হেমন্তের সকাল -৩১
জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়
১.
হেমন্ত নির্মোক - ১৯
প্রেক্ষিত বদলে যাচ্ছে খেয়াল হয়নি
জনজঙ্গলে ঘাটকোল সীমাভাঙা উচ্ছৃঙ্খল শব্দের ডেসিবেল
স্নায়ুর ক্লান্তিকে তারা দুর্বলতা বলে
শিশিরের গন্ধে তবু চাঁদ নেমে আসে
জোনাকির স্বপ্ন-আমন্ত্রণে ঝোপেঝাড়ে স্বর্গের ঘাট
ছইছই জলের দিঘি
নূপুরের শব্দেরা বিছানায় গ্যাছে ক্লান্তিবাসর
কুয়াশার জালে যারা ভোরযাত্রার কাব্য লেখে প্রতিদিন
আলপথ কুলিপথ ভাঙাপথ কালোসড়ক
পায়ে পায়ে কথকতা
উৎসাহ ভোর আর ক্লান্তি বিকেল
ওই যারা গান গায়, হেই সামালো ধান হো .....
ওরাই তো হিম মাখা জীবনের শ্রেষ্ঠ কবিতাটি লেখে
২.
হেমন্ত নির্মোক - ২০
কারা যেন কথা দিয়েছিল
ফিরে এসে রাধারমণ ধামাইল শোনাবে.....
ছইছই জল বিরহী নৌকোরা অবসাদ মেখে চলে যায়
অনিচ্ছুক নতুন বউটির মতো.....
সেই ভোর সূর্যের লাল বাদা-বৃন্দাবন
রাধারমণ দেখেছিলেন হৈমন্তী ভোর ফুলে ফুলে শ্রীমতীর মুখ
কারা যেন কথা দিয়েছিল
হেমন্তসকালে ফিরে গোচারণে যাবে
ঘাতকবাঁশির সুরে ক্ষতের কামড় ক্ষরণে ক্ষরণে
যাক বিস্মরণ ভার
সকাল ফুটুক জনকোলাহলে মাঠে খেজুরবাগানে
নলেন গুড়ের আমোদে
সওদাগর ফিরুক বিকেলে
খুলে যাক বন্ধনভার।
দুটি কবিতাই খুব সুন্দর। মনোমুগ্ধকর।
উত্তরমুছুনআন্তরিক ধন্যবাদ শুভেচ্ছা জানাই কবি।
মুছুনএই মন্তব্যটি লেখক দ্বারা সরানো হয়েছে।
মুছুনমন ভরে গেল।
উত্তরমুছুনআন্তরিক ধন্যবাদ কবি।
মুছুন