স্বাধীনতা বিষয়ক কবিতা —১৪
স্বাধীনতা কাকে বলে
জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়
সকালেই মেয়েকে বললাম,এখন মন ফ্রেশ আছে
অঙ্কটা আগে করে নে,তারপর ইংরেজি, পরিবেশ পরিচিতি
শেষে বাংলাটা পড়বি,দেখবি ভালো লাগবে।
মেয়ে ঘাড় নাড়ে,মোটেই না! আমি এখন ছড়া মুখস্থ করবো
তারপর পরিবেশ তারপর অঙ্ক করবো।আমার সেটাই ভালো লাগবে
আমি যেই মুখ খুলতে গেলাম সে মা---! বলে ডাক ছাড়তেই
আমি বাইকে স্টার্ট দিলাম,জানি এরপর যুদ্ধ।
বাজার থেকে ফিরে বললাম,আজ সবকিছু ভাজা খাবো
আর মুগডাল। টিফিনে লুচি দিয়ো।
-- তা বইকি! -- একটা চিৎকার ভেসে এলো কিচেন থেকে
তারপর বিধান রায়ের মহিলা সংস্করণের বাণী শুরু
কোলেস্টেরল, সুগার,প্রেশার.... ইত্যাদি শব্দগুলো এড়িয়ে বাথরুম।
অফিস যাওয়ার সময় কাজের দিদিকে বললাম,কাল আমার
অনুষ্ঠান আছে জামা-প্যান্টটা কেচে দিয়ো তো
দিদি বললো,আজ হবেনি দাদা,কালকে দেবো,আজ
ভালো লাগছে না।
সবকিছুতে ব্যর্থ হয়ে আমার একটা গালভরা শব্দ মনে পড়লো--
স্বাধীনতা।আচ্ছা একেই কি স্বাধীনতা বলে ?
আর যদি তা সত্য হয়,তাহলে একজনের স্বাধীনতা
অন্যের কাছে কী?

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন