বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৬তম জন্মদিনে
রবীন্দ্র সংখ্যায়...
অঙ্কুরীশা -র পাতায় কবি প্রণাম...
বোলপুর স্টেশন রোড
অমিত কাশ্যপ
কম আলোয় শীতকাল উড়ে আসে
স্টেশনে কি কোনো দোকান নেই যে বলবে
হুস করে কোন ট্রেন লেগে হই হই করে
ছুটিয়ে দেবে সব ঘুম মাফিয়ার মতো
কখন থেকে চা খিদে ঢুকে আছে মধ্য মাথায়
পায়ে পায়ে স্টেশন ছেড়ে মন জনপথ মাখে
টিপটপ লন্ড্রির মাথায় টিমটিম আলো জ্বলে তখনও
আমরা কুয়াশা ভেঙে, কুয়াশা মাড়িয়ে যাব ঠাকুর বাড়ি
পেরিয়ে যাচ্ছি সুইটস কর্নার, পেরিয়ে যাচ্ছি গোবিন্দ লজ
বোলপুর স্টেশন রোড, পঁচিশে বৈশাখ নয়, বাইশে শ্রাবণ নয়
এক মিনমিনে শীতসকালের রবিবার
রাস্তার ধারের বাউলটির একতারায় তখনই
'ভেঙে মোর ঘরের চাবি...'
আত্মজ-রবীন্দ্রনাথ
বিশ্বজিৎ রায়
প্রতিদিন আমার ভেতর
একটু একটু করে জন্ম নিচ্ছে রবীন্দ্রনাথ---
সকালে ঘুম ভাঙার পর প্রকৃতির রূপ দেখে মনেমনে গেয়ে উঠি ---
“ আলোকের এই ঝর্ণাধারা ধুইয়ে দাও।
আপনাকে এই লুকিয়ে রাখা ধুলার ঢাকা
ধুইয়ে দাও …”।
শুনশান দুপুরের নিস্তব্ধতায় আপনাআপনি
ছোটবেলায় পড়া ‘দুপুর’ কবিতা ভেসে ওঠে মনে –
“আমি বসে আছি জানলার ধারে,
দুপুরের রোদ-সোনার বাতি—
পড়েছে গাছের পাতায় পাতায়,
বাতাসেতে উড়ছে ছায়া ।“
সন্ধ্যা নামলে , পাখিরা যখন বাসায় ফেরে,
গেয়ে উঠি --- “ব্যথা বড় বাজিয়াছে প্রাণে,
কাছে আয়--আরো কাছে আয় ---
সঙ্গীহারা হৃদয় আমার
তোর বুকে লুকাইতে চায় …।“
মধ্যরাতে হৃদয়ে বাজে ---
“ বাতাস কাঁদে গোপন সুরে,
হারিয়ে যাওয়া স্মৃতির পুরে।
চোখের কোণে ঘুম আসে না,
বেদনার সুর বাজে গোপনে।“
এই আত্মজ-রবীন্দ্রনাথ আমাকে ছেড়ে
কিছুতেই যেতে পারেন না …
তোমার অসীমে
জয়শ্রী সরকার
আমি তোমাকে একটা উজ্জ্বল তারা দিতে চেয়েছি
তুমি গোটা আকাশটাই মেলে ধরেছ আমার সামনে!
আমি তোমাকে একটা ফুটন্ত গোলাপ দিতে চেয়েছি
তুমি বিশ্ববাগিচার সৌগন্ধ বিলিয়ে দিয়েছ আমার ঘ্রাণে!
আমি খাঁচায় পুরে একটা পাখি দিতে চেয়েছি তোমায়
তুমি আগল খুলে দিয়ে উড়িয়ে দিয়েছ অনন্ত আকাশে!
আমি জল তুলতে চেয়েছি পোশাকি ঘড়ায়
তুমি লাবণ্যদিঘির অক্ষরমালায় সাজিয়ে তুলেছ 'শেষের কবিতা'!
আমি নিবিড় ধ্যানে এ্যানাটমি করি তোমার সৃষ্টিকে
তুমি ভাবনার বিশ্বকোষ বিমল বিভাসে বিলিয়ে দিয়েছ তোমার জীবনদেবতাকে!
আমি 'আগুনের পরশমণি' শুনিয়েছি তোমায়
তুমি পুরো গীতবিতানটাই খুলে দিয়েছ আমার হাতে!
তোমার অসীমতায় আজ আমি উদাসী বাউল
তাই, নিমগ্ন ধ্যানে প্রার্থনা করি, 'চরণ ধরিতে দিও গো আমারে.....!'
পান্থজনের সখা
সৌমিত্র মজুমদার
তোমার জন্য শ্রদ্ধামাল্য
তোমার জন্য ভক্তি,
তুমিই আছো জীবন জুড়ে
জোগাও মনে শক্তি ;
দুঃখ ভোলাও, স্বস্তি বিলাও
সবার সকল প্রাণে --
বোশেখ মানেই তোমায় স্মরণ
ফুল ও ধূপের ঘ্রাণে !
তোমার লেখা গান, কবিতা
আজও ছড়ায় আলো,
চিত্তমাঝে পুলক জাগায়
ঘোচায় যাবত কালো ;
কবিগুরু তোমায় ভেবেই
দিন শুরু হয়, শেষ
তোমায় মাতে সব বাঙালি
সবার প্রাণেই রেশ !
এই এ বোশেখ বিখ্যাত গো
শুধু তোমারই জন্য
তোমায় পেয়ে ভারতবাসী
সত্যি ওগো ধন্য।
জেগে উঠছে রবিঠাকুর
দুরন্ত বিজলী
এই মাত্র চিতার আগুনে
ছাই হয়ে গেল হৃদপিন্ড,
নদী বয়ে গেল বুক ভাসিয়ে।
নূপুর পড়ে আছে,
হারমোনিয়াম পড়ে আছে,
গীতবিতান পড়ে আছে,
ভীষণ শূন্যতা আকাশে।
এখনও ফিসফাস ছড়িয়ে দিচ্ছে নিজেকে,
এখনও উনুনের আগুন ভিজিয়ে দিচ্ছে চোখ ও চিবুক ,
হাহাকারের মধ্যে শুধু জেগে উঠছে রবিঠাকুর।
সুরগুলি ফুল হয়ে ঝরে পড়ছে,
আকুল যন্ত্রণায় কুড়িয়ে নিচ্ছি,
মাখছি স্রোত, বয়ে যাচ্ছে নদী,
ভেসে যাচ্ছে নদী বুক ভাসিয়ে।
মোহন উচ্চারণ
পুষ্প সাঁতরা
বনস্পতির ছায়ায় বসে
মোহন উচ্চারণ
নিত্য দিনের বোঝাপড়ায়
অনন্য যাপন।
ভান্ডারে অমূল্য রতন
আশ্রয়ে পূন্য শ্লোক
তুমি আলো মহিমাময়
অনন্ত আলোক।
সুখে দুঃখে সন্তাপে
দাঁড়িয়ে আছো তুমি
আসনপাতা সব খানেতেই
কোথায় আমি নমি।
হাত খানি মোর ধর ঠাকুর
জীবন তরনীতে
গানে প্রানে দিশা পাই
নিরাময় ক্ষত চিত্তে।
তবুও রবীন্দ্রনাথ
হীরক বন্দ্যোপাধ্যায়
বহুদিনের স্বপ্ন শ্রম,নক্ষত্রপুঞ্জ লুকিয়ে দেখা
এসব ই তার কাছে যাবার অছিলা
তাঁতের শাড়ি নিঁখুত ভাঁজ মানেই রবীন্দ্রনাথ ...
উদ্বোধনি সঙ্গীত শুরু হলো বলে
হে নূতন দেখা দাও আরবার ...
ছায়াপথের সমস্ত, স্মার্টফোনের বাটন
অবৈধ চতুর্দশপদী, টাইমলাইনে ভরে ওঠা
নির্জন জলপ্রপাত এসব ই সামান্য আয়ুরেখা
কার্যত সবাই নন্দিনী সুন্দর অক্ষরবৃত্তে লেখা হলে
মেরেকেটে তিন মিনিট আসলে একটি দীর্ঘ কবিতার
আয়ুই বা কতটুক, সেবার শান্তিনিকেতনে কবি
প্রবীরের আমন্ত্রণে বেনপোল পেট্রাপোল সব একাকার ...
খোঁপাতে গোলাপ ,মার্চপাস্টে সুন্দরীদের সুবর্ণ কাঞ্চন ..
স্বপ্ন শ্রম আর কামনার অপাপবিদ্ধ মিশেল, আহা তবুও রবীন্দ্রনাথ. ....
নীলকন্ঠ , সাত্ত্বিক জিব , নম্র বৃশ্চিক , তেজস্ক্রিয় শৃঙ্গার ও অব্যয় তর্পণের যজ্ঞ যোগ
নিমাই জানা
সিলভিয়ান অঙ্গার ছড়িয়ে দিচ্ছে রন্ধ্রকেতু আগুনের ভেতর , জ্বলছে কিংকর রহস্যের তৃতীয় দীর্ঘস্থায়ী তেজস্ক্রিয় ব্রহ্ম উৎপাদক গুণিতাঙ্কের নির্ণেয় ভাজ্য ফলে , বিনির্মাণের লম্বা রহস্যাবৃত জটায়ু মাঠে উন্মাদ কলাকোষের এক একটা দীর্ঘ পূর্ণচ্ছেদের মাংসাশী নদগুলো আত্মহত্যায় বিরচিত পুণ্ডরীকাক্ষের ক্ষত মুখে ইব্রাহিমের উন্মাদ শ্বেততন্তু রহস্য উড়ছে , নীলাভ প্রেতাত্মারা (ওয়ার্নিং ইউর ওল্ড ফর্মস ইজ ইন ইলিগ্যাল ) মধ্যরাতের নিষিদ্ধ তরবারি নিয়ে একাকী হাঁটছে সুক্ষ্ম সুক্ষ্ম অতি শিথিলতার রাগাবেগ উপড়ে , হাঁ করে বেরিয়ে আসা ঋণাত্মক ঝিনুকের নরম মাংসের উন্মাদ গিরিখাতের উপর পৌরাণিক পান্ডুলিপি ক্রমশ কৃষ্ণ গহ্বরে ফেলে দিচ্ছে নটরাজ কেন্দ্রিক নর্মদা তর্পনের শান্ত পত্রে , এ দেহ তো জৈবিক অতিলৌকিক লালা মাখিয়ে রক্তকরবীর সাথে ক্রমশ গোখরো হয়ে যাচ্ছে আগুন ধ্বংসাত্মক লেলিহান জিব ধ্বংসাত্মক ব্যাঙ্গাচি পৃথিবীর পাপের সাষ্টাঙ্গ গাংচিলে , অতি লৌকিক জীবাণু নরম মাংসের কারবারি ব্রহ্মোৎপাদক সৌখিন নৃসিংহ মন্দিরে অঞ্জলি দিচ্ছে নন্দিনীর অতি স্বচ্ছ ইছামতি নারীকে , জোড়া জোড়া নির্জন নৌকোর উপর অতিলৌকিক সাঁকো হতে থাকি মাংসাশী চাঁদের খোলশ ছুঁড়ে ফেলে দিই শীতলাগ্নি উৎপাদক যজ্ঞ কেন্দ্রে গিয়ে নীলাভ ঈশ্বরকে খুঁজে বেড়াই পূর্ণ পাত্র গাছের উপর , চরম করমন্ডল নেমে আসে ধ্বংসাত্মক ব্লেড বিক্রি হয় কাটা মাংসের মতোই অস্থিরতা লাল কেশরের মতো তড়িৎ রাসায়নিক ঈশ্বরীয় প্রোটনিক দাতব্যশালায় গোলাপি ব্রহ্ম উৎপাদকের গলনাঙ্ক এ লালার মোম গড়িয়ে গড়িয়ে পড়ছে একাদশ রুদ্রের ঢেউ খেলানো ব্রহ্ম চিদাত্মায় , চিদাম্বরম কারখানার আগুনের মতোই অপ্সরারা নিভে যাবে জ্বলন্তের কড়ি কাঠে ত্রিশূল বিক্রি হবে আস্তিক্য জলজ উপশম আগুনের কাছে নিষিদ্ধ তান্ত্রিক কফি হাউসের ব্রহ্মচর্যের আর্যসত্য নামবে উপনিবেশ ধৃতরাষ্ট্রে , অতি সূক্ষ্মতম জাহাজের নাবিক দিকভ্রষ্ট হয়ে যাবে পথচারী আগুনে , অতি তৃপ্ত ডিম্বাণু বিক্রি করতেই আমি কেমন পাতালপুরীর কাছে আমার সমস্ত অম্বালিকা পত্র লিখে দেবো দ্বাদশ অধ্যায়ের কঠোপনিষদ কথার লিপিতে , মহর্ষের মতোই আমাদের ভয়ানক বুদ্ধ তান্ত্রিক মৃত্যু পরিসংখ্যান চাইছে নীল সাপের কাছে , উগ্র জটার কাছে জালন্ধর নর্তক শৃঙ্গার শেখাচ্ছে নম্র ব্রহ্মচর্য লিপিকে , হে ঋষি ধূসর ধ্বংসের হও
পঁচিশে বৈশাখ
জয়নাল আবেদিন
আজকে রবির জন্মদিন
বৈশাখের এই পঁচিশে,
ঝড়-বৃষ্টি হয়নি সেদিন
আকাশ ছিল চকচকে।
আরেক রবির জন্ম ছিল
একই দিনেই পঁচিশে,
আকাশ ভাঙা জল ঝরেছে
ঝড় হয়েছে আশিতে।
একটা রবির ছবি আছে
ঘরে ঘরে টাঙানো,
আর এক রবি পেটের টানে
হাত পেতে খায় মাঙানো।
অর্ঘ্য
কমল কুমার প্রধান
হে মহাজীবন, তুমি এক চিরন্তন অহংকার,
সব্যসাচীর মতো দুই হাতে সৃষ্টির ধনুষ্টঙ্কার।
কখনো গদ্যের ঋজু পথ,
কখনো পদ্যের অলঙ্কার—
তোমার লেখনীতেই বাজে বিশ্ববিধানের জয়াক্ষর।
তোমার গল্পের বাঁকে সাধারণের দীর্ঘশ্বাস,
উপন্যাসের বিশালতায় নতুন এক আকাশ।
তুমি ছন্দের জাদুকর,
শব্দের অতন্দ্র প্রহরী,
বাঙালির বিরহ-মিলনে তুমিই পরম চাতুরী।
অতীত নও তুমি, বর্তমান আর ভবিষ্যতের দিশা,
তোমার সৃষ্টিতেই কাটে বাঙালির সংকটের নিশা।
অক্ষয় এক মহীরুহ তুমি,
ছায়া দাও নিখিল ভুবনে,
হে কবিগুরু, চিরকাল থেকো আমাদের মনে ও মননে।
জন্মদিনে রবি ঠাকুর
সমর গোস্বামী
মধ্য গগনে সৌরসেনীর আলোক প্রভা দ্যুতি
দিগন্তে আজ প্রভাত রবির ডাক
স্বরলিপির সপ্তরাগে নেই কোন বিচ্যুতি
আজ যে রবির জন্মদিন, পঁচিশে বৈশাখ।
পদ্মা নদীর মাঝ দরিয়ায় ভাটিয়ালী সুর
গঙ্গা পাড়ের রাজপথেতে নতুন করে চলা
আবার জেগে উঠবে কবি প্রানের রবি ঠাকুর
আবর্তনের কালচক্রে নতুন গল্প বলা।
অক্ষয় কবি
রাজেন্দ্র কায়ল
হে মানব কবি,
তুমি ভোরের প্রথম আলো,
শিউলি ঝরা পথের শেষে
নীরব কোনো ভালোবাসো।
কাশবনের হাওয়ায় মিশে
তোমার গানের সুর,
মেঘলা বিকেল ছুঁয়ে যায়
মনটা হয় ভরপুর।
কলম ভেজা শব্দগুলো
নদীর মতো বয়ে,
দুঃখ এলেও শিখিয়েছ—
হাসতে পৃথিবী লয়ে।
“গীতাঞ্জলি”-র পাতায় যেন
আকাশ নামে নীচে,
হারিয়ে গেলেও মানুষ
তোমায় খুঁজে পিছে।
রবি তুমি বাংলার প্রাণ,
চির নীল এক ডানা—
তোমার ছোঁয়ায় আজও জাগে
কবিতাভেজা গানা।
হে মহাজীবন
দেবাশীষ পণ্ডা
ভাবিতে পারিনা তোমারে আমি।
কে তুমি? মানব না মহামানব।
কি ছিল তব ঐ ক্ষুদ্র মস্তকমাঝে।
তাহা বুঝিতে পারিনা আমি।
হে মহাজ্ঞানী তুমি এত ভাবনা
পেলে কোথা হতে তাহা বলতো
আমারে শুনি।
এত ভাষা এত ধারা এত ছন্দ
কি ভাবে তুমি পেলে তাহা বলো
আমারে মন খুলে।
সাহিত্যের সব শাখাকে তুমি
করিয়াছ পরিপূর্ন।
তাইতো তুমি হইয়াছ সারা
বিশ্বের কাছে ধন্য।
তোমাকে নিয়ে কি লিখবো
কোনো ভাবনা নাহি মাথে।
সব দিকেতে তুমি সব্যসাচী
তব তুলনা নাই কারো সাথে।
বাংলার সব শাখাতে
তব অবাধ বিচরণ।
তাহার সাথে নৃত্য গীত আর
অঙ্কনে তুমি সেরা আস্থাভাজন।
তুমি প্রথম আনলে ভারত ভূমে
বিশ্ব সাহিত্যের সেরা স্বীকৃতি নোবেল।
তুমি রবি কবি শুধু আমাদের নও
তুমি সারা বিশ্বের কবি।
তোমার লেখনীর গুনে বাংলা
ভাষা ধ্রুপদিতে হয়েছে পরিণত
বিশ্বের মাঝে চিরদিনই।
অমর প্রাণ
বিমল মণ্ডল
একশো ছেষট্টি পঁচিশে বৈশাখ আজ,
তোমার জন্মদিনে মুখরিত বিশ্ব-মাঝ।
জোড়াসাঁকোর ঘরে বাজে আজও তব বীণ,
গীতবিতানের সুরে বাঁধা সকল ঋণ।
তুমি দেখালে পথ “জনগণমন” গেয়ে,
তুমি শেখালে প্রেম “আমার সোনার” বেয়ে।
পূর্ব-পশ্চিমের সেতু গড়লে আপন হাতে,
মানুষের ধর্ম লিখলে হৃদয়ের পাতে।
কাবুলিওয়ালার চোখে মিনি আজও কাঁদে,
বলাই, ল্যাবরেটরি, সব তব সাথে বাঁধে।
ছিন্নপত্রে পদ্মা, রক্তকরবীতে নন্দিনী,
তোমার লেখনীতে বাজে যুগের রাগিণী।
সময়ের রথ থামে, তবু থামে না তব গান,
হে রবি, তুমিই বাংলা, তুমিই মোদের প্রাণ।



কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন