কালো মায়ের পায়ের আলো—২১
এক ঋষি দৈর্ঘ্যের নারী ও লাল জবার জরায়ুতন্ত্র
নিমাই জানা
ব্রহ্মাস্মী শব্দঘোরের ভেতর নীল নীল মাতৃ অক্ষর নিয়ে যে জীমুতবাহন শরীর নেমে আসে মথুরা খন্ডকের দিকে , তার পাশে মৃৎশিল্পী রঙের সপ্তম মহিয়সীরা র - আকার চিহ্ন নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে অগ্নিখণ্ডক জ্বালানোর নেশায় , বারুদ একটি বিষাক্ত ছায়ার নাম
আমার জিভের চারপাশে আগুন রঙের ছাই রেখে গেল সাদা সাদা ভূমধ্য ঋষিপুত্রেরা , কৈলাস জনপদ খঁড়ছেন পুরুষতন্ত্রের সমাঙ্গ ফুল
শোণিত রক্তধারার বজ্রপাতের গাঢ়ত্ব রুদ্রচন্ডী চাঁদমালা ফুল দিয়ে তিনি নিধন করছেন এক একটা কালাচ সাপ , অশৌচ আত্মা আর হিরণাক্ষ্য রঙের অধাতব নপুংসক পুরুষ সমগ্ৰকে
অনন্ত শরীর দিয়ে তিনি সারারাত মৈথুন করে সৃষ্টি করেন আদিম চৈতন্য শরীর , প্রতিদিন রাত হলে ঈশ্বর দেওয়াল বেয়ে নেমে আসে অনন্ত শক্তির আধার নিয়ে ,
ক বর্গের পুরুষেরা জ্যোৎস্নাহীন রাতেই ঘুরে বেড়ায়
তিনি মহামায়া , ক্রমশ বর্ণহীন ল্যাটেরাইট চোখের ভেতর শ্বেতাম্বর অক্ষয় তিনি ,আজও ক্রিস্টালাইজেশন কাঁটা গাছ নিয়ে দাঁড়িয়েছে সারা দেহের সবুজ নিলয় খণ্ডকের উপর
চতুর্থ রক্ত কণিকারা ভেসে উঠছে স্থির অমৃত যোগের জন্য , মধ্যরাতে যজ্ঞের হোমাগ্নি মন্ত্র শোনাবেন আদিম ব্রহ্মপত্নী শতরূপা নাম নিয়ে , আবেশ একটি ভৌতিক পুরুষের চুম্বন ঘনফুল মাত্র
মহা অঘোর তন্ত্রের ভিতর তিনি আর কেউ নন অস্থি খণ্ডকের মতো লাইসোজোম পালকহীন সোনালী পদ খণ্ডক নিয়ে ব্রহ্মপুত্র পেরিয়ে যাচ্ছেন আদিম শস্যকন্যা ও জলধার সমগ্র নিয়ে
আমি শুধু শ্যামাঙ্গী দেহের কাছে ঋষিবিলাস ক্ষেত্র গড়ে তুলি √৫ অযৌন পিচ্ছিল এলাচ ফুলের মায়াগন্ধ দিয়ে , সবুজহীন পাখিরা নিপুন জলাধারের কাছে সরলরৈখিক স্নানাগারে নেমে যাচ্ছে চাপ চাপ রক্ত কণিকার পিশাচদের নিয়ে , আমি আসলে ঈশ্বরের কাঁচ ফলের ম দৈর্ঘ্যের চোখ,
অনুভূমিক মন্থকুপের কামাক্ষা তন্ত্রের উপত্যকা ও হিমোগ্লোবিনহীন মায়ের কাছে অনুলোম বিলোম রেখে আসি লাল জবা ফুলের জরায়ু তত্ত্বের মতো
মা আমাকে নীল জলাধারের ভেতর থেকে ভগীরথের মতো নিয়ে আসছেন অসীম ইন্দ্রপ্রস্থের দিকে , মিথুন চোখের কাছে ত্রিনেত্রের ঈশ্বরী ক্রমশ ছিন্নমস্তা ব্রহ্মাণ্ডের ণ- চিহ্ন খুঁড়ে দিচ্ছে একদল গোলমুখো সাপ রঙের পুরুষ হয়ে ,
আমরা সারারাত অ্যাসপিরিন চিবোচ্ছি চিরহরিৎ মায়ের জন্য
নাভির কাছে ১৩ টি পদ্ম গোখরো জন্মের আগেই ক্লীবলিঙ্গ হয়ে যাচ্ছে

বেশ লাগলো।
উত্তরমুছুন