শরতের আগমন -১
শরতের স্লোগান
জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়
তুমি আসছো ভাবলেই আমাদের ধানখেতে সবুজ উথলে উঠতো
মুক্তোকণার মতো ঝিকমিক শিশিরে মায়ের নাকফুল সকাল
শিউলির গন্ধে পাগল হয়ে ঝাঁপ দিতাম ধুলোর চাতালে
ঠাকুমা ডেকে উঠতো,খাবি আয় তোরা ,পুজো আসছে,মানে ছুটি
তোদের জ্বালায় ঘরে আর থাকা যাবে না।
মায়ের অসহায় চোখে নীরব লেখা -- 'আহা খেলুক না!'
এখন শরৎ এলেই খরার মাঠ,হারুকাকা আর সাদেক চাচার শুকনো মুখ,
তাতে একই বাংলায় লেখা -ভাইপো,কন্টোলের গন্দচাল আর
ওই সামান্যি টাকা এবার আর ভাতের উপর
ডাল-তরকারি জুটবেনি
পুজো মানে ছেলেপিলেদের করুণ মুখ,অভাব আর বুকফাটা যন্তন্না!
এবার শরতে রিমি বলে দিয়েছে,পাড়ার সব বৌদিরই স্বর্ণচরি আছে
তুমি তিন পয়সার কবি,আদর্শ মাখিয়ে ভাত খাও আর
আমাকে একটা স্বর্ণচরি কিনে দেওয়ার মুরোদ নেই!
ছোটোবেলায় 'তিনপয়সার পাঁচালি' - নামে একটা যাত্রাপালার কথা
শুনেছিলুম,আমি নায়কের মতো 'ভিখিরির আত্মজীবনী' - নামে একটা
আক্ষেপকাব্য লিখছি,পরের পুজোয় বলবো,তুমি আসো আর না-ই আসো শরৎ
তুমি আসছো ভাবলেই আমাদের ধানখেতে সবুজ উথলে উঠতো
মুক্তোকণার মতো ঝিকমিক শিশিরে মায়ের নাকফুল সকাল
শিউলির গন্ধে পাগল হয়ে ঝাঁপ দিতাম ধুলোর চাতালে
ঠাকুমা ডেকে উঠতো,খাবি আয় তোরা ,পুজো আসছে,মানে ছুটি
তোদের জ্বালায় ঘরে আর থাকা যাবে না।
মায়ের অসহায় চোখে নীরব লেখা -- 'আহা খেলুক না!'
এখন শরৎ এলেই খরার মাঠ,হারুকাকা আর সাদেক চাচার শুকনো মুখ,
তাতে একই বাংলায় লেখা -ভাইপো,কন্টোলের গন্দচাল আর
ওই সামান্যি টাকা এবার আর ভাতের উপর
ডাল-তরকারি জুটবেনি
পুজো মানে ছেলেপিলেদের করুণ মুখ,অভাব আর বুকফাটা যন্তন্না!
এবার শরতে রিমি বলে দিয়েছে,পাড়ার সব বৌদিরই স্বর্ণচরি আছে
তুমি তিন পয়সার কবি,আদর্শ মাখিয়ে ভাত খাও আর
আমাকে একটা স্বর্ণচরি কিনে দেওয়ার মুরোদ নেই!
ছোটোবেলায় 'তিনপয়সার পাঁচালি' - নামে একটা যাত্রাপালার কথা
শুনেছিলুম,আমি নায়কের মতো 'ভিখিরির আত্মজীবনী' - নামে একটা
আক্ষেপকাব্য লিখছি,পরের পুজোয় বলবো,তুমি আসো আর না-ই আসো শরৎ
আমি কবিতার পাতা ছিঁড়ে দেওয়ালে পোস্টার সাঁটাবো,
শিরোনাম দেবো -- 'শরতের স্লোগান'।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন