লেবেল

মঙ্গলবার, ১ আগস্ট, ২০২৩

বিষয় - অঙ্কুরীশা সাহিত্য পত্রিকা ও আপনার অভিজ্ঞতা ।। অভিজ্ঞতা -২।। অভিজিৎ মুখোপাধ্যায়।। Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।

 





বিষয় - অঙ্কুরীশা সাহিত্য পত্রিকা ও  আপনার অভিজ্ঞতা 


অভিজ্ঞতা -২

অভিজিৎ মুখোপাধ্যায় 


         অঙ্কুরীশা সাহিত্য পত্রিকা দুটো ভিণ্ণ ধর্র্মী পত্রিকার সংমিশ্রনে গঠিত । প্রথমতঃ একালের ই-পত্রিকা আর সেকালের মুদ্রিত পত্রিকা । খুবই জনপ্রিয় পত্রিকা । জনপ্রিয়তার নেপথ্যে সম্পাদক মহাশয় শ্রী বিমল মন্ডলের সাহিত্যের প্রতি নিষ্ঠা,  ঐকান্তিক ভালোবাসা ও নিরলস পরিশ্রম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য । সারা বছর তিনি ই-পত্রিকার মাধ্যমে বাঙালি লেখক-কবিদের নিয়ে নিজে ব্যস্ত থাকেন ও তাঁদেরকেও ব্যস্ত রাখেন । অর্থাৎ নিজে আচরি ধর্ম অপরকেও তিনি সেই রসে উজ্জিবিত করার চেষ্টা করেন। অঙ্কুরীশা পত্রিকা এক কথায় প্ররণার উৎস । একটা উদাহরণ দেওয়া যাক – আমার অনুগল্প রচনার হাতেখড়ি হয় অঙ্কুরীশা পত্রিকার হাত ধরে । এর আগে আমি অনুগল্প লিখব বলে কখনো ভাবিনি । গত বছর ১/৭/২০২২ তারিখে ‘অনুগল্পের আড্ডা’ শিরোনামে একটি বিজ্ঞাপন দিয়েছিলেন সম্পাদক মহাশয় । তাতে প্রকাশিত গল্পগুলো পাঠ করে যে প্ররণা পেয়েছিলাম তা ভাষায় বর্ণনা করার উর্দ্ধে । তারপর থেকে আমি অনগল্প লেখা শুরু করি । সেই কারণেই আমি বলতে বাধ্য অঙ্কুরীশা পত্রিকা প্রেরণার উৎস । আমি কৃতজ্ঞচিত্তে স্বীকার করি অঙ্কুরীশা পত্রিকার অবদান         

         তিনি স্বয়ং কবি, গল্পকার ও প্রাবন্ধিক সেই কারণে বিষয়-বস্তু চয়ন খুবই উচ্চ মানের হয়ে থাকে । তাঁর আরও একটি বিশেষ গুণ যা না বললেই নয় সেটা হলো তিনি অন্যের লেখায় অযথা কখনো হাত লাগান না । নিজের কৃতিত্ব জাহির করেন না কখনো । তাঁর অভিমত অন্যের দৃষ্টিভঙ্গীকে আমি গলা টিপে হত্যা করার কে ? এই কারণেই অঙ্কুরীশা বহুল জনপ্রিয় উৎকৃষ্টতম একটি সাহিত্য পত্রিকা হিসেবে জনমানসে বিশেষ সুপরিচিত ।

         ব্যক্তিগত ভাবে এই পত্রিকায় লিখতে পেরে আমি খুবই খুশি । আমার লেখা আমারই থাকবে বলে বিশ্বাস থাকে ষোল আনা । এই আত্মবিশ্বাসটা আমার চেতনায় ও মননে সংক্রামিত করার প্রধান কান্ডারি যিনি তিনি আর কেউ নয় অঙ্কুরীশা সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক মহাশয় শ্রী বিমল মন্ডল । এই ব্যাপারে তাঁকে আমি আন্তরিক অভিনন্দন, শ্রদ্ধা ও অকৃত্রিম ভালোবাসা জানাই একই সঙ্গে পত্রিকার দীর্ঘায়ু কামনা করি । অবশ্য কামনা করা যত সহজ পত্রিকাটিকে তিনি কী ভাবে টিকিয়ে রাখেন সেই বিষয়ে আগ্রহ আমাদের নেই বললেই চলে । নিজেদের আত্মসম্মান রক্ষার্থে আমাদের তখন একটাই অজুহাত পত্রিকা চালানোর দায়িত্ব সম্পাদক মহাশয়ের পত্রিকার পাতা ভরিয়ে দেওয়ার দায়িত্ব কেবল আমাদের ।

         শেষ করার আগে একটা কথা বলতে চাই – পশ্চিম বাংলার বুকে এমন কিছু অনুপত্রিকা আছে যাতে লিখে অনাবিল তৃপ্তি পাওয়া যায় তাঁদের মধ্যে অঙ্কুরীশা অন্যতম।  

                                                        

 

 

 

 

 

 

 

 

                       

 

  

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন