মঙ্গলবার, ২২ আগস্ট, ২০২৩

অঙ্কুরীশা সাহিত্য পত্রিকা ও আপনার অভিজ্ঞতা ।। অভিজ্ঞতা -১৫ ।। আমার চোখে অঙ্কুরীশা — তামস চক্রবর্তী।। Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।

 





অঙ্কুরীশা  সাহিত্য পত্রিকা ও আপনার অভিজ্ঞতা 


অভিজ্ঞতা -১৫



আমার চোখে অঙ্কুরীশা 

তামস চক্রবর্তী 


নাম থেকেই প্রথম আলাপ । না সম্পাদকের সঙ্গে ব্যাক্তিগত আলাপ বা পরিচিতি  আমার নেই, সে সৌভাগ্য হয়নি এখনও । তবে নিশ্চিত বিশ্বাস পথ চলতে গিয়ে হঠাৎই কোনো একদিন দেখা হবে । কিন্তু পরিচয় ? না দরকার নেই, একজন মানুষ হিসেবে তাঁর কাজ, পথ চলা  সাহিত্যের প্রতি তাঁর ঐকান্তিক নিষ্ঠা তাকে আমার মতো অনেকের কাছেই  পরিচিত করে তুলেছে । সু-পরিচিত। লিটল ম্যাগাজিন নিয়ে অনেকেই কাজ করেন ।করছেন । বহু লিটল ম্যাগাজিনের দীর্ঘ ইতিহাসও  আছে। তবু অঙ্কুরীশাকে ভালোবেসে দু চার কথা লিখি , শুধু লিখি বললে হয়তো ভুল হবে সম্পাদক মহাশয় যেন ঘাড় ধরে লিখিয়ে নেন। ভালোবাসা আর ভালো লাগার একটা স্পর্শ খুঁজে পাই অঙ্কুরীশার পাতায়। দেখি লেখা  তা যত সামান্যই হোক ,  সম্পাদক মহাশয় যে যত্ন নিয়ে যে গভীর মমতায় শৈল্পিক নৈপুণ্যে পত্রিকার পাতায় সাজিয়ে রেখে যান তা অনন্য।  সাহিত্যিক, কবি , আমার মতো অ-কবি ,সকলের জন্যই  তার উদার হৃদয় সর্বদাই উন্মোচিত।  অঙ্কুরীশা প্রমান করেছে সাহিত্যের  'বাসর' শুধু      রজনীগন্ধা,বোগেনভিলিয়ার, কিংবা 
বসরাই গোলাপের একচ্ছত্র সাম্রাজ্য নয় ,তাদের সাথে কিছু গন্ধ বিহীন বুনো ফুল বাসর শয্যায়  ছড়িয়ে দিলেই তা  নিষিদ্ধ বাসর হয়ে ওঠে না । 


ছোট্ট একটা স্বপ্নের বীজ, চোখের সামনে একটু একটু করে অঙ্কুরিত হয়ে উঠে এলো ঊষর মাটিতে। পথ আটকে দাঁড়ালো খর রৌদ্রের প্রাচীর। বৃষ্টি এলো প্রাচীর পেরিয়ে সবুজ হয়ে উঠল অঙ্কুরীত চারা। চোখের ভেতর প্রত্যাশার স্বপ্ন   শাখা মেললো আকাশে। পাখিরা এলো , বাসা বানালো হলুদ পাতার আড়ালে ।  জানি সব পাখি বাসা বানায় না । কোকিল- দোয়েল-ফিঙের সঙ্গে ময়না- টিয়ে -কাকাতুয়ারাও আসে আর আসে নৃত্য পটিয়সী ময়ুরেরা। কাকেরাও বাদ যায় না । কেউ স্থায়ী বাসা বাঁধে কেউ বা উড়ে যায় । যাক । সবাই তো একই বৃক্ষকে ভালোবাসে না । সব ফুলে তো  মধু থাকে না , সব পাখি যেমন বাসা বাঁধে না তেমনি সব  অঙ্কুরই  অঙ্কুরীশা হতে পারে না । 

বলতে গিয়ে অনেক কথাই গলাতে এসে আটকে যায়  বলা হয় না । অভিজ্ঞতার অভিজ্ঞানকে    সামনে রেখে  নিজেকেই প্রশ্ন করি বার বার   আচ্ছা অনুভবের কি কোনো ভাষা হয় ? কিংবা  কোনো শব্দ বা বর্ণ ? যা দিয়ে   আমি সাজিয়ে নিতে পারি আমার অভিজ্ঞতার মিহিন সুতোয় গাঁথা ভালোবাসার নকসী কাঁথা ?হয় না । অভিজ্ঞতার ঝুলি  চিরন্তন সত্য রূপে  চিরকাল অপূর্ণই  থেকে যায় ।

1 টি মন্তব্য:

  1. খুব ভালো লাগলো আপনার অনুভূতি ঋদ্ধ পঙক্তিমালা 👍 যদি দু-একটা বানান ভুল এড়ানো যেত 😃

    উত্তরমুছুন