ভালোবাসার কবিতা
মানবীফুল
অলক জানা
প্রকৃত পুরুষের
এক প্রিয় মানবী চাই
এটা অনধিকার কেন হবে ?
পুনশ্চ: আকাশ দাপানো
উড়ন্ত কোন ঘুড়ির ল্যাজ,
দৈবাৎ খুলে ছিঁড়ে
অনিবার্য অকাল মৃত্যুও
পরমাত্মীয়ের মর্যাদা পেতে পারে।
তবুও আপত্তিহীন আমি,
যদি গ্রহণ সে করে
পার্থিব পুরস্কারের চেয়ে
অধিকতর প্রাণের সম্পদ !
যদি হয়
সেই মানবীর বিনয়ী উপস্থিতি,
এক ভূখণ্ড
রাষ্ট্র প্রাপ্তির চেয়ে
অপার সুখ উজাড়
করে দিতে সজোর প্রস্তুত
স্বয়ং ঈশ্বরও,
পুরাণপ্রথিত লাখো উদাহরণ
বিশ্বাসের পারদ বাড়িয়ে
আমাকে ডেকে যায়
এ পথের আলো।
প্রেমিকের একাধিক ইন্দ্রিয়,
যুগে যুগে কালে কালে
তার ঔজ্জ্বল্যে সৌরম্লান দিবস,
অথবা আলোকিত গানে
অমাবস্যার ভেতর
সযত্ন নির্বিঘ্নে বাড়ি ফেরে
সমস্ত রাতের প্রহরী।
শ্রমিক, মৎস্যজীবী,
ইঁটভাটার ফায়ারম্যান, মিস্ত্রি
পৃথিবীর সমস্ত শ্রমজীবী
অথবা কোন কৃষক
কৃষি চেয়ে মাটি ভাঙবে হাত,
সঙ্গ দেবে সহযোদ্ধা
লাঙ্গল-কোদাল,
তারপর খামারে অপেক্ষার
নবান্ন পেড়ে
ভাগাভাগির পরমান্ন সেজে
নিজের মানুষী আঁচলে
মুছে নেবে
ললাটের যাবতীয় ঘামলিখন,
তিলক কিংবা আর্ত ঘামকোরাস !
হতেও পারে না প্রচার পাওয়া
সাচ্চা কোন কবি
রাত্রির তারামগ্ন হাড়ে কবিতার
ভাস্কর্যবুননে ব্যস্ত।
আলো কি না পারে
কবিতা কি না পারে
একাকার সেই আশ্রয়ে
শীতে শিশিরে বৃষ্টি তাপে কাটবে,
কাটবেই তো পরমায়ুর পরিচর্যায়
কবিতার চাষাবাদ।
চোর-বাটপার, অসাধু রাজনীতিক
না জানলেও এসবের বিন্দু বিসর্গ
বরাবর সমাজ অক্ষত, অবিচল----
প্রিয় মানবীফুল ঝরলে
প্রকৃত পুরুষ অবাধে কেমন
দেবতা হয়ে যায়।
আরও পড়ুন 👇👇👇👇
https://wwwankurisha.blogspot.com/2021/02/ankurisha-emagazine-bengali-poem-in_60.html


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন