লেবেল

রবিবার, ২ মে, ২০২১

রবি স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি - ১৩।। তপনজ্যোতি মাজি।।Ankurisha ।।E.Magazine ।। Bengali poem in literature ।।

 








রবি স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি - ১৩

তপনজ্যোতি মাজি




হৃদয়ে রাখি            

 


 [ এক ]


 কখনও আগুন কখনও সীমাহীন নীলে সমর্পন

 অনিবার্য হয়ে ওঠে।

তোমার সান্নিধ্য খুঁজি অক্ষর , সুর , উচ্চারণে।

পতাকা , ফেস্টুন , স্লোগান , সমাবেশ ছাড়া

নীরব বিপ্লব ঘটে যায় অন্তর্লোকে।

মানবিক হতে হয়।

সংবেদী হতে হয়।

হতে হয় বিশ্ব নাগরিক।

 

 [ দুই ]

 

 নিজেকে দেখার জন্যে দর্পন।

 নিজেকে জানার  জন্যে মন।

 ভ্রমণের জন্যে অপার বিস্ময়।

 নীরবতা কি আত্মোপলব্ধির  প্রথম সোপান?

 নক্ষত্রের কাছে এই সব জানতে ।

 পাহাড়ের পদতলে দাঁড়িয়ে রেখেছি জিজ্ঞাসা।

 সমুদ্রের নীলে খুঁজেছি উত্তর।

 গীতবিতানের অক্ষরে অক্ষরে সব প্রশ্ন কি ভাবে যে

 সংগীত হয়ে গেছে!


 [ তিন ]

 

 ভালবাসা তিলোত্তমা।

 প্রেমের চূড়ান্ত মুহূর্ত নীরবতা।

 নগ্ন নির্জনে ঘুরে বেড়ান ঈশ্বর ঈশ্বরী।

 দেশপ্রেম সংকীর্ণতা নয়।

 মাটি, জল , হওয়া ও আকাশ কি

 চতুর্বেদ ?

বিভাজন নয় , সম্মিলন।

এই সব সত্যে সৌরদ্যুতি হীরক 

খণ্ডের মতো নিষ্পলক জ্বলে।

শুধু মাথা নত হয় মানবতার কাছে।

দারিদ্র কি মানুষের নির্মম উদাসীনতা?

মনে হয় তোমার  দীর্ঘ সাক্ষাৎকার প্রয়োজন ছিল।

মুখোমুখি তুমি ও মানুষ।



[ চার


স্বপ্নে অহর্নিশ তোমার মুখ।

প্রত্যয়ে তোমার কবিতা।

সংশয়ে তোমার প্রবন্ধ।

সংকটে তোমার সংলাপ।

নীরবতায় তোমার গান।

মনের মুক্তিতে দু -একবার শান্তিনিকেতন।

মংপু'র একতলা বাড়ি।

বৌদ্ধিক উৎকর্ষতার খোঁজে বার বার 

'শেষের কবিতা'।

তোমার ছায়ার নিচে নির্জন আমিকে 

রেখে আমাদের ছেঁড়াখোঁড়া জীবন।


 [ পাঁচ ]


বহুদিন আগে এরকম নিদাঘ প্রহরে কার কণ্ঠে

শুনেছি ' বাঁশিওয়ালা ' ?

চোখ বন্ধ করে  প্রার্থনার মতো কার উচ্চারণ 

শুনি, '  অন্তর মম বিকশিত করে... '।

পশ্চিমের ঘরে কে গায় ' তোমার অসীমে প্রাণ মন লয়ে 

যত দূরে আমি ধাই …'!

 বিস্ময় ও মুগ্ধতা ঘিরে জীবনের নিত্য আবর্তন।

তুমি আছো বলে  সমস্ত রুক্ষতায়   

অনুভবে স্নান করে এ আমির অন্তর জন।





আরও  পড়ুন 👇👇👇


https://wwwankurisha.blogspot.com/2021/05/ankurisha-emagazine-bengali-poem-in_2.html



1 টি মন্তব্য: