পৌষ এল ঘরে —১১
গৌতম বাড়ই
পৌষ এসে যায়
অন্ধকারের মুঠোর থেকে বের করে আনা
যাদুরুমালের চারান্নি আটান্নি তমসুক সিক্কা
একা তোর পরাঙ্মুখ দুপলকের ছেঁড়াসুখ
স্বর্গ কোথাও নেই না উত্তরে না দক্ষিণে
শুনেছি পুবে বা পশ্চিমেও নেই
উদয় আর অস্ত এবং
নদী আর সাগরের জন্মমৃত্যু ছাড়া
বারণ আছে বাদবাকি কথাবলা
কাঁথার ভাজ খুলে দিয়েই বলা
তবুও তো পৌষ এসে যায়
তবুও তো মরণ আসে ভরাট সন্ধেবেলা
২
সময়
আমাদের এক চিলতে কিচেনঘর
ছোট থেকেই আবাসিক এলাকায়
মাসির বাড়ি গেলেই পেতাম প্রকাণ্ড এক রান্নাঘর
পিঠেপুলির গন্ধে ম ম করত সারাটা ঘর সারাটা গ্রাম
পৌষের হিমেল সেই রাত্রি
তারাদের ঝাঁঝ নেই
একদিন এমন হিমেল সন্ধেয় ডানায় ভর করে
দূরে কোনো নীহারিকায় মেশে গুচ্ছের পাখিরা----
কেটে গিয়েছে কেমন করে
পঞ্চাশটি পৌষালী বছর।
সময়
আমাদের এক চিলতে কিচেনঘর
ছোট থেকেই আবাসিক এলাকায়
মাসির বাড়ি গেলেই পেতাম প্রকাণ্ড এক রান্নাঘর
পিঠেপুলির গন্ধে ম ম করত সারাটা ঘর সারাটা গ্রাম
পৌষের হিমেল সেই রাত্রি
তারাদের ঝাঁঝ নেই
একদিন এমন হিমেল সন্ধেয় ডানায় ভর করে
দূরে কোনো নীহারিকায় মেশে গুচ্ছের পাখিরা----
কেটে গিয়েছে কেমন করে
পঞ্চাশটি পৌষালী বছর।
খুব সুন্দর দুটি কবিতা। কয়েকটি পংক্তি উচ্চারিত হয়েছে প্রথম কবিতায় যা খুবই সুন্দর।
উত্তরমুছুনদুটো কবিতাই দারুণ লাগলো। ভালো থাকুন কবি।
উত্তরমুছুনভালো লাগলো কবিতা
উত্তরমুছুন