হেমন্তের সকাল -৩০
স্মৃতি শেখর মিত্র
১.
গ্ৰামের হেমন্ত
এভাবেই একদিন শেষ হয় শরতের দিন
হাতছানি দেয় হেমন্তের ভোর
কুয়াশা মাখা সমস্ত সকাল
জীবনের গতি কিছুটা হলেও
শ্লথ হয়ে আসে।
গৃহস্থের উঠানে পড়ে থাকে শীতের ফসল
প্রতিটি মানুষের ঘরে আনন্দ কোলাহল
নবান্নের প্রস্তুতি।
গোবর নিকানো খামারে সূর্যের নরম রোদ
ঠিকরে পড়ে, পড়তে বসা শিশুদের শরীরে
চাদর মুড়ি দিয়ে বসে থাকা মুরুব্বির গায়ে
হাতে যাঁর বাটিভর্তি ভূতমুড়ি ধানের মুড়ি
আর ধূমায়িত চায়ের পেয়ালা।
নলেন গুড়ের গন্ধে ভরে যায়
গ্ৰামের আকাশ।
২.
শহরের হেমন্ত ( আসানসোল)
এখনও হেমন্তের ছোঁয়া পায়নি আমার শহর
চিরদিনই ভরে থাকে ধূলিমাখা শহরের বাতাস
গাছের পাতারা যদিও কিছুটা বিবর্ণ হয়...
হয়তো বা ধূলির আস্তরণে
কিংবা কয়লার গুঁড়িতে।
হেমন্তের ছোঁয়া লাগে হাড় আক্রা সব্জির বাজারে
ঝোলা হাতে সমস্ত মানুষের ভিড়
দর দাম হাঁক ডাকে ভরে ওঠে হেমন্তের বাজার
দেখা দেয় নতুন আলু,কচু,লাউ, শাকের পশরা
বাতাবি লেবু
আর কলসিভরা খেজুরের রস
সবাই গ্লাসভরে পান করে জিরাণ কাঠের পানা পরাণ জুড়াতে।
বাঃ!দারুণ!
উত্তরমুছুন