।।আলোর উৎসব--৫।।
দুরন্ত বিজলীর কবিতা
আলো ফুটুক
অন্ধকার ঘিরে আছে চারিদিকে।
পথ দেখা যাচ্ছে না।বাতাস অন্ধকারে
ভয় দেখাচ্ছে। অস্থির নদীজল।
বালুকাবেলায় মেঘ ঘনিয়ে আসছে।
খুব ভয় করছে। হাহাকারের ধ্বনি
ক্রমশ এগিয়ে আসছে। কালোর ভেতর
আর্তনাদ শোনা যাচ্ছে। এই মুহূর্তে
আকাশের বিন্দু বিন্দু আলোর বর্ণমালায়
উজ্জ্বল দিনের ধূলোমাখা মুখে আশা ও প্রার্থনা:নেমে আসুক
এই মাটির পাতায় বৃষ্টিআলো, আলোর বর্ণে আগুনের পরশমণি।
আলোর ঝরনাধারায় মাথা উঁচু করে
জীবন উৎসব মুখরিত হয়ে উঠুক।
ফুটুক, আলো ফুটুক।
২.
আঁধার মুছে দাও মা!
রাতের আঁধার জড়িয়ে আছে রাতে,
আকাশ ফেলে বিন্দু বিন্দু আলো, শিশির কণা।
আড়ালে শুকনো মেঘ, ছায়ায় বন্দী
আলোর ঝরনাধারায় মাথা উঁচু করে
জীবন উৎসব মুখরিত হয়ে উঠুক।
ফুটুক, আলো ফুটুক।
২.
আঁধার মুছে দাও মা!
রাতের আঁধার জড়িয়ে আছে রাতে,
আকাশ ফেলে বিন্দু বিন্দু আলো, শিশির কণা।
আড়ালে শুকনো মেঘ, ছায়ায় বন্দী
বৃষ্টিতে ভিজবো না, না না আমি আর কাঁদব না।
রুপোলি চাঁদের আলোয় আঁধার আলোকিত
স্বপ্নসিন্ধু তীরে প্রেমনির্ঝর বেদনার মধুগান।
নদীর ওপারে চলে গেছে যারা তাদের জমানো আলোয়
রুপোলি চাঁদের আলোয় আঁধার আলোকিত
স্বপ্নসিন্ধু তীরে প্রেমনির্ঝর বেদনার মধুগান।
নদীর ওপারে চলে গেছে যারা তাদের জমানো আলোয়
কখনো কখনো চাঁদ লজ্জিত হয়, সূর্য পরম পিতা।
সকালের নদীজলে ওঁ জবাকুসুম সংকাশং...
মা, আঁধার মুছে দাও মা!
আলোমায়ের কালোগা থেকে উৎসব ছড়িয়ে পড়ে।
বাজলো কাঁসর ঘন্টা, না না আর কোন কালোমেয়ে আগুনভস্ম হবে না!
ধর্ষণে ঘাসের ওপর রক্ত হবে না!
কান্না নিয়ে রান্না নিয়ে সারাজীবন পতিপরমেশদাসী হবে না।
মা, ভালোবাসার সংসারে সে
আলোর উৎসব পাবে তো, মৃত্যুআঁধার আর ঘেঁসতে পারবে না!???
মা, আঁধার মুছে দাও মা!
আলোমায়ের কালোগা থেকে উৎসব ছড়িয়ে পড়ে।
বাজলো কাঁসর ঘন্টা, না না আর কোন কালোমেয়ে আগুনভস্ম হবে না!
ধর্ষণে ঘাসের ওপর রক্ত হবে না!
কান্না নিয়ে রান্না নিয়ে সারাজীবন পতিপরমেশদাসী হবে না।
মা, ভালোবাসার সংসারে সে
আলোর উৎসব পাবে তো, মৃত্যুআঁধার আর ঘেঁসতে পারবে না!???

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন