লেবেল

স্বামী বিবেকানন্দ বিষয়ক কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
স্বামী বিবেকানন্দ বিষয়ক কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৩

বিবেকানন্দ বিষয়ক কবিতা -২২।। উন্মেষণে - বিকাশরঞ্জন হালদার.।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।

 



বিবেকানন্দ বিষয়ক কবিতা -২২


উন্মেষণে 

বিকাশরঞ্জন হালদার 


ঘোর-ভ্রান্ত জীব নিয়ত প্রবণ 
অনিবার পার হয়ে বয়ে যাক বিবিক্ত-উদাস 

অন্তবিহীন-অন্ধকার
অস্থির-সময়
তুমি চেতনার উন্মেষণে, জেগে থাকো-দীর্ঘ হও, বিবেকানন্দ বিস্ময়-গৈরিক!

পৃথিবীটা আজও বদলে যেতে যেতে ধোঁয়াটে-ধূসর ক্রমশ ...

শুক্রবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৩

স্বামী বিবেকানন্দ বিষয়ক কবিতা -২১ ।। যুগপুরুষ - বাবলু গিরি ।। Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।

 




স্বামী বিবেকানন্দ বিষয়ক কবিতা -২১



যুগপুরুষ 

 বাবলু গিরি

                         

হে ভারতবাসী কতটা মনে রেখেছ নরেনকে বিবেকানন্দকে?

মনেপড়ে শিকাগোর সেই আশ্চর্য মানবকে 

ভারতর্ষকে জগতের শ্রেষ্ঠ আসনে বসিয়েছিলো 

জানি ভুলে যাবে 

" হে ভারত, ভুলিও না- নীচজাতি, মূর্খ, দরিদ্র, অজ্ঞ, মুচি, মেথর তোমার রক্ত, তোমার ভাই। "

একথা ভুলে গেছ জানি 

শুধু জন্ম মৃত‍্যু জয়ন্তী মনে রেখে কৃতার্থ করেছ মহামনবকে!


হে ভারতবাসী জেগে ওঠো 

ঐ দ‍্যাখ যুগপুরুষ ডাকছেন, বলছেন -

“জীবে প্রেম করে যেই জন সেই জন সেবিছে ঈশ্বর”

বৃহস্পতিবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৩

স্বামী বিবেকানন্দ বিষয়ক কবিতা -২০।। হে সনাতন - অশোক রায়।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।

 


স্বামী বিবেকানন্দ বিষয়ক কবিতা -২০


হে সনাতন 
অশোক রায় 

অসীম যুবশক্তির অখণ্ড প্রেরণা তুমি 
তেজোদ্দীপ্ত অনন্ত যৌবনধারী যোগী
নিষ্কাম কর্মই তোমার অক্লান্ত সাধনা
জীবন সপেছ জাতির চরিত্র গঠনে 
হিমালয় থেকে কন্যাকুমারী
ত্যাগের মন্ত্রে দিয়েছ দীক্ষা
অন্ধকারাছন্ন ভারতবাসীকে

হে মুকুটহীন হৃদয়-সম্রাট হে রাজযোগী
হেলায় করেছ ত্রিভুবন জয়
তোমার জ্ঞানের ব্যাপ্তি হাজার সূর্য সমান
হে রাজা হে মহাপ্রাণ যুগান্তকারী মনীষী 
তোমায় যখনই স্মরি, বিগলিত মনপ্রাণ 
আপনা থেকে মাথা নত হয় 
সদাজাগ্রত মানব-সেবা প্রহরী তব চরণে।।

                                     

বুধবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৩

স্বামী বিবেকানন্দ বিষয়ক কবিতা -১৯ ।। স্বামীজী - স্বাগতা ভট্টাচার্য।। Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।

 




স্বামী বিবেকানন্দ বিষয়ক কবিতা -১৯



স্বামীজী

স্বাগতা ভট্টাচার্য 

তোমায় জানতে গিয়ে  আমার জানা হয়েছে গোটা ভারত বর্ষ।
মনে মনে তোমার চরণ ছুঁতে গিয়ে ত্রিলোক ছুঁয়েছি বারবার।
এখন তোমার বৈরাগী রঙে রাঙিয়েছি 
আমার শাড়ির আঁচল।
শুভ্রতাকে রেখেছি শাড়ির সমস্ত জমি  জুড়েই। 
আর পাড়ে ধারণ করেছি আন্দামান নিকোবর দীপপুঞ্জের চিরহরিৎ অরন্যকে।
সকালবেলা রোজ দাঁড়াই  তোমার মুখোমুখি 
আর বাতাসে ভেসে আসে
"ওঁ জবাকুসুমসঙ্কাশং কাশ্যপেয়ং মহাদ্যুতিম । ধান্তারীং সর্বপাপঘ্নং প্রণতোহস্মি দিবাকরম্" ।।

মঙ্গলবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২৩

স্বামী বিবেকানন্দ বিষয়ক কবিতা -১৮।। বিবেকানন্দ — অর্ণব মিত্র।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।

 



স্বামী বিবেকানন্দ  বিষয়ক কবিতা -১৮



বিবেকানন্দ

অর্ণব মিত্র

 

যখন সবাই নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত,

যখন যন্ত্রেই চোখ সবার,

যখন আকাশ ছড়ায় যুদ্ধের খবর,

যখন বিনোদনের জোয়ারে মানুষ নিরুপায়,

যখন রোবট সভ্যতার মুখে দাঁড়িয়ে আমরা,

 

তখন,

রোদে জ্বলা পথে ক্লান্ত হয়ে বাড়ি ফিরে

চোখ পড়ে একটি বইয়ের উপর,

ঠাকুমার উপহার দেওয়া সেই

আঁকা ছবিতে ভরা ছোটদের বিবেকানন্দ

 

বইয়ের পাতা ওলটাই

একের পর এক ছবিতে  

তোমার জীবন উদ্ভাসিত হয়,

 

গৃহত্যাগ,শিকাগো যাত্রা,মঠ স্থাপনা।

ছবি সরে সরে যায়,চোখের সামনে

ফিরে আসে বহুবছর আগের সব দৃশ্য।

 

শেষ পাতায় তোমায় দেখি-

গেরুয়া পরিধান,

উজ্জ্বল  দুই চোখ, ধ্যানরত দৃষ্টি,

আশায় আবার মন ভরে ওঠে 

সোমবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২৩

স্বামী বিবেকানন্দ বিষয়ক কবিতা -১৭ ।। খণ্ডন ভব - অমিতাভ সরকার।। Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।

 



স্বামী বিবেকানন্দ বিষয়ক কবিতা -১৭



খণ্ডন ভব

অমিতাভ সরকার 


বিবেকানন্দ আস্ত একটা পৃথিবী। বইটা
বারবার পড়লেও আরো পড়তে ইচ্ছে করে, ভাবনার নিত্য নতুন দিগন্ত খুলে আসে অনুভবের এত বছর পরে এই অনলাইন ফাইভ-জি প্রযুক্তির যুগেও।

জানতে গিয়েও দেখি তা খুবই সামান্যই। 
বিস্ময়ে শুধুই ছবির পাতা উল্টানো।

জীবনের ভুবন বাদ্যকর সম্প্রীতির পাখোয়াজ বাজান নিত্যই। কর্মযোগ আর নিছক দায়িত্ব হয়ে বাঁচে না। পুজো আর কর্ম মোক্ষের এ পিঠ আর ও পিঠ।  কথকের 'সংগীত কল্পতরু' দুঃখের ভারতবর্ষের মেঘলা-আকাশে পজিটিভ এনার্জির  'বেনীআসহকলা'। সময়ের সাতরঙা প্রেম মানচিত্র সেই অমোঘ ডাকে ঘুম ভাঙার গান। খুশীর তেরঙ্গা পতাকা এখানে একটা মানুষকে চেনায়।

বিবেকের দরজায় সংগীতগুরু বিবেকানন্দ জোরসে কড়া নাড়েন। অমনি জেগে উঠি। আমি আর আমির মধ্যে পড়ে থাকে না। 




রবিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৩

স্বামী বিবেকানন্দ বিষয়ক কবিতা -১৬ ।। আস্বাদ - বিকাশ ভট্টাচার্য।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।

 





স্বামী বিবেকানন্দ বিষয়ক কবিতা -১৬



আস্বাদ 

বিকাশ ভট্টাচার্য 


যে স্বাদ লেগে গেছে জিভে 
প্রতিদিন চাখতে চাখতে সেটাই বিস্বাদ 

যে পাখি নজরবন্দি করে গেছি রোজ
শস্যদানা কুড়িয়ে নিতে এ উঠোনে আর নামে না

পোশাক বদলে ফেলি। বদলাই বিছানা চাদর
অভ্যাসের দাস ক্রমে বদভ্যেসপ্রিয়

সত্যি কথা ঠাকুর 
কেন যে বীরেশ্বর ডেঁয়ো পিঁপড়ের মতো
ফিরে ফিরে আসতো রোজ তোমার ডেরায় 

কই বিস্বাদ হলো না তো উপসংহার !

শনিবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৩

স্বামী বিবেকানন্দ বিষয়ক কবিতা -১৫ ।। স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিন উপলক্ষ্যে ... গোবিন্দ মোদক।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।

 





স্বামী বিবেকানন্দ বিষয়ক কবিতা -১৫



স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিন উপলক্ষ্যে ...

গোবিন্দ মোদক


তুমি বিলে — তুমি নরেন — বিবেকানন্দ তুমি, 

সর্বত্যাগী সন্ন্যাসী তুমি — জাগালে ভারতভূমি।

তোমার আবির্ভাবে বাঙালি জীবনে জাগে অনুপ্রেরণা, 

মোক্ষ ছাড়াও মানবজাতির সেবা তোমার সাধনা। 

তোমার সাধনা ছিল মানবমুক্তির সাধনা - হে সন্ন্যাসী, 

অভীঃ মন্ত্রে দীক্ষা দিয়ে তুমি জাগালে ভারতবাসী।

মানবধর্মের বাণী দিয়ে তুমি জাগালে যুবসমাজ,

তোমারই দেখানো পথে চলল মানবসেবার কাজ। 

তুমি বললে মূর্খ দরিদ্র অজ্ঞ মুচি মেথর-ও ভাই,

তারাই প্রকৃত ভারতবর্ষ তাদের জন্য কিছু করা চাই। 

তোমার এই আদর্শ আর — অমৃতস্বরূপ বাণী, 

যুগ যুগ ধরে তা অনাদি - শাশ্বত হিসেবেই জানি।

জাতির নিস্তরঙ্গ জীবনে তুমি এনেছো যুব-তরঙ্গ,

অগ্নিমন্ত্রে দীক্ষা দিয়ে জাগিয়েছো বাঙালি ও বঙ্গ। 

লক্ষ কোটি প্রণাম জানাই জন্মদিনের শুভক্ষণে,

চিরজাগরূপ তোমার আদর্শ থাকুক সবার মনে॥

শুক্রবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২৩

স্বামী বিবেকানন্দ বিষয়ক কবিতা -১৪।। ভালোবাসার প্রত্যাশী — দীপক বেরা।। Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।

 



স্বামী বিবেকানন্দ বিষয়ক কবিতা -১৪



ভালোবাসার প্রত্যাশী

দীপক বেরা 


চারিদিকে প্রসারিত নিশ্চল অন্ধকারে 
বহুচেনা দীর্ঘ মুখের উৎসব
দর্পণে অজস্র মুখের মিছিলে
তোমার মুখ যেন মনেই পড়ে না —
পৃথিবীটা বদলে যাচ্ছে ক্রমশ..
অর্থ-অনর্থের যুদ্ধে রক্তাক্ত হচ্ছি প্রতিদিন
তবু এই মায়াময় জীবন জড়িয়ে 
আমাদের বেঁচে থাকার অক্লান্ত প্রয়াসে 
প্রেম ও মৈত্রীর এই পার্থিব মহাগার্হস্থ্যে 
তুমিই তো সেই উচ্চতর প্রেরণার ঘ্রাণ! 
আমরা যে চিরভিখারি, হাতে নেই 
দানের যোগ্য ধুলপরিমাণও অর্থ ও সামর্থ্য 
আছে শুধু ইচ্ছে, অনুরাগ, আর চোখের জল। 

হে বীর সন্ন্যাসী যুগনায়ক—
এই ক্রান্তিকালে চোখের জল মুছিয়ে
তুমিই দিতে পার মুহূর্তকালের তরে
প্রতিজ্ঞা এক ঝাঁঝাল
এই রক্তাক্ত আবহে তুমিই দিতে পার
শুশ্রূষার জল, এক ঈশ্বরীয় আলোর শিখা
জীবের প্রতি — প্রেম প্রীতি ভালোবাসা
কোনও প্রতিশব্দ নেই যার..
তোমার কাছে নতজানু সেই দানের আশায় 
লক্ষ্যহীন অসীম ধৈর্য্য নিয়ে আছি অপেক্ষায়
শুধু এইটুকু প্রত্যাশা ---

বৃহস্পতিবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২৩

স্বামী বিবেকানন্দ বিষয়ক কবিতা -১১।। গৈরিক — মলয় সরকার।। Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।

 





স্বামী বিবেকানন্দ বিষয়ক কবিতা -১১




গৈরিক

মলয় সরকার 


ভোরের জানালা খুলতেই এক ঝাঁক

তীব্র আলোর রশ্মি এসে ঘরে ঢোকে,

গেরুয়া ঊজ্বল আলো,

ঘর ভরে যায়।

ঘরের কোণে কোণে

যেখানে যত অন্ধকার লুকিয়ে ছিল

পালাবার পথ খোঁজে-


উপরে তাকিয়ে দেখি,

আরও ঊজ্বল এক সাদা ধবধবে সূর্য,

আরও জ্যোতির্ময়, 

যেন শুভ্র ধুতি পরা স্মিতহাস্য 

ডানহাতে বরাভয়দাতা কোন ঊজ্বল পুরুষ-

চিনতে পারি মনে হয়-

কিন্তু বুঝি, ঠিক চেনা হয় নি।


তাকিয়ে থাকি দুই আলোর দিকেই

আবিষ্ট হয়ে,

মাথা নীচু হয়ে আসে-


মন, 

ধীরে ধীরে অন্ধকার সরিয়ে 

গৈরিক হওয়ার তীব্র আকাঙখায় জেগে ওঠে–


স্বামী বিবেকানন্দ বিষয়ক কবিতা -১৩।। বিবেকের বাণী - দুরন্ত বিজলী।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।

 




স্বামী বিবেকানন্দ বিষয়ক কবিতা -১৩



বিবেকের বাণী

দুরন্ত বিজলী

এখন সময় ভালো নয়।
মেরুদণ্ডে আঘাত পড়ছে।

অন্ধকার দূর করে প্রগতির পথে
এগিয়ে যাবার কথা বলছেন ?
ভালো।
কিন্তু মন কি স্বচ্ছ ?
ভেদাভেদের সূক্ষ স্রোত কিছুটা দূরত্ব
তৈরি করছে না কি?
পুরোপুরি ঝেড়ে ফেলে দিতে পারছেন না,
আপনিও না।

বিবেকানন্দের মুচিমেথরের ভাতৃত্ব বোধ ও
সার্বজনীন মিলনের মহান আহ্বানকে উপেক্ষা
করে আমরা অন্ধকারকে গ্রহন করছি।

এই দুঃসময়ে বিবেকের বাণী মানুষকে
এখনও আলো দেখায়। আসুন,
বিবেককে অধ্যয়ন করি।

বুধবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৩

স্বামী বিবেকানন্দ বিষয়ক কবিতা ১০ ।। হে মহাজীবন - সৌমিত বসু।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।

 




স্বামী বিবেকানন্দ বিষয়ক কবিতা ১০



হে মহাজীবন 

সৌমিত বসু


তিনি আমাদের শিখিয়েছিলেন 

কিভাবে রাজার ছবির ওপর থুতু ফেলতে হয় 

আমরা শিখিনি ; ভয়ে, সামাজিকতায়, বশ্যতায় |


দূরে সমুদ্রের ওপর জেগে উঠছে তার চূড়ো 

ভিজিয়ে দিচ্ছে আমাদের কাপড় চোপড়, 

                                            গ্লানি, সমূহ অতীত ;

চোখ জ্বালা ক'রে কান্না এসে দাঁড়াচ্ছে 

রেটিনা ব রা ব র 

স্পর্শ এসে দুলিয়ে দিচ্ছে বিশ্বব্রম্ভান্ড 

একটি ছড়ি হাতে নিয়ে তিনি হেঁটে চলেছেন 

উত্তর থেকে দক্ষিণ 

পায়ের স্পর্শে নেচে উঠছে অভাবী ভারতবর্ষ |


বিজ্ঞাপনের সমস্ত রং শুষে নিয়ে 

একটি বিশাল বটগাছ ডালপালা ছড়িয়ে 

উন্মাদের মতো শুধু হাসছে 

আর তার তলায় ছায়া পোহাচ্ছে একনৌকো সন্ততি



স্বামী বিবেকানন্দ বিষয়ক কবিতা -৯ ।। স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিনে ----- তপন বন্দ্যোপাধ্যায়।। Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।





স্বামী বিবেকানন্দ বিষয়ক কবিতা -৯



স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিনে

তপন বন্দ্যোপাধ্যায়


নির্ভীক এক বাঙালি যুবক শিকাগো ধর্মসভায়

মুষ্টিবদ্ধ হাত উঁচু করে বলেছিল জোরগলায়

বহু দূর থেকে এখানে এসেছি আমি সামান্য মানব

বলার জন্য পেয়েছি সময় জানি খুব দুর্লভ

প্রথমেই বলি সার সত্যটি শোনো সব বোন ভাই

সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই;


আমার জন্ম ভারতবর্ষে সাত সমুদ্র পারে

পেরিয়ে এসেছি কত জলপথ কত ঢেউ পারাবারে

এসে শুধু দেখি কত গুণিজন কত কত দেশ থেকে

চেনাজানা নেই কারও সঙ্গেই--শ্রদ্ধেয় প্রত্যেকে

দেখি এ সভায় সমস্ত পৃথিবী মিলে গেছে একঠাঁই

সবাইকে বলি মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই;


আমাদের দেশ ঐতিহ্যের--তার গতিধারা বেয়ে

পথে পথে ঘুরি মানুষে মানুষে মিলনমন্ত্র গেয়ে

আমাদের আছে চতুর্বেদ আর বেদান্তের মহাগান

প্রতি শ্লোকে আছে ঐক্যবার্তা, বিভেদ-পরিত্রাণ

লেখা আছে তাতে মানুষ সত্য জীবনের মূলমন্ত্র

মানবিকতাই আবরণ হোক মানবের স্নায়ুতন্ত্র;


বেদান্ত বলে প্রতি দেহকোষে বাস করে ঈশ্বর

সেই ঈশ্বরে ব্যাপৃত এই পার্থিব চরাচর

সব মালিন্য ধুয়েমুছে আছে সে বিশ্বজনীনতা

জানুক পৃথিবী ভারতের এই সহিষ্ণুতার কথা

সব প্রতিরোধ, প্রতিবন্ধক করে দিয়ে দূরছাই

বলো হে বিশ্ব মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই।


শুভজন্মদিন হে মহামানব!শতকোটি প্রণাম

স্বামী বিবেকানন্দ বিষয়ক কবিতা -৭ ।। বিবেকানন্দচোখ - গৌতম রায়।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।

 




স্বামী বিবেকানন্দ বিষয়ক কবিতা -৭



বিবেকানন্দচোখ

গৌতম রায়


সারা পৃথিবী জুড়ে একটা চোখের সন্ধান বিবেকানন্দচোখ 

এমন দৃষ্টিপাতের মেহনে শুধু আবেশ নয়, 

ঘুম নেই কতকাল 

 

জাগরণ ! পুনঃজাগরণ !

ভিজে যাই , ভিজে যাই 

সূর্যকুণ্ডের পর চলন চলন 

এ নদীদৃষ্টিতে লেগে থাকে মানুষী পড়োশি পরশ 

তাই এতো নদীকল্যাণ সম্বোধন।

 

ভারতমহাসাগর মহাতীর্থের পর 

চার মেঘের পুনরুত্থান– 

এমন পৃষ্ঠটানে বৃষ্টিপাতে হিমালয়ও  

নিজেকে চূর্ণ করে সহস্র লক্ষবার।


এসো দৃষ্টি এসো প্রেম এসো কল্যাণ 

পৃথিবীত্বে পায়ে পায়ে এগিয়ে যাই।


স্বামী বিবেকানন্দ বিষয়ক কবিতা -৬ ।। বিবেক যখন বিশ্ব জ্যোতি- বিকাশ চন্দ।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।




স্বামী বিবেকানন্দ বিষয়ক কবিতা -৬



বিবেক যখন বিশ্ব জ্যোতি 
বিকাশ চন্দ

চির কল্যাণময়ী কী জানতেন আত্মার সঙ্গীত
জাত পাত ভুলে জেগে ওঠে বিদ্রোহী পৌরুষ 
মগ্নকাল ছুঁয়ে আছে পরবাসী অখণ্ড মণ্ডলে
অনন্ত মূর্তি আলো ভেঙে জেগে আছে মানবাত্মা
কত কাল রাত্রি শেষের অলৌকিক আভায় জাগৃতি 
বারে বারে ডেকেছে পলাতক মানব ঈশ্বর কোথায় 
বিবেক এলি---- বিবেক----  ডেকেছে প্রাণের ঠাকুর
হাঁটুর উপরে ধূতি গলায় জড়িয়ে দয়াল মানুষ 
কোনো কৃত্রিমতা নেই জানে শুধু কল্পতরু ছায়া
কেঁপে কেঁপে ফেরে ---- আমাকে জ্ঞান দাও--- বিবেক দাও
আমাকে ভক্তি দাও --- দাও বৈরাগ্যসাধন 
#
কে জানে নরেন্দ্রনাথ ভেতরে পবিত্র সমর্পণ সাধ
অনন্ত আকুল ডাকে বিবেক জন্ম তার সকল অঙ্গে
কে কাকে দ্বিজ বলে এই যে স্বর্গীয় আনন্দ নিকেতন 
এই যে এত পাথর জমা হৃদয়ে অন্য জগৎ 
পথ হারা মানুষ দেখেছে পথে প্রান্তে মানুষ ফলেছে
অগ্নি বর্ণ সূর্য জানে অবিনশ্বর স্বর্গ সর্বভূতে 
সমস্ত অন্ধকার বিলীন প্রাণের উচ্ছ্বাসে 
আলোময় অন্তরে দাঁড়িয়ে বিবেক যখন বিশ্ব জ্যোতি 

স্বামী বিবেকানন্দ বিষয়ক কবিতা -৮।। বিবেক বাণী - অশোক ব্যানার্জী।। Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।

 




স্বামী বিবেকানন্দ বিষয়ক কবিতা -৮


বিবেক বাণী

অশোক ব্যানার্জী


হাজার সূর্যের তেজে বলিয়ান

অভিনব এক ছেলে

১২ জানুয়ারি জন্ম তার

ডাক নাম ছিল বিলে।

বড় হয়ে যিনি "বিবেকানন্দ"!

বিবেকের বাণী তার-

"মানুষেরই মাঝে ঈশ্বর খোঁজো

নেই সংশয় আর।

নিপিড়িত যত মানুষ জন

তাদেরই সেবা করে

মনের খুশিতে পরমানন্দে

ঈশ্বর আনো ঘরে ।"

যারা ছোটো আছ বড় হয়ে যদি

বিবেকানন্দ পড়

বুঝতে পারবে দর্শন শাস্ত্রে

কতটা ছিলেন দড় !

চিকাগোর সেই ধর্ম সভায়

তার বক্তব্যের সার

সেই দর্শন ইতিপূর্বে

কেউ শোনেনি তো আর ।

কত বড় কথা অতি সহজেই

ব্যাখ্যা করে দিয়ে

ধর্ম যে নয় কুয়োর ব্যাঙ

দিলেন তা' বুঝিয়ে ।

তার দর্শন সাম্যবাদের,

নিপিড়িত মানুষ জনের

সাথে থেকে কিছু ভালো করা গেলে

সে সেবাই ঈশ্বরের !

মঙ্গলবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২৩

স্বামী বিবেকানন্দ বিষয়ক কবিতা -৫।। বিলে থেকে বিবেকানন্দ - বিকাশ দাস।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।

 





স্বামী বিবেকানন্দ বিষয়ক কবিতা -৫



বিলে থেকে বিবেকানন্দ

বিকাশ দাস

 

বাবা মা নাম রেখেছিলো নরেন্দ্র নাথ

যাকে আমরা ছোট্ট বেলার বিলে ও বীরেশ্বর বলে জানি।

জেদি। সাহসী। যুক্তি-বিদ্যা-বুদ্ধি প্রতিভার প্রখর প্রপাত।

মানুষ জাতির অখণ্ড মণি। স্রষ্টার আরাধ্য দেবতা মানি।  

বন্ধুদের কাছে নরেন। খেলাধুলোর দুষ্টুমিতে সবার সেরা।

সহানুভূতি যেন দরাজ দরদি দিল আবেগপ্রবণতায় ঘেরা

 

ছেলের অদ্ভুত দুরন্তপনায়

চিন্তাগ্রস্থ বাবা বিশ্বনাথ মা ভুবনেশ্বরী

জীবন দুষ্কর এই ভাবনায় 

তাদের নরেন কী হবে না সংসারী!

 

ধ্যানমগ্ন। শিব ভক্ত সন্ন্যাসী বালক

মাটিমগ্ন। আনন্দ প্লাবিত আলোক।

 

সংগীতে জন্মগত অধিকার। নিপুণ পারদর্শী বহু বাদ্য বাজনার

পরবর্তী কালে বিবিদিষানন্দ নামে অদমনীয় সন্ন্যাস গ্রহণ যার।

যার বাণী করেছে মানুষজাতির জীবনবোধ উজ্জীবিত আরও শাণিত 

যুবসমাজ প্রজ্বলিত । তার জন্মদিন ‘জাতীয় যুবদিবস’ বলে পালিত ।

 

একলব্য বীর।নিশ্চিন্ত নির্ভয়।

এই মন্ত্র গাথায় মানুষের জয়

জেনো গীতা পাঠ থেকে মাঠে ফুটবল খেলা অনেক ভালো।

রোজকার শরীর চর্চা আদিম শক্তি জ্ঞান বুদ্ধির উন্মুক্ত আলো।

 

বলেছিলো ঈশ্বরকে চাক্ষুষ দেখতে হলে রাখো উদাত্ত কণ্ঠস্বর

শুধু জেনো,‘জীবে প্রেম করে যেই জন সেই জন সেবিছে ঈশ্বর’।

মানুষের সেবাই ভগবানের সেবা। সেই সর্বকালের একছত্র অধীশ্বর।

যার স্বপ্নে ছিলো একদিন আসবে নতুন দেশ সমস্ত মানুষের হাত ধরে।

স্বদেশের মৃত্যু মানে সত্যের মৃত্যু। সবাই দাঁড়াও আজ একসাথে রুখে। 

বাঁধো, আত্মবিশ্বাস। দেশপ্রেম। নিঃস্বার্থ স্বচ্ছতা। পরাধীন বাসিন্দার বুকে 


বেঁধে বেঁধে পায়ে পা। কাঁধে কাঁধ। হাতে হাত।

চাষা চাষী লাঙ্গল ধরে তুলে দিতে  মুখে ভাত।

জেলে, মোল্লা, মুচি, মেথর সমস্ত ঝি-কন্যা জাতির একতার আগল ধরে। 


বিশ্বাস,শক্তি সাহসিকতা একমাত্র ধর্ম। দুর্বলতা ও কাপুরুষতা পাপ।

অন্য সমস্ত জীবে ভালোবাসার আগ্রহ সবটুকু ধর্ম। ঘৃণা সমগ্র পাপ।

যার চোখের দীপ্তি দিয়ে গেছে  নির্ভয়। বাণীর অনুসরণে জগত ধন্য

আবালবৃদ্ধ অনন্য। মানুষ জন্ম এক বিশেষ কাজ করে যাওয়ার জন্য।

যার স্বাধীন বজ্রদীপ্ত আলোর ঝনৎকারে হিমালয় থেকে কন্যাকুমারী

স্নিগ্ধময়। ঋদ্ধময়। অগ্নিময়। প্রতিশ্রুতি বদ্ধ পরিব্রাজক কর্মের পূজারী 


জীবনে সুখ বিলাসিতা ছেড়ে মানুষের কল্যাণ সভ্যতার সম্প্রসারণ

চৈতন্যের বিকাশে যত্নশীল হওয়াই মানবিকতার আক্ষরিক নির্মাণ।

ধর্ম কারো ঈশ্বর নয়।

ঈশ্বর কারো ধর্ম নয়।

ঈশ্বরের প্রাপ্তি মানুষ মানুষের সম্পর্ক স্থাপনে

বিনম্র প্রেম শ্রদ্ধা নিঃস্বার্থ জীবন  যাপনে। 

শুধু মাত্র ঊনত্রিশ বয়সে সমাধিস্থ হয়েছিলো প্রাণবন্ত প্রাণ যার

নশ্বর শরীর পঞ্চভূতে বিলীন। আজও চিরন্তন অমর বাণী তার।

 

 বিকাশ দাস

সোমবার, ৯ জানুয়ারি, ২০২৩

স্বামী বিবেকানন্দ বিষয়ক কবিতা-৪।। আলোর বিবেক - জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।

 





স্বামী বিবেকানন্দ বিষয়ক কবিতা-৪



  আলোর বিবেক   
 জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়


একগলা অন্ধকারে দাঁড়িয়ে সামান্য আলোর আভাস
শীতরাতে দূরের আলো হয়ে যায়।পাঁকগন্ধ, গুঞ্জন ওঠে
গুলিয়ে ওঠে গা,প্রাণকেন্দ্র ঘ্রাণকেন্দ্রে প্রবল বিবমিষা
ডেকে উঠি,অতলে ডুবছি আলো কই? ডাঙা কই?
সাঁতার জানি না,গলা পর্যন্ত কালোর কসরত, ডুবে যাবো
এতটুকু খড়কুটো নেই,দিশাহীন,আলো দাও।
অধিকারের প্রবল দাপটে বলি,অন্ধকে আলো দাও.....দাও....
এ যে অধিকার। মানবিক সংবিধান দানবেরও প্রিয়
তুমি ছিলে,তুমি আছো,নিশ্চিন্ত হয়েছি,উজ্জ্বল রশ্মিগুলো
রশি হবে,বিপত্তারণ মই হবে,সাপের আগ্রাস থেকে তুলে নেবে
প্রবল প্রেমে,দুর্জয় প্রহরী আছে,প্রহরে প্রহরে ডাকে,
ওঠো,জাগো,কর্তব্যে যাও,শুদ্ধতার শপথ নাও......
ভোরের ঘুম আঁকড়ে তবু আলস্যের শ্যাওলার মাছেরা
ঘুমিয়ে থাকবো একপ্রহর বেলা,তারপর, যতটুকু কম করা যায়
কাজের নাটকে যাবো

এভাবেই আবার নামবো,ডুববো,কাদা মাখবো,পাঁকগন্ধ পাবো
তুমি আলোর জাদুতে সব শোধন করবে,ঠিক জানি,

তুমি আছো তাই ,তুমি আছো আলোর তাপস,
জাগ্রত বিবেক,আলোর সন্ন্যাসী।

রবিবার, ৮ জানুয়ারি, ২০২৩

স্বামী বিবেকানন্দ বিষয়ক কবিতা -৩।। ছাই চাপা আগুন - বদ্রীনাথ পাল।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।

 




স্বামী বিবেকানন্দ বিষয়ক কবিতা -৩



ছাই চাপা আগুন

বদ্রীনাথ পাল

"ছাই চাপা আগুন"-সে তো ছিলে বিবেক তুমি,
তোমায় নিয়ে গরব করে তাইতো বঙ্গভূমি।
কে জানতো, দত্ত বাড়ির তেজী দামাল ছেলে-
বিশ্ব বিজয় করেই নেবে এমন অবহেলে !

সর্দার তো তুমিই ছিলে সব খেলুড়ের মাঝে,
অনিয়মের ধার ধারোনি কথায় এবং কাজে।
কুসংস্কার অবিশ্বাসের ধ্বজাধারী যারা-
তোমার যুক্তি কাছেই শেষে হার মেনেছে তারা।

চাঁড়াল মুচি মেথর বা ডোম, কোল দিয়েছো সবে-
তুমি ছাড়া ভাবনা তাদের কে ভেবেছে কবে ?
রামকৃষ্ণ সারদামণির স্নেহধন্য ছিলে-
"বিবেকানন্দ" হয়েছিলে তাইতো তুমি বিলে।

আজের দিনে বিশ্ব যখন অন্ধকারে ঢাকা-
ঝড়ের বেগে চলছে ছুটে বৈষম্যের চাকা,
সুখ শান্তি ফিরিয়ে দিতে সবার ঘরে ঘরে-
 ফিরে এসো 'বিবেক' তখন আবার মাটির 'পরে।

শনিবার, ৭ জানুয়ারি, ২০২৩

স্বামী বিবেকানন্দ বিষয়ক কবিতা -২ ।। নমামী বীর সন্নাসী বিবেকানন্দ — কৌশিক চট্টোপাধ্যায়।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।

 





স্বামী বিবেকানন্দ বিষয়ক কবিতা -২



নমামী বীর সন্নাসী বিবেকানন্দ

কৌশিক চট্টোপাধ্যায়


অনন্ত এক বিস্ময়ের মতো
তুমি আজো আমাদের হৃদয় জুড়ে
আজো তোমার চেতনার উত্তাপে
আমাদের মনন আধুনিক হয়
যদি হতে শুধুমাত্র এক বাণী প্রচারক
তোমাকে শুনতাম বিস্ময় ভরে ! 
কিন্তু অস্থির সময়কালে দিশা হয়ে দেখাও পথ ,
এক সাগর থেকে সাত সাগরে চলো নিয়ে,
যুগপুরুষ হে বীর সন্নাসী
আমাদের প্রিয় স্বামী বিবেকানন্দ ।

কি অসাধারণ সহজীয়ায় ভাঙ্গো তুমি চারিদিক
অত্যাশ্চর্য এক মানবিক মিনার গড়বে বলে,
আমাদের সযতনে করো নাগরিক ।
তুমি নক্ষত্র 
তোমাকে ধুয়ে দেবো অতিলৌকিক জলে
তোমাকে মেপে নেবো কবিতায়
সে বাসনা রাখি না মনে ।

এখন এই যে সময় চলেছে
যখন খোলামকুচির মতো ভাঙ্গছে মনন ,
তখন দৃষ্টিবিভ্রমের আলো হও তুমি
চেতনার কান্ডারী বিবেকানন্দ 
সুষুপ্তির কারাগার ভেঙেচুরে দিয়ে
উন্মুক্ত প্রান্তরে নিয়ে আসো তুমি । 

চেতনার চিরপৌষ স্বামী বিবেকানন্দ
আলো ঝলমলে মিঠেকড়া রোদ্দুর
আজো তোমার জন্যই উত্তাল হই
বুকের স্পন্দন থেকে উঠে আসে
এক গভীর আত্মবিশ্বাস আর  মন্দ্রিত উচ্চারণ 

"হে বীর সন্নাসী লহো আমার সবটুকু
চেতন , অচেতন, অবচেতন মিলে
 সবটুকু  স্বত্ত্বা মিলে মনের গহীন থেকে বলি
"নমামি স্বামী বিবেকানন্দ , নমামি তোমাকে নমামি।"










🙏লেখা  আহ্বান🙏

এই বিভাগে  আপনার মৌলিক ও অপ্রকাশিত  শ্রেষ্ঠ লেখাটি আজই  পাঠিয়েদিন এই মেলে-
ankurishapatrika@gmail. com 

আপনার এই লেখাটি  অঙ্কুরীশা-র  পাতায় প্রকাশিত হবে সম্মানের সাথে।