জীবনবোধের কবিতা -৩০
যুধিষ্ঠির বাগানে রজনীগন্ধার চাষাবাদ
নিমাই জানা
লাল মুখমন্ডলের মানুষেরা রক্তাক্ত দাঁত নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকলে আমি ক্রোমোজোমের মতো লাল পারদ নিয়ে আরো এক গোপন রাইবো নিউক্লিক গর্তের ভিতর ঢুকে যাই
এখানে কোন আশ্রমিক পরমাত্মার প্রদেশ নেই , এখানে কোন পবিত্র গর্ভকেশর নেই , আমাদের অন্তঃস্থল আর ত্রিকোণমিতিক তৃতীয় চোখের ভেতর থেকে একটা তৃতীয় মানুষ বেরিয়ে আসে অর্ধভুক্ত মানুষগুলোকে তুলে নেওয়ার জন্য
আমাদের কোন সমীকরণ থাকে না বলে বারবার আমরা পাষণ্ড ব্যাভিচারি আর নপুংসক হয়ে যাই চতুর্থ জেন্ডারের মতো , আমাদের আঙ্গুলগুলো থেকে থকথকে প্লাজমা আর কাপালিকের মতো দুর্গন্ধওঠা , রোমশ মানুষগুলো বারবার হত্যা করে ফেরে এক একটা নোঙরহীন পুরুষকে
আমি শুধু কোন এক কংক্রিট রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে দেখি উলঙ্গ মানুষের দেহগুলো একটা মৃতপ্রায় নিম ডগা থেকে ঝুলে আছে পৃথিবীর শিরদাঁড়ায় তরল ইউরেনিয়াম ঢেলে দেবে বলে , এখানে প্রতিটি মানুষ উপকারী নয় ,কামনা বাসনা মুক্ত নয় , চূড়ান্ত আকাঙ্খা জড়িয়ে ধরেছে তাদের
জেরুজালেমের মতো এক স্বর্গদ্যানে বাঁশি বাজলেই সাদা জবা ফুলের পরম চেতনা নিয়ে আমরা দৌড়াতে থাকি , শরীর বেয়ে শুধু স্বরবর্ণ পারদ ফুলেরা আবারো এক নতুন সুবর্ণ যুগ এনে দেয়
এসো ঈশ্বর সব রক্তাক্ত ক্রনিক রোগে আক্রান্ত লোভাতুর মানুষগুলোকে পারদ জলে ডুবিয়ে আরো একবার বিশুদ্ধ করে দিই , সকলেই রজনীগন্ধার চাষ করুক যুধিষ্ঠির বাগানে ...
নিমাই জানা
লাল মুখমন্ডলের মানুষেরা রক্তাক্ত দাঁত নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকলে আমি ক্রোমোজোমের মতো লাল পারদ নিয়ে আরো এক গোপন রাইবো নিউক্লিক গর্তের ভিতর ঢুকে যাই
এখানে কোন আশ্রমিক পরমাত্মার প্রদেশ নেই , এখানে কোন পবিত্র গর্ভকেশর নেই , আমাদের অন্তঃস্থল আর ত্রিকোণমিতিক তৃতীয় চোখের ভেতর থেকে একটা তৃতীয় মানুষ বেরিয়ে আসে অর্ধভুক্ত মানুষগুলোকে তুলে নেওয়ার জন্য
আমাদের কোন সমীকরণ থাকে না বলে বারবার আমরা পাষণ্ড ব্যাভিচারি আর নপুংসক হয়ে যাই চতুর্থ জেন্ডারের মতো , আমাদের আঙ্গুলগুলো থেকে থকথকে প্লাজমা আর কাপালিকের মতো দুর্গন্ধওঠা , রোমশ মানুষগুলো বারবার হত্যা করে ফেরে এক একটা নোঙরহীন পুরুষকে
আমি শুধু কোন এক কংক্রিট রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে দেখি উলঙ্গ মানুষের দেহগুলো একটা মৃতপ্রায় নিম ডগা থেকে ঝুলে আছে পৃথিবীর শিরদাঁড়ায় তরল ইউরেনিয়াম ঢেলে দেবে বলে , এখানে প্রতিটি মানুষ উপকারী নয় ,কামনা বাসনা মুক্ত নয় , চূড়ান্ত আকাঙ্খা জড়িয়ে ধরেছে তাদের
জেরুজালেমের মতো এক স্বর্গদ্যানে বাঁশি বাজলেই সাদা জবা ফুলের পরম চেতনা নিয়ে আমরা দৌড়াতে থাকি , শরীর বেয়ে শুধু স্বরবর্ণ পারদ ফুলেরা আবারো এক নতুন সুবর্ণ যুগ এনে দেয়
এসো ঈশ্বর সব রক্তাক্ত ক্রনিক রোগে আক্রান্ত লোভাতুর মানুষগুলোকে পারদ জলে ডুবিয়ে আরো একবার বিশুদ্ধ করে দিই , সকলেই রজনীগন্ধার চাষ করুক যুধিষ্ঠির বাগানে ...

সুন্দর কবিতা। কোন কথা হয় না।
উত্তরমুছুনঅনেক শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা জানাই আপনাকে
মুছুনঅপূর্ব ব্যঞ্জনাময় 👌
উত্তরমুছুনঅনেক শ্রদ্ধা
মুছুনচমৎকার
উত্তরমুছুন