মানবতাবাদী কবিতা —১৭
মৃত্যুর মুখোমুখি
দীপক বেরা
হাটে হাঁড়ি ভেঙে গেলে, জনসমক্ষে
সবই জলের মতো পরিষ্কার হয়ে যায়
তবু নিজেকে জাস্টিফাই করে যায় কেউ
ভর সন্ধ্যেবেলায় গভীর গোপনে
সুকৌশল ডাইমেশনে প্রস্তুতি নেয়
রাজার, শাসকের,.. এবং সম্পদের!
পেঁজা পেঁজা তুলোর মতো মেঘদল
লম্পটের চূড়ামণি,
ধূর্ত ও পিছল চরাচর
এই জগৎসংসার এক সর্বনাশা প্রহেলিকা
পাখির বাসায় ঝাঁপ মারে কালসাপ
ছানাদের কিচির মিচির, ভয়ার্ত আর্তি
চিল চিৎকারে ভীমবেগে ছুটে আসে মা
ছড়িয়ে পড়ে ধূসর ডানার ঝাপ্টার শব্দ
মরণের মাথায় মুহুর্মুহু চঞ্চুর ঠোক্কর
আধিপত্যবাদ লেজ গুটিয়ে পালায়..
বিবাদ থাকুক, একটু বিরোধ প্রতিরোধ
বাঁচার জন্য— কিছু অন্তত প্রতিবাদ!
পৌষের বিছানার পাশে উত্তাপ নিয়ে
অভিভূত বশ্যতায় পোষ মানে বিড়াল
হিমায়িত বরফের ক্যামোফ্লেজ নিয়ে
সবকিছু ঢেকে যাওয়ার আগে
এসো জনতা, একসাথে জেগে উঠি—
মরার আগে মরে না গিয়ে
একবার সবাই মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়াই;
প্রবাহিত মনুষ্যত্বে স্রোত রেখে যাই..

খুব সুন্দর লিখেছেন কবিতাটি। অসাধারণ। শেষের সেদিন দেখার আগে সবাই একসাথে জেগে উঠি। প্রতিবাদী হই।
উত্তরমুছুনআন্তরিক ভালোবাসা ও অশেষ ধন্যবাদ জানাই আপনাকে। খুব ভালো থাকবেন, শুভ সকাল।
উত্তরমুছুন