লেবেল

বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২১

ধারাবাহিক রহস্য উপন্যাস (পর্ব-২০)।। নেপথ্য সংগীতের আড়ালে — অনন্যা দাশ।। Ankurisha ।।E.Magazine ।।Bengali poem in literature ।।

 







ধারাবাহিক  রহস্য উপন্যাস (পর্ব-২০)

নেপথ্য সংগীতের আড়ালে 

অনন্যা  দাশ 





পরদিন সকালে স্বাভাবিকভাবেই সবর ঘুম থেকে উঠতেবে দেরি হল। ভাগ্য ভাল সে দিনটা শনিবার আর জিকো কেকার স্কুল ছুটি ছিল। ভেঙ্কাট আঙ্কেলের বিকেলের ফ্লাইটে ফিরে যাওয়া কথামানে কালনাগ ধরা না পড়লে উনি আরো কিছুদিন থাকতেন কিন্তু রাজেশ্বর ঝা ধরা পড়ে যাওয়াতে উনি ফ্লাইটটা এগিয়ে নিয়েছেন।

 

ব্রেকফাস্টে লুচি আলুরদম খেতে খেতে জিকো মামাকে চেপে ধরল, “পুরো বাপারটা কি হয়েছিল বলো। তোমরা কি করে জানলে যে রাজেশ্বর ঝাই কালনাগ।



ব্রেকফাস্টে লুচি আলুর দম খেতে খেতে জিকো মামাকে চেপে ধরল, “পুরো বাপারটা কি হয়েছিল বলো। তোমরা কি করে জানলে যে রাজেশ্বর ঝাই কালনাগ।

 

মামা হেসে বললেন, “একটু অপেক্ষা কর, অখিলবাবু রওনা হয়েছেন উনি এসে পৌঁছলে তারপর সব বলব, নাহলে দুবার করে সব বলতে হবে। রাতে কী হয়ছে সে সব অবশ্য ওনাকে বলিনিএলেই জানতে পারবেন।“

একটু পরেই অখিলবাবু এসে হাজির হলেন। জিকোর কাছে আগের রাতের ঘটনা সব শুনে আক্ষেপ করে বললেন, “ওরে বাবা এত সাংঘাতিক জিনিস মিস করলাম! এক রাতে এক কিছু হয়ে গেল!”

শেষমেষ লুচি আলুরদমের প্লেট হাতে নিয়ে বললেন, “হ্যাঁএবার বলুন কি করে এসব হল।

মামা বলতে শুরু করলেন, “অজিত পাঠক বা ধূর্জটিবাবু কেউই যে কালনাগ নন সেটা আমি ভূষণের সঙ্গে কথা বলেই বুঝতে পারি। ভূষণকে ফোন করতে সে আমাকে জিজ্ঞেস করে ওর মা-  মণিহার গানটা শুনে অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার ব্যাপারটা আমি জানি কিনা। আমি বললাম হ্যাঁ জানিওটা তো আমার জামাইবাবু আমাকে বলেছেন। তখন  বলে যে অনুষ্ঠানের পর বাড়ি ফেরার পথে নাকি ওর মা বলছিলেন, “কি লজ্জার ব্যাপ্যাঁর। অতগুলো লোককে বিরক্ত করলাম আমি! তখন ভূষণ মাকে বলে, কালনাগ ওই গানের কথাগুলো তোমাকে বলেছিল বলে ওগুলো শুনে তুমি অজ্ঞান হয়ে পড়েছিলে তাতে আর লজ্জার কি আছে? ওটা তো একটা বিভীষিকা ছিল।

তাতে প্রভাদেবী খুব চমকে যানবলেন, “তুমি জানলে কি করে?”

কেন রাজেশ্বর ঝার বইটাতেই তো লেখা আছে। সেখানে তো ওই ঘটনাটার বিস্তারিত বর্ণনা আছে। ইন ফ্যাক্ট একটা গোটা চ্যাপটার আছে ঘটনাটাকে নিয়ে। উনি তে৷ পুলিশ রিপোর্ট ঘেঁটে অনেক পরিশ্রম করে ওটা লিখেছেন বলেছিলেন।

প্রভাদেবী তখন ভীষণ বিস্মিত হয়ে মাথা নাড়েন। বলেন, “ভূষণ তুমি তো বলছিলে না কালনাগ ধরা পড়েছেঅজিত পাঠকই নাকি কালনাগ।

ভূষণ হ্যাঁ বলাতে উনি বলেন, “কিন্ত তা তো হতে পারে না। কালনাগ যে ওই কথাগুলো আমাকে বলেছিল সেটাতো আমি কাউকে বলিনিপুলিশকেও না।


 তখন আমি এতটাই ভেঙ্গে পড়েছিলাম যে খালি কাঁদছিলাম আর তিনদিন হাসপাতালে থাকার পর ওই কথাগুলো আমার মাথাতেই ছিল না।





চলবে...





আরও  পড়ুন 👇👇👇👇


https://wwwankurisha.blogspot.com/2021/04/ankurisha-emagazine-bengali-poem-in_15.html






কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন