অঙ্কুরীশা পত্রিকা ও আপনার অভিজ্ঞতা
অভিজ্ঞতা —৮
অঙ্কুরীশা
বিকাশরঞ্জন হালদার
'অঙ্কুরীশা' নিয়ে কিছু বলতে গিয়ে শুরুতেই বলতে হয়, 'অঙ্কুরীশা' আমার ঘরের পত্রিকা। কেন না, পত্রিকার সম্পাদক আমার ভাই। আমি দাদা। এ তার'ই দেওয়া ভালোবাসা। মানুষের সঙ্গে এমন আচরণ, মেলামেশা, চিনিয়ে দেয় তার মানবিক মুখ। ভালো কাজ করতে গেলে, আগে একজন ভালো মানুষ হওয়া মনে হয় খুব দরকার একটা পত্রিকার প্রাত্যহিক কাজকর্ম, দ্রুত গতিতে চালিয়ে নিয়ে যাওয়া, মুখের কথা নয়। যা ভাই করে চলেছে, তার অতি ব্যস্ত জীবনে
এ-পত্রিকায় লেখেন না বোধ হয়, এখনকার এমন কেউ নেই। রুচিশীল এই পত্রিকার প্রশ্রয়ে, আবার অনেকেই, লেখালেখিতে একরকম ধারাবাহিক ভাবে এই পত্রিকায় লিখে থাকেন।
এই মুহূর্তে পত্র-পত্রিকার জগতে একটি উজ্জ্বল নাম, 'অঙ্কুরীশা'। নরম মোমের আলোর মত তার ঝিমধরা আকর্ষণ অনুভব করি। এ-পত্রিকা কবিতায়, অনু-গল্পে, প্রবন্ধে, মুক্ত-গদ্যে, ঝলমল করে বারো-মাস।।
আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা স্বীকার করেই বলি, ইতি মধ্যে অঙ্কুরীশা বেশ কয়েকটা প্রিণ্টেড সংখ্যা বের করেছে। তার মধ্যে জীবনানন্দের জীবনের নানা দিক নিয়ে লেখা, বিশেষ সংখ্যাটি বেশ উল্লেখযোগ্য। বহু মানুষের ঘরে স্থান পেয়েছে সংখ্যাটি। সম্পাদক নম্র-নিরলস-কর্মপ্রবণ, কবি ও প্রাবন্ধিক। যেন এক আধারে আলো এবং আগুন। সমাদৃত বহু গুণী-মহলেও।
'অঙ্কুরীশা' স্বপ্ন দ্যাখে, স্বপ্ন দ্যাখায় আমাদের। সংকল্পের বাস্তবতায়, আমারা সবাই কেমন দুরন্ত-দুর্দম! কতো ভালো লাগে আরও নতুন নতুন ভাবনা, নতুন পরিকল্পনা, উঠে আসুক, আমারা একসাথে পথ চলি। সাহিত্যের ধুলো লাগুক আমাদের হৃদয়ের অঙ্গে-প্রত্যঙ্গে। এ-ভাবেই দোলা লাগুক, লাগতেই থাকুক ...

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন