনাদ 

 পুষ্প সাঁতরা


বুকে দলা পাকানো উৎসব
জমাট বাঁধা মেঘ
অহংকারী চোখ গিলছে শোক ক্ষুধা
বিকলাঙ্গ মননের নির্মাণ উৎসব
রাগী ধোঁয়ার কুন্ডলী ঊর্ধ্বমুখী
নৈবেদ্যে রসিকতার ভনভনে মাছি
যার কোন কাঠামো নেই
ক্ষত- বিক্ষত নীলকন্ঠ পাখির আর্তনাদ
ছড়িয়ে পড়ে নক্ষত্র বীথিতে
আয়োজনের সিঁদুরে লেখা হয়
নিরঞ্জনের যাত্রা মঙ্গল
বোধদয় কাতরতায় ম্লান নির্মাণ উৎসব

বুধবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৪

। প্রতিদিন বিভাগ।। ।। অক্টোবর সংখ্যা।। ।। উৎসব বিষয়য়ক- ১৩।। উৎসব — তপনজ্যোতি মাজি।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।



    ।।  প্রতিদিন বিভাগ।। 

    ।।  অক্টোবর সংখ্যা।। 

    ।।  উৎসব বিষয়য়ক- ১৩।।



উৎসব

তপনজ্যোতি মাজি


অবিশ্বাস ছড়িয়েছে বাতাসের গতিবেগ বুঝে। অথচ

এই নম্র হেমন্তেও আকাশ বৃষ্টিসম্ভাবনাময়। বৃষ্টি না

প্রতিবাদ? আলো না অক্ষম বিষাদ? দেবী না নির্মিত

সংবাদ? ভুল হচ্ছে বুঝতে পেরেও অন্ধত্ব কি স্বনির্বাচিত?

ত্রিনয়ন ধীমান কল্পনা? অর্ধেক পদচিহ্ন মুছে দিয়েছে

যুক্তি,তর্ক ও কলহের সান্ধ্যবাসর। কেউ তাকাচ্ছে না

দূরে। কেউ বলছেনা পক্ষপাতহীন কথা। অনর্গল

অনৃত ভাষ্যে কাঁপছে বায়ুস্তর।

তবুও গৌরীর মাতৃগৃহে আগমণ। উৎসব। অসংগঠিত

জীবিকার কিছু উপার্জন। আলোর আলপনা।আগমনী

গান। বিজয়ার প্রীতি বিনিময়। বৃত্ত অতিক্রম করে

নিজেকে অনেকের মধ্যে দেখা।

এসো উৎসব। দুঃখ আছে। সুখ আছে। প্রতিবাদ ও

বিবেকের জাগরণ আছে। জীবনের সাতকাহন নিয়ে

লেখা আছে উৎসব সংখ্যায়।প্রেম ও বিচ্ছেদ আছে। দেবী এসেছেন বলেই উৎসব এসেছে।



মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৪

।। প্রতিদিন বিভাগ।। ।। অক্টোবর সংখ্যা।। ।। উৎসব বিষয়য়ক- ১২।। রইল শুধু আগুন অবশেষে — ভবানীশংকর চক্রবর্তী।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।



    ।।  প্রতিদিন বিভাগ।। 

    ।।  অক্টোবর সংখ্যা।। 

    ।।  উৎসব বিষয়য়ক- ১২।।



রইল শুধু আগুন অবশেষে

ভবানীশংকর চক্রবর্তী 


সমস্ত কোমল যেন মিশেছিল এসে 
রাত্রির নিঝুম দেহবল্লরী 
ফোমের গদি আর লেপটে থাকা নিশ্চিন্তির ঘুম

দিনের আলোয় সে আবিষ্কৃত লাশ
দেহময় পৈশাচিক উল্লাসের দগদগে ক্ষতচিহ্ন 
ছিন্নভিন্ন অমৃতপাত্র ভরা রিরংসার তীব্র হলাহলে 

তারপর
কোলাহল হুড়োহুড়ি কাটাছেঁড়া পুলিশ- টুলিশ 
একেবারে শ্মশান অবধি

আপাতত সব শেষ
রইল শুধু আগুন অবশেষে
মাবাবার বুকের নিভৃতে
আর জনতার মিছিলে

সোমবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৪

প্রতিদিন বিভাগ।। ।। অক্টোবর সংখ্যা।। ।। উৎসব বিষয়য়ক- ১১।। 'শারদোৎসব' ২০২৪ অজিত বাইরী।।Ankurisha।। E. Magazine।। Bengali poem in literature।।

 


    ।।  প্রতিদিন বিভাগ।। 

    ।।  অক্টোবর সংখ্যা।। 

    ।।  উৎসব বিষয়য়ক- ১১।।



'শারদোৎসব' ২০২৪

  অজিত বাইরী


এমন নিষ্প্রভ দুর্গাপূজা দেখিনি কখনও;

একশো আটটা প্রদীপ জ্বলেছে, কিন্তু তার দীপ্তি ছিল না।

কাশবন পেরিয়ে ঢাকের শব্দ পৌঁছেছে কানে;

কিন্তু তাতে কোন উন্মাদনা জাগেনি।

এ কেমন উৎসব?  যে উৎসবের মুখ বিবর্ণ,মলিন?

আবেগের উচ্ছ্বাসটুকুও অন্তর্হিত?


উৎসবের সঙ্গে মিশে আছে উৎকণ্ঠা,ভয়

আশঙ্কা, যন্ত্রণা।

অদূরে অনশন মঞ্চ, মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে

ক'টি ছেলে মেয়ে, ধেয়ে আসছে অন্ধকার 

চারদিক থেকে; নরক রাজ্যে এ কোন্ শারদোৎসব?


যন্ত্রণার উপশম হোক; মৃত্যুর মুখ থেকে 

ফিরে আসুক আলোর পথ-যাত্রীরা।

ঘরে ঘরে জ্বলুক প্রকৃত উৎসবের আলো;

কন্যাশোকে কোন মা-র যেন না-ঝরে অশ্রু ।

রবিবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৪

প্রতিদিন বিভাগ।। ।। অক্টোবর সংখ্যা।। ।। উৎসব বিষয়য়ক- ১০।। অকালবোধন — অমিত কাশ‍্যপ।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।



    ।।  প্রতিদিন বিভাগ।। 

    ।।  অক্টোবর সংখ্যা।। 

    ।।  উৎসব বিষয়য়ক- ১০।।



অকালবোধন

অমিত কাশ‍্যপ


কোনো কিছুই ঠিকঠাক হয় না 

এই যেমন অকালবোধন

সকাল দেখ কেমন স্বর্ণময় হয়ে উঠেছে 


জানালা খুলে রাস্তা ফাঁকা ফাঁকা লাগতে 

মনে হল, সব কী আজ ছুটি হল পুজোর 

দেদার ছাড়ে শপিংমলগুলো জিনিস ছাড়ছে ওই 


সাহিত্যে নোবেলজয়ী হান কাং তিনিও কী

গড়িয়াহাট ঘুরবেন পুজোর বাজারে

হুড়মুড়িয়ে তাঁকে দেখতে আসবেন না কেউ 


কোন রেভলন লিপস্টিক কোন মুখে 

কোন মুখোশে মানাবে যত্ন করে বলবেন

ম‍্যাচিং কুর্তির মালিক বা দর্জিয়ালা


মা এসেছেন, ছানাপোনা নিয়ে বাপের বাড়ি

শান্তি সেখানেও নেই, এখানেও নেই 

অস্থির সময়, এই না হলে অকালবোধন

বৃহস্পতিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৪

।। প্রতিদিন বিভাগ।। ।। অক্টোবর সংখ্যা।। ।। উৎসব বিষয়য়ক- ৯।। এ উৎসবে আমার দুগ্গা — জয়শ্রী সরকার।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।



    ।।  প্রতিদিন বিভাগ।। 

    ।।  অক্টোবর সংখ্যা।। 

    ।।  উৎসব বিষয়য়ক- ৯।।




এ উৎসবে আমার দুগ্গা 

জয়শ্রী সরকার

ভোর না হতেই আমার দুগ্গা আগমনীর সুরে
গুনগুনিয়ে গান গেয়ে যায় কোন্ সে অচিনপুরে !

আমার দুগ্গা দুঃখী বড়ই, চোখের জলে ভাসে
বুকের মধ্যে কষ্ট চেপে ঠোঁটের কোণে হাসে !

আমার দুগ্গা বানভাসিদের অশ্রুরই সংলাপে
আমার দুগ্গা কলার ভেলায় হাড়হিম হয়ে কাঁপে !

আমার দুগ্গা কক্ষনো তো যায়নি শপিং মলে
আমার দুগ্গা গুগলি খোঁজে খাল-বিল-দিঘি-জলে !

আমার দুগ্গা পায়নি কখনো মাটন-বিরিয়ানি
আমার দুগ্গা হাস্যমুখেই খেয়ে নেয় আমানি !

আমার দুগ্গা ধর্ষিতা হয় কালের লোলুপ লোভে
আমার দুগ্গা গুমরে কাঁদে অসহায় এক ক্ষোভে ! 

আমার দুগ্গা অপাপবিদ্ধ, বড়ই সরল-মতি
আমার দুগ্গা কাজ করে যায়, একটুও নেই যতি !

আমার দুগ্গা ঘর বাঁচাতে নিজেকেই দেয় সঁপে,
আমার দুগ্গা নষ্ট তো নয়, টিকবে কী আর ধোপে ?

আমার দুগ্গা দূর আকাশে শুধুই চেয়ে থাকে
আমার দুগ্গা আনমনেতে দুর্গামাকেই ডাকে !

আমার দুগ্গা রূপক মাত্র, সময়ের কলতান ----
আমার দুগ্গা তাই গেয়ে যায় ঝরাপাতাদের গান !

বুধবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৪

। প্রতিদিন বিভাগ।। ।। অক্টোবর সংখ্যা।। ।। উৎসব বিষয়য়ক- ৮।। পাকা খেলুড়ে — বৈশালী সেন।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।



    ।।  প্রতিদিন বিভাগ।। 

    ।।  অক্টোবর সংখ্যা।। 

    ।।  উৎসব বিষয়য়ক- ৮।।




পাকা খেলুড়ে 

বৈশালী সেন 


আগুন নেভানোর খেলাটা দ্রুত শিখে নিচ্ছে ছেলেটা।

এলাকাবাসীর কাছে শান্ত ধীর স্থির বলে পরিচিত মুখ, 

নিজের ভেতরের করুণ-হতাশা প্রকাশরোধ করছে কী তীব্র যন্ত্রণা বুকে চেপে! 


যাতে কোনও ভাবেই কেউ টের না পায় তার ব্যর্থতা।

অবিরাম প্রচেষ্টা। কখনও থাকেনি।


       এক সময় ব্যর্থতা ঢাকতে গিলে খেল গ্লানি! 

 

তার পর একদিন সেই মরিয়া চেষ্টার ফল প্রকাশ পেতে দেখা গেল...


আগুন নেভানোর খেলাতে ছেলেটা এখন পাকা খেলুড়ে।

মঙ্গলবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৪

। প্রতিদিন বিভাগ।। ।। অক্টোবর সংখ্যা।। ।। উৎসব বিষয়য়ক- ৭।। ক্ষমতালিপ্সু ঘুমন্ত অসূয়া — দীপক বেরা।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।



    ।।  প্রতিদিন বিভাগ।। 

    ।।  অক্টোবর সংখ্যা।। 

    ।।  উৎসব বিষয়য়ক- ৭।।

 


ক্ষমতালিপ্সু ঘুমন্ত অসূয়া 

দীপক বেরা 


ক্ষমতার মেকানিজ্মটা হাতে পেয়ে 
দু'হাতে সশব্দে তালি দিতে দিতে 
এগিয়ে চলেছ বিমূর্ত জলসার দিকে
এইভাবে নিজের ছায়াকে এগিয়ে দিয়ে
আসলে তুমি ক্রমাগত পিছিয়ে পড়ছ। 
তুমি কি ঠিক মানুষের মতো, — নাকি
তোমাকে ঠিক তোমারই মতো দেখতে? 
পড়ে যাই অহরহ এই ধন্ধের দোলাচলে।
অন্ধকারের বীজমন্ত্র অন্ধকারেই উচ্চারণ কর
তাই তোমার দীর্ঘলালিত এই আঁধার দীর্ঘস্থায়ী
এর থেকে উত্তরণ অত সহজে হওয়ার নয়
ক্ষমতালিপ্সু ঘুমন্ত অসূয়া আজ 
চির-জাগ্রত তোমার শরীরে, রক্তে, মজ্জায়
তাকে হত্যা-প্রান্তরে এনে ফেলেছ
এখন শুধুই হত্যা আর মৃত্যুর গিলোটিন
কারুরই পরিত্রাণ নেই 
মৃত্যুর মহাফেজখানায় ঘাড় গুঁজে বসে 
তুমি নরমুণ্ড গুনে চলেছ অবিরাম... 

জেগে ওঠা ঘুমন্ত রক্তের অসূয়ার বশ্যতা
আজ আর তোমার হাতে নেই 
অতি হিমায়িত বরফের ক্যামোফ্লেজ নিয়ে 
নিঃশব্দে এগিয়ে আসছে সে ধীর পায়ে 
এ চরাচরের সবকিছু অভিযোজন ঢেকে দিতে
জেনে রেখো— বাদ পড়বে না তুমিও। 

মহাকাল থেকে খসে পড়ে মুখোশ
এক অমোঘ শব্দ উচ্চারিত হয়—
বাস্তব, স্বপ্ন এবং মৃত্যু। 

সোমবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৪

। প্রতিদিন বিভাগ।। ।। অক্টোবর সংখ্যা।। ।। উৎসব বিষয়য়ক- ৬।। ছায়াতলে — অমৃতা খেটো।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।



    ।।  প্রতিদিন বিভাগ।। 

    ।।  অক্টোবর সংখ্যা।। 

    ।।  উৎসব বিষয়য়ক- ৬।।

 


ছায়াতলে

অমৃতা খেটো



শূন্যতার চারপাশে শূন্যতা ছাড়া আর কিছুই নেই
একথা বুঝতে পেরে নিজেকে প্রস্তুত করি
আমার চারপাশে আত্মসমর্পণের হাতছানি--
একবুক আশঙ্কা নিয়ে আমি লাফ দিই-
এক নক্ষত্র থেকে আরেক নক্ষত্রে......
তাদের হিরেকুচি আলোর তীব্রতায়
আমার চোখের রেটিনা পুড়ে যায়
নক্ষত্ররা অপ্রস্তুত, তাদেরও মনখারাপ
এক নবীন নক্ষত্র দয়াপরবশ হয়ে
নক্ষত্রবীথিকার ছায়াতলে আমাকে রেখে আসে

গড়িয়ে গড়িয়ে ভোর নামে
ভোরের আলো মেখে পাখিদের মিষ্টি হাসি
শুনতে পাই, ফুলেদের সুঘ্রাণ বুক ভরে নিই
অনুতাপ আমাকে দগ্ধ করে
কত আলোকবর্ষ পার হয়ে গেল
আমি নক্ষত্রবীথিকায় আজও বসে আছি।









রবিবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৪

।। প্রতিদিন বিভাগ।। ।। অক্টোবর সংখ্যা।। ।। উৎসব বিষয়য়ক-৫। রুখা দেশের কথা — সাগর মাহাত।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।

 


    ।।  প্রতিদিন বিভাগ।। 

    ।।  অক্টোবর সংখ্যা।। 

    ।।  উৎসব বিষয়য়ক-৫।




রুখা দেশের কথা

  সাগর মাহাত

বৃষ্টি নামতে তখনও কিছুটা সময় বাকি
পশ্চিমের মেঘটা দ্রুত এগিয়ে আসছে
পাখিরা দল বেঁধে দ্রুত ফিরছে বাসার দিকে
আমার ছাগল চরানো তখনও শেষ হয়নি ;
বৃষ্টির অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছি
যদি রুখা দেশে সবুজ ঘাস গজিয়ে ওঠে
তবে আমার ছাগলের পেট ভরে 
আর আমরা কৃষকেরা চাষে লাগতে পারি ৷

এ রুখা দেশে কষ্ট আছে
পদে পদে অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই চলে
লড়তে হয় প্রকৃতির সঙ্গে
সমাজ ও রাষ্ট্রের সঙ্গে ৷

তবুও আমার এই দেশ বড় সুন্দর
শত আঘাতেও পাথর ভেদ করে ওঠে মহীরুহ
আধ পেটা খেয়েও মানুষ মেতে থাকে
রিঝে রসে, ধামসা মাদলে, ছো ঝুমুরে ৷

শুক্রবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৪

। প্রতিদিন বিভাগ।। ।। অক্টোবর সংখ্যা।। ।। উৎসব বিষয়য়ক-৫। কক্ষপথ — মলয় দাস।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।



    ।।  প্রতিদিন বিভাগ।। 

    ।।  অক্টোবর সংখ্যা।। 

    ।।  উৎসব বিষয়য়ক-৫।



কক্ষপথ

মলয় দা

প্রতিদিনের নিয়মে অন্ধকারের ঘনত্ব বেড়ে আজো রাত আসে শারীরিক সত‍্যের বিদ্রোহে আজকাল আর ঘুম আসে না ,প্রত‍্যেক মোড়ের ট্রাফিক সিগন্যালে মসৃণতা কমে গিয়ে জ‍্যামে আটকে যায় গতিধর্ম, আমি নির্লিপ্ত আকাশের দিকে তাকিয়ে দেখি সেখানেও জড়তা গ্রাস করে ;উপগ্রহ,নক্ষত্ররা উদাসীন রাত্রি যাপন করে যেনো ওরাও জেনে গেছে ওদের অক্ষমতার কথা।
আকাশে ভেসে হিংস্র শকুনের চোখ পৃথিবীর কবর খোঁড়ে, সভ‍্যতার লাশ থেকে পচা দুর্গন্ধ বেড়িয়ে এলে 
অস্থির পৃথিবীর বটবৃক্ষের ডালে আশ্রয় নেয় পরজীবীরা
সময়ের ভারে ঝরে পড়ে জড়াজীর্ণতা আমি চেষ্টা করি মেরামত করার ড‍্যাম ধরা মানসিকতার জন্য একটু বিশুদ্ধ উত্তাপের প্রয়োজন চালশে পরা চোখে আর সে উত্তাপের জোর নেই তবুও এখনো রাত জেগে আমি ও পৃথিবী বিনিময় করি অভিজ্ঞতার গল্প শুধু এই বিশ্বাসটাই বাঁচিয়ে রেখেছে কক্ষচূত‍্য হয়নি এখনো।।