জীবনবোধের কবিতা -২২
মৃত্তিকামানুষ
শুভঙ্কর দাস
মহাশূন্য সহসা মাতৃমুখ। আঁচলে ধুলোর নক্ষত্ররাজি
জন্মের খুব কাছে বসে আছে নিশুতি, তার হয়নি ছুটি!
ঝর্ণার জলে পড়েছে ছায়া,পিতৃপুরুষের।
পিপাসাটুকু আয়না হয়ে স্থির, বেরিয়ে এলো যাবতীয় প্রার্থনা।
স্বপ্নশস্য,কুসুমজন্মান্তর, শাশ্বত-উদ্যান,আরও কিছু কাল্পনিক অলংকার।
সবকিছু রেখে,ঈশ্বর,প্রতিদিন রুগ্ন হতে হতে মোমের সলতে।
একটা সংঘর্ষ, ক্ষুধা। একটা বিচার,তৃষ্ণা। একটা শপথ,হৃদয়দানের
মাটি গর্ভবতী হল।বীজধানে সঞ্চিত সুধা,অমরত্বের
অথচ কোনো সাড়াশব্দ নেই, কোনো অভিযান,কোনো আকাশ
অন্ধকার জমাট হয়ে দরজা,একবিন্দু আলো
কী? আসলে সেই আলো বসুন্ধরা,
রক্তমাংসের মানুষ হওয়া!

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন