বৃহস্পতিবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৩

উন্মুক্ত কবিতা -৬ ।। নিমাই জানার কবিতা।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।

 





উন্মুক্ত কবিতা -৬




নিমাই জানার  কবিতা



 না গর্ভসূচক রন্ধনশালা ও মৃতভোজী কার্বোহাইড্রেট জিভ

লো ফেব্রিক আর আল্ট্রাসাউণ্ডের ইকোকার্ডিওগ্রাফ ল্যাভেন্ডার ল্যাবরেটরি , জ্যামিতিক নয় , না সূচক গর্ভসঞ্চারের সুরক্ষা পত্র নিয়ে আমি নির্জন ঘরের ভেতর কোয়ান্টাম দাঁত নিয়ে হাসছি আমার দুই হাত গ্লাভসের ভেতর ঢুকে কেউ যেন রাতের রগরগে মেটামোরফোসিস ট্যাবলেট দাঁত দিয়ে ভেঙে খাচ্ছে আমার শিরদাঁড়া , আমাদের শিরদাঁড়া , আমার ভ্রুণ সন্তানের শিরদাঁড়া ,এখনই দুটো কুকুর শৃঙ্গারের পূর্ব মুহূর্তে লেহন করছে দামি ক্যাকটাসের যৌন বাতিক রন্ধনশালা , জিভে কিছু কৃমির ওষুধ রাখলাম কালো মধু ডুবিয়ে
কার্বোহাইড্রেটে দুটো পা ঢুকিয়ে আমি অন্ডকোষের ব্যথার ওষুধ খাচ্ছিলাম চারকোনা মৃতভোজী ফ্যানের ব্লেড থেকে নেমে
আমার মাথা ছিদ্র করে দিয়ে যায় একটা স্ত্রী লিঙ্গের বিভূতি কবিরাজ , এখন মাথার পেছন ঝুলে থাকা প্রোটোপ্লাজমে মৃত ঋষিটির পিত্ত নিংড়ানো মকরন্দ পাতার রস লাগিয়ে ক্ষতের ভেতর একটি ঘোড়ার রক্ত প্রবাহের পথ করে দিচ্ছি
এখান দিয়েই একটি জলজ জাহাজ সলিল সমাধির পর কীর্তন করতে করতে উঠে আসে আমরা ১১.৩৫ দৈর্ঘ্যের পুরুষ ফুলেরা পরমাত্মার জননেন্দ্রিয় খোঁজার জন্য কাঠের দেরাজ থেকে উল্টো মুখে ঝুলে থাকা ঘাতক তিরটিকে নিয়ে সারা রাতের উল্টানো ঝুলে থাকা আকাশের গা থেকে স্তনগ্রন্থির ছেঁড়া ছিদ্র বিকটাশ্চ ( র ) রঙের পায়ু ছিদ্রে গুঁজে দেই
এসো অ্যালকোহল , এসো ট্রাই গ্লিসারাইড রাত , এসো অগ্নি বলয়ের বৃত্তাকার আগুন। , এসো নৌকা কাঁচের বৈভব অলিভিয়া লেডিস পার্লারে গোপনাঙ্গের লোম থেকে কিছু সাদা পাউডারের মতো অঙ্কুর রোধী ডিম্বাণু ছুঁড়ে দেই মহাকালের কঠিন জিভে
মৃত মানুষটি গঙ্গার পাড়ে এসে খানিক রাণী রাসমণি এ্যভিনিউর দিকে তাকালেন



 ইলেক্ট্রোসোফেরাস দানা ও মোমবাতির লাল শর্করা

মাঝে মাঝে শ্রী মহেন্দ্রনাথ গুপ্ত লাল করোটি দিয়ে তৈরি কঠিন দিব্য বিমান থেকে নেমে আসতেন চক্রাকার সপ্তর্ষিমন্ডলের লালা প্লাজমার জীবন অনন্ত প্রবাহ ভেদ করে , ক্ষুদ্রতম কক্ষে বিন্দু বিন্দু ঘামেরও বরফ জমছে , শ্বাসকষ্টের ভেতর থেকে পাখনা ওড়াচ্ছে অণুজীব
ঈশ্বরের মতো লাল বিছানার নিচে কিছু রক্ত প্রবালের ফুলগুলো দুই হাতে ব্যাসাসন নৃত্যের পর চৌমাথার ডাইরেক্টরি ঘেঁটে ঘেঁটে ইট্রাকোনাজলের নেগেটিভিটি বিশুদ্ধ চারণ কক্ষটি বের করল ,
রজঃ চক্রের শেষ ঋতুবৎ পথে কিছু ক্যাটায়ন গন্ধর্ব আর কিন্নরের দুগ্ধজাত শর্করার ভক্ষণকারীরা দূতাবাসে একটা পিচ্ছিল মাছের শিরচ্ছেদ করলেন
আর্ত চিৎকার শেষে গামলা ভর্তি রক্তের উত্তপ্ত বাষ্পায়নে আমার নাভি টুকু ডুবিয়ে দিতেই ১৩ জন বাণপ্রস্থ রুগী ইলেকট্রোসোফেরাস নীল ফসফরাস দানাগুলোকে নিয়ে আমাকে পায়রার মতো ব্যবচ্ছেদ করছে মোমবাতির ভেতরে দাঁড়ানো একটা সমকোণী নিশাচর , সাদা রঙের ঈশ্বর আরেক পঞ্চমুখী ঈশ্বরের ধ্যানে বসলেন উপমনু আশ্রমে
কোন ক্ষতমুখ নেই মাথার উপরে , বন বন ঘুরছে মৃত্যুর ষড়যন্ত্র রাখা একটা সাদা রুমাল , আমাকে উলঙ্গ শুয়ে থাকতে দেখে ঈশ্বর ফিক ফিক করে হাসতেই আমি আয়নার থেকে নেমে আসি মুখ বন্ধ করে , মৃত পেন্সিল দোকানে কাঁচের শোকেসে থরে থরে সাজিয়ে রাখা আছে কাঠের পুংদণ্ড , নাম কিউরেবল পান্ডু রোগের পুরোহিতেরা নিজেদের মৃতদেহ কাঁধে নিয়ে অগ্নুৎপাতের গহ্বরের ভিতর ঢুকে যায় , নিস্তব্ধ তেজস্ক্রিয় রেডিয়ামের মতো



 চন্দন রঙের ধৃতরাষ্ট্র গাছ ও সবুজ ভ্যাসেকটমি সাপ


ঈশ্বরের নাইট্রিক বিছানার মতো খুব বমি করতে ইচ্ছে করছে রাত্রি দুটো দশ মিনিটের পরকীয়া চাঁদের শিব দাঁত ভেঙে , গোলাপি রক্তপুঞ্জের ভেতরে থাকা পাথর খাদকেরা জিহ্বার ভিতর ডটেড এফ এক্স সবুজ রক্তাল্পতা লুকিয়ে রাখে ধৃতরাষ্ট্রের মতো , দুই হাতে পরম জন্মের লাল চন্দন গাছ লাগাই
ঈশ্বর কাঠ দিয়ে তৈরি ঈশ্বর , জোনাকি রঙের ঈশ্বর , কাঁচের তৈরি ঈশ্বরেরা বসুন্ধরা নগর থেকে ফিরে এসে কিছু নিশাচর নয়নতারা বিছিয়ে সমাধির নীল রক্ত গর্তের ভেতর ঢুকে থাকা কাঁচা হরিণীর তলপেট ফালা করে পুড়িয়ে ফেলে গায়ের লোম , মৃত্যুবরণ থেকে শুকিয়ে যাচ্ছে ফিরোজা অ্যাক্রেলিক সবুজ রঙের ভ্যাসেকটমি টিউব
দাফনের মতো খুলে রাখি আত্মার স্রোত কম্বো প্যাক , দুধেল দাঁত আর নিউক্লিও ফিউশনের মতো অসংখ্য শাখাহীন নীল প্রদাহ গুলো আমার মুখমণ্ডলের চারপাশে ঘাতক সেজে দাঁড়িয়ে থাকলে আমি কিছু অস্থি মজ্জা রসের দুমুখো সাপদের ধরে খাই ভেজা তামাকের সাথে
আমার তখন ব দ্বীপের মতো জটিল আয়ু রোগ পেরিয়ে যাচ্ছে , একটি মৃত উপত্যকা গাছ  আর মৃত্যুর জলপ্রবাহ আমাকে বারবার উথলি করে দিচ্ছে শুক্রের ইতিহাস নেই বলে ,জলাশয় থেকে অজস্র সাপেদের বংশগতি ও নীল ভূমি রোধের জন্য সারা শরীরে অ্যানাস্থেসিয়ার নীল সিস্টাইটিস হেমোরেজ ব্লকার গুলো ছড়িয়ে দিচ্ছি মেরুদন্ডের চারপাশে , ঋষিদের দীর্ঘ জঙ্ঘাতন্ত্রের মাটির পাত্রে অজস্র বেদানা বীজের বিষাক্ত রহস্য সমৃদ্ধ চারা গাছ গুলো গজিয়ে উঠতেই আমাদের পঞ্চম বায়ু মৃত্যুস্খলনের আলুনোরিয়া দানা ভর্তি চিরহরিৎ রক্তবর্ণের মাংসাশীরা সেজে উঠছে গর্ভফুল ভর্তি সিজারিয়ান বেবি পিঁপড়ের মতো , সমুদ্রে ফেলে আসি লবনের ক্ষীর পুতুল , দুই হাতে আগ্নেয়াস্ত্রের √π ভগ্নাবশেষ

1 টি মন্তব্য: