এ মাসের কবিতা
লেবেল
- শ্রদ্ধাঞ্জলি
- নির্বাচিত কবিদের কবিতাগুচ্ছ
- গুচ্ছ কবিতা
- অণুগল্প
- নির্বাচিত কবিদের কবিতাগুচ্ছ
- ছড়ার মেলা
- অল্প স্বল্প গল্প
- কবিতা
- কবি প্রণাম সংখ্যা
- কবিতাগুচ্ছ
- গুচ্ছকবিতা
- জন্মদিন শ্রদ্ধাঞ্জলি
- নির্বাচিত কবিদের কবিতাগুচ্ছ
- কাব্যগ্রন্থ
- তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
- দীপক বেরা
- শঙ্কর তালুকদার
- সুমিত্র দত্ত রায়
- অজিতেশ নাগ
- অজিতেশ নাগ
- অতসী চক্রবর্তী ঠাকুর
- অনীষ ঘোষ
- অভিজিৎ দাসকর্মকার
- অমলেন্দুবিকাশ জানা
- অমিত গোলুই
- অলক জানা
- অল্প স্বল্প গল্প / দেবপ্রসাদ জানা
- অল্প স্বল্প গল্প / সুস্মেলি দত্ত
- অল্প স্বল্প গল্প /অশোককুমার লাটুয়া
- অল্প স্বল্প গল্প /তৈমুর খান
- অল্প স্বল্প গল্প / অনীশ ঘোষ
- অল্প স্বল্প গল্প / জয়তী ধর(পাল)
- অল্প স্বল্প গল্প /অমিত কাশ্যপ
- অল্প স্বল্প গল্প /দীপক বেরা
- অল্প স্বল্প গল্প /পাপড়ি ভট্টাচার্য
- অল্প স্বল্প গল্প /ফটিক চৌধুরী
- অল্প স্বল্প গল্প /বৈদূর্য সরকার
- অল্প স্বল্প গল্প /শুভঙ্কর দাস
- অল্প স্বল্প গল্প /শুভ্রাশ্রী মাইতি
- অল্প স্বল্প গল্প /সুধাংশুরঞ্জন সাহা
- অল্প স্বল্প গল্প /সাতকর্ণী ঘোষ
- অশোককুমার লাটুয়া
- আবু রাইহান
- আশিস গিরি
- আশিস মিশ্র
- উৎপল মান
- কবিতাগুচ্ছ/ ঋত্বিক ত্রিপাঠী
- করোনা লিপি
- করোনা লিপি
- গোবিন্দ বারিক
- গৌতমকুমার দে
- গৌরী পাল
- গ্রন্থ আলোচনা
- জ্যোতির্ময় দাশ
- ড.বিষ্ণুপদ জানা
- তপনজ্যোতি মাজি
- তাপস মিত্র
- তৃতীয় সংখ্যা
- তৈমুর খান
- দীপক মান্না
- দুর্গাদাস মির্দা
- দেবপ্রসাদ জানা
- দেবাশিস মুখোপাধ্যায়
- দেবাশীষ ঘোষ
- নিভৃতবাস
- নিমাই আদক
- নিমাই জানা
- নির্বাচিত কবিদের কবিতাগুচ্ছঃ সূচীপত্র
- নীলোৎপল জানা
- পত্রিকা প্রকাশ / প্রকাশনা - অঙ্কুরীশা
- পাপড়ি ভট্টাচার্য
- পারমিতা ব্যানার্জি
- প্রণয়কান্তি কপাট
- প্রথম সংখ্যা
- প্রদীপ্ত খাটুয়া
- প্রাণনাথ শেঠ
- ফটিক চৌধুরী
- ফিচার
- বই প্রকাশ
- বিকাশ চন্দ
- বিকাশ দাস
- বিকাশ ভট্টাচার্য
- বিপ্লব মাঝী
- বিভাসকান্তি মণ্ডল
- বিশ্বজিৎ কর
- বিশ্বজিৎ রায়
- বৈদূর্য সরকার
- ভক্ত গোপাল ভট্টাচার্য
- ভগীরথ সর্দার
- মঙ্গলপ্রসাদ মাইতি
- মঞ্জীর বাগ
- মধুমিতা রায়
- মনোজ ভৌমিক
- মনোতোষ আচার্য
- মানসী মিশ্র হালদার
- মৌমিতা জানা মন্ডল
- রঞ্জন ভট্টাচার্য
- রতনতনু ঘাটী
- রবীন বসু
- রামকিশোর ভট্টাচার্য
- লক্ষ্মীকান্ত মণ্ডল
- লেখনী পঞ্চাধ্যায়ী
- শঙ্খশুভ্র পাত্র
- শিশিরকুমার বাগ
- শুভঙ্কর দাস
- শুভ্রাশ্রী মাইতি
- সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়
- সন্দীপ কুমার কপাট
- সন্দীপ রায়
- সাক্ষাৎকার /মীর রেজাউল করিম
- সাতকর্ণী ঘোষ
- সুধাংশু রঞ্জন সাহা
- সুবীর ঘোষ
- সুব্রত মাইতি
- সুমন দিন্ডা
- সুস্মেলী দত্ত
- সৈকত নায়েক
- সৌরভ ঘোষ
- স্বপন বিশ্বাস
- স্বরূপ কুমার মাইতি
- হীরক বন্দ্যোপাধ্যায়
- ১
সোমবার, ১৫ মার্চ, ২০২১
এ মাসের কবিতা ।। মুক্তি দাশ।। Ankurisha ।। E.Magazine ।।Bengali Poem in literature ।।
রবিবার, ১৪ মার্চ, ২০২১
এ মাসের কবিতা ।। দীপা কর্মকার।। Ankurisha ।। E.Magazine ।।Bengali Poem in literature ।।
এ মাসের কবিতা
ভোটের ভন্ডামি
দীপা কর্মকার
নন্দ খুড়ো বলল হেসে
ভোট কারে কয় শোন
ভোটের খেলায় তোলপাড় আজ
এই বাংলার বন।
বাঘ শিয়ালও পাল্টেছে ভোল
ভোটের খেলায় মেতে
গল্প এবার শোনাই তোদের
পথে যেতে যেতে।
বাঘ এসেছে গোয়ালঘরে
খবর নিতে আজ
ওরে বাছুর কেমন আছিস
চলছে কেমন কাজ।
যাবি বনে পাসনিরে ভয়
থাকবো আমি সাথে
ইচ্ছে হলেই আসবি ঘুরে
দিনে কিংবা রাতে।
ঘাস থাকবে, খোল থাকবে
থাকবে ধানের খড়
খাবি সেথায় প্রাণখুলে সব
নাই যে আমি পর।
কুমির দাদাও মিষ্টি হেসে
বলল এসে পাড়ে
গল্প করি হরিণ ভাই
আয় না নদীর ধারে।
বাচ্চারা তোর বেশ হয়েছে
বড়ই নাদুস নুদুস
রাখবি নজর ওদের ওপর
থাকে যেন হুঁশ।
পেয়েছি খবর ফাঁদ পেতেছে
চোর শিকারির দল
তোদের নিয়েই চিন্তা আমার
কি করি ভাই বল।
শিয়াল মামা আসলো এবার
করতে গাঁয়ে দেখা
হাঁস মুরগির খামার গুলো
ঘুরলো একা একা।
অভয় দিয়ে বলল তাদের
পিঠ চাপড়ে মামা
এবার শীতে দেব আমি
কম্বল আর জামা।
বিনি পয়সায় পাবি তোরা
চাল গমের দানা
পাতবি না হাত কোথাও তোরা
করছি তোদের মানা।
মামা আছে তোদের সাথে
ভয় কি তোদের আর
চাইবি তোরা নির্দ্বিধায়
যখন যা দরকার।
বুড়ো বিড়াল মাছ খায় না
মুখে হরি বোল
কৃষ্ণ ভজে সকাল থেকেই
সঙ্গে বাজায় ঢোল।
ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে সবাই
আসলো সদলবলে
বুড়ো শশক বসেছিলেন
বনের পাঠশালে।
বেশ দেখছো মজা সবাই
বলল শশক বিজ্ঞ
ওদের ফাঁদে পড়ো না ভাই
থেকো না আর অজ্ঞ।
ওরা আছে মুখোশ পরে
নয়তো আপনজন
মিষ্টি কথায় যেওনা ভুলে
দিও না ওদের মন।
এসব শুধু ভোটের খেলা
আসন নিয়ে লড়াই
বসবে কে রাজাসনে
কে হবে মন্ত্রী মশাই।
এবার বল কেমন তোদের
লাগলো আমার গল্প
মাথায় কিছু ঢুকলো তোদের
একটু হলেও অল্প।
আরও পড়ুন 👇👇👇
https://wwwankurisha.blogspot.com/2021/03/ankurisha-emagazinebengali-poem-in.html
আপনিও এই বিভাগে মৌলিক ও অপ্রকাশিত লেখা পাঠান। মতামত জানান।
ankurishapatrika@gmail.com
শনিবার, ১৩ মার্চ, ২০২১
এ মাসের কবিতা।। জগদীশ চন্দ্র মন্ডল।। Ankurisha ।। E.Magazine।।Bengali Poem in literature ।।
এ মাসের কবিতা
উন্নয়নের জোয়ার
জগদীশ চন্দ্র মন্ডল
মঙ্গলবার, ৯ মার্চ, ২০২১
এ মাসের কবিতা ।। সেন্টু রঞ্জন চক্রবর্তী।। Ankurisha ।।E.Magazine ।।Bengali Poem in literature।
এ মাসের কবিতা
সেন্টু রঞ্জন চক্রবর্তী
শুক্রবার, ৫ মার্চ, ২০২১
এ মাসের কবিতা।। মানবতাকে আকাশের মত লক্ষ্য দিও ... শঙ্কর তালুকদার।। Ankurisha।।E.Magazine।। Bengali poem in literature।
এ মাসের কবিতা
মানবতাকে আকাশের মত লক্ষ্য দিও ...
শঙ্কর তালুকদার
জীবনকে এমনি একটা লক্ষ্য দাও যেন তা আকাশের মতো উন্মুক্ত আঁধারে সুবিশাল, ও অতলান্ত হয় -
সকল শ্রান্ত বিভ্রান্ত পরশ্রীকাতরতাকেই যা কেবল বাড়ায়ে দেয়,
যেন প্রোমোটরদের আকাঙ্খালোভী চাহিদায়, যাতে রয় শুধুই বিভ্রান্তিময়তা !
মসৃণ কাল প্রবাহে এই প্রযুক্তির বল্গাহীন ছুটে চলা উন্নতিতে, যেখানে নেই কোন বিহ্বলতা-
সময়ের প্রান্তর ছুঁয়ে চেনা সরীসৃপের চলনের ই মতন,
যা পথে আসতে, ফেলে আসে সকল মানবিকতার বাঁধন!
সৃষ্টি যাকে সেই সৌরপথ ভোলা পৃথিবীর অনন্ত অভিশাপের মাঝেও বিকাশের স্পর্ধায়,
ভালোবাসার যোগান দিয়ে আসা আলোর মত ই সাবলীলতা দিয়েছিল।
অমানিশার কালীমাও যাকে - তারকা খচিত গভীরতায় একাত্ম হতে দিয়েছে চিরকাল-
সেই কালের আলোর প্রান্তজুড়ে- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাও যে আজ এক চঞ্চল ডানারই মতন,
সে অনুজ্জ্বল রাত্রির রাতচড়া পাখিনীর অবয়বে সমস্ত জৈবিক পিপাসায় অন্তরাত্মার সাথে সংযোগ হারিয়ে -
চাহিদার আগ্নেয়গিরির মত হয়েছে পাগল!
যা, উন্নতির শিখরে উঠতে, নিজেরই অজান্তে হাহাকারের দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে কেবল—
আর আকাঙ্খার মতো প্রান্তের কল্পনায় আনে অন্তিম সময়ের আগল।
তাই জীবনকে এমনি একটা লক্ষ্য দিও-
যেন তা, উন্মুক্ততার শিখর ছুঁয়ে,
অসম্ভবের সমস্ত কালিমা মুছে,
মানুষের জন্য কেবল ই সম্ভাবনা গড়ে তুলবে -
যা শুধু অনন্ত জীবনেরই গল্প বলতে পারবে;
সভ্যতার সব আঁধার ডিঙিয়ে, অসীমতার চূড়ান্ত সেই কালের মানব মন—
কেবল মানবতার সে অতলান্তে একাকার হয়ে বুঝি খুঁজে আনতে পারবে জীবন ।
আরও পড়ুন 👇👇👇
https://wwwankurisha.blogspot.com/2021/03/ankurisha-emagazine-bengali-poem-in_3.html
মঙ্গলবার, ২ মার্চ, ২০২১
এ মাসের গুচ্ছ কবিতা।। হীরক বন্দ্যোপাধ্যায়।। Ankurisha ।। E.Magazine ।। Bengali poem in literature ।।
না -লেখা শব্দের ভেতর
ব্রহ্মাণ্ডের এককোণে তোমার আমার দেখা
তারপর অহংকার প্রেম স্বপ্ন মায়া
উজ্জ্বল দৃশ্যমান মানসচক্ষে ভাসছে
ক্ষীয়মান সামন্তপ্রথা থেকে সমাজতন্ত্রের ভূত
শ্রীকৃষ্ণের অষ্টোত্তর শতনামের মতোই
অগাধ জলরাশির দিকে তাকিয়ে থাকা
এমনই কাকভোরে নীল লাউঞ্জের ভেতর আকাশ যেখানে ঢুকছে জানলা দিয়ে
পোস্ট কার্ড সাইজের হাওয়া
ত্রিসীমানায় কোনও সঞ্চার নেই
মানুষের মুখ দেখে মনে হয়
এখনো কিছুটা আশ্বাস, সম্ভাবনা রয়ে গেছে
অবশ্য জানি, যা কিছু গোপন আজ
আমরা অতিক্রম করে যাবো
বিবর্তনের উপনিবেশ
আমাদের না লেখা শব্দের ভেতর ...
২.
অশ্রু
যতই উপরে উঠি সাপ হয়ে ক্ষণিকেই
কেটে দাও তুমি
ফের শুরু করি ,ফের সিড়ি দিয়ে উঠি
ফের দিনে রাতে পায়রা ও তিতিরের মতো
মূল্যহীন সাপলুডোর খেলা শুরু হয়
তখন মৃদু হাসি ডেসিবেলে বাধা
তখন একচোখে গ্রীষ্ম
অন্যচোখে শীত...
শরীর স্ফুলিঙ্গ মাত্র সূর্যাস্ত ধূসর
নদীতে জলের শব্দ দুকূল ছাপিয়ে আসে
তোমরা আজ অশ্রু বলো যাকে...
৩.
জঠর
আমার বাবা মা আমার ঘুমোবার বিছানা বালিশ
সরিয়ে রেখেছেন, আমার কোষ্ঠিতে লেখা আছে
মরা গাছে ফুল ফোটাতে আমার আবির্ভাব
বন্ধ্যা নারীর কোলে সন্তান
সাইরেনের আওয়াজে আমাদের সকাল শুরু
রাত্রি শেষে ছুটে এসে চোখে লাগে
বন্ধুদের কেচ্ছাবিলাস...
এর চেয়ে আমাদের জয়কৃষ্ণপুরের
শিবের গাজন ঢের ভালো
কোথাও যাবার কথা ভেবে
এই আলোর ঝলকানি আর সয় না
একদিন ভারতবর্ষ খুব কাছের খুব নিজের
মনে হোত ,আজ শুধু ঘৃণা আর সন্দেহের বিষ
এই আমি মুখ নিচু করলাম
আমি ফিরে যাচ্ছি মাতৃজঠরে ...
৪.
অন্য কিছু নয়
শরীরে সাড়া নেই কেন, আমার কি যোগ্যতা কিছু কম....আমিতো তোমাকে নিয়ে শুধু কি সাতাশ পা হেঁটেছি আমি যে সভা থেকে সভায় গেছি
নবরাত্রি কর্বাচভ পুরনো দরদালান
রাত জাগা আলো রূপনারায়ণ
সে আলোতে শরীর খুঁজে পাওয়া
মনে নেই, মনে নেই তোমার
মন নেই তোমার কুসুম
মহাষ্টমীর দিন একসাথে উপবাস
বিসর্জনে পাট ভাঙা শাড়ি, সিদুর খেলা
তার পর সারাটা বছর শুধু রবি থেকে সোম
আমার যা কিছু সব ই তোমার দু দশ কদম...
তারপর বহু রাস্তা পার করে আজ এই দিনগত ক্ষয়,যেন সেই অধিক সময়
কার জয়, কার ই বা পরাজয়
ভাবি,আর ভাবতে ভাবতে বেলা বেড়ে যায়...
৫.
আশ্লেষ ...কম্পন
ভাঙা পথের রাঙা ধুলোয় চলতে চলতে
শেষ পর্যন্ত সোনাঝুরির হাটে যে এসে পৌঁছে যাবো সে আর বেশী কথা কি
যেমন পাকেচক্রে ভগবান ভূত হলে ব্যর্থ অব্যর্থ
প্রাণের সঞ্চার হয়...
কাগজের প্রথম পাতায় মুদ্রিত হয়ে বলতে হয়
শান্তিনিকেতন,খেলা শুরু হতে দেরী হবে
তখনই অনায়াসে তীব্র ফলায় বিষণ্ণতার সুর
ঝরে ঝরে পড়ে আর অম্নি মুখে বিন্দু বিন্দু ঘাম
ছয়...সাত ...আট ....হাসি কষ্ট মান্যতা
কিছু কথা থেকে যায়
অসমাপ্ত সীমানা মাপতে
তখন তটরেখাজুড়ে শেষ সম্বল
কানে কানে বেজে চলে অন্ধকারে রবীন্দ্রনাথ
কোথায়, কোনগ্রামে যেন অকারণে অকালবৃষ্টি
ভিজে ভিজে হেজে যাওয়া ধানের চারা
আততায়ী মেঘ সিধেল চোরের মত বাতাস
শুকনো কাগজে মোড়া বারুদ
কুয়াশা..... ক্লোরোফর্ম সব একাকার হয়ে যায়
নিমেষে, পাকেচক্রে ভগবান ভূত হলে
এরকম মনে হয়, মনে হয় সব কিছু থমকে আছে
গ্রীনরুমে ,ফুটলাইট আশ্লেষ.... কম্পনে...
সোমবার, ১ মার্চ, ২০২১
এ মাসের কবিতা ।। তুমি আছো তাই বসন্ত উৎসব — সৌমিত বসু।। Ankurisha।। E.Magazine ।। Bengali poem in literature ।।
এ মাসের কবিতা
তুমি আছো তাই বসন্ত উৎসব
সৌমিত বসু
ইচ্ছে করলেই যে তোমার হাত ধরে ঘোড়ায় তুলতে পারি
তা কিন্তু নয়
কিংবা তোমাকে পাবার জন্য
চিতোরগড় থেকে কিছুদুরে পেতে ফেলবো শত্রুশিবির,তাও নয়
এমনকি তোমার আলতামাখানো পা দুটোতে হাত বুলিয়ে
ধুয়ে দেবো জলে তেমন সাধ্যও নেই
তবু প্রমানহীনভাবে আজ তোমার সামনে এসে দাঁড়িয়েছি
আর পায়ের নখ দিয়ে মাটি খুঁড়তে খুঁড়তে
শেষবারের মতো বলে চলেছি তোমায় ভালোবাসি।
তোমার চোখের দিকে তাকাতে আমার ভয় করে
তোমার গায়ের গন্ধ নাকে এসে লাগলে আমি পিছিয়ে আসি
তোমার গলার শব্দ যতদূর পৌঁছায় আমি তার ত্রিসীমানায় ঘেঁষি না
তবু স্বপ্নে তোমাকে আপ্রাণ দু-হাতে
ঘষাকাঁচ স্পষ্ট করতে থাকি আর বলি তোমায় ভালোবাসি।
সারাজীবন ধরে আমি একটা চাকরি খুঁজেছি
শুধু তোমার জন্য
একটা অসম্ভব প্রেমের কবিতা লেখার চেষ্টা করেছি তোমাকে নিয়ে
যাতে জীবনে না এলেও থেকে যাও আমার কবিতায়।
কপালের মাঝখান থেকে সিঁথি সরে বামদিকে আসার আগেই
যেন নতুন করে আবিষ্কার করতে পারি তোমাকে
যেভাবে বকের ডানায় বিন্দু বিন্দু জল আবিষ্কার করে আকাশ
ঘাসের ওপর বিন্দু বিন্দু জল আবিস্কার করে আকাশ
ঘাসের ওপর বিন্দু বিন্দু জল আবিষ্কার করে রোদ
ভাত বেড়ে দেবার সময় তোমার চোখের ভাষা আবিষ্কার করে ফেলে তোমার পুরুষ
জানো,সারাটা জীবন ধরে আমি একটা পদ্মপাতা খুঁজে চলেছি
যার ওপর ধরে রাখতে পারি আমার চোখের জল।
কখনো আসবোনা আর এমনকি স্বপ্নেও
যদি একবার বলো আমি কেউ নই
যদি একবার বলো,নিস্তব্ধ দুপুরের বসন্তের বাতাস যখন চিরে চিরে দেয় নারকেলপাতা
তখন কি আমার নি:শ্বাস লেগে টুকরো টুকরো হয়না তোমার আয়নার কাঁচ
সহস্র গোধূলি থেকে মুঠো মুঠো বালি
ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়েনা তোমার বুকের আনাচে কানাচে?
যদি না বলো,তাহলে সত্যিই নখ দিয়ে মাটি খুঁড়তে খুঁড়তে
একবারও বলবোনা তোমায় ভালোবাসি।
পারি,পারি চুল ধরে তোমায় ঘোড়ায় তুলতে
পারি আঙ্গুল কেটে রক্ত ছিটিয়ে দিতে চোখেমুখে তোমার
পারি স্বপ্নের মধ্যে তোমায় নিয়ে উড়ে যেতে সাইবেরিয়া
শুধু কি কি পারি সেটুকুই তোমাকে জানাতে পারিনা কোনোমতে।
আরও পড়ুন 👇👇👇👇
https://wwwankurisha.blogspot.com/2021/02/ankurishaemagazinebengali-poem-in_28.html
---------------- ---------------- ----------------
এই বিভাগে আপনিও মৌলিক ও অপ্রকাশিত লেখা পাঠান। মতামত জানান।
ankurishapatrika@gmail. com
----------------- ---------------- ----------------








