কবিতায় বর্তমান সময় —১৩
পিত্তাশয়হীন ও হোমকুন্ডলীর ডি থ্রি পুরুষদের দল
নিমাই জানালম্ব দৈর্ঘ্যের কাশ্যপের ডিম্ব , আশ্রমিক আগুনের ভিতর পিশাচেরা জ্বলছে , পৃথিবীর গর্ভস্থ নীল আবহবিকারের অন্তর্বাস গুলো দাঁত দিয়ে ছিঁড়ে ফেলছি , এখনো শীতল বরফের মত অযৌন বৃষ্টি আসে প্রতিদিন ভোরবেলায়, বৃষ্টির মতো অলৌকিক স্থানাঙ্কের রক্ত মাংসহীন পাথরগুলো ছড়িয়ে দিচ্ছি আমাদের মতো ১৮টি রক্তখেকো পিশাচের মাথার চারপাশে
দাঁত দিয়ে দ্বিবীজপত্রী হৃদপিণ্ডের ভেতরে লুকানো বাদাম আগুনের লেলিহান নাশপাতি জলে ডোবানো অশৌচ যশোবন্ত নামক আর্যাবর্ত ঋষি আশ্রমের দিকে পিত্তাশয়হীন মৃতদেহ গুলোকে নিয়ে হাঁটছি ,
শিরস্ত্রাণহীন রেলগাড়িটি সমান্তরাল রতিময় আগুনের ভেতর থেকে অসংখ্য সামন্তরিক রোদের অক্ষরেখাগুলো নিয়ে নিজের নাভি ছেঁড়ার দুর্গন্ধ খেলা খেলছে , একটি মৃত সাপ সেজে √π সংখ্যাটির মূলদ সংখ্যা খুঁজে পেল না বলে ৩০৩ মৃতদেহের পাশে দুর্গন্ধ পচা দলা দলা মাংসপিণ্ড গুলো নিয়ে কালো পলিব্যাগে সমেত বাড়ি ফিরে যাচ্ছে একদল ভূগোলহীন স্থাপত্যহীন উপপাদ্যহীন মানুষ সেজে , মৃত্যু হলো প্রতিটি স্বমেহন চোখের নাবিক মাত্র
আমি মাঝরাতে প্রদীপের অক্ষৌহীন সেনাদের নিয়ে দেখেছি মৃত মানুষগুলোর হৃদপিণ্ড আর ঈশ্বরদের শরীর থেকে বেরিয়ে আসা কাটা হাত পা নাড়িভুঁড়ি আর মস্তিষ্কের স্নায়ুতন্ত্র গুলো লোহার রেলিং এ ধাক্কা খেয়ে মাঝ রাতে অ্যালকোহলীয় জলাধারে নগ্ন স্নান করছে
প্লাজমা মেশানো সরীসৃপ রক্তের ও কখনো কখনো জাত থাকে না খুনের ভেতর থেকে এক শুকতারার মতো নপুংসক মৃত্যু এসে আমাদের একসাথে জতুগৃহের ভেতর নিয়ে গেল , ব্রাহ্মণটি হোম কুণ্ডলীর ভেতর পুরুষ সেজে নৃত্য শেষে চুনাপাথর মেশানো ডি থ্রি খাচ্ছে

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন