(পুত্র)
লোকটাই বাড়ি ফিরলো না
বিমল মণ্ডল
শৈশব , কৈশোর , যৌবন পেরিয়ে
প্রকাশ্য রাস্তায় রাস্তায় কর্ম ব্যস্ততায় লোকটা ৫০টা বছর কেটে যায়
সংসার সামলাতে সামলাতে
বয়সের ভার নামে
মনের মধ্যে অসম্ভব তৃষ্ণা
হেঁটে যায় , যায় হেঁটে ক্রমান্বয়ে
মাথায় তার অনন্ত কালের আবেদন
লোকটাই বুঝলো না
এতো আশা, ভালোবাসা নিয়ে পিচরাস্তার প্রকাশ্যে
হঠাৎ অদ্ভুত শব্দ
পাকা তরমুজের মতো ভেসে যায় রক্ত আর রক্ত
লোকটাই জানলো না
কিংবা জানতে পারলো না
দু'মিনিটে বিস্ময়বোধ
লোকটার বাড়ি ফেরা হলো না।
লোকটা জানলোই না
বাড়ি ফিরেছে কি না।
(পিতা)
ক্ষতচিহ্ন আর...
ভক্ত গোপাল ভট্টাচার্য
শপথ বাক্যগুলিকেও ওরা
ঢেকে রেখেছে
দেখলাম অভিশপ্ত শরীর সব
নীচে ঘাম-রক্তে ভিজে যাওয়া মাটি ।
ছিল বোনা-স্বপ্নে পায়ে পায়ে মুক্তি
কতো কথা দুর্গের প্রহরীর
কৃষকের স্বপ্নে দেখা মৃত্যু মৃত্যু খেলা
পথে পথে সবার হাতে দুষ্টু বোকা বাক্স
জ্ঞানের ভাড়ার
রঙিন আলো আজ পারদের মতো ঘন
চোখে পিড়ি পেতে বসা
জল থেকে আরোগাঢ় জলে ডোবা
সে সব ভাসমান শরীর
যা হারিয়ে যায় আখড়ার গোপন গহ্বরে
তবুও স্বপ্ন দেখি
নির্জন আকাশ, একা চাঁদ, সূর্যাস্ত
যা কিছু চারিপাশে সব আজ নির্বাসনে
অথচ এরকম হওয়ার কথা ছিলো না
দোলে স্মৃতি, দেশ, কুয়াশা লেপা অন্ধকার
এতো যে শপথ জীবনে
পরিণতিই কি হ'লো বা তার
প্রবাহের চাবুকে মৃত্তিকার আশ্রয়ে আছি
দেহে নিয়ে সংঘর্ষের ক্ষত চিহ্ন আর...
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন