লেবেল

প্রেমের কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
প্রেমের কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১

প্রেমের কবিতা -৫৮।। কেতকীপ্রসাদ রায়।। Ankurisha ।। E.Magazine ।। Bengali poem in literature ।।

 



প্রেমের কবিতা -৫৮

কেতকীপ্রসাদ রায় 



১.

প্রচ্ছদ 


কতটা ধৈর্যে বসে থাকতে পারো তপ্ত রৌদ্রে, দেখি।

ঠিক বসা নয়,

আধশোয়া।

অশ্বখুরের হওয়ায় খসে পড়ুক চঞ্চল আঁচল ;

দেখি, নধর নিতম্বে কালো জড়ুল।

আর খাঁজে খাঁজে অনাবিষ্কৃত ভাস্কর্য।


এইতো ঠিক এইভাবে তপ্ত রৌদ্রে পুড়ে তামা হও ;

শেষ তুলির টান দেবো বিষন্ন রৌদ্রে।

কথা দাও,আর কোনো প্রচ্ছদে রেবেকা হবে না তুমি ;

আমিতো যামিনী রায় হতে চাই।



              




২.

অপেক্ষায় 


কেউ ভালোবাসে না...

অত্যাচারীর মতো সবাই ছিনিয়ে নেয়।


অথচ উৎকর্ষের প্রেরণায় সাজিয়ে রেখেছ ডালা

ফুলের স্তবক নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকো 

অথবা দরজা খুলে অপেক্ষায়।


অভিমানী মন বিদ্রুপ করে,

কিসের ভরসায় সাজিয়ে রেখেছো এ সৌরজগৎ...

মাটির সংসার চুয়ে পড়ে জল ;

ঘোলা জল।

মুহূর্তে হারিয়ে যাবে দু'চোখের লবণ জলে।










আগমনী বন্দনা  কবিতা বিভাগে আপনি আপনার মৌলিক ও অপ্রকাশিত কবিতা দুটো  মেল বডিতে টাইপ করে পাঠিয়েদিন।


ankurishapatrika@gmail.com


               

মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২১

প্রেমের কবিতা -৫৪।। দেবাশিস চক্রবর্ত্তী।।Ankurisha ।। E.Magazine ।। Bengali poem in literature ।।

 




প্রেমের কবিতা -৫৪

দেবাশিস চক্রবর্ত্তী





১.

তোমার দুচোখে 


যদি তোমার দু'চোখে একদিন চোখ রাখি 

তোমার দু'হাতে ফুটে উঠবে ছায়াপাখি সার দিয়ে 

তোমার গহন কালো চুলে জ্যোৎস্নারা ডাক দিয়ে যাবে। 


অনেক আলোকবর্ষ পার করে সিদ্ধেশ্বরী খাল থেকে 

তোমার পায়ের পাতার ছাপে শাপলার ফুল এলোমেলো 

খেলা করে যাবে তোমার মিষ্টি গন্ধ বুকে নিয়ে। 


যদি তোমার দু'চোখে চোখ রাখতে পারি একদিন 

অনেক অনেক দিন পরে শ্বাস নেব, তুমি জান না

চোখ মেলে আবার তাকাব পৃথিবীর আশ্চর্য রূপের দিকে। 


কোন নীহারিকা থেকে দ্রুততম পথে ওই দুই চোখ হয়ে, 

তোমার অজানা জানি , সেদিনই প্রথম আলো ধুয়ে দেবে  

অন্ধকারে ঘুমিয়ে থাকা আমার জীবন্ত ফসিল। 


তোমার দু'চোখ থেকে খুঁজে নেব বেঁচে উঠবার 

রস ও রসদ ... যদি একবার, 

একবারই চোখ রাখি একদিন।







২.

মিস ইউ 


কাকে যে বলেছি ঘোর ঘুমে "মিস ইউ " কি জানি। 

নতুন পাতারা, সবুজ হয়েই তো চারপাশ মাতিয়ে রেখেছ 

বুনো পায়রার দল, বকম বকমে এখনও সরগরম 

এমনকি চলতি পথেও অজস্র মনস্ক আনাগোনা 

তবুও কাকে কাল এত মিস করলাম কিছু বুঝছি না। 

আজ রাতে ফিরে এসো আবার, যেন আমি বা 

আমরা বুঝতে পারি কোন অতল থেকে উঠে এসে 

তোমায় বা তোমাদের এতটা হারিয়ে ফেরত পেতে 

এতটা উন্মুখ হয়ে আছি। এই এখনই দিনশেষ ক্লান্তিতে 

বুজিয়ে দিলাম চোখের পাতা আর মনের ভেসে থাকা। 

ফিরে এসো , ভেসে এসো দেখি কোন আলো আঁধারির 

আড়ালে লুকিয়ে থেকে ডাক। আমি তো দুহাতে আজও 

জড়িয়ে রেখেছি যে আবার শুনবে আজ সেই ডাক তাকে। 

ফিরে এসো তোমার শরীরে আবার সমুদ্র ফেনার স্বপ্ন নিয়ে 

তার কাছে তোমার অস্পষ্ট অবয়ব মেলে দিও, মিস ইউ।










আরও পড়ুন ✍🏾✍🏾


*প্রেমের কবিতা পর্ব-৫৩* 

 *আজকের কবি* 

 *মুক্তি দাশ* 

https://wwwankurisha.blogspot.com/2021/09/ankurisha-emagazine-bengali-poem-in_20.html




সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২১

প্রেমের কবিতা -৫৩।। মুক্তি দাশ।। Ankurisha ।। E.Magazine ।। Bengali poem in literature ।।

 




প্রেমের কবিতা -৫৩

মুক্তি দাশ 



কিছুই পারিনি নিতে 



আমার  দগ্ধ কিশোরবেলা

আমার  স্মৃতির শরীর-চাটা

আমার  প্রথম প্রেমযমুনায়

উথাল-  পাথাল সাঁতার কাটা।


চাঁদ  বড়ই স্বপ্নপ্রবণ -

তুমি  চিৎ হয়ে শুয়েছিলে,

আমার  রাগ-অনুরাগ যত

তুমি  জোছনায় ধুয়ে দিলে! 


তোমার  মনে পড়ে রাজকন্যে,

সেই  জানলায় চিঠি ছোঁড়া -

তোমার  দুইচোখে থির বিজুরি

আমার  পক্ষীরাজ যে খোঁড়া


তোমার  ফ্রকচ্যুত ছেঁড়া হুক

আর  বিনুনির লাল ফিতে -

তুমি  দিয়েছিলে মুঠোভরে

আমি  কিছুই পারিনি নিতে!











আরও  পড়ুন 👇🏾👇


*আজকের মুক্ত গদ্য* 

 *বৃষ্টিভেজা  তালের গন্ধ* 

 *অনিন্দিতা শাসমল* 

🪔🪔🪔🪔🪔


https://wwwankurisha.blogspot.com/2021/09/ankurisha-emagazine-bengali-poem-in_34.html




রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১

প্রেমের কবিতা -৫২।। শ্যামল রক্ষিত।। Ankurisha ।। E.Magazine ।। Bengali poem in literature ।।

 




প্রেমের কবিতা -৫২
শ্যামল রক্ষিত 



পরিভ্রমণ 


ছি: বলতে নেই  
বুকের গভীর থেকে তুলতে নেই  আকাশ 
মঞ্চ দখল করেই  ছুঁড়তে হয় বোমা 

যেদিক থেকে দেখো মূর্তিগুলো মাথা সোজা করে হাঁটতে জানে না
মৃত্যুর গণ্ডি পেরিয়ে যেদিকে বাঁক নিক
রাস্তার মোড়ে পাহারা দিচ্ছে  যথেচ্ছাচারের বিজ্ঞাপন

নিরপেক্ষতার  কোনও  সদর দরজা হয় না 
সর্বনামের জোচ্চোরেরা উপনিবেশের কায়দাকানুন নিয়ে আয়েস করে বসে আছে 
                                উত্তরাধিকারের বিছানায়


আহা, রাত্রির কথা কেউ  মনে রাখছি না
অরণ্যের পথ সমাপ্তি করে হরিণেরা ফিরে যাচ্ছে  বাড়ি 
ভদ্রলোকদের সময় অসময় নেই  , পথ অবরোধ করে হাঙ্গামা বাধাচ্ছে৷













আরও পড়ুন 👇🏾👇🏾

*রবিবাসরীয় বিভাগ* 
 *আজকের গল্প* 

 *সিদ্ধান্ত*
সমাজ বসু  

https://wwwankurisha.blogspot.com/2021/09/ankurisha-emagazine-bengali-poem-in_18.html



শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১

প্রেমের কবিতা -৫১।। মঞ্জীর বাগ।। Ankurisha ।। E.Magazine ।। Bengali poem in literature ।।

 




প্রেমের কবিতা -৫১

মঞ্জীর বাগ


১.

 আরশিনগর


তেমন ভাবে ঘৃণা করতে পারি না বলেই 

যখন তখন ভালোবাসি

ভালবাসলে মৃত্যুর অন্ধকার সূর্যেরকাছে পৌঁছে  যায়

তোমাকে  দেখতে দেখতে দূষিতজলে  মিশেছে চন্দন গান

তোমার  না ছোঁয়া চুম্বনে আরেক দৃশ্যের জলছবি

কত ঝড় বিষাদ পেরিয়ে ভাঙা আয়নায় আরশিনগর

স্বপ্নভঙ্গের জলস্রোতে গর্ভবতী সমুদ্র লিখেছে এপিটাফ

অরণ্য থেকে পালিয়ে আসা গাছ নিভৃত কষ্টউঠোনে  জলের দীর্ঘশ্বাস 

শান্তি খুঁজে খুঁজে   তোমার  জন্য আয়ুর টুকরো গিলে বসি

আমার রক্তের স্বাদে জেগে উঠতে চাইছে ড্রাকুলা

 সারা রাত বৃষ্টি হবেনা জেনেও  তারার সাথে হাতে হাত


আমার বিছানায় খুলে আসছে মুখোশ। পাশে পড়ে আছে ঋষি আর কবির অলীক মুখ

শরীরের ভিতর তাপ। স্নান করার বড্ড দরকার

  

আমার  বুক খসে যাচ্ছে।স্তন ভেসে যাচ্ছে

শরীর ধুয়ে মুছে গুলে গেল জলে।জল রঙ


আমার  শরীর নেই বলে শান্ত লাগছে খুব

ঘুমবো...দীর্ঘ  ঘুম

   আমি এখন পাখি।




২.

আরশি


আমাকে মাটি বানিয়েছো তুমি

আমাকে জল বানিয়েছো তুমি

স্বপ্নের বাতাসে ভেসে তোমার কলম ও তরলতায়

প্রাণ খুঁজে পায় যে,সেই পৃথিবীর একমাত্র আলোক

আলোকের আকর্ষণে  এগিয়ে আসে,মোহগ্রস্থ হয়, সে জোনাকি মাত্র,শিখা হওয়ায় ইচ্ছা বা সম্ভাবনা তার নেই। একটি চুম্বন কপালে এঁকে

হারিয়ে যায় যে, সে কেবল একটি ঋতুর গান।


আমাকে সমুদ্র বলো,বিপুল বিস্তার। দিগন্তরেখায় মিলে যায় জল ও আকাশ, কোনো বিচ্ছিন্নতা  নেই।আক্রোশে ছুঁড়ে  দেওয়া

প্রতি শব্দের বাণ আমাকে আঘাতে ছিঁড়ে ফেলবে বলে এগিয়ে এলেই ফুল হয়ে ঝরে পড়ে

আমাকে ছুঁয়েছো বহুবার।উদ্দাম অক্লান্ত রাত

সে রাতে ঘ্রাণ ছাড়া  অবশিষ্ট কিছু নেই

শরীরের চরে উপচরে তোমার স্পর্শ থাবার মতো

প্রেমিকাকে আনুবাদ করতে পারে যে সেই প্রকৃত প্রেমিক। একান্ত অনুবাদক

যারা ছুঁয়ে আছে,থাকুক তারা।  সে ছোঁয়া শুধু নিভে

যাওয়া ছাই

মিথ্যে ছিলো বলেই রাধা এখন পাষাণী অহল্যা

তোমার শরীরে প্রেমহীন যোনি


যে কবির কলম থেকে প্রেম মুছে যায়,সে নিজের অন্তরে সততা লেখে না

তীরে নীল শাড়ি খুলে রেখে যমুনায় সাঁতার


নতুন জন্মে অতীত পরজন্ম হয়ে যায়


কালো জল ঠেলে এ জন্মের ঘাটে 

নতুন প্রেমগান,রাই...





আরও পড়ুন 👇🏾👇🏾👇🏾


শেষ পর্ব💍


 *ধারাবাহিক রহস্য উপন্যাস* 

 *আংটী রহস্যের নেপথ্যে* 

 *অনন্যা দাশ* 

💍💍💍💍💍💍💍


https://wwwankurisha.blogspot.com/2021/09/ankurisha-emagazine-bengali-poem-in_16.html


বুধবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১

প্রেমের কবিতা -৫০।। মণিদীপা বিশ্বাস কীর্তনিয়া।। E.Magazine ।। Bengali poem in literature ।।







প্রেমের কবিতা -৫০

মণিদীপা বিশ্বাস কীর্তনিয়া




১.

 রূপাঞ্জনা


ভুলের শুরু অনেক আগেই অবশ্য এ ভুল যদি হয়

রুপিপিসি, আমরা যেমন ভান করেছি রাতের বেলায়

ঘুমোচ্ছি খুব…ঘুম আসছে না…যখন গভীর

জলের ছায়ায় মেঘ নেমেছে ময়ূর রঙের

অসাবধানে গলানো মোম তর্জনীতে লাগলো যেদিন

সেদিন থেকেই ব‍্যর্থ আমি সেদিন থেকে আমূল রঙিন

রহস্যময় বদলে গেছি ছায়ার মানুষ যেমন বাঁচে

নিখাকি তোর আগুন আমায় সেদ্ধ করে অল্প আঁচে

নাভির কুয়ো উস্কে তোলে আংরা কাঠের আধপোড়া মন

মাথার খুলি ফাটিয়ে মরা লাফিয়ে ওঠে চিতায় যেমন

বর কেন যে নেয়নি তোকে, রুপিপিসি হাওয়ার তোড়ে

অন্ধকারও রঙ ছেটালো গুলমোহরের এই শহরে

গাছের হাড়ে আমরা রাখি বাজবরণের শঙ্খলতা

সোনার সাপে ছোবল তোলে পাথরকুচি জিভের পাতায়

ত্রিকুট পাহাড় পেঁচিয়ে ওঠে মিশকালো রাত,রাতের ফণা

বিষ ঢেলে দেয় চিকন দাঁতের, রক্তে সে বিষ ওড়ায় ধোঁয়া

জ্বলন্ত গাছ আকন্দ নীল ছাইচাপা বিষ নিষেধ ডানা

ফিনিক্স তবু একনিমেষেই বৃষ্টিপালক কেউ জানে না

রুপিপিসি ধুলোর ঠোঁটে ফিসফিসিয়ে ভুলের মতোই

আজকে তোকে ডাকবো আবার রূপাঞ্জনা!রূপাঞ্জনা!

                          

            



                

২.

 তোমার মুখ 


ব্যথার চেয়ে বেশি কী জানো উজান

ধাক্কা খেলেই ছলকে উঠি আরও

এই যে নদীর রাত্রিকালীন উড়াল

অন্ধ ডানা, তুমি কি মেঘ পারো?

পথ কি করে ছড়ালো এত গোপন

অলখ দিন ছায়ার দীর্ঘশ্বাস

চাঁদের মৃণাল,পদ্মবীজ রোপণ

করেছি জলে,জলেই বসবাস

এগোতে গেলেই রাস্তা মুছে যায়

বিস্মরণের পরবর্তী বাঁকে

ঝাঁকুনি দেয় হাওয়ার ডালপালা

হলুদ পাতা কষ্ট বলে তাকে

ধাক্কা দেয় বুকের ভরা কোটাল

বিপজ্জনক ঘুমের আশেপাশে

ছলকে পড়ি এখনও টালমাটাল

তোমার ঢেউ ছন্ন ডানায় হাসে।


           



   

মঙ্গলবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১

প্রেমের কবিতা -৪৯।। সুব্রত দাস।। Ankurisha ।। E.Magazine ।। Bengali poem in literature ।।

 




প্রেমের কবিতা -৪৯

সুব্রত দাস 



ইলশেগুঁড়ি


আজ তোমাকে খুব মনে পড়ছে 

এখন বৃষ্টির ধারাপাত নেমেছে 

আকাশের নীচে জমে থাকা 

ছাই রঙা মেঘ হতে।


যেভাবে নীল আকাশকে

ঢেকে রেখেছে আনমনা মেঘ

ঠিক সেইভাবে তুমি আমাকে 

আচ্ছন্ন করে রেখেছো তোমার 

আরক্তিম স্মৃতিতে।


কোন দিনটা ছেড়ে 

কোন দিনটার কথা বলি

আজ অঝোর ধারায় বৃষ্টি হচ্ছে

তাই বৃষ্টি দিনের কথাই বলি।


এমনই একটি দিনে তুমি যাচ্ছিলে

আমার দক্ষিণ বাতায়নের রাস্তা দিয়ে, তুমি ফিরছিলে কলেজ থেকে পাখিদের মতো ভিজে

তোমার শরীরের-

অবয়বগুলি প্রকাশ পেয়েছিল 

সুন্দর ফুলের মতো। 


তোমাকে যেতে হতো আরও কিছুটা পথ, বৃষ্টির প্রকোপ

বেড়ে ছিল আরও জোর, 

ভয় লজ্জা ভুলে তুমি এলে আমার  ঘরে, চেয়ে নিলে আমার ট্রাওজার

স্যান্ডোগেঞ্জি আর খদ্দরের পাঞ্জাবীটা, আর একটু আড়াল করে পালটে নিলে তোমার ভিজে

জামা কাপড়। 

তুমি ছিলে অকুতভয়ে

তুমি জানতে-

আমি তোমাকে সত্যি ভালবাসি 

তুমি জানতে-

আমি তোমাকে ফুলের মতোই

ভালবাসি। 


তারপর বহুটা সময় দুজনে

পাশাপাশি বসে-হাতে হাত রেখে

কখনো কথা -

কখনো নীরবে চেয়ে থাকা। 

সন্ধ্যা আসন্ন প্রায়

বৃষ্টি তখনও ইলশেগুঁড়ি 

তুমি বললে এবার তো যেতেই হবে

একটু পরেই রাত আসবে নেমে 

পরম আলিঙ্গনটা মুক্ত হয়ে

তোমাকে এগিয়ে দিলাম

কিছুটা পথ। তারপর -

আবছা হতে হতে তুমি মিলিয়ে গেলে ইলশেগুঁড়ির মাঝে আর-

আমার শূন্য ঘরে রেখে গেলে

অজস্র শপথ।।






আরও পড়ুন 👇🏾👇🏾👇🏾


*প্রেমের কবিতা পর্ব-৪৮* 

 *আজকের কবি* 

অশোককুমার লাটুয়া 💕

❤️❤️❤️❤️❤️❤️

https://wwwankurisha.blogspot.com/2021/09/ankurisha-emagazine-bengali-poem-in_13.html


সোমবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১

প্রেমের কবিতা -৪৮।। অশোককুমার লাটুয়া।। Ankurisha ।।E.Magazine ।।Bengali poem in literature ।।

 



প্রেমের কবিতা -৪৮

অশোককুমার লাটুয়া 



বিকেলের মেয়েটি নির্জন সুঘ্রাণ

          

আবেগের হরমোনে অনুভূতির  ভিটামিনে

দুচোখের ক্লোরোফিলে বিকেলের হঠাৎ মেয়েটি 

কবিতার ক্যাডবেরি হয়ে যায়। 

ব্যাডমিন্টন খেলতে খেলতে 

সহজিয়া মুগ্ধতায় 

বুকের প্রেসারকুকারে রক্তচাপ বেড়ে গেলে

দুটো কথা বলতে ইচ্ছে করে তাকে

চিত্রশিল্পীর তুলির সাহসে।

না বলা কথার ফুল উপেক্ষা করে

মেয়েলী ভদ্রতায়

লাক্সারি লাস্ট বাস চলে যায়...

বাসস্টপে ভালোবাসা পড়ে থাকে

পড়ে থাকে মেয়েটির নির্জন সুঘ্রাণ।







আরও পড়ুন 👇🏾👇🏾

*প্রেমের কবিতা পর্ব-৪৭* 

 *আজকের কবি* 

💕রঞ্জন ভট্টাচার্য 

https://wwwankurisha.blogspot.com/2021/09/ankurisha-emagazine-bengali-poem-in_12.html



রবিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২১

প্রেমের কবিতা -৪৭।। রঞ্জন ভট্টাচার্য।।Ankurisha ।।E.Magazine ।।Bengali Poem in literature ।।

 




প্রেমের কবিতা -৪৭

রঞ্জন ভট্টাচার্য





মন চোর


নাভিরন্ধ্র থেকে উত্থিত তাপ

           উষ্ণ প্রস্রবন 

ভেজাই যতোই হয়  না ঠান্ডা

         কী যে জ্বালাতন!


ইতিউতি করে নিশিত রাত্রি 

         চলেছে নিগূঢ় খেলা 

শীতল হলেই ছাড়া পাওয়া যাবে 

         হয়তো শেষের বেলা।


কুহু কুহু ডাকে অচেতন মন

         সুরের মাধুরী মেলে 

শেষ হয়ে তবু হলো না তা

         কোন পথে নিয়ে গেলে?


উরসে বাঁধে সে অটুট বাঁধন

        জড়ায়ে আঁচলে তাকে

 হৃদয়ে কি বাঁধে জীবন প্রাতে 

       ভালোবেসেছিলে  যাকে?


বাঁধন যার অটুট হবে   

      সেইতো জীবন সাথী 

বহু ভাবাবেগে ভাবের আবেগে 

      কেটে যায় সেই রাতি।


 মনের হর্ষে চলেছি বর্ষ

     ব্যাপিয়া জীবন ভর 

তুই চলে যা আড়ি তোর সাথে

     ওরে ব্যাটা মনচোর।









আরও পড়ুন 👇🏾👇🏾


*রবিবাসরীয় বিভাগ* 

 *আজকের গল্প* 


 *কুলপিদিম  -অজিত বাইরী* 


🔥🔥🔥🔥🔥🔥

https://wwwankurisha.blogspot.com/2021/09/ankurisha-emagazine-bengali-poem-in_71.html


শনিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২১

প্রেমের কবিতা - ৪৬।। তপনজ্যোতি মাজি।।Ankurisha ।।E.Magazine ।। Bengali poem in literature ।।

 



প্রেমের কবিতা - ৪৬

তপনজ্যোতি মাজি




বৃষ্টিলেখা ও দশ দিগন্ত


 

[ এক]


আকাশকে বর্ণময় প্রান্তর মনে হলো অপরাহ্ন বেলায়।

মনে হলো নিখোঁজ হওয়ার হাতছানি দিচ্ছে নীলবর্ন

ভাসমান পাহাড়। বাউন্ডুলে মেঘ পরেছে শ্বেত করবীর

মুকুট। বৃষ্টিরা আর ঋতুমতী নয় , কিছুটা খেয়ালী।


[ দুই ]


কিছু কিছু শব্দবন্ধ থেকে সন্ন্যাস নিয়েছে উচ্চারণ। কার 

নাম ওষ্ঠের উঠোনে শালিকের মতো ঘুরে বেড়ায়? কার

নাম? তাকে কেন মনে হলো বর্ণকুসুম! তাকে কেন মনে

হলো বন্ধু আকাশ! তাকে কেন মনে হলো তপস্বিনী নদী,

দক্ষিণবাহিনী!


 [ তিন ]


সে যখন কথা বলেছিল তখন শব্দরা ঘরে ফেরা হাঁস।

সরোবরের পর সরোবর পার হয়ে যেভাবে ফিরে আসে

শীতের বাতাস , সেভাবেই তার স্পর্শে শব্দরা হেমন্তের

সোনা রঙ ধান। শঙ্খ ধ্বনি। মগ্ন অধ্যয়ন । রাতের আকাশ

দেখা। কথা বলা পূর্বজন্মের দুঃখী মানুষের সঙ্গে সংগোপনে,

একা ।


[ চার ]


সে কি অধ্যায় শেষ করা কবিতার আলোচনা? কফি হাউসের

সিঁড়ি দিয়ে নামতে নামতে সিগারেটের শেষ ধোঁয়া শূন্য বাতাসে।

 সে কি নতুন কেনা বইয়ের প্রচ্ছদ? নাকি ফেরিঘাটে বৃষ্টি ভেজা

প্রেমিকার  হাত হাতে নিতে স্রোত দেখা? সে কি কিছু ভাবতে না

পারার বন্ধ্যা সময়ের নিরুদ্দেশ অক্ষর?


[ পাঁচ ]


আবার  বৃষ্টি এসেছে খেয়ালী ইচ্ছায়। মেঘে মেঘে যন্ত্র সংগীতের

ধ্বনি। রাস্তায় ছিল যারা ভিজেছে গাছের মতো ।  আশ্রয়হীন।

বিদ্যুৎ চলে গেছে দূরে নিরুদ্দেশে। এ সময় তার কথা মনে হলো।

জীবনের ভবিষ্য নির্ধারণ করে কে? ঈশ্বর না অন্য কোনও শক্তি!

অমিত বিক্রম কিন্তু শান্ত ও অগোচর। এই প্রশ্নের কোনও উত্তর

হলো না কোনদিন।

 

[ ছয় ]


অস্তিত্বে বিশ্বাসই কি আস্তিক্যবাদ ? পরম নাস্তিকও তো বস্তুবাদী।

তবুও  বিভাজন রেখা স্পষ্ট করে  ধর্মবাদীরা। ধর্ম  কি কেবলই 

প্রাতিষ্ঠানিক?  কবির ধর্ম কি? কবি কি অভিশপ্ত প্রেমিক? জলের

কল্লোল বলে যায় কেউ কেউ মৃত্যুর জন্যে বাঁচে। মৃত্যু কি জন্ম

নির্ধারিত সত্য?  প্রশ্ন কি বিজ্ঞান? প্রশ্ন কি দর্শন? চাঁদ ডুবে গেলে

তার হাত ছোঁব , এই প্রতীক্ষায় একটি জীবন কেটে গেল। তবু

প্রেম অবিচল।


[ সাত  ]


ক্রমশ নিরাসক্ত হয় মন। ক্রমশ উদাসীন হয় সমগ্র বর্ণমালা। কে

যেন বললো সে জেগে আছে। কথা  বলছে নক্ষত্রের সঙ্গে। কথা

তো বৃষ্টি বিন্দুর মতো মিশে যায় জলে কিংবা ভূমির শরীরে। তবুও

লেখা পথ ধরে মেধার উন্মেষ। তবুও হৃদয় ছুঁয়ে যায় সংগীত ও

কণ্ঠস্বর। কবিতার আলো ছায়া পথ। সাঁকোর ওপর দাঁড়িয়ে একা

রাত্রি। রাত্রি না শ্রেষ্ঠ রমণী?


[ আট ]


বিভিন্নতার সূত্র দিয়ে সহমতে পৌঁছতে হয়। সকলে কি বোঝে সে 

কথা? কেবল উদ্গীরণ হচ্ছে বিষ বাষ্প। কেবল বিচ্ছিন্নতার সুড়ঙ্গ

দীর্ঘতর হচ্ছে মনে ও মতবাদে। বই আছে পাঠক নেই। তর্ক আছে

সহিষ্ণুতা নেই। মেধা মুছে দিতে চায় মূর্খতা। তবুও একটি একটি

দীপ জ্বেলে অন্ধকার সরাতে হবে সমন্বয়ে। বিশ্বাস , শ্রদ্ধা ও সহমত

একক নয় পারস্পরিক।


[ নয় ]


বৃষ্টি, বিদ্যুৎ ও জ্যোৎস্না দিয়ে রাতের শয্যা পেতেছে উন্মাদ। দারুন

রোমাঞ্চিত এই রাত্রি যাপন! অক্ষরে অক্ষরে সৃষ্টি ও ধ্বংসের ইঙ্গিত।

কথায় কথায় বিস্ফোরণ ও প্রেম। অন্তর্জলি যাত্রার খই পড়ে আছে

শবানুগমনের পথে। এই পথে ভূমিষ্ঠ সন্তান প্রসূতিসদন  থেকে ঘরে

আসছে মায়ের কোলে। এই আবহমানতার ছবি আঁকছেন শিল্পী

আকাশ ক্যানভাসে। এই আবহমানতার কথা পংক্তিতে পংক্তিতে

অক্ষরঋদ্ধ করছেন কবি মধ্যরাতে।


[ দশ ]


দশ দিগন্ত জুড়ে বৃষ্টি এলো। বৃষ্টি পড়ছে ছাদে। বৃষ্টি পড়ছে পথে

ও প্রবাসে। বৃষ্টি পড়ছে সবুজ শস্যের অভিমানী শরীরে। বৃষ্টি পড়ছে

কাঁচের জানালায়। কি লিখছে বৃষ্টি বিশুদ্ধ বাংলা হরপে?  কি লিখছে

বৃষ্টি পাতায় পাতায়? জীবনের কথা? জীবনযুদ্ধের কথা? প্রণয় ও

বিশ্বাসের কথা? শিল্পী , কবি , বিজ্ঞানী, কৃষক, শ্রমিক এবং স্বয়ং ঈশ্বর

ও ঘুম ভাঙা চোখে শ্ৰেষ্ঠ রমণী দেখছেন  বৃষ্টিলেখা জলছবি জানালার 

কাঁচে দৈব অক্ষরের মতো ভাস্বর বিদ্যুৎ চমকে।




__________________________________

শুক্রবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২১

প্রেমের কবিতা -৪৫।। মোঃ ইজাজ আহামেদ।।Ankurisha ।।E.Magazine ।। Bengali poem in literature ।।

 



প্রেমের কবিতা -৪৫

মোঃ ইজাজ আহামেদ




১.

 নীল পাখি


জানো প্রিয়,

আমার হৃদয়ের দরজা সর্বদাই খোলা রেখেছি তোমার জন্য;

আমি চাইনা তুমি এসে দরজায় করাঘাত করো

আর দরজা খোলার অপেক্ষায় বাইরে দাঁড়িয়ে থাক;

আমি চাই তুমি সরাসরি নির্দ্বিধায় হৃদয়ের ঘরে প্রবেশ করো;

আমি উজাড় করে দেব আমার হৃদয়ের নীল আকাশটা  তোমার কাছে।

তুমি নীল পাখি হয়ে উড়ে গেছ বহুদূরের অচিন দেশে;

আমি তোমার অপেক্ষায় দিন গুনি মনে মনে;

কেটে গেছে কত দিন, কত রাত, কত ঋতু;

 তুমি আসো নি তবু;

বিষণ্ন লাগে তবু 

আশায় দিন গুনি;

ওই যে নীল আকাশে শুভ্র তুলোর মত মেঘ ভাসে;

জান, সেই শুভ্র তুলোর মেঘের ভেলায় আমি পাড়ি দিয়েছি  

কত অজানা দেশে তোমার খোঁজে

তবু পাইনি দেখা, ফিরে এসেছি শুন্য হয়ে বিষণ্ন মনে বারে বারে;

দেখতে না পাওয়ার আকুলতায় আমার হৃদয়ের দুঃখের  আগ্নেয়গিরি থেকে 

নির্গত হয় বিষণ্নতার লাভা তোমার বিরহে।





২.

ফাল্গুনের এক পূর্ণিমাতে



তোমাকে নিয়ে যাবো ফাল্গুনের

কোনো এক পূর্ণিমা রাতে 

কোনো উপত্যকাতে।

চাঁদের আলো উপচে পড়বে উপত্যকাতে,

চাঁদের জ্যোৎস্নায় প্লাবিত হবে 

পুরো উপত্যকা।

চাঁদের জোছনা মেখে আমরা 

থাকবো স্বপ্নের আবেশে।

মৃদুমন্দ বাতাসে ভেসে আসবে

কোকিলের কুহু কুহুগান,কুহু কুহু সুরে

আকাশ বাতাস উপত্যকা মুখরিত হবে।

কুহু কুহু গান শুনে 

আমরা হারিয়ে যাবো রূপকথার স্বপ্নে।

পলাশ, শিমুল, কৃষ্ণচূড়া রক্তিম পুষ্পে 

স্বাগত করবে আমাদেরকে।

ফাগুনের হাওয়ায় ভেসে

আসা সৌরভ বিমোহিত করবে আমাদেরকে।

নদীর কলকল ধ্বনিতে আপ্লুত হয়ে

হারিয়ে যাবো রূপ কথার দেশে।




বৃহস্পতিবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১

প্রেমের কবিতা -৪৪।। সুমনা রায়।।Ankurisha ।। E.Magazine ।। Bengali poem in literature ।।




প্রেমের কবিতা -৪৪

সুমনা রায়



১.

প্রেম এক মরণবান


এসো আরো দূরত্ব বাড়াই।

এসো আরো ব্যবধান গড়ি।

যদি কোথাও জমাট বেঁধেছে একচুল বিশ্বাস,

এসো তছনছ করে ফেলি।

হৃদয়ে কোথাও জন্মাবেনা একবিন্দু প্রেম।

খান খান করে দেবো মুহূর্তের দুর্বলতা।

অনেক ভাগ্যে পুনর্জন্ম আমার।

অনেক যত্নে গলা টিপেছি 

আকাঙ্ক্ষা স্বপ্ন প্রত্যাশার। 


রাখবনা আমি মরণবান 

আর কারো ভরসায়।


কোনো ক্ষণিকের ভুলে

গড়বনা অমরাবতী।

এবার যদি ভাঙ্গে

মৃত্যুই অমোঘ নিয়তি।



২.

অপেক্ষা


"আর কতদিন অপেক্ষা করবো?"

দোতলা গাড়ির পেছনের সিটে,এ প্রশ্নকে রেখে 

দুজনে নেমে গেলো।


অফিস ফেরত বড়ো ক্লান্ত

দেখায় স্বাতীকে।

বাতাসে ভাসতে থাকে ঘামেভেজা শরীরের গন্ধ।

সব ক্লান্তি মুছে যায় আমার।

 

ওর এলোমেলো কালো চুলে

সন্ধ্যাকে মনে হতো কেশবতী  কন্যা।

আজ সে চুলেও দু একটা সাদা  তুলির  টান।


রোজ বাড়ি ফেরার সময়

জোর করে গুঁজে দেয়

কড়কড়ে কাগজের  নৌকা।

ওটাতেই গরম ভাত আর সেদ্ধ ডালের সঙ্গে লেগে থাকে মা মা গন্ধ।


হারিয়ে যাওয়া মায়ের কথা মনে পড়লেই 

চোখে ভেসে ওঠে

  মুখে পানপাতা ঢাকা

কচিকলাপাতা বউ।

সে পানপাতাটা  সরানো 

 হল না কোনোদিন।







আরও পড়ুন 👇🏾👇🏾


*আজ পর্ব-৫* 


ধারাবাহিক রহস্য উপন্যাস 

--------------------------------------

 *আংটী রহস্যের নেপথ্যে* 

💍💍অনন্যা দাশ 

https://wwwankurisha.blogspot.com/2021/09/ankurisha-emagazine-bengali-poem-in_9.html



বুধবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১

প্রেমের কবিতা —৪৩।। অসীম ভুঁইয়া।। Ankurisha ।। E.Magazine ।। Bengali poem in literature ।।

 





প্রেমের কবিতা —৪৩

অসীম ভুঁইয়া




ডুবুরি 



আমার ভেতর একটা শূন্যতা রেখে 
তুই সমুদ্র-স্নান সেরে নিলি।
কত জলরাশি, কত ঢেউ, কত জোয়ার-ভাঁটা 
তোকে উথাল-পাতাল করে দিল।

তোর স্নানযাত্রার সঙ্গী হতে পারিনি 
আমি তো শুধু একাকিত্বের পাঠ নিতে শিখেছি
আর চোখের কোণের মতো সূর্যটাকে নিস্তেজ হতে দেখেছি।

আমি তোর অভাবের কারণ হতে পারিনি কখনো।
শুধু ভালোবাসার শ্রেষ্ঠত্বে নিজেকে প্রত্যয়ী করে রেখেছি।
যদিও জানি জয়-পরাজয়ের বাস্তবতাটা এত সহজ সমীকরণ নয়।

তুই তীব্র আলো হতে পেরেছিস, 
প্রবল উত্তাপ হতে পেরেছিস
কারুর বা অন্ধকারও হতে পেরেছিস।

কিন্তু কখনো হতে পারিসনি চূড়ান্ত অতলতায় ডুবে থাকা
মুক্তোটির খোঁজ পাওয়া
সফল ডুবুরি।








আরও পড়ুন 👇🏾👇🏾

*প্রেমের কবিতা পর্ব-৪২* 
 *আজকের কবি* 
 💕ত্রিপর্ণা ঘোষ 

https://wwwankurisha.blogspot.com/2021/09/ankurisha-emagazine-bengali-poem-in_7.html

মঙ্গলবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১

প্রেমের কবিতা—৪২।। ত্রিপর্ণা ঘোষ।। Ankurisha ।। E.Magazine ।। Bengali poem in literature ।।

 




প্রেমের কবিতা-৪২

ত্রিপর্ণা ঘোষ



১.

এক টুকরো বৃষ্টি


সন্ধাকালে যখন শহর জুড়ে বৃষ্টি নামে,

মনে পড়ে তোমার কথা।

জানতে ইচ্ছে করে খুব, এখনও খোঁজো নাকি

বৃষ্টিমাখা সন্ধ্যায় মেঘকন্যার মায়াবী বেশ।


বৃষ্টি কুড়ানোর স্বপ্ন নিয়ে একছুটে যাই ব্যালকনিতে,

কিন্তু দেয় না ধরা বৃষ্টিফোঁটা।

পুরানো ডায়েরীটার ধুলো পরিষ্কার করি।

কফি মাগ হাতে একাকী কাটে সন্ধ্যা,

বাইরে গাছের পাতায় বৃষ্টির টুপটাপ।


ডায়েরীর পাতায় চলতে থাকে এলোপাথাড়ি শব্দের বাক্য গঠনের অদম্য প্রয়াস।

হঠাৎ জ্বলে ওঠে সবুজবাতি মুঠোফোনটায়।

কালোমেঘ সরিয়ে নেমে আসে নীল আকাশ ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট লিস্টে।

মুষলধারায় নামে বৃষ্টি।

ধুয়ে দেয় শহরের বুকে জমে থাকা আবর্জনা।

বৃষ্টির ছটায় ভিজতে থাকে সমস্ত শরীর।





২.

নদীতটে


শিলাবতীর জল আছড়ে পড়ছে পাড়ে নিজ ছন্দে।

চাঁদের আলো জোয়ার খেলে যায় জলতটে;

শিশির ভেজা নদীপাড়ের ঘাস আলতো পদস্পর্শে গুটিয়ে নিচ্ছে নিজেদেরকে।

হাতে হাত অজান্তেই।


শূণ্য নদীতীর রচনা করেছে হাজার হাজার মাইল দূরের এক রূপকথার দেশের, সেই যেখানে আজও সোনায় মোড়া মেঘহরিণী ঘুরে বেড়ায় ঝর্ণা তলায়।


ক্রমে ক্রমে দূরত্ব কমিয়েছে দুটি অধ্যায়।

সীমান্তের বেড়াজাল ভেঙ্গে মুছে গেছে উপসংহার।

বাতাসে বাড়ছে পারদের উষ্ণতা।

নিঃশব্দতা ভাঙছে নদীঢেউ এর ছলাৎ,ছলাৎ শব্দ।










আরও পড়ুন 👇🏾👇🏾


*প্রেমের কবিতা পর্ব-৪১* 

 *আজকের কবি* 

💕পাঁপড়ি দাস


https://wwwankurisha.blogspot.com/2021/09/ankurisha-emagazine-bengali-poem-in_6.html


সোমবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১

প্রেমের কবিতা - ৪১।। পাঁপড়ি দাস।। Ankurisha ।। E.Magazine ।। Bengali poem in literature ।।

 



প্রেমের কবিতা - ৪১

পাঁপড়ি দাস 



১.

শুভ্র অন্ধকার


আমি একটি প্রেমের পৃথিবী খুঁজছি...

সমস্ত নক্ষত্র যেখানে সবুজ ঘাসে টান হয়ে শুয়ে একসাথে প্রেমের স্বপ্ন দেখে।

     প্রেম সমতার!

     প্রেম মমতার!

ধর্ষিতা হয়নি কোনো নতুন আলো।তাজমহলের শুভ্র অন্ধকারে উদ্দীপ্ত নয় আবেগী বৈভব, ভালোবাসার প্রাপ্তিসুখে রঙিন মমতাজ। 

    

         যে পৃথিবী মানুষ-মানুষীর হৃদয়ের রঙ নয়, মৃত্যুর শব্দ উচ্চারণ করেনা, খুঁজে চলে এক নদী ঝিনুকের উর্বরতা...

আদিম উদভ্রান্ত পৃথিবী! এই সুখটুকুই আমার চাওয়া...যেখানে আমাদের চোখের জল দু-ফোঁটা দুধ হয়ে নামে।

   




২.

তবে কি প্রেম!


যন্ত্রণাগুলো নিবিড়তর, ভারী হয়ে আসে গভীরতম অন্ধকার...

একছুট্টে দীর্ঘশ্বাসগুলো তোমার গভীরে হারিয়ে যেতে চায়। 

      তবে কি প্রেম?

সবটুকু হারিয়ে পাওয়া, অপরাজিত আনন্দগুলো খিলখিলিয়ে হেসে ওঠে...

তোমার সুগন্ধি অনুভবে।

     তবে কি প্রেম?

তার না বলা শব্দ কথারা, তোমার নির্মোহ দৃষ্টিতে আত্মসমর্পন করে ডুকরে কেঁদে ওঠে!

'আছি' শব্দটা ফিরে আসে নিরাপদ আশ্রয়ের মতো, ক্ষতগুলো সেজে ওঠে সাহসী প্রত্যয়ে।

      তবে কি প্রেম?





আরও পড়ুন 👇🏾👇🏾

*প্রেমের কবিতা পর্ব- ৪০* 


 *আজকের কবি* 

অনিন্দিতা শাসমল 💕


https://wwwankurisha.blogspot.com/2021/09/ankurisha-emagazine-bengali-poem-in_5.html




রবিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১

প্রেমের কবিতা -৪০।। অনিন্দিতা শাসমল।।Ankurisha ।। E.Magazine ।।Bengali poem in literature ।।

 




প্রেমের কবিতা -৪০

অনিন্দিতা শাসমল



শুধু তোর জন‍্যে লেখা


কতদিন হয়ে গেল!

নীল আকাশে ডানা ভাসিয়ে ছোট্ট লেজ দুলিয়ে উড়ছিস তুই! 

রঙ- বেরঙের হালকা শরীরটা হাওয়ায় ভাসিয়ে , খুশিমনে 'নদী আপনবেগে পাগলপারা' হয়ে চলছিস, প্রতিদিন। 


লাটাইটা আমার হাতে ধরা। খুউব যত্ন করে টান দিয়ে রাখি, যাতে হঠাৎ পড়ে না যাস! 

কেউ তোর কোনো ক্ষতি করতে না পারে!

আরও অনেক ঘুড়ির পাশ কাটিয়ে অবলীলায় উড়ে বেড়াস ; রাজার মতো অবাধ বিচরণ তোর...

 তাই দেখেই আমার আনন্দ !

কেউ টান মেরে ফেলতে চাইলে ,ঘাড়ে উঠে গেলে , লাটাইয়ের সুতোয় টান দিয়ে,একটু সরিয়ে দিই। তোকে এভাবেই আগলে রাখি।


মাঝে মাঝে দেখিস,সুতো কেটে আকাশে উড়ে যায় তোর বন্ধুরা।

তোরও সাধ  হয় , তাই না রে?

আকাশ ছাড়িয়ে ওপারে কী আছে দেখার?

আমার লাটাইয়ের সুতোটা খুব শক্ত রে!

ছিঁড়েও যায় না কখনও! 

আমি ক্রমশ অনেক কাজের মধ‍্যে ডুবে গেলেও, ঠিক তোর খেয়াল রাখি।

কাজের ফাঁকে ফাঁকে চোখ তুলে দেখে নিই তোকে,ঠিক আছিস তো! তাতেই তোর যত রাগ ! 

আসলে তোকে যে বড্ড ভালোবাসি,চোখে হারাই রে!

বুঝিস না কেন?


জানিস,আজ ভোরে একটা স্বপ্ন দেখলাম।

ভোরের স্বপ্ন নাকি সত্যি হয় ? 

কী স্বপ্ন ? তোরই মনের কথা রে..

শোন না!

তুই লাটাইয়ের সুতোটা কাটতে চাইছিস ; আমার সব  বাঁধন ছেড়ে বেরোতে চাইছিস।


আমি তো তোকে উড়তেই দিয়েছিলাম রে,পাছে হারিয়ে যাস, তাই যত্ন করে...

বেশ।

আর তোকে ব়েঁধে রাখবো না।

এই দ‍্যাখ,

সেলাই করতে করতে  পাশে রাখা ক়া়ঁচিটা দিয়ে কেটে দিলাম লাটাইয়ের সুতোটা।

যা...

এবার মুক্ত তুই ধীরে ধীরে চলে যা ,আমার দৃষ্টিসীমার বাইরে।

আকাশটার ওপারে তোর খুব প্রিয় বন্ধু ,যাকে তুই আমার চেয়েও বেশি ভালোবাসিস ,

তোর জন‍্যে হয়তো অপেক্ষা করে আছে।

তার কাছেই যা রে।


ভাবছিস, তোকে না দেখতে পেলে ,আমার খুব কষ্ট হবে?

না রে বোকা।

তুই ভালো থাকলেই আমি ভালো থাকবো, একটুও কষ্ট হবেনা,বিশ্বাস কর।

মুক্তি চেয়েছিলি না?

দিলাম রে।

ভালো থাকিস তুই,

খুউব ভালো থাকিস।







আরও পড়ুন 👇🏾👇🏾


*রবিবাসরীয় বিভাগ* 

---------------------------------


 *আজকের গল্প* — চিঠি 

     ✍🏾দুর্গাদাস মিদ্যা 

  

https://wwwankurisha.blogspot.com/2021/09/ankurisha-emagazine-bengali-poem-in_4.html





শুক্রবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১

প্রেমের কবিতা - ৩৯ ।। জয়শ্রী সরকার।। Ankurisha ।। E.Magazine ।। Bengali poem in literature ।।

 



প্রেমের কবিতা - ৩৯

 জয়শ্রী সরকার


১.

অ্যাসিমিলেশন

          
তোমার কাছে আমার অনেক কর্জ আছে
ধার না শোধা আমার ধাতে সয় না যে 
আমার কাছেও তোমার বুঝি ঋণ যে অনেক
ঋষির মতোই বললে তুমি নীরব-ধ্যানে!

পেরিয়ে পাহাড় ঔদার্য্যের সিঁড়ি যত
এক নিমেষে পৌঁছে দিলে ...
সত্য-শিবম্ - সুন্দরম্-এ!




  ২.               
  সম্পর্ক
              
সেদিন সাদা মলাটের ঘেরা টোপে
তোমার কবিতার বাগানের 
সর্বশেষ সৃজিত ফুলটা উপহার দিয়ে গেলে;
তখনোও বুঝিনি—
প্রতিটা পাপড়িতে এত প্রেম , এত বঞ্চনা ;
এত মমতা, এত বিতৃষ্ণা;
এত কর্তব্য , এত অবহেলা; এত হাতছানি, এত হাহাকার
কেমন যেন জীবন-মৃত্যুর মাঝখানে লেপটে আছে ! 

তবে কী বিবাহিত জীবনের
গাঢ়  সম্পর্কের গভীরেও
সরীসৃপের মতো হেঁটে চলে
আরো একটা সম্পর্ক,
অ-কবির ভাষায় যাকে বলা যায় —
বণিকের!







আরও পড়ুন 👇🏾👇🏾



*প্রেমের কবিতা পর্ব-৩৮* 

 *আজকের কবি* 
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায় 💕

https://wwwankurisha.blogspot.com/2021/09/ankurisha-emagazine-bengali-poem-in_2.html




বৃহস্পতিবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২১

প্রেমের কবিতা —৩৮।। সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়।। Ankurisha ।।E.Magazine ।।Bengali poem in literature ।।

 



প্রেমের কবিতা —৩৮

সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়



একাকার


আমার ছায়ার পথে

মিশে আছে তোমার ইতিহাস

একদিন তুমিও হেঁটেছিলে বৃষ্টি ভেজা রাতে

সেই রাত এখনও তোমার ঠোঁটে লেখা আছে।


তুমি চেষ্টা করেছ, ভেবেছ সব মুছে গেছে

মুছে যায় যেভাবে পর্দার উপর দিয়ে সরে যাওয়া আলোছায়া

সে তো মুহূর্তের খেলা, কিন্তু সব খেলা

শেষ হয় না শেষ হওয়ার পরেও


এখন জাতিস্মর ভেবে নিতে পারো

তোমার আমার জন্য অপেক্ষায় ছিল সারাদিন

দুয়ারে দাঁড় করিয়ে রেখেও আমরা দুজনেই উঠি নি

গাড়ি ছেড়ে চলে গেছে এখন অনেকদূর


তবুও সেখানে একটা আসন আমার পাশেই ছিল

এখনও সেটা আছে , যেভাবে থাকবে আরো কিছুদিন

তারপর হয়ত আর আমিই থাকব না

থাকবে না আমার ছায়া, জলাভূমি, জন্মাবে না কোনো বীজ

থাকবে না তোমার সাথে মিশে যাওয়া সেই পথ।


তবুও তুমি থাকবে

আমার চিতার ভস্মে ছাইচাপা  'তুমি ' হয়ে।








আরও পড়ুন 👇🏾👇🏾




আজকের পর্ব-২৪


 *ধারাবাহিক ভ্রমণ কথা* 

    পৃথিবীর উল্টো পিঠ

      বিশ্বেশ্বর রায় 

📊📈🚀🛬🛩️✈️🛳️⛵


https://wwwankurisha.blogspot.com/2021/09/ankurisha-emagazine-bengali-poem-in_1.html




বুধবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২১

প্রেমের কবিতা—৩৭।। সুধাংশুরঞ্জন সাহা।।Ankurisha ।।E.Magazine ।। Bengali poem in literature ।।

 





প্রেমের কবিতা—৩৭

সুধাংশুরঞ্জন সাহা




প্রেম : এক

যার অবুঝ আঙুলে লেগে আছে
প্রেমের বারুদ,
সেই আঙুলে আঙুল ছোঁয়ালে
বেজে ওঠে পাহাড়ি ঝোরার মুহূর্তরা।
অক্লান্ত পায়ের নখে
ফুটে ওঠে শ্রাবণের নদীস্রোত।
চোখের মধ্যে ঘুমিয়ে থাকা খিদে
পাতার আড়ালে নিরিবিলি সমর্পণ খোঁজে।




প্রেম : দুই

ভালোবাসা এক বোধিবৃক্ষ ।
স্থান কাল পাত্রে বদলে যায় ছায়া।
ধেয়ে আসে মৌণ উচ্চারণ।
নির্বিকার থাকে ভাসমান মেঘ।
ছায়াস্পর্শ ঘটে যায় কদাচিৎ।
আচমকা বৃষ্টি ঝেঁপে এলে
আপাদমস্তক ভিজি।
ধুয়ে যায় মনের বেয়াড়াপনা।









আরও পড়ুন 👇🏾👇🏾

*প্রেমের কবিতা পর্ব-৩৬* 
 *আজকের কবি* 
জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায় 💕

https://wwwankurisha.blogspot.com/2021/08/ankurisha-emagazine-bengali-poem-in_99.html


মঙ্গলবার, ৩১ আগস্ট, ২০২১

প্রেমের কবিতা - ৩৬।। জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়।। Ankurisha ।। E.Magazine ।।Bengali poem in literature ।।

 




প্রেমের কবিতা - ৩৬

জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়



১.

অপেক্ষার কাছে 



যে পথে হেঁটে গ্যাছো কুয়াশাবাগিচায় ফুলেল উজ্জ্বল

কথা শুনে বাঁশপাতা পাখির উল্লাস উদ্দাম তারানা হইহই
প্রজাপতি দোহারের ডানা ঝিলমিল কী পুলক বাঁধ ভাঙে
বাতাসে কী মধুগন্ধ লঘুমেঘে লুকোচুরি চাঁদ ঠিকানা লুকোয়
সন্ধ্যাতারার ঝিকমিক উজ্জ্বল প্রত্যয়

হয়তো কখনো আরব্যরজনী থেকে পোষা দৈত্য এসে বলবে,
কী হুকুম আকা? আমি হাজির মুশকিল আসান!

না বলা কথা বলে দেওয়াও কি সম্ভব,হে ইচ্ছাপূরণ দিন
বা গোধূলিছোঁয়া রাত?

তুমি সেই অসম্ভব সরণিতে কুয়াশা,ফুল,পাখি,প্রজাপতি,সন্ধ্যাতারায় এসো





২.
  সেই ছবি   

অসম্ভব জানালার দিকে যে কিশোর করুণ উদাস
বটফল পাখি পাতা বাতাসের সংহতি সে দেখে না
কতটা সূর্য আর কতগুলো চাঁদ রামকিংকর হাত
অমিয় ভাস্কর্য তাও সে দেখেনি অরণিসম্ভব

একটি সাদামাঠা বাতায়নে কোন বাগিচা সাজানো
পাপচক্ষু তার রহস্য বোঝেনি অভঙ্গুর পবিত্র শব্দ
ঈর্ষণীয় দৃঢ়তায় নন্দনতত্ত্ব ছেনে খায়

সাদা পাতার বর্ণিল জলছবি বেঁধে রেখে দ্যাখো
জঞ্জাল জমিতে কিছু প্রাণবন্ত গোলাপ ফুটেছে


















আরও পড়ুন 👇🏾👇🏾

*প্রেমের কবিতা পর্ব-৩১* 
      আজকের কবি 
  অলোক চট্টোপাধ্যায় 

http://wwwankurisha.blogspot.com/2021/08/ankurisha-emagazine-bengali-poem-in_46.html