লেবেল

সোমবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২৩

।। ডিসেম্বর সংখ্যা ।। ।। যিশু খ্রিষ্ট ও ২৫শে ডিসেম্বর - ১২।। নিমাই জানার কবিতা।।Ankurisha।। E.Magazine।।



          ।। ডিসেম্বর সংখ্যা ।। 


   ।। যিশু খ্রিষ্ট  ও  ২৫শে ডিসেম্বর - ১২।। 




নিমাই জানার  কবিতা




(১) 
ভূমধ্যের যীশু ও আবলুশ কাঠের নিরপরাধ সাংখ্যযোগ

স্পাইরাল ক্রোমার্টিনের মতো সাদা রঙের কিংকর পাখিটি
দৈবিক নির্ণীয়মান আত্মা সামগ্রীর ত্রিশূলধারী মন্দিরের চারপাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে চক্রাকার উপবৃত্তাকার পৃথিবীর আদিম যজ্ঞ স্থানে, ১৮ কোটি সূর্য নিজেই রক্ত বমি করছে প্রতিদিন

ঔ চিহ্নের মতো অসংখ্য মুখগহ্বর বিশিষ্ট জন্ম প্রদানকারী নারীদের জন্ম হচ্ছে বিশুদ্ধ অক্ষর দিয়ে , ধূসর ঘোড়ারা মেরুজ্যোতি দেখতে পেল ,  কবর থেকে উঠে আসছে দুটো তিতীর্যু ধ্বনির অনন্ত কঙ্কালের মসৃণ পথ । নারী নয় সকলেরই শুকতারার মতো দ্রাঘিমার ভেষজ হাতে রেখে আয়ুধ করে তুলেছে এই ব্রহ্ম মুহূর্ত , দীর্ঘ কারখানা ভাঙার চিৎকার , হাসপাতালের মৃত্যু চিৎকার

সমগ্রের মতো তিনি , দিব্য শরীর দিব্য স্বর্ণালংকার বেষ্টিত বাহু গুলো মেলছেন, রচনা করছেন এক একটা শৈলের উর্বর ক্ষেত্র এক একটা ধূলিকণা একেকটা প্রাচীর বিবিধ আর্তস্বর স্তোত্রবাণী ও জরা লেহনকারী দীর্ঘ জিব , দূরত্বের নাম শিব দূরত্বের নাম ভৌম
পরিফেরাল ঈশ্বর ও আত্মহত্যা করছেন তরল পাত্রের গোলাপি রস মদিরার ভাণ্ড ভক্ষণ করে , তিনি দর্শক তিনি ত্রিপুর আজ তিনি চৈতন্যের অনন্ত পরাজিত চৈতন্যের কঙ্কাল গুলো ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে স্বর্গালোকে যাত্রা করলেন , রথ ষড়ৈশ্চর্য মন্ত্র উচ্চারণ করছে
অথচ তিনি নির্বিকার , ছায়াকে সারারাত ভক্ষণ করছেন তিনি জন্ম দিচ্ছেন এক একটা সুমেধ অরণ্যের ,  প্রতিটি পর্বতের গুহাকন্দরে দীর্ঘ বাহুর মতো কেশর দাম ছড়িয়ে বারবার বাদামী কেশরময় করে তুলেছেন বিবিধ ঋষি পুত্রদের ক্ষত অলঙ্কার  ,

আবলুশ কাঠের ক্রুশের ভেতর থেকে ৪৯ টি পার্বত্য দ্বীপ থেকে নেমে আসবে ৫১ লক্ষ সাপের জলপ্রপাত  , আণুবীক্ষণিক ভগ্নাংশ ঈশ্বর প্রতিদিন নির্দিষ্ট হয়ে মৃত্যু গ্ৰহণ করছেন লাল আপেলের সরাইখানায় , আকাশবাণী হচ্ছে জন্মের
হত্যা একটি পুনর্জন্মের লাল চাদর গায়ে দিলেই যীশু হয়ে যায় , শাঁখ একটি কাঁকড়া বিছা



সরাইখানা ও বর্ষজীবী গোলকধামের আরংঘ নৃত্য


মহেন্দ্রযোগের মতোই নক্ষত্রদের অতি জাগতিক উন্মাদনা , জ্যোতিষ্কহীন ধ্বংসপ্রাপ্ত নক্ষত্রেরা হারিয়ে ফেলছে কক্ষপথের বিবিধ তড়িৎ রসায়নের উপসর্গহীন রোগাক্রান্ত দাঁত , কঠিন ম্যাগমা
আমি আঙ্গুল দিয়ে নিজের আত্মার তরল শর্করাগুলো সরিয়ে দিচ্ছি অদ্ভুত যমলোকের বিবিধ কক্ষের দিকে ,
আমি এক স্বরবর্ণের মতো উত্তপ্ত হাইড্রেন , পাশে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষকে পেরেক দিয়ে গেঁথে দিচ্ছি ভ্যাটিকান সিটি থেকে বেরিয়ে আসা দীর্ঘ বাঁশির অনন্ত কণ্ঠস্বর উপেক্ষা করে ,
ছায়াটিকে মুদ্রা দর্শনের এক একটা ইঙ্গিত আর হরিণীদের ক্ষয়প্রাপ্ত অন্ধকারে বেথলেহেমের সরাইখানায় গিয়ে নিজের গলার ভেতর থেকে বের করে আনছি ১৯০৮ টি মৃতজীবী কেঁচোর হকিনজিন্স পলি পেপটিক পাকস্থলী  , অন্ত্র ঘায়ে সুক্রালফেট
তরল গমের রুটিগুলো সেঁকছে একদল জেরুজালেমের নারী যারা সকলেই বাদামি ফলের মতো উত্তপ্ত রোস্টেড আঙ্গুল থেকে খসে পড়ছে এক একটি বিঘত অরণ্যের জঘন প্রদেশে ,
সকলেই গর্ভবতী হচ্ছে রাতের ভ্যানিলা রঙের এলইডি সান্দ্রতায় আমার সব মেরুদন্ডের হাড় গুলো ক্রমশ একটি সার কারখানায় গুঁড়ো গুঁড়ো হচ্ছে আর মাঠের স্ট্রবেরি চারা গাছের গোড়ায় জমছে লাল শ্যাওলার মতো পচন ,
পৃথিবীর বিস্তৃত মধ্যমায় আঙ্গুল ঢুকিয়ে আমি শুধু অপরাধীদের শরীরে ত্রিভুজের বিষাক্ত মৎস্যজীবী গন্ধ এঁকে দিচ্ছি,  একটা ঝাউ গাছের চারপাশে বিষাক্ত একশো মুখ থাকা পিচ্ছিল সাপটা জড়িয়ে জড়িয়ে গর্ভদণ্ড লেহন করছে।
সাদা প্লেটে তরল মদের ক্রুশ কাঠি দিয়ে নিজের কাবাব চিবোচ্ছি

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন