জীবনবোধের কবিতা -৩৩
পূর্বপাঠ
তপনজ্যোতি মাজি
পিথাগরাসের সঙ্গে আমার ইস্কুলের অঙ্কের স্যার
অবনীমোহনবাবুর কি সম্পর্ক বুঝতে পারিনি পঞ্চম
শ্রেণীতে।
বড় হয়ে বুঝেছি অঙ্ক ব্যাপারটা দ্বিমাত্রিক,ঠিক বা
ভুল। মাঝামাঝি কিছু হয়না। কিছু কিছু মানুষ কে
মনে হয় দেবদারু বৃক্ষ। আকাশ ছুঁয়ে ফেলার ব্রত
নিয়ে চলেন সর্বক্ষণ।
বাকি মানুষেরা কেমন, বিস্তর উপমা খুঁজেছি,ব্যর্থ
হয়েছি মনোমত তুলনায় শ্রেণিচরিত্র নির্ধারণে। কে
কেমন এই নিয়ে পি এন পি সি চলে বাড়ি থেকে
বাজারের ঠেক পর্যন্ত।
অঙ্ক ও মানুষের সম্পর্কের কথা বলতে গিয়ে স্যার
পিথাগরাসের কথা বলেছিলেন গল্প ও দর্শন মিশিয়ে।
গল্প মনে নেই। কিন্তু দর্শন মুছে যায়নি বেশ কয়েক
দশকের সৌর আবর্তনে
অঙ্ক জীবন পিথাগরাস এবং অবণীমোহন স্যার যেন
অতিকায় চতুর্ভুজের চারটি বাহু। আমি সেই কল্পিত চতুর্ভুজের মধ্যে লগ্ন হয়ে আছি। ভুলে যাওয়া গল্পের
নুড়ি কুড়িয়ে যাচ্ছি ক্লান্তিহীন।
নুড়ি গুলিকে কখনও মনে হয় শূন্য সংখ্যা,কখনও
মনে হয় শব্দ। সাজিয়ে নিলেই অঙ্ক। এলোমেলো
করে দিলেই কবিতা।

খুব ভালো লাগলো।
উত্তরমুছুন