লেবেল

অমর একুশের কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
অমর একুশের কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

শুধু কবিতায়... অমর একুশে -৫০।। মালা ঘোষ মিত্র।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।

 





অমর একুশে -৫০

মালা ঘোষ মিত্র




১.

রাঙানো দিন  


মাদল বাজে হৃদয় জুড়ে
শুনতে পাচ্ছি বাংলা গান,
তাই তো শুধুই লহরী তোলে
সুবাসিত আকাশ বাতাস।
মুক্তি পেলে পাখির পাখা ছড়িয়ে পড়ে।
অমর একুশে আজও আছে
স্মৃতিতে রাঙানো,
সবুজ পাতার  মতন ঝরে পড়ে
শহীদ বীর পুত্রদের প্রাণ
স্বাধীন হলো মাতৃভাষা
তাইতো আজও স্মরণ করি
অমর একুশে ফেব্রুয়ারি।।




২.
শব্দ তরঙ্গ  

সারেঙ্গী বাজে, আলো জ্বলে
বেরিয়ে পড়ছে চোখ থেকে
লবণাক্ত জল, অন্যরকম দিন
ফুলের পাপড়িগুলো ঝরে পড়লো,
তাতে আর ফল হলো না।
ঘাসফড়িংগুলো  উড়ছে,
বসন্ত বিকেলে কি বলবো বলো,
এখন যে পথ খোঁজা শেষ হয়ে
আসছে, তবুও দিশেহারা আবেগ
মাতৃভাষায় জীবনের গান
শব্দতরঙ্গ বয়ে যায় বাংলাভাষায়
আনন্দিত মনপ্রাণ।










শনিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

শুধু কবিতায়... অমর একুশে -৪৯।। পার্থ বন্দ্যোপাধ্যায়।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।

 





অমর একুশে -৪৯

পার্থ বন্দ্যোপাধ্যায়



২১-শের পদ্য


ভাষার প্রেমে মজে অতিবাহিত যাপন --

দুঃখিনী মায়ের ভাষা

বাপকেলে বিপন্ন ভাষা

অনর্গল প্রবহমান ভাষা পূর্বসূরীদের...

তবু বাংলাভাষা কোনোদিন

কাজের ভাষা হ'ল না আমার,

এমনই পোড়াকপাল।

ছাপোষা বেঁচে থাকার দায়ে

কলম পিষেছি যত ভিন্ ভাষায়,

তত মন্থিত হয়েছে অভিমানে

শিরায় শিরায়

দুয়োরানি বাংলাভাষা আমার!


আমার নবান্ন নেই,

নেই স্মৃতিবিজড়িত কোনো ঐকান্তিক পৌষ পার্বণ...

রাজপথ ফাটিয়ে উদ্গত কৃষ্ণচূড়ার আজন্ম আশ্বস্ত আকর্ষণে

বাঁধা পড়ে গেছি অজান্তেই

অমোঘ তীব্র এক ভাষাবন্ধনে।










শুধু কবিতায়... অমর একুশে -৪৮।। অসিত কুমার রায় (রক্তিম)।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।

 



অমর একুশে -৪৮


১.

ঋভু

ঋভু, তোমরা কেন মুঠো আলগা করছ।
দেখছনা, নৈর্ঋত থেকে ক্রমশ উদ্গিরন হচ্ছে দূষণ।
তোমার আকাশ করছে কালিমালিপ্ত
তোমার বাতাস করছে দুষিত
তোমার মধুর ভাষায় নিশ্চিন্ত দখলদারি
তোমার ভিতরে বাইরে করছে খবরদারি
শিক্ষা সংস্কৃতিতে এনে ফেলছে রাক্ষুসে প্রবৃত্তি
হিমালয়ের মত অতি সন্তর্পণে গড়ে তুলছে প্রাচীর।
বজ্রের মতন উন্নত মেরুদণ্ড ক্রমশ নত যাচ্ছে।
        
ঋভু, তোমাদের চোখে এখন স্বর্ণ মায়ামৃগ
সে তোমাদের ছুটিয়ে নিয়ে বেড়াবে,
তাঁর স্বার্থপর দৈত্য বানাবার পরিকল্পনা
আপনজন বিচ্ছেদ করে একাকিত্ব এনে দেবে;
একলা একটা প্রাসাদ, একা থাকার অনেক যন্ত্রণা।
কুড়ে কুড়ে খেয়ে ফেলবে তোমার কোমল হৃদয় ;
তুমি আর্তনাদ করবে - কেউ কি আমার সাথে আছো...
প্রতিধ্বনি - কেউ নেই... কেউ নেই... কিচ্ছু নেই...
রক্তাক্ত হৃদয় পুড়ে হয়ে যাবে ছাই ।


ঋভু, জানি নিশ্চিত জানি একদিন
ছাইগাদায় খুঁজে বেড়াবে, ছিঁড়ে ফেলা সম্পর্কের সুতো
ঝরা বকুলের বৃষ্টি, স্থলপদ্মের রঙ পরিবর্ত্‌
পাকা ফসলের গন্ধ, রবি নজরুলের গীতিসুধা;
ঢোলকলমির আশ্চর্য দোলা, টলমলে জলের পদ্মদিঘি।
সবই দুহাতে সরিয়ে দিয়েছ অবহেলায়।
আত্মদানের স্বাধীন জন্মভুমিও কিছু পেতে চায়।
তোমরা কি তখনো কৃপণ থাকবে? সাড়া দেবেনা!
ঋভু, তোমরা এখনি মাটি ছুঁয়ে উঠে দাড়াও,
ঘুরে দাঁড়াও, শত্রুর বুকে যেন শঙ্কা জাগে মৃত্যুর;


আবার আমরা যেন দেখি অর্ধশতকের ফুটন্ত সকাল।

দোয়েল শ্যামা চড়ুই যেন নিশ্চিন্তে ঘুমায় রাত্রিকাল...






২.

ভাষার বসন্ত

এই ফাগুনে আগুন ঝরায় কে?
কুহু স্বরে মনকে দোলায় কে?
দখিন বাতাসে হৃদয় মাতায় কে?


নিজের ভাষায় দীপ্ত স্বরে  
কথা বলতে সাহস যোগায় কে?
সেইতো আমার  প্রানের ভাষা
এই বসন্তে সে এসেছে
দুয়ার খুলে নাও গো তাকে বরণ করে।


এই ফাগুনে মনকে রাঙায় কে?
আবির গন্ধে সুবাস ছড়ায় কে?
তোমার কথা মনে পড়ায় কে?


নিজের ভাষায় বুকের ভিতর
জমে থাকা রোদন যোগায় কে?
সেইতো আমার মাটির ভাষা
এই বসন্তে ঝড়ের রাতে যে দিয়ে গেছে
এই পৃথিবীতে বেঁচে থাকবার অনাবিল মন্ত্র।













শুক্রবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

শুধু কবিতায়... অমর একুশে -৪৭।। রমলা মুখার্জী।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।

 



অমর একুশে -৪৭

রমলা মুখার্জী


 ১.

 অমর একুশ, আমার একুশ

   


অমর একুশ, আমার একুশ, একুশ  সবার মান-

খুনে রাঙা দিন, স্বপ্ন রঙিন, শহীদের বলিদান।

বিশ্বসভার উদার আকাশে একুশ ধ্রুবতারা...

বাংলা পরম বাংলা ধরম, বাংলা ঝর্ণাধারা।

একুশের বান বাংলার প্রাণ, বাংলা ভাষার টান-

একুশ শোনায় বাংলা বর্ণমালায় সাজানো গান।

রফিক, আব্দুল, বরকত, সালাম, সেলাম ভাইজান-

বাংলার দুখে বুলেটের মুখে, বাংলাতে শেষ ঘ্রাণ।

ঢাকের বাদ্যি, ঈদের আজান, একুশে সবার দান-

ভেদাভেদ নাশি, মিলেমিশে হাসি, হিন্দু-মুসলমান।

প্রথম ফাগুনে একুশ পালনে একসাথে ধরি তান-

বাংলাভাষার মলিন দশা ভেঙে হোক খান খান।

 কাছাড়ে আসামে বাংলার নামে দিয়েছে এগারো প্রাণ-

তাদেরও স্মরণে আনত পরাণে জানাই শত প্রণাম।

সব্বাই আসি যত বঙ্গভাষী নিই আজ এ শপথ-

বাংলাভাষার গরবে সরবে ওড়াবো জয়ের রথ।





২.

 সবাই মিলে শপথ নিলে


ফাগুনের শুরু হতেই শুকনো পাতা ঝরে...

রফিক, সালাম, বরকতদের বড্ড মনে পড়ে।

বাংলা ভাষার সম্মানে সব শহীদ দিল প্রাণ... 

একুশ শোনায় বীরপুত্রের রক্ত ঝরানো গান।

বাংলা ভাষা, মাতৃভাষা, মধুর মাতৃদুগ্ধ, 

নকল তানে অপমানে মাতৃ- হৃদয় দগ্ধ।

ওরে হ্যাংলা শুদ্ধ বাংলা বলতে মাথা হেঁট, 

বিদেশি বুলি বলার বেলায় একদম পারফেক্ট।

খিচুড়ি ছেড়ে মিষ্টি সুরে বাংলায় কথা কই, 

বাঙালির মুখে ফোটে যেন সুখে বাংলা বোলের খই।

সব ভাষাকে করবো কদর তবু বাংলা আমার আদর... 

বাংলার ব্যবহার হোক অফিস, কাছারি, সদর।

গরমে পরমে রবি ইসলামে বাদলে বাংলা মাদল...

শরতে-শীতে বাংলার গীতে ফোটাক হৃদয়ে শতদল।

নতুন ধান্যে শুভ নবান্নে হেমন্তিকার নৃত্য...

বাংলার বোলে অঙ্গ যে দোলে বাংলায় ভরি চিত্ত।

বাংলার বেদী শত শহীদের রক্ত-ধারায় স্নান...

সবাই মিলে শপথ নিলে বাংলা চির অম্লান।







বৃহস্পতিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

শুধু কবিতায়... অমর একুশে -৪৬।। অশোক রায়।। Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।

 




অমর একুশে -৪৬

অশোক  রায় 


১.

একুশের আহ্বান 

অনেক কথা গালভরা লোক-দেখানো 
অনেক দন্দ্ব বিতর্ক এখনও জিয়ানো 
বছরে বড়োজোর দুবার চোখ ধাঁধানো 
গদ্য-পদ্য-ভাষণ-গান অনুষ্ঠান শোনো

আমার ভাষা স্থবির ক্রমশ অন্তিম শয়ানে
জড় পদার্থ চৈতন্যপুপ্ত অন্ধকারের ফ্রিজে
চর্চা এখন সীমাবদ্ধ শুধু নিজস্ব বাগানে
দিশাহীন তরী আটকে গেছে অকারণ বালুচরে

মাঝরাতে শিউরে ছুটে যাই পাণ্ডুর পাঠাগার
পতন কি অনিবার্য প্রশ্ন পাণ্ডুলিপির কবেকার 
মাথা নাড়ি আসছে প্লাবন কান্ডারী হুশিয়ার 
একুশের প্রভাতে নাও সুর্যপ্রণাম মা-আমার।

                                        





২.
 ভাষা  ভালবাসা

যার আছে ভাষা সেই তো ভালবাসে
শব্দ-চয়ন-সুখ আহা কি রূপ মনে ভাসে 
যার আছে বোধ সেই থাকে রসে টইটুম্বুর 
বাংলা পত্রিকা পুস্তক রচনায় বুঝি মনমধুপুর 
শহীদের রক্তে রাঙা পরাণখানি  কাঁদে 
তোমরা কি করে হিন্দি চাপাও এমন রক্তরাগে
 বাংলা আমার আবেগঘন মহাযুদ্ধের পাশা
 নিজেকে ভুলতে পারি ভুলিনি আমার ভাষা।













বুধবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

শুধু কবিতায়... অমর একুশে -৪৫।। শিখা ঘোষ।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।

 




অমর একুশে -৪৫

শিখা ঘোষ


১.

মাতৃভাষা



বুকের মাঝে ছটফট করছিল কিছু,
যেন একঝাঁক চড়াই---
গুমরে আছে বক্ষ পিঞ্জরে,
মুক্ত হয়ে ডানা মেলতে চাইছে আকাশে।
বহু প্রচেষ্টায়,
     অনেক শহীদের রক্ত ঝরিয়ে,মুক্তি পেল একদিন, 
       মনের ভাষা, প্রানের ভাষা, বাংলাভাষা হয়ে
মুক্ত বিহঙ্গের মত ছড়িয়ে পড়ল দিকে দিকে,
দেশে  বিদেশে মান্যতা পেলো সেই ভাষা।
সেই স্বাধীন ভাষা আত্মপ্রকাশের দিনটি--
          একুশে ফেব্রুয়ারি হয়ে ফিরে আসে বার বার।






২.
আ-মরি বাংলাভাষা



"মোদের গরব - মোদের আশা"
    আমাদের মাতৃভাষা-বাংলাভাষা।
বাংলায় গাওয়া গান-
রক্তে লহর তোলে শত কোকিলের কুহুতান।
বাংলায় বলা কথা-
বুকের মাঝে দ্রিম দ্রিম রবে মাদল বেজে ওঠা।
এই ভাষাতে  ভাবতে বসা--
দেহের প্রতিটি কোষ সুগন্ধিত বকুল হয়ে যাওয়া।
বাংলা ভাষা শুনতে পেলে--
চারিপাশের রঙিন প্রজাপতিরা ওড়ে ডানা মেলে।
বাংলাভাষায় আলোচনা সভা--
যেন তৃষ্ণার্ত ধরার বুকে অঝোর ধারাপাত।

এই ভাষাকেই স্মরণ করায়--একুশে ফেব্রুয়ারি,
বছর বছর সেই দিনটির জয় ধ্বনি করি।









মঙ্গলবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

শুধু কবিতায়... অমর একুশে -৪৩।। শ্যামাপ্রসাদ ঘোষ।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।

 


অমর একুশে -৪৩

শ্যামাপ্রসাদ ঘোষ



১.

ভাষা ফুল ভাষা মালা



ভাষা মানে কোনো সুদূর অতীতে

এক মন উদগ্রীব,

ভাষা মানে ওড়া পাখির কথায়

সাড়া দেওয়া এক জিভ।

জাগরণ আর ঘুমের মধ্যে

নানা প্রশ্নের উঁকি,

সযত্নে রাখা ধুলোর ওপরে

কেটে রাখা আঁকিবুঁকি।


ভাষা মানে গতি এপ্রান্ত থেকে

প্রান্তে ছোটা নদী,

মাটির উপর পাতা যাপনের

মধ্যে ছড়ানো যদি।

এক বুক থেকে অন্য বুকেতে

বেঁধে দেওয়া এক সাঁকো,

ভাষা বলে, ভাই চোখ থেকে নিয়ে

আমাকে হৃদয়ে  আঁকো।


ভাষা চলন্ত ভাষা ছুটন্ত

বেপরোয়া চঞ্চল,

কখনো উষ্ণ কখনো শীতল

কখনো চোখের জল।

ভাষা আনন্দ চলার ছন্দ

আঁধার অথবা আলো,

ভাষা ঠেলে দেয়, ভাষা টেনে ধরে

মন্দ অথবা ভালো।


ভাষা দিবসের ভাষা রাত্রির

ভাষা দুপুরের সাঁঝের,

ভাষা কৃষ্টির ভাষা সৃষ্টির

ভাষা অকাজের, কাজের।

ভাষা এক নয়, ভাষা অসংখ্য

ভাষা ফুল ভাষা মালা,

চির পুরাতন প্রতিবেশে ভাষা

ইস্কুল, পাঠশালা।






২.

ভাষা ভাবনা



বাংলা স্কুল ছেড়ে   যেই না গিয়েছি

শহরে সি বি এস ই স্কুলে,

সকলে বলে দিল   এবার রিক তুই

বাংলা ভাষা যাবি ভুলে।

আমিতো ভয়ে মরি বাংলা ভুলে গেলে

জীবনে থাকে কী বা বাকি,

মায়ের ভাষাটুকু   মুখে না নিই যদি

জীবন হবে যে পুরো ফাঁকি।


অঙ্ক ইতিহাস    ভূগোল বিজ্ঞান

সবই তো লেখা ইংলিশে,

ম্যামরা ক্লাসে বলে   শুধুই ইংলিশ

বাংলা শিখি তবে কী সে?

আবার এও শুনি   না শিখে ইংলিশ

যারাই হয়ে গেছে বড়ো,

চাকরি পেতে গিয়ে    ওরালে বসলে

ভয়েতে কাঁপে থরো থরো।


বাবা মা বলেছে,   বাংলা ভুলবি না

এখানে বাংলাও পড়ায়,

পড়বি লিখবি  বাড়িতে বলবি

পড়বি গল্প ও ছড়া।

বাংলা ভাষাকে  তুচ্ছ না ভেবে

হিন্দি ইংরিজি যদি,

শিখিস তবে তোর আখের ভালো হবে

বইবে আলোকিত নদী।


রাজ্য দেশ ব' লে   এখন কিছু নেই

হাত রা এক দেশ ভেবে,

করবি পড়াশোনা   তবেই আগামী

তোকেও ভালো ফল দেবে।

দাঁড়িয়ে নিজপায়ে   বলবি বাংলা গো

তোমাকে ভুলব না আমি।

বলবি, অক্ষর কলমে এসো তুমি

তোমাকে করে দেব দামি।









শুধু কবিতায়... অমর একুশে- ৪২।। স্মৃতি শেখর মিত্র।। Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।

   




অমর একুশে- ৪২

স্মৃতি শেখর মিত্র 



মা ও মাতৃভাষা


অল্প বয়সে আমি আমার মাকে দেখতাম
নানান কাজের মাঝেও আমাকে বাংলা
শেখাতেন। এই দেখ 'অ' এটা হলো 'আ' ।
নিজের শাড়ির আঁচল দিয়ে শ্লেটের জল
মুছে দিতেন; আবার নতুন করে লিখতেন।
আমি অবাক চোখে মায়ের মুখের দিকে
তাকিয়ে থাকতাম। আমার টেড়া বেঁকা 
লেখাকে আঙ্গুলে আঙ্গুল চেপে ঠিক করার
আপ্রাণ চেষ্টা, মায়ের প্রচেষ্টায় আমি ধীরে ধীরে
মাতৃভাষা শিখলাম। সেই মাতৃভাষাকে কেউ যদি
অপমান করার চেষ্টা করে ভীষণ আঘাত পাই
মনে মনে, কখনও বা আক্রোশ ফুটে ওঠে।
চরম হতাশায় ম্লান হয়ে আসে মুখের বলিরেখা।
মাতৃভাষার অপমান সহ্য করতে না পেরে অনেকেই বলিদান করেছেন নিজের প্রাণ।
বিসর্জন দিয়েছেন তাঁদের সমস্ত ধনদৌলত,
মান ইজ্জত। তবু থেমে থাকেনি এ সংগ্ৰাম।
সংগঠিত জনরোষের কাছে মাথানত হয়েছে
তাদের অহংকার , যারা করেছিল মাতৃভাষা বাংলার অপমান। তাই "একুশে ফেব্রুয়ারি"
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি
পেয়েছে।

আসুন আমরা সঙ্কল্প করি আমাদের মাতৃভাষা বাংলাকে মায়ের মতোই আদর যত্ন ও স-সম্মানে
বাঁচিয়ে রাখি। ভাষা শহীদদের স্মরণে আমার শ্রদ্ধা জানাই।







সোমবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

শুধু কবিতায়... অমর একুশে ৪১।। রূপক চট্টোপাধ্যায়।। Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।




অমর একুশে ৪১

রূপক চট্টোপাধ্যায় 



যুবকটি 



এমন করে সে প্রতিদিনের পথিক। 
আমার সাথে দেখা হয় রোজ, 
রঙমোড়া আলোয় তার যুবক সেগুন বয়সী
হাঁটা মনে থাকে। 
সকাল বেলা, 
বুনো শহরের সমস্ত অলিগলি দিয়ে 
সে হারিয়ে যায়।দূর দূরবীনে !
পিছনে পড়ে থাকে 
ঘিলু পোড়ানো রোদ, চন্দন মাখা বাক্যালাপ, 
স্পীডে চলে যাওয়া শব বাহি পুষ্পক। 

আবার সন্ধ্যা বেলা যখন 
মোড়ের মাথায় টান টান সুভাষের উত্থিত 
হাতে, বিকেলের কাক এসে বসে, মাধবী লতা 
যে আবেগ দোলে, চায়ের জল চাপায় বিহারী গোকুল।
শব্দবিন্যাসে ভুল করে পাড়ার পাগল, 
লোকাল ট্রেন বোঝাই করে মানুষ আনে,বলে
বাঁকুড়া প্লাটফর্ম  ফিরে পায় যুবতী শরীর! 
তখন সেও ফিরে আসে! হয়তো আসে! 
ও যুবকের ভগ্নাংশ শরীর থেকে আলাদা 
হয়ে ছিটকে যায় ,গাঢ় ক্লান্তির সুবর্ণরেখা!





রবিবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

শুধু কবিতায়... অমর একুশে -৩৩।। জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।

 



অমর একুশে -৩৩

জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়


মাতৃভাষা 


মায়ের রান্নার মতো বিকল্পহীন
প্রিয় পোশাকের অপরিহার্যতা
পিছল পথের উপর চেনা উঠোন
অচেনা মুখের ভিড়ে প্রিয় উচ্চারণ
তুমি মায়ের অন্য নাম।

শ্বাসকষ্টের কারণ খুঁজে দেখা
সব বাতাস প্রান্তরশুদ্ধ নয়
অচেনা ফুলের গন্ধে অনিদ্রার কাঁটা
অবলম্ব টেনে নেওয়া দৈনন্দিন
ভেজা চুপড়ির গন্ধ দেশভেদহীন।










শুধু কবিতায়... অমর একুশে -৩৪।। বিশ্বজিৎ রায়।। Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।

 




অমর একুশে -৩৪

বিশ্বজিৎ রায় 



নতুন প্রাণ 


ঝরঝর করে  বুলেট ঝরে পড়েছিল সেদিন 
মায়ের শরীরজুড়ে,  
একুশের ঢাকায় আর উনিশের  শিলচরে,  
রক্তস্রোতে ভেসেছিল মায়ের বুক, 
কান্না এসে জড়িয়ে ধরেছিল সব সুখ---

শপথ নিয়েছিল  রক্তমাখা মাটি,  
মায়ের হাতে দানা খাওয়া  পাখি 
পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, খুলনা, যশোর
লালমাটি, কালোমাটি, গ্রাম-শহর---

বাংলা প্রাণে নতুন করে জন্ম নিয়েছিল  
রক্তেরাঙা  ভাষা, 
আকাশে নতুন ছন্দে উড়েছিল 
নতুন দিনের আশা,
মুছে দিয়ে সব হতাশা...

সে'ভাষার শরীরে  এখন বৃষ্টি-মধু ঝরে
ঘরে ঘরে  নতুন পতাকা ওড়ে ---
বাঁশিতে বাজে নতুন দিনের গান,
নতুন পাতায় জাগে নতুন দিনের প্রাণ .... 









শুধু কবিতায়... অমর একুশে -৩৯।। অশোককুমার লাটুয়া।। Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।

 




অমর একুশে -৩৯

অশোককুমার লাটুয়া 



রক্তে ফোটা স্বপ্নে 

          


অনেকদিন সাফ-সুতরো হয়নি মানুষের বিবেক। 

নিভে যাচ্ছে বিশ্বাসের রাজপথে সমস্ত আলো। 

কতদিন হৃদয়ে হয়নি ভোর। রাত্রি এখন বন্ধ্যা। 

সম্পর্কের দুর্বোধ্য অসুখ কেড়ে নিচ্ছে মানুষের সুখ। 

আত্মহত্যা করছে মানবতা নিজের পাতে ঝোল টানার অভ্যাসে। 

দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে লোভ -- পচনশীল আকাঙ্খার কবিতা। 


সাপের মুখে ব্যাঙের গালে চুমু খাওয়ার স্তাবকতায় 

হারিয়ে যাচ্ছে নরম শাকের সৃষ্টির উর্বরতা। 

কথার মৌচাকে এখন অশ্রাব্য অশ্লীলতা। 

অন্ধকারও লুকিয়ে রাখতে পারছেনা 

আমাদের চরিত্রহীন চোখ। 

অথচ 'বাইশে 'র' একুশ' এখনও পুরনো অক্ষরে 

জলতরঙ্গের স্বরলিপি কৃষ্ণচূড়ার স্তবকে স্তবকে। 

এখনও মহানুভব বর্ণমালা হেঁটে যায় 

বাংলার বুকে বটের ছায়া নিয়ে আমাদের রক্তের ভিতরে প্রগাঢ দরদে। 

আমাদের হৃদপিণ্ডে ভালোবাসা আজও তাই আন্তর্জাতিক 

রক্তে ফোটা স্বপ্নে ভাষার মানচিত্রে। 









শুধু কবিতায়... অমর একুশে -৪০।। দেবাশীষ মুখোপাধ্যায়।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।





অমর একুশে -৪০

দেবাশীষ মুখোপাধ্যায়


মায়ের দুধের অক্ষরে তোমাকে চিনি



আমলকি বনে যে ঝিরিঝিরি হাওয়া বয়
তার গায়ে যে অক্ষর লেখা থাকে
তাতে আমি তোমাকে দেখি

চাষির কোদালের কোপে কাদামাখা যে মাটি ছিটকে পড়ে
তার গায়ে যে ঘামের গন্ধ
তাতে আমি তোমাকে দেখি

আদুল গায়ে যে বাচ্চাটা গোগ্রাসে দুমুঠো গরম ভাত পরম তৃপ্তিতে মুখে তুলে নেয়
তার মুখে যে স্বর্গ আঁকা থাকে
তাতে আমি তোমাকে দেখি

ছটফট করতে থাকা মা যে রক্তমাখা বাচ্চাটাকে নাভির ঋণে পৃথিবীর প্রথম আলো দেখায়
তার গভীর কান্নার আওয়াজে 
আমি তোমাকে আমার বুকে ধরে রাখি।








শুধু কবিতায়... অমর একুশে -৩৮।। সুধাংশুরঞ্জন সাহা।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।

 




অমর একুশে -৩৮

সুধাংশুরঞ্জন সাহা


একুশে বাংলা ভাষার স্পর্ধা


একদিন যা ছাইচাপা আগুন ছিল
সেই আগুনই দাবানল হয়ে জ্বলে উঠেছিল
বাহান্ন সালের একুশে ফেব্রুয়ারি
বাংলা ভাষার দাবিতে
একশো চুয়াল্লিশ ধারা অগ্রাহ্য করে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজার হাজার ছাত্ররা
ঢাকার রাজপথে মিছিল নিয়ে গর্জে উঠেছিল 
সেই শান্তিপূর্ণ মিছিলে হিংস্র পুলিশের গুলিতে
রাজপথ রক্তে ভেসে গেল
মাতৃভাষার জন্য প্রাণ বিলিয়ে দিল
সালাম বরকত জব্বার সহ আরো অনেকে
ঢেউয়ের পিছনে বিরামহীন ঢেউ
অশান্ত অকূল জলরাশি...
একুশে শুধু ভাষাশহীদ দিবসই নয় 
একুশে বাংলা ভাষার স্পর্ধা
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষার গর্ব
সেদিন থেকেই প্রতিবছর ঢাকার রাজপথ
লাল গোলাপের পাপড়িতে ঢেকে যায়...










শুধু কবিতায়... অমর একুশে -৩৫।। সুবীর ঘোষ।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।




অমর একুশে -৩৫

সুবীর ঘোষ




একুশের ভাষা ১



ভাষা আমার চোখের আলো

সে আলোয় দেখতে পাই

প্রান্তরের গান আমার।

সে আলোয় খুঁজে পাই

আমার উৎসবের হাঁড়িকুড়ি।

আমার নবান্নের ধানে কত রক্ত!

আর এই রক্তই

আমাকে মনে পড়িয়ে দেয়

আমি এখনও বেঁচে আছি।

 

 



একুশের ভাষা ২


 

মানুষকে বাঁচায় তার ভাষা

কোনো এক রঙিন নদীর ধার দিয়ে ছুটতে ছুটতে

শব্দ খোঁজে রাখাল।

এক সময় কত ছিল ভালোবাসার লোকজন ,

এখন তারা কমে যাচ্ছে ,

কমে যাচ্ছে হিসেবে ভুল করার লোকও।

দিক বদলানোর প্রথম পাঠ তো আমাদের নিজেরই ভাষায়।

আমি বেঁচে থাকি আজন্মলালিত কিছু কথা

শোনার অপেক্ষায়।









 

শুধু কবিতায়... অমর একুশে -৩৬।। তপনজ্যোতি মাজি।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।

  


অমর একুশে -৩৬

তপনজ্যোতি মাজি



ভাষা দিবস


ভাষাপথ জ্যোৎস্নাময়, তবু কেন আলো জ্বেলে

দিলে সন্ধ্যা নামার আগে? কথা বলো নদীকণ্ঠে, তুমি আর পরাধীন নও।


কে তোমার সখা জেনেছো কি আসন্ন বিপদে ?

ভালো নয় ডুবুরী জীবন। দূর গ্রহে প্রলয় সংকেত।

তুমি কথা বলো বাংলায়।


মুছে যাচ্ছে বিভাজন রেখা। এক নদীর সঙ্গে দেখা

হলো অন্য নদীর। এক মায়ের সঙ্গে অন্য মায়ের। শহীদ বেদীতে ফুলের মতো বাংলা অক্ষর।


মাটির উঠোনে বিছানা পেতেছে অভিমানী চাঁদ।

ঘড়ির কাঁটা ঘুরছে বিপরীত দিকে। ভ্রান্তি নিয়ে

কত দূর যাবে?


কেটে যায় দিন। গল্প বলে ইতিহাস। তুমি কোন

মনস্ক বন্ধনে বেঁধেছো মহাকালের ঘোড়া। গর্বিত

মায়ের দুঃখী মুখ।


বাংলা বলো। বাংলা বলছে মুখ। বাংলা লিখছে

কলম। ভাষার প্রবাহ নদী হয়ে হৃদয় উর্বর করছে

বাঙালি হৃদয়।








শুধু কবিতায়. …অমর একুশে -৩৭।। বিকাশরঞ্জন হালদার।। Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।




অমর একুশে -৩৭

বিকাশরঞ্জন হালদার 


১.

গর্বিত বুক 


ঢেউ আসে ঢেউ যায় 
সম্মোহনে ভরে থাকে হৃদয়ের পথে হাঁটা ঘোর 
বর্ণে-বাক্যে ভরে উঠুক এপার ওপার ...

স্বপ্নে যাদের মৃত্যু ঘোরে ফেরে 
আবেগে বড় হয় গর্বিত বুক

                               বাংলার প্রাণ!

হে অনির্দিষ্ট ঘুম 
তুমি ভেঙে যাও 

কান্নার ভেতর দিয়ে বয়ে যাক কান্না
রক্তের ভেতর দিয়ে রক্ত! 

গহন ভালোবাসায় জেগে থাক                        
আমরি বাংলা ভাষা ...




২.
আশ্চর্য বিমোহ


সত্যের শরীরে মিশে যায় আশ্চর্য  বিমোহ!

ঝাঁজরা পাঁজরে প্রমিত  ভাষা-প্রেম 
ডেকে আনে জীবনের স্বারব্ধ অধ্যায়

খসে যায় কলরব
বরকত সালাম জব্বার!

                   রক্তিম হয় একুশে ফেব্রুয়ারি ...









                                            

শনিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

শুধু কবিতায়... অমর একুশে -৩২।। শঙ্কর তালুকদার।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।

 



অমর একুশে -৩২

শঙ্কর তালুকদার


জানান দেয় ২১শে ফেব্রুয়ারি


পদ্মা-মেঘনার ধারায় দিয়ে অনেক সময় বয়ে গেছে-

লেখা থাকেনি সে সব কাব্যে বা কথায় কথায় !

নাওয়ে দাঁড় টেনে জল শব্দে বর্ণে একাকার হয়েছে-

বাউল বেহাগে একতারা বা কেবল খালি গলায়!

মাটির মানুষ মাঠ ও নদীর সুরে শোনে জীবন কথা-

সময় ধরে গাঁথা রয়ে যায় তারই সে শব্দ গাঁথা !

মাতৃভাষার ভালোবাসা সেদিন রক্ত দিয়ে ধুয়েছিল

তবুও পিছন ফিরে তাকায়নি সময় যে সেদিন;

ভাষার গভীরতা যেন ভালবাসায় একাত্মে মিশেছিল-

হানাদারের রক্তে ওরা রুখতে চেয়েছিল যেদিন!

আমার এ ভাষা, তোমার ও তো ভাষা, এ যে সবার প্রিয় প্রাণের সে মাতৃভাষা;

হৃদয়ের মাঝে বয় প্রকাশের সে ধারায়- যারাই নিজের ক'রে নিয়ে পায় ভরসা।

স্বাধীনতার সে অনুভূতি যেন বহমান নদী ও সময়ে-

সার্বজনীন প্রকাশে দেশ, মাটি ও জীবনের সে শব্দে!

রক্তস্নাত পুন্যতায় ওরা অস্তিত্ব জানায় মায়ের ভাষায়-

জীবনের সে আবেগ বয়ে এপার ওপার উত্তাল সেথায়!

সময় ও দেখে, দমন ছেড়া জয়ের নিশানের সে হুশিয়ারী-

মাতৃভাষার আবেগে জ্বলে, জানান দেয় ২১শে ফেব্রুয়ারি।











শুধু কবিতায়... অমর একুশে -৩১।। সুদীপ কুমার চক্রবর্তী।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।

 




অমর একুশে -৩১

সুদীপ কুমার চক্রবর্তী




ভাষাপথ 


আমার ঈশ্বরেরা হাঁটেন ভাষা পথে।
ভাষা জলে ভেসে চলে কপোতাক্ষ নদ
ভাষা মুখের ইতিহাসে বাংলার স্কট।
ভাষা সূর্যে বিচ্ছুরিত রবির কিরণ
ভাষা কণ্ঠে গর্জে ওঠে বিদ্রোহী কলম।
ভাষা স্নিগ্ধ বন পথের আরণ্যক দেবতা
ভাষা পথে দেখা কবির মুগ্ধ বনলতা।
এ ভাষায় গান গায় পদ্মা নদীর মাঝি
এ ভাষায় রাঢ় বাংলার বাউল বৈরাগী।
ভাষার রামধনু বাংলার সুনীল আকাশ
মাতাল কাব্যকথায় বৃষ্টি বারোমাস।
ভাষার অগ্নি জঠর আর আধখানা চাঁদ
এ ভাষায় নিত্য বাঁচা ছিঁড়ে মৃত্যু ফাঁদ।











শুধু কবিতায়... অমর একুশে -৩০।। জয়দেব মাইতি।। Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।

 




অমর একুশে -৩০

জয়দেব মাইতি 



নান্দীপাঠ 


বুকের মধ্যে আগুন জ্বালি
বুকের মধ্যে গান 
বাংলা ভাষার বাহুডোরে 
প্রাণের ই সন্ধান।

অবাক করা প্রাণশক্তি
হৃদয় ভরা স্রোত
ভাষার টানে এগিয়ে চলা
মিথ্যে প্রতিরোধ।

আজও ভাসে অতীত কথা 
বাংলা প্রাণের সুখ 
সবার সেরা বাংলা ভাষা
প্রিয় নান্দীমুখ।