উৎসব সংখ্যার কবিতা
দীপ মুখোপাধ্যায়
১.
নদীচোর
খোকন গেল মাছ ধরতে ক্ষীর নদীর তীরে
শুকিয়ে গিয়ে নদী তখন বইছে ধিরে ধিরে।
ভাসছে মরা গরু ছাগল কচুরিপানায় ভরা
এপার নদী ওপার নদী মধ্যে বিশাল চড়া।
মাছ মেলেনা মরা গাঙে নদী এখন খাল।
খালের কাদায় নৌকা খানা দুঃখে বহুকাল।
মাথার ওপর চিল ওড়েনা, লাফায় না ব্যাঙ জলে,
ঢেউ ওঠেনা ক্ষীর নদীতে অজানা কৌশলে।
মুখিয়ে আছে মানুষগুলো করতে নদী চুরি
বসত করার জন্য নেবে দখল পুরোপুরি।
কোথায় যেন হারিয়ে গেল সক্কলে যায় ভুলে।
খোকন কি আর মাছ ধরবে ক্ষীর নদীর কূলে?
২.
প্লাষ্টিক পৃথিবী
আজকের দুনিয়াটা প্লাষ্টিকময়
ক্ষয় নেই এতটুকু ভারি নির্দয়
বুজে যায় নর্দমা প্লাষ্টিক জমে
ভয়াবহ হয়ে ওঠে যেন ক্রমে ক্রমে।
শস্তার ক্যারিব্যাগ হাতে ওঠে যেই
মনে হয় এর কোনো বিকল্প নেই।
কাপড়ের থলি আছে, কাগজের ব্যাগও।
চেষ্টাতে সমাধান হয়ে যায় হ্যাঁ গো!
নদ-নদী সমুদ্রে হানা দেবে ঠিক
আধুনিক শয়তান ও যে প্লাষ্টিক!
ওজনেও বেড়ে যাবে মাছেদের থেকে,
জলও দুষিত হবে জানি প্রত্যেকে।
বর্জ্যতে টক্সিন বিক্রিয়া হলে
বিষ হয়ে মিশে যাবে জমিয়ে ফসলে।
কষ্ট রয়েছে আরো প্লাষ্টিক ঘিরে
দেখা দেবে কত শত অসুখ শরীরে!
তাই আন সব্বার প্লাষ্টিকে ভয়
প্লাষ্টিক পরিবেশ বান্ধব নয়।
থাকবে না ঘাসপাতা, ডাকবে না পাখি।
প্লাষ্টিক পৃথিবীতে কি করে যে থাকি!
৩.
অপ্রচলিত
তেল নিঃশেষ হবে মনে হাহুতাশ!
খেতে থাকি খোলা মাঠে শীতল বাতাস।
যখন বিশাল চাকা ঘোরে হাওয়া ঠেলে
সেখানেও আলো জ্বলে বিদ্যুৎ মেলে।
মিলবে না গ্যাস তাই নাকে কাঁদে দেশ।
পুরানো আঁকড়ে থাকা বাজে অভ্যেস
উত্তাল নদনদী সাগরের জল
হাইডেল বিদ্যুৎ সহজ সরল।
গরীবের থোড়বড়ি আর ঝোলাগুড়।
পরমানু বিদ্যুতে খরচ প্রচুর।
ফ্যান ঘোরে এলিডিতে আলোকিত মাঠ
বর্জ্য থেকেও পাবে বহু মেগাওয়াট।
সূর্যের উত্তাপে ভয় নেই আর
এনার্জি সমাধান করেছে সোলার!
রাত হলে জোনাকিরা বাতি জ্বেলে দিত,
শক্তির উৎস যে অপ্রচলিত।
আরও পড়ুন👇👇👇
https://wwwankurisha.blogspot.com/2020/11/blog-post_13.html
https://wwwankurisha.blogspot.com/2020/11/blog-post_21.html
https://wwwankurisha.blogspot.com/2021/01/blog-post_18.html

দারুণ।
উত্তরমুছুন