পৌষ এল ঘরে -৩১
তপনজ্যোতি মাজি
পৌষ
১.
সর্বজনীন হোক শীত।
সর্বজনীন হোক উষ্ণতা।
হিমপথ পার হয়ে বুঝেছি উষ্ণতা এখনও একান্ত
ব্যক্তিগত।
অতিব্যক্তিগত সম্ভাষণগুলি তুমি জানো ,
তুমি জানো কেন আমি উষ্ণতা ভিক্ষা করি।
বরফের দেশে, মনে আছে , গেয়েছিলে পৌষের গান ,
বলে ছিলে মাটির দাওয়ায় রোদ আর পাহাড় চূড়ায়
উদিত সূর্যের বর্ণবিন্যাস হ্যাব আর হ্যাব নটস এর
দ্বান্দ্বিক বিস্তার।
কত পথ পার হলো দিন!
কত পথ পার হলো রাত!
গ্রীষ্মেদিন শীতল হলো পৌষের ছোঁয়ায়,
এক খণ্ড বরফ হাতের মধ্যে নিয়ে বলেছিলে,
এই নাও উষ্ণতা।
শীত ছুঁয়ে ছুঁয়ে
উষ্ণতা ছুঁয়ে ছুঁয়ে
জীবনের অনিঃশেষ আবর্তন।
২.
আলো দিয়ে রোদ লিখি ,
ছায়া দিয়ে অন্ধকার ।
কাঠের উনুনের পাশে বসে আমার প্রপিতামহী
শিউলিফুলের মতো পিঠে তৈরি করছেন একটি একটি করে।
তুলসীতলায় মাঙ্গলিক পরম্পরা ,
কতদিন হলো মুছে গেছে এই সব
বিনত বৈভব !
এখন রোদের পাশে ছায়া
ছায়ার পাশে অন্ধকার।
সুখ খুঁজতে পাড়ি দিচ্ছি উদ্বেগের মাইলস্টোন,
কে যেন ছড়িয়ে দিয়েছে অসংখ্য প্রাপ্তি ও অপ্রাপ্তির
টুকরো পথের মসৃন বুকে।
পৌষ এলে কেক আর সম্মিলিত হ্যাপি মোমেন্টসের মধ্যে
খুঁজে বেড়াই
আমার প্রপিতামহীকে।
তিনি তাঁর শীর্ণ হাতে একটি একটি করে
তৈরি করছেন শিউলি ফুলের মতো
পিঠে ।
পরপারে, পৌষের রোদছোঁয়া মৃন্ময় উঠোনে।
_________________
সুন্দর।
উত্তরমুছুনদুটি কবিতাই খুব সুন্দর 👌👌
উত্তরমুছুনঅপূর্ব।
উত্তরমুছুনদুটি কবিতাই খুব সুন্দর।
উত্তরমুছুনছোট বেলার কথামনে পড়ে। কুড়ি,,,,
উত্তরমুছুন