নববর্ষের চিঠি
তৈমুর খান
মালতীকে চিঠি লিখিব
আমরা কেমন নববর্ষ আনিতেছি
এমন আর কখনও আসে নাই
মাটির কলস কিনিয়া আমরা জল ভরিব
রবি ঠাকুরকে মালা পরাইয়া পথে নামাইব
নতুন কাপড় পরিয়া শঙ্খ বাজাইব
তুমি দূর হইতে জলহরিণীর মতো চাহিয়া রহিবে
তোমার উৎসুক মুহূর্তগুলি পাপড়ি মেলিবে
এবার আমরা সত্যিকারের বাঙালি হইব
তুমি বাঙালার মাটিকে প্রণাম করিবার জন্য ব্যাকুল হইয়া উঠিবে।
বৈশাখ আসে
রবীন বসু
ওই দেখ, কৃষকের আলে শুয়েছে নতুন বৈশাখ
চিকন পরিপাটি। পুরনো খোলস ছেড়ে
নতুন শরীর নিয়ে জেগেছে বছর;
আতপ্ত আশ্লেষ দিন, প্রত্যাশার ঝুলি নিয়ে
মাধুকরী দাঁড়িয়েছে দ্বারে;
যত চিঠি পড়া হল, পুরনো খামের গন্ধ
বধূটির বুকে ভরে থাকে
যে স্মৃতি হারিয়ে গেল তার মায়া চৈত্র গায়ে রাখে
মায়াস্বপ্ন জেগে ওঠে আমাদের প্রাত্যহিক
তবু বৈশাখ আসে,তবুও নতুনদিন আল্পনা আঁকে!
নির্বাচিত কলাম
রবিন বণিক
যা কিছু জোনাকি তা আমার আন্ত
যা কিছু চকচকে তা তোমার পরি
ভীষণ পেয়েছে ব’লে ভেবো না
আমাদের ভাঙা আত্মকথন
মুহূর্ত হয়ে উঠতে পারে আমা
ধরে রেখো, ভেঙে পড়ে যেতে পারে তোমার
নতুন বছর আসুক না নিজের মত করে
গৌতম বাড়ই
হাওয়ার মতন কখন যেন দমকা মেরে যাওয়া
লোহাগড়ের জঙ্গল পশ্চিমা বাতাসে
মুখ ফিরিয়ে কথা বলছিল
মেচি নদীর ওপারে ভিন্ন একটা দেশ
এপারে তরাইয়ের বনবাদাড়
অনন্ত একটা নদী ঝোরার মতন নেমে এসে
এই শীতকাল জল নেই রুখাসুখা বালি নুড়ি
পৃথিবীর একটা আদিম প্রান্তে বসে
দূর্গ ছিল টারজান ছিল অরণ্যদেব ছিল
পিরানহা মাছেদের নিষ্ঠুর শৈশব
এখন পড়ে আছে নদীর চরে
পোড়া রাত্রিতে চাঁদ আলো জ্বালে
নিশির মতন চুল খুলে দাঁড়িয়ে আছে কদমাগাছ
মেঘেরবস্তা পিঠে কালো রুকস্যাক নিয়ে
দামাল হাতির দল বালাসন পেরিয়েছে
মৃত্যুর গভীরতা লোহাগড় ছাড়া কেউ বোঝেনা
পাহাড়ি চিতার মুখেও বনমোরগের লাশ
চাপাতার মিঠে গন্ধটা থেকে থেকে
বজ্জাতের মতন নাকে লেগে আছে আজও
যেখানে প্রতিমুহূর্তে কান্নার শব্দ-ই পাই
ঢেউ উঠে অনন্ত যৌবন হা করে চায়
বৃষ্টি পড়ে ওপারের দুধিয়ায়
ভেজা বাতাসের সঙ্গে কিছু পাহাড়ী সংগীত
কলকল বয়ে যায় বালাসন ধারায়
আমি আমৃত্যু সুঠাম বনজোছনার
হাত ধরে নাস্তানাবুদ থাকব
গভীর প্রত্যাশায়
সমুদ্রের অতলতায়
আর পাহাড়ের সু- উচ্চে
গভীর এক রাতের রহস্য থাকে
শুভ নববর্ষ – আলো অন্ধকার
অশোক রায়
নববর্ষ সে তো একটি দিনের ফুলবাহার রঙিন জীবন
তবু কিছু পয়লা বৈশাখ ফুটে থাকে স্মৃতি-অঙ্গনে অম্লান
ছোটবেলা নতুন-জামা বাবা-মা ভাই-বোন বন্ধুদের খেলা
পোলাও কালিয়া মাছ-মাংস দই মিষ্টি আরো কত কি মেলা
সুধামাসির ছেলেও খেলত সাথে পরনে আমার বাতিল পরিধান
যত্নহীন মুখে লেগে থাকা স্মিত হাসিটি তার অন্তরের বিজ্ঞাপন
জন্ম-জন্মান্তর তৃপ্তির ঝিলে যেন ফোটা-পদ্মের আলিঙ্গন।
ওদের কথা কেউ বোঝে না কেউ ভাবে না চেয়েও দেখে না
একটা কাপড় নতুন বছরে তাও দিতে পারি না
নতুন কবেই ওদের জীবনে পুরোনো হয়ে গেছে বরাবরের মত
আগাছার মত অবহেলায় জীবন-গাড়ির অসম দোলায় নত
শতচ্ছিদ্র আবরণ জোড়া-তালির ধুসর প্রেক্ষাপটে
অথচ ওরাই আমাদের জীবনটাকে ঝেড়ে মুছে সুন্দর করে রাখে।
তার বদলে কি পেয়েছে তারা ভেবে দেখেছ কি হায়
দেনা-জর্জর চিন্তায় উধাও ঘুম রক্তাক্ত সে হৃদয়
দিবসান্তে বাউল রাত একতারায় কাঁদে অসহায়
রবীন্দ্রসঙ্গীত কাব্য নাটক নিখিল ভূবন উৎসবের প্রেম
ফ্যাশন-পাখায় ভর করে চায়না টাউন সিক্স বালিগঞ্জ প্লেস
চতুর্দিকে হুল্লোড় টাকার গরমে ভুলে যাই মনুষ্যত্ব মানুষ
মধ্যরাতে জন্ম-মাতাল নিয়ে ফেরে নতুন বছরের ফানুস ।।
শিশির সাহা
ঠিক চলে যায়, যার যেখানে যাবার কথা
ভুল হয়না দিকদর্শনে, ঘূর্ণিঝড় এলেও বা।
আবার সে যখন আসে, মেঘ গায়ে মাখে
সে যখন ফিরে যায়, মেঘের গায়ে লেপ্টে থাকে
সে আসার আগেই কিংবা যাবার অনেক পরেও
একনিষ্ঠ আমার জন্য।
যদি কখনো আমি দেরি করি
উড়ে যাওয়া পাখির ডানায় এসে বসে,
আরো যদি দেরি হয়, উঁকি দেয় গাছের মগডালের পাতায়।
চুপিচুপি বলি, তারপরেও আমার দেরি হয়
একটুকুও রাগ না করে সে জানালা দিয়ে এসে - লুটোপুটি খেলে বিছানায়।
ঠিক এইরকম করেই যাবার বেলায়,
আমি বারান্দায় এসে বিদায় না জানালেও
ঘরে - পর্দায় দেওয়ালে দোল খায়। একটু পরে -
সে তার সহোদর অন্ধকারকে দিয়ে যায় ;
আমি সানন্দে মাতৃগর্ভে ঘুমোই
যেখানে আলো ইশারায় ডাক দিয়ে যায়।
নববর্ষ
অজয় দেবনাথ
সুখে থেকো, ভালো থেকো
তোমাকেই তুমি ভালো রেখো
ভয়, ভক্তি, হুজুগের দিনে
এভাবেই আজ টিকে থাকা।
ঐতিহ্য ধুলোয় ঢেকে
পরশ্রীকাতর দুশো বছরের দাস
রুটির লড়াই…
কখনও-বা নেহাত অবহেলায়
বর্ণমালা ধূলায় লুটায়…
ব্যতিক্রমী নির্মোহ সাধক
গরিব মায়ের কোলে ইতিউতি বাড়ে…
পঞ্জিকায় দিন বদলায়…
আমার নববর্ষ
সুবীর ঘোষ
নববর্ষ বাঙালির নিজস্ব অনুষ্ঠান । এটি মূলত একটি সামাজিক অনুষ্ঠান । যদিও বাড়িতে বা দোকানে সমৃদ্ধি কামনায় সিদ্ধিদাতা গণেশ ও লক্ষ্মীর পুজো হয়ে থাকে । যখন ছোটো ছিলাম নববর্ষের সন্ধেতে চেনা দোকানে দোকানে ঘুরে আসতাম বড়দের সঙ্গে । বড়রা হালখাতা সংক্রান্ত ব্যাপারগুলি সারতেন , আমাদের আগ্রহ থাকত ঠান্ডা সরবতের গ্লাসে বা লাড্ডু মিঠাই ভরা প্লেটের দিকে । চৈত্র সেলে কাপড়জামা কেনা বাঙালির খুব পুরোনো অভ্যেস । আমরা চৈত্র সেলে কেনা জামা পরে নববর্ষের সন্ধেতে ঘুরতে যেতাম । ওই সময়টা জুড়ে আমাদের আমোদ আহ্লাদের সীমা ছিল না । চড়ক গাজনের মেলা সবই তো গায়ে গায়ে । বাংলা ক্যালেন্ডারের দিকেও আমাদের নজর থাকত । পাতা জোড়া দেব দেবীর ছবি আর তার নীচে তারিখের জায়গাগুলো থেকে আমরা প্রথমেই খুঁজে বের করতাম সে বছর দুর্গাপুজো কবে বা ভাইফোঁটা কখন পড়েছে ।
যখন একটু বড় হলাম আর লেখালেখি করতাম তখন হালখাতার মিষ্টি খেতে যেতে লজ্জা করত । তখন নজর ঘুরে গেল নববর্ষে প্রকাশিত পত্র পত্রিকার দিকে । বহুল প্রচারিত দেশ পত্রিকায় এ সময় সাহিত্য- সংখ্যা বেরোত এবং তার রচনাগুলি হত অত্যন্ত সমৃদ্ধ । কলেজজীবনে সাহিত্যসংখ্যার লেখাগুলি আমাদের সাহিত্যপ্রেমী বন্ধুবান্ধবদের মধ্যে খুব আলোচিত হত । নববর্ষ উপলক্ষ্যে আমরা কলেজ স্ট্রিট থেকে ছাড়ে বই কিনতাম ।
আমি বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলাম । প্রতি বছর আমাদের গ্রীষ্মের ছুটি নির্দিষ্ট সময়ে হত --- ১ মে থেকে ৩০ জুন , ঠিক দু’মাস । রবীন্দ্রজয়ন্তী এই ছুটির ভিতর পড়ে যেত বলে আমরা রবীন্দ্রজয়ন্তী পালন করতাম নববর্ষের দিনেই।
যখন পেশাগত জীবনে প্রবেশ করলাম তখন আমাদের সংস্থার আবাসনগুলিতে দেখতাম নববর্ষ মানেই জমিয়ে খাওয়াদাওয়া । কারোর বাড়িতে পোলাও মাংস তো কারোর বাড়িতে গলদা চিংড়ি চিতল পাবদা ইত্যাদি ২-৩ রকমের মাছের পদ। কাঁচা আমের চাটনি তো আছেই।
একটা সময় একটি স্থানীয় খবরের কাগজ আমাকে বিশেষ অনুষ্ঠানের ওপর লিখতে বলত । যেমন নববর্ষ বা দুর্গাপুজো বা দীপাবলি । একবার আমি “নববর্ষের নিজস্বতা” নাম দিয়ে একটি প্রতিবেদন লিখেছিলাম । আমার মনে হয় পশ্চিমবঙ্গের বাঙালিরা নববর্ষের অনুষ্ঠানকে তাদের নিজস্ব অনুষ্ঠানে পরিণত করতে পারেননি , যেমন পেরেছেন বাংলাদেশের বাঙালিরা । প্রতিটি জাতি বা প্রদেশের মানুষদের তাদের এক একটি নিজস্ব উৎসব থাকা প্রয়োজন।
নববর্ষের নতুন সূর্য ওঠার আগের সন্ধেবেলায় একবার একটি কবিতা লিখেছিলাম তার কয়েকটা লাইন এখানে উদ্ধৃত করে এ লেখা শেষ করি—
বছরের শেষ সূর্য
চলে যাচ্ছে কালের গভীরে।
ভিড়ের ভিতর থেকে
কাল আবার খুঁজে নেব
তোমার নিঃশ্বাস।
১৪২৮ এবং …
তপনজ্যোতি মাজি
১৪২৮। আর একটি বৎসরের শুরু। ১৪২৭র সমাপ্তি ১৪২৮র যাত্রাপথের শুরু। যেন দাঁড়িয়ে আছি 'নো ম্যান'স ল্যান্ড 'এ। প্রাপ্তি ও প্রত্যাশার মধ্যবর্তী ভূখণ্ডে।
সত্যিই কি প্রত্যাশা প্রাপ্তিতে পৌঁছতে পারে ? আংশিক হলেও পূর্ণ অর্থে বিরল। তবুও প্রত্যাশা। তবুও স্বপ্ন দেখার অভ্যাস। ১৪২৭ করোনা আক্রান্ত বছর। অপ্রত্যাশিত সংকটে কেটেছে প্রায় একটি বছর। মৃত্যুর গ্রাফ দেখতে দেখতে, শঙ্কিত ব্যক্তি মানুষ ঘুম থেকে উঠে ভেবেছে সে বেঁচে আছেতো! অন্য প্রদেশে কাজ করতে যাওয়া
মানুষের ঘরে ফেরার দৃশ্য মন থেকে মুছে ফেলা সহজ নয়। মানবতার এমন অবমাননা কি ভোলা যায়!
১৪২৮ কে অভ্যর্থনা করার আগে মনে সহস্র বুদবুদ । এলোমেলো হয়ে গেছে কতকিছু। কত মানুষ কর্মহীন হয়ে গেছে। হারিয়েছে প্রিয়জন , প্রতিবেশীকে। এসব কি ভোলা যায়! ভারতবর্ষের মতো দেশে (যে কোনও
দেশেই ) প্রশাসনিক দুর্বলতা থাকেই , সঙ্গে যদি যুক্ত হয় প্রাকৃতিক অথবা মহামারী জাতীয় সংকট মানুষের জীবন হয়ে ওঠে যন্ত্রনাবিদ্ধ ও দুর্বিসহ। রাজনৈতিক সংকীর্ণতা ,অবশ্য , বলাই বাহুল্য।
সময় থেমে থাকেনা। স্মৃতির মতো বিস্মৃতিও সক্রিয় থাকে বলে মন থেকে ধীরে ধীরে সরে যায় মন খারাপের দিন। জীবন খুঁজে নেয় পরিবর্তিত ছন্দ।
দুঃখী , স্বজন হারানো মানুষও বোঝে জীবন এক বাস্তব বাধ্যতা। তাই চলতে হয়, এগিয়ে যেতে হয়। গ্রহণ করতে হয় রঙ, বর্ণ ও আনন্দকে।
নববর্ষ , ১৪২৮ কিংবা সাড়ে চার মাস আগের ২০২১ এর নববর্ষ সব থেকেও যেন ছন্দহীন। কেমন পরম্পরাহীন। বাংলা নববর্ষ পারিবারিক এবং সামাজিক
পরম্পরা। লোকায়ত আচার অনুষ্ঠানের পরতে পরতে বাংলা নববর্ষে আবেগ প্রকাশ পায়। এই আবেগ ঘরোয়া হয়েও সর্বজনীন। বহিরঙ্গের আড়ম্বর না থাকলেও অন্তরঙ্গ নিষ্ঠায় আন্তরিক। বাংলা নববর্ষের হৃদয় অনুভব করতে হলে জীবনানন্দের কবিতা পড়ার মতো মনস্ক হতে হয়। অনুভব করতে হয় শতাব্দী প্রাচীন হৃদস্পন্দনকে। বাংলা নববর্ষের আবহ মাঙ্গলিক। প্রিয়জনের মঙ্গলকামনার মধ্য দিয়েই নববর্ষের আবেগ ধ্বনিত হয়।
বাঙালী শ্রমবিমুখ। বাণিজ্য বিমুখ ইত্যাদি পর্যবেক্ষণ সর্বজনীন স্বীকৃতি লাভ করেছে। পাড়ায় পাড়ায় , গঞ্জে গঞ্জে, জনপদে জনপদে ক্ষুদ্র ও মাঝারি মূলধনের বাণিজ্য প্রতিষ্ঠানগুলি কিন্তু সে কথা বলেনা। এগুলির উদ্যোগপতি
কিন্তু বাঙালী। স্ববিরোধিতা বোধকরি ঔপনিবেশিক অনেক দূর্বলতার মধ্যে একটি। এটি অন্য প্রসঙ্গ । অন্য পরিসরে আলোচনা করা যেতে পারে। ফিরে আসি নববর্ষ প্রসঙ্গে।
বাঙালী বাণিজ্য প্রতিষ্ঠানগুলিতে নববর্ষ যার ব্যবসায়িক নাম হালখাতা উদযাপন হয় ক্রেতা আপ্যায়নের মধ্যে দিয়ে। আর্থিক সম্পর্ক রূপান্তরিত হয় হার্দিক সম্পর্কে। এই পরম্পরা বঙ্গ কৃষ্টির অঙ্গ। পঞ্জিকা, ক্যালেন্ডার
এবং মিষ্টির প্যাকেট নববর্ষের উৎসবে অন্য মাত্রা সংযোজন করে।
নববর্ষ আর রবীন্দ্র প্রসঙ্গ আসবেনা, হয়না, হতে নেই। তিনিই তো আমাদের সাংস্কৃতিক দেবতা। দেবতা শব্দটি ভিন্ন ব্যঞ্জনায় ব্যবহৃত হলো। কি আশ্চর্য সমাপতন , তাঁর জন্মমাসটিও বৈশাখ। এমনিতেই বৈশাখকে বলা হয় গান
কবিতার মাস। 'এসো হে বৈশাখ … ' গানটি অন্য মাত্রা, অন্য আবহ তৈরি করে। তাঁর গান ও কবিতা তপ্ত বৈশাখের দিনগুলিতে সুর এবং কথা সঞ্চার করে। বাংলা নববর্ষের এই সাংস্কৃতিক পরিসর নিঃসন্দেহে তুলনাহীন এবং
এক অর্থে মৌলিক।
বঙ্গজীবনে উৎসবের অনুসঙ্গ বহুমাত্রিক। নববর্ষ উদযাপনের মধ্যে দিয়ে শুরু হয় উৎসবময় একটি বছরের। সমৃদ্ধির কামনা থাকে অন্তরে। ঠিক তাই। শুধ সম্পদ ও অর্থে নয়, প্রত্যেকে সমৃদ্ধ হোক অন্তরে, ঔদার্যে , ভিন্ন মত সহিষ্ণুতায় , ভিন্ন ধর্ম সহিষ্ণুতায় , সম্প্রীতি ও সংস্কৃতিতে।
---------------- ---------------- ---------------- ---------------- --------------
অঙ্কুরীশা পত্রিকার পক্ষ থেকে সমত কবি, সাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক এবং সমস্ত পাঠাককে শুভ নববর্ষ ১৪২৮ এর আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই। সবাই ভালো থাকুন। সাবধানে থাকুন।
---------------- ---------------- ---------------- ----------------



কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন