হেমন্তের সকাল -৩৭
অশোককুমার লাটুয়া
কেস্ দেবেন না প্লিজ
কার্তিক ছুঁয়েছে পঞ্চম ঋতুকে পুরাতন সহজ অভ্যাসে।
শস্যস্তনী হেমন্তের বুকের ভিতরে এখন পুরুষ্টু ধানের গন্ধ।
খেজুররসের মিষ্টি আস্বাদে কুয়াশা আর শিশিরের ভোর
দু'চোখের পেয়ালায় করে পান উষ্ণ অনুভবে স্বপ্নের অনুপান।
সময়ের আঙুল ছুঁয়ে আবর্তনের ধর্মে হেমন্ত গল্প বুনে দেয় শীতের সোয়েটারে।
বয়সের দোষে দিতে দিতে নিঃস্ব রিক্ত হলে
মানুষ উদাসীন হয় হেমন্তের মতো। বাউলের একতারা সেকথা জানে
বিকালের পথে হেঁটে যেতে যেতে।
ক্লান্ত ধূসরতায় জমে বিষন্ন কথকতা।
নিয়মভঙ্গ করেনা পঞ্চম ঋতু নিয়ম মেনে।
দোহাই ধর্মাবতার, একা পেয়ে তাকে তার নামে
কোনো কেস্ দেবেন না প্লিজ।
খুব ভালো লাগলো।
উত্তরমুছুন