উন্মুক্ত কবিতাগুচ্ছ —২১
হীরক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাঁচটি কবিতা
১.
গভীর রাতে নতজানু
গভীর রাতে পারফিউমের গন্ধ
কাছে পিঠে কোথাও নদীর শরীর
হাওয়া উঠলেই মনে হয় বৰ্ণমালা গুলো সব সুন্দরী
নারী হয়ে যাচ্ছে ক্রমশ. ..
জীবন মানেই নক্ষত্র মৃগশিরা পবিত্ৰ ঘুমের ওষুধ
উপহার পাওয়া সমুদ্র সৈকত, দীর্ঘ বেলাভূমি জুড়ে
স্তম্ভলিপি সমান্তরাল গোরস্তান ...
কে যে কখন সুন্দর, কে যে কখন অপাংক্তেয়
এই ভাবতে ভাবতে বেলা চলে যা য়
এক টুকরো আলো
এক টুকরো অন্ধকার
এক টুকরো বিষাদ
আমাদের সব সাজানো বাগান ,অট্টালিকার হর্ম
আমাদের সব অলিখিত ঈর্ষা বহুদিনের শপথ
ভেঙে পড়ছে ঝুর ঝুর আমরা স্বাধীন হচ্ছি
ভালবাসার কাছে নতজানু
যত দিন যায় আমাদের সব শিকারী পাখিরা
উড়ে যাচ্ছে ক্রমশ হৃদয় থেকে
আমরা হালকা হয়ে যাচ্ছি আত্মার মতো
শেষ পর্যন্ত নৈঃশব্দ্য ই. আমাদের নিয়ে যাচ্ছে ভাঙা আয়নাগুলির কাছে ...
গভীর রাতে নতজানু
গভীর রাতে পারফিউমের গন্ধ
কাছে পিঠে কোথাও নদীর শরীর
হাওয়া উঠলেই মনে হয় বৰ্ণমালা গুলো সব সুন্দরী
নারী হয়ে যাচ্ছে ক্রমশ. ..
জীবন মানেই নক্ষত্র মৃগশিরা পবিত্ৰ ঘুমের ওষুধ
উপহার পাওয়া সমুদ্র সৈকত, দীর্ঘ বেলাভূমি জুড়ে
স্তম্ভলিপি সমান্তরাল গোরস্তান ...
কে যে কখন সুন্দর, কে যে কখন অপাংক্তেয়
এই ভাবতে ভাবতে বেলা চলে যা য়
এক টুকরো আলো
এক টুকরো অন্ধকার
এক টুকরো বিষাদ
আমাদের সব সাজানো বাগান ,অট্টালিকার হর্ম
আমাদের সব অলিখিত ঈর্ষা বহুদিনের শপথ
ভেঙে পড়ছে ঝুর ঝুর আমরা স্বাধীন হচ্ছি
ভালবাসার কাছে নতজানু
যত দিন যায় আমাদের সব শিকারী পাখিরা
উড়ে যাচ্ছে ক্রমশ হৃদয় থেকে
আমরা হালকা হয়ে যাচ্ছি আত্মার মতো
শেষ পর্যন্ত নৈঃশব্দ্য ই. আমাদের নিয়ে যাচ্ছে ভাঙা আয়নাগুলির কাছে ...
২.
প্রথম দিনের কবিতা
প্রথম দিনের ও প্রথমে যখন হঠাৎ একগুচ্ছ শব্দ
এসে ধরা দিয়েছিলো হাতে তারপর অনেক রাস্তা ঘুরে বিস্মৃতির মধ্যে ডুবে যেতে যেতে
রিক্সা লোকজন রাস্তা বাস ট্রেন পেরোতে পেরোতে
এমনকি লাইব্রেরীর মাঠে যেতে যেতে যেতে ...
একদল যুবক যুবতি দেবতার ছেলে মেয়েদের মতো
কী যেন বসন্ত দিনের গান গাইতে গাইতে গাইতে
চলে গেল তখন থেকেই স্বপ্নের সমুদ্রপথ শুরু
তখন থেকেই শব্দ অক্ষর উপমা সারাদিন সারারাত
একা একা সম্ভাবনাহীন চতুর্দ্দিকে হতবাক
ঘন্টাধ্বনি বৃষ্টিপাত কোকিলের কুহুকুহু রব
তারপর একদিন অবিচল মসৃণ
সমস্ত অভিযোগ আশ্চর্যরূপে আমাকে লুপ্ত করে দিয়ে চলে যায় ...
ওহ্ ঈশ্বর এই তাহলে কবিতা ...
৩.
হে শ্যাম হে লজ্জাহরণ
ক্রিস্টালভায়োলেট থেকে ময়ূরকন্ঠী শ্যাম তোমার টু দি পাওয়ার ইনফিনিটির দিকে যাত্রা
দিকদিগন্তে ভেসে থাকা হে লজ্জাহরণ তুমি নেমে এসো,একবার নেমে এসো
এ মরপৃথিবীতে,আমি ইতিহাস জানি না ভূগোল ও জানতে চাই না তোমার জন্য পৃথিবীর সবচেয়ে মৃগশিরা পবিত্ৰ বালিকারা ঋতুমতী হতে ভুলে গেছে
হলুদ খোলের উপর অর্গ্যাজিম কচি কলাপাতায় কাঁচুলি যৌনতার এক মরণোত্তর ভাষা
তুমি বিজ্ঞান তুমি সুসংবাদ তুমি বসুধারা তুমি গায়ে হলুদের অক্ষরনামা হে শূন্য হে চরাচর
হে সিপাহসালার তুমি আমার দুশ্চরিত্র শ্যাম
একবার ফেরো দ্রৌপদীর বস্ত্রহরণ রোধ করো ...
৪.
স্বজনেষু
যমুনার কাছে গিয়ে বললাম জল দাও
গঙ্গার কাছে গিয়ে বললাম পানি দাও
ভাগীরথীর কাছে গিয়ে কিছু চাইবো কি চাইবো না
ভাবতে ভাবতে বেলা বয়ে গেল
সুরপিপাসা মিটল বটে জল যে এত অপরিহার্য্য
এতো নিয়তিতাড়িত জানতাম না
সবিশেষ সমস্ত ঝরনার উৎসমূল
কবি বলেছেন জীবন জমে আছে অশ্রু ফোঁটয়
ঐ যে সুদূর বহুদূর যেখানে জমে আছে অশ্রু
মেঘ বালিকার অন্তরীণ আ্যলভিওলাই
একদিন বিষয় আশায় নিয়ে কৃষ্ণার কাছে গিয়ে বললাম তৃষ্ণায় কাতর আমি জল দাও
কাবেরীর কাছে গিয়ে বললাম পানি দাও
গোদাবরীর কাছে যাওয়ার আগেই
ভাসিয়ে নিয়ে গেল জীবন যৌবন
মনপ্রাণ ,তাহলে
স্বজনেষু এবার মুক্তি দাও ...
৫.
আগুন
আগুন পুড়িয়ে দেয় সব
শুধু নিভে যায় জলে
জল থেকে একদিন যে জীবন
জেগেছিল
সেও আজ ঘোমটার আড়ালে
সাত পাকে বাঁধা
সূর্য সাক্ষী করে ধরা পড়ে জালে
আগুনে পুড়ে যায় সব
শুধু নিভে যায় জলে
কামনার ঢিল গুলি তবু ঝুলে থাকে
অশথের ডালে
আগুন আছে তাই জল
নাহলে সকলি বিফল ...
প্রথম দিনের কবিতা
প্রথম দিনের ও প্রথমে যখন হঠাৎ একগুচ্ছ শব্দ
এসে ধরা দিয়েছিলো হাতে তারপর অনেক রাস্তা ঘুরে বিস্মৃতির মধ্যে ডুবে যেতে যেতে
রিক্সা লোকজন রাস্তা বাস ট্রেন পেরোতে পেরোতে
এমনকি লাইব্রেরীর মাঠে যেতে যেতে যেতে ...
একদল যুবক যুবতি দেবতার ছেলে মেয়েদের মতো
কী যেন বসন্ত দিনের গান গাইতে গাইতে গাইতে
চলে গেল তখন থেকেই স্বপ্নের সমুদ্রপথ শুরু
তখন থেকেই শব্দ অক্ষর উপমা সারাদিন সারারাত
একা একা সম্ভাবনাহীন চতুর্দ্দিকে হতবাক
ঘন্টাধ্বনি বৃষ্টিপাত কোকিলের কুহুকুহু রব
তারপর একদিন অবিচল মসৃণ
সমস্ত অভিযোগ আশ্চর্যরূপে আমাকে লুপ্ত করে দিয়ে চলে যায় ...
ওহ্ ঈশ্বর এই তাহলে কবিতা ...
৩.
হে শ্যাম হে লজ্জাহরণ
ক্রিস্টালভায়োলেট থেকে ময়ূরকন্ঠী শ্যাম তোমার টু দি পাওয়ার ইনফিনিটির দিকে যাত্রা
দিকদিগন্তে ভেসে থাকা হে লজ্জাহরণ তুমি নেমে এসো,একবার নেমে এসো
এ মরপৃথিবীতে,আমি ইতিহাস জানি না ভূগোল ও জানতে চাই না তোমার জন্য পৃথিবীর সবচেয়ে মৃগশিরা পবিত্ৰ বালিকারা ঋতুমতী হতে ভুলে গেছে
হলুদ খোলের উপর অর্গ্যাজিম কচি কলাপাতায় কাঁচুলি যৌনতার এক মরণোত্তর ভাষা
তুমি বিজ্ঞান তুমি সুসংবাদ তুমি বসুধারা তুমি গায়ে হলুদের অক্ষরনামা হে শূন্য হে চরাচর
হে সিপাহসালার তুমি আমার দুশ্চরিত্র শ্যাম
একবার ফেরো দ্রৌপদীর বস্ত্রহরণ রোধ করো ...
৪.
স্বজনেষু
যমুনার কাছে গিয়ে বললাম জল দাও
গঙ্গার কাছে গিয়ে বললাম পানি দাও
ভাগীরথীর কাছে গিয়ে কিছু চাইবো কি চাইবো না
ভাবতে ভাবতে বেলা বয়ে গেল
সুরপিপাসা মিটল বটে জল যে এত অপরিহার্য্য
এতো নিয়তিতাড়িত জানতাম না
সবিশেষ সমস্ত ঝরনার উৎসমূল
কবি বলেছেন জীবন জমে আছে অশ্রু ফোঁটয়
ঐ যে সুদূর বহুদূর যেখানে জমে আছে অশ্রু
মেঘ বালিকার অন্তরীণ আ্যলভিওলাই
একদিন বিষয় আশায় নিয়ে কৃষ্ণার কাছে গিয়ে বললাম তৃষ্ণায় কাতর আমি জল দাও
কাবেরীর কাছে গিয়ে বললাম পানি দাও
গোদাবরীর কাছে যাওয়ার আগেই
ভাসিয়ে নিয়ে গেল জীবন যৌবন
মনপ্রাণ ,তাহলে
স্বজনেষু এবার মুক্তি দাও ...
৫.
আগুন
আগুন পুড়িয়ে দেয় সব
শুধু নিভে যায় জলে
জল থেকে একদিন যে জীবন
জেগেছিল
সেও আজ ঘোমটার আড়ালে
সাত পাকে বাঁধা
সূর্য সাক্ষী করে ধরা পড়ে জালে
আগুনে পুড়ে যায় সব
শুধু নিভে যায় জলে
কামনার ঢিল গুলি তবু ঝুলে থাকে
অশথের ডালে
আগুন আছে তাই জল
নাহলে সকলি বিফল ...

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন