হেমন্তের সকাল -৪৯
বনশ্রী রায় দাস
১
দূরত্ববেলার কথা
আকাশ মাটি মাঝ বরাবর সবুজ হাইফেন
চিপসে গিয়েছে চড়াইঘর ছাতারে-ছাতা,
মৌটুসি পায়নি ঠোঁটের-মধু, খড়কুটো
অবদমিত ঝড়ের দিন,বোঝে না নূপুরছন্দ ।
নদী ও বিদ্যুতের একতরফা খেয়ালিপনা,
কোথায় পালাবে জলপাড়া পেরিয়ে ?
সিঁড়ির প্রতিটি ধাপে কেউটের ছোবল
দূরত্বডাঙা ফোঁপায় ঢেউফনা তুলে ।
যুগ যুগ ধরে কঠিন শীত আস্কারা
বুঝেছি আমার শীত ও বসন্তে ভীষণ ভাব
পার্থক্য শুধু একটি বিশেষ বাতাসের।
২.
কসাই
তখন ছোট্টটি, মনের সুখে নরম ঘাসে লুটোপুটি
টানাটানা চোখে নীহারিকা খেলা
ত্বকের তৈলাক্ত থেকে উঁকি দেয় ফিদাহুসেন
শরীরময় মৃগনাভিফুলের সুগন্ধ
বন থেকে তুলে নিয়ে এলে তাকে, মায়া-হরিণী
চুম্বনে চুম্বনে রামধনু রাখলে চোখে ঠোঁটে
আদরে আদরে লজ্জা পেয়ে নেমে আসে চাঁদরেণু তারাদের হিরণ্ময় স্রোত,
কিশোরীকাল পেরিয়ে ঋতু ডেকেছিল যেদিন
নিজস্ব নদীতে কানায় কানায় ।
যাকে প্রেমের নৌকো দিলে তাকেই হত্যা করতে
উদ্যত হলো তোমার ছুরিকা
চোখ রক্তজবা, হিংস্র হয়ে উঠলো দাঁত,নখ
তার রক্ত মাংস হাড় চিবিয়ে খাওয়ার জন্য
ঠিক বিশ্বস্ত প্রেমিকার অ-বিশ্বস্ত প্রেমিকের মতো ।
সুন্দর
উত্তরমুছুনদারুণ!!
উত্তরমুছুনগভীর অনুভবে ঋদ্ধ কবিতা দুটি
উত্তরমুছুন