পৌষ এল ঘরে -৪
প্রিয়াঙ্কা তুঙ্গ
১.
প্রয়াত
রেশনের চাল বেচে কিনে নিল দড়ি
পা ঠেকল সাইকেলের পায়ায়
জীবন এগিয়ে চলেছে দুই চাকার ক্রমাগত ঘর্ষনে
যেখানে থামে সেখানে তাদের বসতবাড়ি।
পুলিশে পুলিশে ছয়লাপ
মুখ ঢাকা সব সংক্রমনকারি
হাতে পায়ে অনবীকরনযোগ্য আস্তরন
মৃত্যুর পি.পি.ই কিট পরে ফেরত এল জীবনের বাপ।
ঘরে তালা দেওয়া
অপ্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ভেঁঙে জীবন ঢুকে
গেল রান্নাঘরে
ক্রমাগত নিস্তেজ হল ক্ষিদের কাঠামো
তারপর কাঁধে হাত রাখল পুরাতন হাওয়া।
দেখতে দেখতে চলে এল শ্রাবণ
মাটি আঁকড়ে জন্ম নিল জাতিস্মর গাছ
আবারও ভবিষ্যত নিশ্চিত করে
পূর্নচ্ছেদে ঝুলে রইল প্রয়াত জীবন।
২.
বর্ধন
ভারতের পা ধরে ঝুলে আছি বহুকাল
কূটনীতিবিদ আমাকে হতেই হবে ।
অর্থশাস্ত্র আমার মাথায় ঢোকে না
তাই দীর্ঘ অবসরে ফুলের দোকান দেব।
আমি মানুষের চেয়ে তার ছায়াকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছি
নেহাতই ঘড়ি ছিল না তাই।
এবার ভাবতেই পারো মানুষ ভয়ে কাতর
আসলে তা নয় ওরা ঠিক জানে ডাইনোসর হবেনা ওরা
এতো উন্নতি দেখে কার না পেছন জ্বলে বলুন!
শুধু জমি বাড়ির ভাগ চাইলেই দোষ!
আপনাদের নাহয় দু-চাকায় ঠেল পড়ে
আর উনাদের যে বারোমাসি ফোসকা!
আজ বহুকাল হলো এভাবে ভারতের পা ধরে ঝুলে আছি
আমাকে ফেলতে কিংবা তুলতে কিছুতেই ইচ্ছুক নয় সে।
Baa...!valo
উত্তরমুছুনধন্যবাদ।
মুছুন