বিশেষ নিবন্ধ
হিন্দুদের কাছে কয়টি প্রশ্ন🙏🙏
[Some queries to the Hindus, by Ridendick Mitro, India ]
— ঋদেনদিক মিত্রো
আজ পৃথিবীর কঠিনতর সময়, সমাজ, দেশ বিশ্ব বিপন্ন ! এই নিবন্ধটি সংক্ষেপে একটি সতর্ক বার্তা হিসেবে বন্ধু পড়তে শুরু করুন, মানুষের বুদ্ধি নিয়ে, পুতুলের বুদ্ধি নিয়ে নয়, এটাই অনুরোধ করি ! শুরু করা যাক !
আগে একটা কথা বলে নিই, নানা জ্ঞানীর নানা চিন্তা নিয়ে আমরা চর্চা করতেই পারি, কিন্তু, শিষ্যত্বের প্রকরণ সমাজের ভিতর একেকটি পর্যায়ের মানুষদের একমুখী ভাবনায় ভাবিত ও চালিত করে, যখন চিন্তার নানা মুখি ইচ্ছে ও সামর্থকে নিস্তেজ করে দেয় ! এর ফলে হিন্দুজনগোষ্ঠীর মাঝে জ্ঞানচর্চার অবস্থান ও জীবনধারাগুলি বদ্ধ প্রবণতায় ঢুকে আছে, যেটা মানব সমাজের ক্ষেত্রে ক্ষতিকারক !কেউ যদি বলেন যে, শিষ্যত্বের প্রকরণে কেউ না কেউ তো কিছু চিন্তা ভাবনার সাথে পরিচিত হচ্ছে, --- এই শিষ্যত্বের প্রকরণে না এলে তো সেটুকুও জীবনে শিখবে না ! এখানে প্রশ্ন চলে আসে, তাহলে হিন্দুজনগোষ্ঠী কতটা চিন্তায় ও জ্ঞানে দুর্বল ও অভ্যেসে তরল ! তাহলে এরা কিসে উন্নত ও উত্তরণের পন্থী? যাক, এবার শুরু করছি !
হিন্দু পরিচয়ের নাগরিকদের শত-শত বা হাজার হাজার ধর্মগুরু, তাঁরা সকলে নিজেদের মত একটা পৃথক নিয়ম পদ্ধতি চালু করেন, এবং এক একটি পৃথক পদ্ধতির ওপর এক একজন নতুন ব্যক্তি নতুনতর গুরু বলে নিজেকে ঘোষণা করেন বা সমাজে গ্রাহ্য হন, এবং নিজেকে দাবী করেন সেরা হিন্দু গুরু বা সেরা অবতার বলে, তাহলে এখানে প্রশ্ন, হিন্দুরা নিজেরা ঠিক করুন --- কোন গুরু তাঁদের সেরা ও বাকিরা তাঁর পরের ধাপ ! তাই কার শিষ্যত্ব নিলে দেশে শান্তি আসবে, কেন, সেটাও প্রমাণ করুক যুক্তি দিয়ে ! তা না করে, একেকজন একেকটা ধর্মগুরু নিয়ে প্রচার দেবে, যার কোনো যথার্থ বৈধতা নেই, এটা হিন্দু নানক জনগোষ্ঠীর দুর্বল বুদ্ধি ও চিন্তার আড়ষ্টতার প্রমাণ, যেটা দ্বারা তারা নিজেরাই নিজেদের অবস্থানের ধারাকে অস্তিত্বহীন করছে ! " আমরা হিন্দু -হিন্দু " বলে মিছিল হল্লা করলে তাতে কার কী যায় আসে, নির্বোধ ও সুবিধেবাদী জনগোষ্ঠীর মিটিং মিছিল আর গদি দখলের ফলাফলে কার কী যায় আসে, মূলত এর ফলে হিন্দু জনগোষ্ঠী আরো লুপ্ত হবার দিকে এগুবে, কারণ এদের স্বভাব চরিত্র হলো নেগেটিভ ! যাদের স্বভাবে থাকে পক্ষপাতিত্ব, সংকীর্ণ পরিবার প্রথা, আত্মকেন্দ্রিকতা, আগ্রাসন, কুটিলতা, জালিয়াতি, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে ভয়, নিজের অন্যায় করার ধারাকে বজায় রাখতে --- মানে অন্যায় করেও ধরা না পড়ার জন্য রাজনৈতিক দল গঠন করা, এবং সেটাকে গণতন্ত্র আখ্যা দিয়ে সচল করে রাখা, ও সেটাকে শাসনতন্ত্র হিসেবে ঘোষণা করা, --- এতো সব কুকীর্তির মহানায়ক মহানায়িকা যারা, তারা তো হিন্দু হিসেবে পরিচয় দিতে এগিয়ে আসবে, মানুষ হিসাবে পরিচয় দিতে ভয় পাবে !
হিন্দু জনগোষ্ঠী মানে এখানে হিন্দু পরিচয়ে নিজেদের বিশ্বাস করে এমন জনগোষ্ঠীকেই বোঝাবে, কারণ, প্রকৃতির কাছে বিভাজিত উপায়ে মানুষের অস্তিত্ব হাস্যকর ! তাই হিন্দু পরিচয় একটা রকমের জীবন ধারার জনগোষ্ঠী বিশেষ ছাড়া আর কিছু নয় !
অদ্ভুত ব্যাপার, এরা নিজেদের "মানুষ" বলে পরিচয় দেয় না, এরা বলে -- আমি অমুকের শিষ্য, কেউ বলে -- আমি অমুক রাজনীতির লোক, কেউ বলে -- আমি জাতে অমুক, কেউ বলে --- আমি ধনী বা গরীব !কিন্তু, কেউ একজনও বলে না --- আমি মানুষ !
এই অসৎ জনগোষ্ঠীর ওপর রাজকোষের ভার, এই আগ্রাসী জনগোষ্ঠীর ওপর অস্ত্র তৈরীর ভার, এই অস্তিত্ব বিক্রি-করা জনগোষ্ঠীর ওপর দেশের নিরাপত্তার ভার, এই ঘুষখোর জনগোষ্ঠীর ওপর মানব অধিকার কমিশনের ভার, এই রেষারেষিবাজ জনগোষ্ঠীর ওপর মানুষের মাঝে মৈত্রী স্থাপনের ভার, এই নিষ্ঠুর শিকারবাজ জনগোষ্ঠীর ওপর অরণ্য প্রাণী রক্ষার ভার, এই দায়িত্বজ্ঞানহীন জনগোষ্ঠীর ওপর প্রকৃতি রক্ষার ভার, এই জ্ঞানপাপী জনগোষ্ঠীর ওপর একাডেমিক ডিগ্রী ও শিক্ষা ব্যাবস্থার ভার, এই ল্যাঙবাজ জনগোষ্ঠীর ওপর যোগ্য গুনীদের নির্বাচন করা ও তাঁদেরকে পুরস্কার ও সম্মান দেবার ভার, এই ফাঁকিবাজ ও চোর জনগোষ্ঠীর ওপর আইন প্রণয়ন করার ভার, --- এতোগুলি বিপরীত-ধর্মী বিষয় যে-দেশে, সে-দেশের উন্নতি হবে কী করে ! হিন্দু মানে হিন্দু, এমোনি এক অদ্ভুত জনগোষ্ঠী, যারা সব প্রশ্ন উত্তরের বাইরে সভ্যতার এক বিশেষ উপকরণ, যাদের কোনো ভাবেই ব্যাখ্যা করার বৃথা চেষ্টা না করে -- অপলক দৃষ্টিতে দেখতে হয় ! আর, "বাহ বাহ " বলে হাততালি বাজাতে হয় !যারা মুক্ত চিন্তা করে বলে দাবী করে, কিন্তু সবচেয়ে বদ্ধ চৌবাচ্চার জীবগোষ্ঠী, যারা গ্রন্থ কিনতে ভয় পায়, কোনো ভাবে কিনলেও পড়তে ভয় পায়, সুদে টাকা খাটায়, সারা দিন রাত বোকা কোথায় আছে খুঁজে যায় --- শিকার করার জন্য, শিশু ও নারী অপহরণও যাদের কাছে একটা পেশা, সেই সাথে আরো বহু এমন পেশা এরা নেয় যেগুলি উচ্চারণ করতে গা শিউরে ওঠে, --- এসব নিয়ে হিন্দু !
এই কথাগুলির একটি কথাও কেউ অযৌক্তিক বলে প্রমাণ করলে আমি তারপর থেকে হিন্দুত্বের হয়ে সৈনিক হবো ! কিন্তু, সেটা কেউ প্রমাণ করতে এসে প্রমাণ করতে না পারলে তাহলে তিনি কী করবেন --- আমি যা বলবো সেটাই শুনবেন তো?
আমার বিরুদ্ধে প্রতিবাদীরা তাঁদের প্রত্যেকের কেন্দ্র-ধর্মগুরুদের এই লেখাটা পাঠিয়ে আমাকে ভুল বলে প্রতিপন্ন করুন ! তাহলেই তাঁরা তাঁদের গর্বের প্রকৃত হিন্দু পরিচয়টা নিয়ে নীতিগত ভাবে সঠিক থাকবেন !
আসলে, হিন্দু এমন একটি জনগোষ্ঠী, যাদের ডানপন্থী, বামপন্থী, গণতন্ত্র, রাজতন্ত্র বলে কিছু ফারাক নেই, মূলত এরা সুবিধেবাদী একটি জনগোষ্ঠী ও আগ্রাসী ! এদের পরিবারগুলিতে বিশেষ কৃতিত্ব হলো --- বাড়িতে কাজ করা অসহায় লোকদের ওপর নানা উপায়ে মানসিক, কখনো শারীরিক নির্যাতন করা! আর যে-বাড়িতেই যাই, সেই বাড়ির লোক বলে -- জানেন তো, এই পাড়ায় আমাদের বাড়িটাই চিন্তায়, আচরণে, শিক্ষায় উন্নত, প্রতিবেশীরা সুবিধের নয় !
শিক্ষায় প্রতারণা হিন্দুদের গৌরব ! চুক্তি অস্বীকার করা হিন্দুদের গৌরব, স্বজন পোষণ হল হিন্দুদের গৌরব, নানা উপায়ে লুট করা হিন্দুদের বংশানুক্রমিক গৌরব, হাঁক দিয়ে কথা বলা হিন্দুদের আভিজাত্য --- যেটাকে দানবতা বলা হয় !এরা আবার অন্য ধর্মকে দোষ দেয় --- ইতরিয় বলে ! যে-ধর্ম হোক, ইতরিয় কাজটা ইতরিয় বটে, কিন্তু হিন্দু নামক জনগোষ্ঠী তো সব ইতরিয় চিন্তা ও কাজের আদি গুরু ! না হলে একটা ভুয়ো সংবিধান নিয়ে দেশের সম্পদ হিসেবে গ্রাহ্য করতে পারে কি ? এই সব ইতরিয় কাজে দক্ষ ভাবে সাহায্য করেছেন আধুনিক সময়ে ড. বি -আর আম্বেদকর নামক একটা নির্বোধ ! তাকেই মাথায় তুলে নিয়ে হিন্দু জনগোষ্ঠী নাচে ! যে লোকটি মানুষকে ছোটলোক বানিয়ে সুবিধে দেবার শর্তে সংবিধান বানিয়েছে, জাতিভেদের কুসংস্কার তুলে দেবার জন্য জাতিভেদকে সায় দিয়ে -- জাতিভেদের চুক্তিতে মানুষকে আত্মবিশ্বাস নষ্ট করে সুযোগ পাবার রীতি চালু করেছে, এবং যে-দেশের হিন্দুরা, সমস্ত পদবীর হিন্দুরা সেটা মেনে নিয়ে হেঁটে চলেছে -- সেই দেশের নাগরিক তথা হিন্দুজনগোষ্ঠী স্বপ্ন দেখে দেশের শান্তি ও উন্নতির জন্য ! যাঁরা যে-নেতাকে গালি পাড়ে তাঁকেই আবার ভোট দেয়, ও তার হয়ে লড়াই করে ও প্রতিবেশী ভাই বা বন্ধুকে হত্যা করে বা তার সম্পদ লুট করে, --- এই চরিত্রের লোকেরা তো হিন্দু !জুয়া, মদ, মামলা, ঘুষ, ভুয়ো শিক্ষা, উপকার নিয়ে কৃতজ্ঞ না থাকা, পন প্রথা, ভেজাল খবার, জাল ঔষধ, জাল দলিল, অথর্ব ক্লাব, এগুলি হিন্দুদের পুরুষানুক্রমিক সম্পদ ! টাকা দিয়ে বা হুমকি দিয়ে মিডিয়াকে দাস বানিয়ে রাখা, এগুলিও হিন্দুদের আদর্শ !এদের আবার জাতীয়তা-বোধ ! এরা এতো নির্বোধ যে, নিজেরাই নিজেদের সর্বনাশের মূল, এটা দেখতে পায় না, গালি পাড়ে অন্য ধর্মকে ও অন্য দেশকে !
হিন্দুদের বিশেষ বৈশিষ্ট টিউশনি মাস্টারকে নানা উপায়ে প্রতারণা করা, এবং নানা হীন বিদ্যা ও অভ্যেস গুরুজনরা তাদের বংশধরদের শেখায় ! এরা দোকানে বাকী করলে শোধ দিতে চায় না ! টাকা ধার নিলে দিতে চায় না ! যারা দাবী করে যে, তাহলে এতো চিন্তা, কাজ, ভাবনা ও জগতের উত্তরণ, সৃষ্টি, এসব তো অনেক হিন্দু করেছে ! আমি এর উত্তরে বলি যে, কোনো ভালো কাজ কোনো হিন্দু করেনি, ভালো কাজ করে ভালো মানুষ! সেটাকে হিন্দুরা নিজের দিকে টেনে নিয়ে হিন্দুর কাজ বলে দাবী করে !
হিন্দু মানে শুধু একটি জনগোষ্ঠী বা ভুল চরিত্রের জনগণ নয়, হিন্দু মানে দূষণ ! শিক্ষায় দূষণ, স্বভাবে দূষণ, অভ্যেসে দূষণ, কর্মে দূষণ, আচরণে দূষণ, আইনে দূষণ, খাদ্যে দূষণ, চিকিৎসায় দূষণ, -- সব দিকে দূষণের মাস্টার হলো হিন্দু নামক জনগোষ্ঠী ! এরা ঘরের ভিতর একজন আর একজনের সিন্দুক ভাঙে, বালিশের তলা থেকে পয়সা চুরি করে ! প্রতি ক্ষেত্রে কুটিলতা ও রাজনীতি ও বিপন্ন করার প্রণালী এদের থেকে শেখো ! যাদের প্রবণতা মুক্ত হয়ে ক্ষতি করা, তারা কী করে মুক্ত চিন্তার আদর্শ বলে নিজেদের দাবী করে? এর পরেও বলছি, যদি কোনো সরকার দাবী করে যে, হিন্দুরাষ্ট্র হয়ে ভারত একটা ভারসাম্যে আসবে, সেটাও হোক যদি সত্যিই তাদের গোপন কোনো বিজ্ঞান জানা থাকে ! কারণ, "শান্তি " শব্দটা তো কোনো নির্দিষ্ট ধর্মের জিনিস নয়, এটা জীব জগতের জিনিস ও অধিকার ! এবং একটি দেশে শান্তি আসে সকলের ইচ্ছেতে, হিন্দুর ইচ্ছেতে নয়!
হিন্দু মানে, রাজনৈতিক স্বার্থে প্রতিবেশী দেশের লোককে নিয়ে এসে নাগরিকতা দেওয়ার পর আবার তাদের বৈধ নাগরিক হিসেবে প্রমাণ দেবার চাপ দিয়ে ইতর আচরণ করা ! হিন্দু মানে, কলকারখানার মালিক হয়ে শ্রমিকদের ওপর নানা উপায়ে ইতর আচরণ করা ! হিন্দু মানে ছোট্ট শিশুকে নিষ্ঠুর হয়ে মারতে থাকা, এরাই আবার দাবী করে, এরা দয়াশীল ও স্নেহশীল ! হিন্দু মানে যারা বিজ্ঞান, ধর্ম, কর্ম, শিক্ষা, এসবের কোনো নিয়ম মানে না, একটা চির মূর্খ বা চির শয়তান এর জনগোষ্ঠী !
আপনি যদি দাবী করেন, আপনি হিন্দু, তবু ভালো লোক, তাহলে বলবো, আপনি হিন্দু নয়, হিন্দু বিরোধী একটি একক মানুষ নিজের অজান্তে ! আপনাকে " হিন্দু " বলে তকমা চাপিয়ে ভুল বোঝানো হচ্ছে ! এই লেখা কোনো রেষারেষির জন্য নয়, বরং নিজেদেরকে উপলব্ধি করে সচেতন হয়ে একটি সভ্য সৎ সমাজ দেশ গঠন করার জন্য লেখা ! কেউ এটা পড়ে ভুল ব্যাখ্যা করলে সেটা তাঁর বোঝবার ভুল ছাড়া আর কিছু নয় ! সেজন্য লেখক বা সম্পাদক দায়ী হবে কেন !
দেশ পৃথিবীর অবস্থা কঠিনতর, আমাদের সবাইকে নতুন কিছু ভাবার সময় এলো ! কারণ, জোড়াতালি দিয়ে উল্টো পাল্টা করে সমাজ দেশ পৃথিবী আর চলছে না !এবং কোনো রাজনৈতিক পথ মানুষকে শান্তি দিতে পারে না, কারণ, রাজনীতির চরিত্র ঘুরিয়ে ফিরিয়ে রাজনীতি করা, চিন্তা ও জ্ঞানের অতল গভীরে এরা কেউই যায় না ! তাই প্রতিটি মানুষকে নিজ -দায়িত্বে গড়ে তুলতে হবে তার নিজস্ব চিন্তা, অভ্যেস ও মানসিক গঠন, খুব গোপনে ও ব্যাপ্ত সক্রিয়তায় ! তাছাড়া দেশ, পৃথিবীর দুর্দশা যাবে না ! আর, সেটা দিনক্ষণ ঠিক করে নয়, এখন থেকেই করতে হবে আপনাকে ! আপনার জন্য, সমগ্র সমাজ, দেশ ও পৃথিবীর জন্য ! আসুন, শুরু করি সেই কাজ, সত্যিকারের কাজ ! এবং এই নিয়ে পরিস্থিতি অনুযায়ী আলোচনা করি ও সমাজকে একটু -একটু পরিসরে বদল করি ! জানি, এটা সোজা নয় ! আবার, কোনো কাজটা সঠিক পন্থায় করতে চাইলে কাজটা অনেকটা সোজা হয়ে যায় !তবে, বেইমান থেকে সাবধান, যারা আপনাকে আপনার সঠিক ভাবনা ও সঠিক কাজ থেকে সরাতে নানা উপায়ে কৌশল করবে ! আর, এই সব বেইমানরা নিজের বাড়িতেও থাকতে পারে ! কোনো বড় কাজে নিজের পরিবারের প্রতিও বিশ্বাস রাখতে নেই --- এই সত্যকে যখন আপনি বিশ্বাস করে চলবেন, তখনি আপনি বড় কাজে জয়লাভ করবেন !
একটা কথা, আমার এই লেখা কোনো ধর্মের বিরুদ্ধে বা রাজনৈতিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে নয়, বরং, সকলেই সংশোধিত হবার ইচ্ছে ও দায়িত্ব নিয়ে দেশ ও বিশ্বকে সুস্থ করে তুলতে হবে, না হলে সমগ্র জগতের অস্তিত্ব বিপন্ন ! আমি এইসব বিষয় নিয়ে নানা নিবন্ধ ও গ্রন্হ লিখেছি, যেগুলি প্রকাশিত, এবং গ্রন্থগুলি সরকার রেজিস্ট্রিকৃত ! অথচ সরকার এইসব বিষয়ে নীরব থেকে পুরো ভাবনাকে এড়িয়ে যাবার চেষ্টা করেছে ! যদিও একবছর সশ্রম কারাদণ্ডের চ্যালেঞ্জ নিয়ে সেই চ্যালেঞ্জ প্রকাশ করে গ্রন্থ বেরুলেও, সরকার পক্ষ নীরবতা পালন করে চলেছে ! এবং আমার ওই গ্রন্থের সাথে রাজ্যসরকার ও কেন্দ্রীয় সরকার পরিচিত আছেন, কারণ পাবলিশার সেই বিতর্কিত গ্রন্থ বিভিন্ন নেতা নেত্রীদের speed post করে পাঠিয়েছিলেন ! আবার, এই সব গ্রন্থ সরকারের চোখ এড়িয়ে যায়না এমনিতেই !দুঃখের সাথে জানাচ্ছি, এই নীরবতার কারণটা তাঁরাই জানেন ! আপাতত এক্ষেত্রে একটি গ্রন্থের নাম বলি " দংশন " ! ৩৮৪ ( তিনশত চুরাশি পৃষ্ঠা ) নন -ফিক্শন (মানে কাহিনী ধর্মী সত্য ঘটনা নিয়ে গ্রন্থ ) ২০১৬তে প্রকাশিত এই মহাউপন্যাস নিয়ে অনেক জলঘোলা হয়েছে ! নানা স্থানে ভুল সংবিধানকে তুলে দেবার জন্য আন্দোলন গঠিত হচ্ছে ! এক শ্রেণীর দায়িত্বশীল মানুষ আম্বেদকরের বিরুদ্ধে প্রচুর যুক্তি খুঁজে পেয়েছেন, আমার এই গ্রন্থের সাঁইত্রিশ অধ্যায় থেকে ! যদিও বাস্তবে কেউ -কেউ আমার ওই সব বিতর্কিত সাহসী নিবন্ধ ( নানা পত্র পত্রিকায় বেরিয়েছিল )ও গ্রন্থের কথা অস্বীকার করতে পারেন, সেটা তাঁদের বিচার ! ওই গ্রন্থতে বিভিন্ন অধ্যায়ে আছে সারা দেশ বিশ্ব নিয়ে অনেক কিছু রহস্য !
দাম ৬০০.০০/-, ছয়শত টাকা মাত্র !
গ্রন্থটি নিয়ে আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড থেকে প্রকাশিত " বইয়ের দেশ " প্রশংসিত আলোচনা বেরিয়েছিল ! বারবার নানা কৌশলে চেষ্টা হয়েছে ও হচ্ছে গ্রন্থটিকে অকেজোর লিস্টে ফেলে রাখার !
আসুন তো, বিষয়গুলি একটু ভাবি !
---------------------------------------
( Ridendick Mitro )
পরিচিতি :- ঋদেনদিক মিত্রো ( Ridendick Mitro) কলকাতা, ভারত, পেশায় ইংরেজি ও বাংলা ভাষায় পৃথক ভাবে কবি -উপন্যাসিক -গীতিকার-নিবন্ধকার , একটি বিশ্বজাতীয় সংগীত " World anthem -- we are the citizen of the earth ", " corona anthem 2020 official bengali song " (আগ্রাসনের নেশার সাথে হিংসা সীমাছাড়া ) প্রভৃতি বিশেষ ধরণের সংগীতের রচয়িতা ! ২০২০ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা ১৮-১৯ (আঠেরো -উনিশ ) টি ! একই সাথে বিভিন্ন দেশের পত্রিকার লেখক !
কলকাতা, ভারত
---------------------------------------------------------------------


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন