জীবনবোধের কবিতা -৩
পরাবাস্তব
বাবলু গিরি
আমি রৌদ্রের মধ্যে শরীরকে ডুবিয়ে দিয়ে
জলকে বলি সাঁতার কাটো সূর্যের শরীরে
আর ভেসে যাক চাঁদ ঐ কালো জলে
আমার শরীরে তখন গুঁড়ো গুঁড়ো রোদ
সেইসময় বাস্তবের ঘরে অবাস্তবের খেলা
চেতনার ঘরে স্বপ্নসব হুড়মুড়িয়ে ঢুকে পড়ে
ওমা হঠাৎ দেখি ফুটপাতের ঘর থেকে
এক বালক রুগ্ন হাত বাড়িয়েছে
একে কি স্বপ্নের ঘরে বাস্তব না বাস্তবের ঘরে স্বপ্ন বলবে?
আমি বলবো ঐ ফুটপাতের ঘরটা আমারও হতে পারতো
চিৎকার করে বলতাম - দুমুঠো ভাত ছাড়া এ পৃথিবীতে কিছুই মূল্যবান নয়
তখনও পূর্ণিমার চাঁদ প্রণপনে অন্ধকার রাত্রিকে মুছে দিতে চাইছে
আর আমি তখন চাঁদের কম্বল গায়ে দিয়ে
ফুটপাতের ঘরে ঠক ঠক কাঁপছি
ফ্লাটবাড়ির স্যুটকোট পরা বাবুটা রোদ্দুর মেখে কটি পয়সা ছুঁড়ে দেবে
আমার অন্ধকার ফুটপাতের ঘরে।
ওমা এখন দেখি আমিই রোদ্দুর মেখে স্যুটকোট পরে দঁড়িয়ে আছি
আমার সামনে চাঁদের কম্বল গায়ে বলছে
দাও কৈ দাও দেবেনা যা তুমি দিতে চাও?
আমি অবাক হয়ে দেখছি -
ছেলেটা আমায় দয়া করছে,
আর মুঠো মুঠো রোদ ভিক্ষে দিচ্ছে ।

খুব ভালো লাগলো কবিতাটি।
উত্তরমুছুনখুব ভালো লাগলো লেখাটি।
উত্তরমুছুনKhub sundor bhabona
উত্তরমুছুনকবি বাবলু গিরির "পরাবাস্তব " নামের কবিতা কবির মান বুঝিয়ে দেয়। কত দূরুহ খেলা তাঁর হাতের শব্দ বুনুনিতে।
উত্তরমুছুন