পৌষ এল ঘরে -২১
সুধাংশুরঞ্জন সাহা
পৌষমাস
এক
দুই হাতে কুয়াশা সরিয়ে
কেষ্টদা রোজ ভোর ভোর সকালে
খেজুর গাছ থেকে নামায় হাঁড়ি হাঁড়ি রস।
বর্ধমান থেকে সুভাষ আমাকে ফোন করে...
রস খাওয়ার নিমন্ত্রণ করে বছর বছর।
আমার আর যাওয়া হয় না কোথাও।
শীতের গায়ে দুষ্টু রোদের হাসি ছড়িয়ে পড়লে,
বুকের ভিতর পৌষ পর্বণ পিঠেপুলি সাজিয়ে বসে থাকে...
পৌষমাস কবেই লোপাট হয়ে গেছে
জীবনের মানচিত্র থেকে!
ভোকাট্টা মাকে মনে পড়ে খুব।
দুই
ফের করোনা আতঙ্ক ছড়িয়েছে পৃথিবীতে।
পর্যটন হারিয়েছে তার স্বাভাবিক গতিপথ।
ঋতুও বদলে ফেলেছে তার খোলস।
শীতকে অনেকটাই গ্রাস করেছে হেমন্ত,
একথা জানে বেশি বর্ষা ও গ্রীষ্ম।
প্রেমপত্র আদান প্রদান,
সম্পর্ক স্থাপন,
কত সহজ এখন!
লাগে না কাগজ।
লাগে না কলম।
লাগে না সময়।
অবশ্য সম্পর্ক এখন ভেঙেও যায় ততোধিক দ্রুত!
শীতের পরিযায়ী পাখিদের মতোই
পৌষ মুখ লুকোয় ধারালো রোদে।
একজোড়া পৌষমাস ভারি ভালো লাগলো।
উত্তরমুছুনস্বাদে আস্বাদে সাধ মেটাই
উত্তরমুছুনপৌষের রসের মেলা। বাহ্!
উত্তরমুছুন