পৌষ এল ঘরে —২০
তন্দ্রা ভট্টাচার্য্য
১.
পৌষের সিংহ দুয়ার
হাতে হাত রেখে মুখোমুখি বসলে
গল্পহীন গল্পের প্রাচীরে শীত লুকায়।
চলো গোয়ালঘরে আগুন পোহাতে যাই।
কুঁকড়ে যাওয়া শরীরের আর্তনাদ
কাজলপরা পোয়াতি গরুর চোখ
শুকিয়ে গেছে সমুদ্রের জল।
একবিন্দু যন্ত্রণায় মানুষের স্বাধীন স্বভাবে
তর্জনীর নিশানায় ঝড় বয়ে যায় !
অবলা প্রাণের ভাষায় ভরা শুধু দুচোখ।
ওরা ভালোবাসা দেখায়,কষ্ট ওদের ছাইচাপা বুক।
রসময় পিঠেপুলি বাজারে হরেক সবুজ
সবজির কথাকলি নাচ।
ভুটানি মেলায় যাব কথা দিয়েছি সে আসবে আজ।
খেজুরের রস চলবে, নাকি পাটালি ?
বন্ধু এল আজ ওরে, কতকাল যে একা কাটালি ?
আহা কত সুখের মাঝে তবুও বিষণ্ণ বীন বাজে।গরিবের আজ যে পৌষমাস ছেঁড়া কাঁথার সাম্রাজ্যে।
২.
শীত ঘুম
তোমার যত সরঞ্জাম সব নিয়ে চলে গেলে?
সেই সব শীলমোহর মারা কথাদের শীতঘুম দিলে?
এখন পৌষের সময় মূহুর্তরা উৎসবময়।
লক্ষ্মীর পা ধানছড়া এঁকেছি দুয়ারে।
খুব ভোরে স্নান এ অভ্যাসে আমি বড় বেমানান।
হরদম ঝাঁপতাল ঠুকে চা কফি।
হদয়ে হৃদয়ে আগুন পাথর চকমকি।
গভীর চুম্বন ওম হারমানে শালের পশম।
এসো বোসো পৌষ প্রকৃতির বাহারে।
মানুষের এই তো শীতের মাধুরী সুখ।
পৌষ চলে গেলে খুঁজে ফিরি কাহারে?
সুন্দর অসাধারণ
উত্তরমুছুনঅনেক ধন্যবাদ
মুছুনএই মন্তব্যটি লেখক দ্বারা সরানো হয়েছে।
উত্তরমুছুনএই মন্তব্যটি লেখক দ্বারা সরানো হয়েছে।
উত্তরমুছুনএই মন্তব্যটি লেখক দ্বারা সরানো হয়েছে।
উত্তরমুছুনখুব সুন্দর।
উত্তরমুছুনঅনেক ধন্যবাদ
মুছুন