উন্মুক্ত কবিতাগুচ্ছ-৪
বিদ্যুৎ মিশ্র এর চারটি কবিতা
১.
সম্পর্ক
আলো আর অন্ধকার দুটো জীবনের অধ্যায়
পরস্পরের পরিপূরক,
একজন মানুষের মতো হেসে খেলে গান গায়
অন্যজন মুখ গোমড়া করে বসে থাকে।
আলোর সাথে আমার পরিচয় ঘটেছিল
ভাঙা জানালার টুকরো কাঁচের হাত ধরে;
লাল নীল সবুজ আলো ছড়িয়ে পড়েছিল মুখে
আমি অবাক হয়ে দেখেছিলাম
কী ভাবে জন্ম হয় একটা সম্পর্কের।
অন্ধকার ছিল তার থেকে বেশ খানিকটা দূরে
একদিন মেঘলা আকাশ
প্রবল ঝড় আছড়ে পড়েছিল বুকের ভেতর ।
দুপ করে নিভে গেল মোমবাতির আলো
আমি আবার অবাক হলাম।
একটা সম্পর্ক দীর্ঘদিন লালন করার পরে
আবার মানুষ একা হয়ে যায়।তারপর
শহরে ক্রমাগত জমা হয় মৃত মানুষের ভিড়।
২.
দুটি পাখি
তারপর আর দেখা হয়নি ওদের,
আবছা অন্ধকার এসে
ঢেকে দিয়েছিল ফুলের বাগান।
কুয়াশায় ঢাকা পাহাড়ি গ্রাম থেকে দুটো পাখি
উড়ে গেল অজানার দেশে, কেউ দেখেনি।
কখন আলো ফুটেছিল;
কেউ জানতে চায়নি কেন আলো ফুটেছিল।
কেউ প্রতিবাদ করেনি কেনই বা
অন্ধকারে ঢেকে যায় নির্দিষ্ট গন্তব্য।
কী নিপুনভাবে দুটো পাখি হারিয়ে গেল ।
তাতে কারোর কিছুই যায় আসে না,
সেইদিন একটু দেরি করেই সকাল হলো।
বাগানের ফুলগুলোর মুখে হাসি নেই
কেউ ফিরে তাকায়নি-
দুটো পাখির খোঁজ রাখার
বোধহয় প্রয়োজন ছিল না।
৩.
অবহেলা
হয়তো ফুলদানিতে
রঙ উঠে গেছে বহুদিন
বিবর্ণ বিষাদ ছেয়ে ফেলেছে
সারা আকাশ।
আমি তুমি দুজনেই
ভিন্ন পথের পথিক;
আলো নেই আলো নেই
জমাট অন্ধকার।
হয়তো এবার
বিদায় নেবার পালা
ফুলগুলো সব
গেছে বুঝি ঝরে
আঁধার রাতে
ভাঙা চাঁদের খেলা
অবহেলায় গুমরে ওঠে ঘরে।
৪.
কল্পতরু
পিছন ফিরে তাকাই যখন আমি
পথ হারা এক দামাল কিশোর-
সঙ্গে একটা পাগলমতো লোক
হাসি মুখে বলছে, ভয় কি তোর?
কিশোর বুঝি অন্ধবিশ্বাসী নয়
ধর্মের প্রতি নেই কোন টান,
যুক্তি তর্ক ছাড়া মানে নাতো কিছুই
গরিবের জন্য মন করে আনচান।
যত মত তত পথ বলেছিল পাগল
কিশোর তখন অবাক চোখে চেয়ে
শিষ্য মায়ের খুলে দিলেন দরজা
কল্পতরু আসল সোপান বেয়ে।
আলো আর অন্ধকার দুটো জীবনের অধ্যায়
পরস্পরের পরিপূরক,
একজন মানুষের মতো হেসে খেলে গান গায়
অন্যজন মুখ গোমড়া করে বসে থাকে।
আলোর সাথে আমার পরিচয় ঘটেছিল
ভাঙা জানালার টুকরো কাঁচের হাত ধরে;
লাল নীল সবুজ আলো ছড়িয়ে পড়েছিল মুখে
আমি অবাক হয়ে দেখেছিলাম
কী ভাবে জন্ম হয় একটা সম্পর্কের।
অন্ধকার ছিল তার থেকে বেশ খানিকটা দূরে
একদিন মেঘলা আকাশ
প্রবল ঝড় আছড়ে পড়েছিল বুকের ভেতর ।
দুপ করে নিভে গেল মোমবাতির আলো
আমি আবার অবাক হলাম।
একটা সম্পর্ক দীর্ঘদিন লালন করার পরে
আবার মানুষ একা হয়ে যায়।তারপর
শহরে ক্রমাগত জমা হয় মৃত মানুষের ভিড়।
২.
দুটি পাখি
তারপর আর দেখা হয়নি ওদের,
আবছা অন্ধকার এসে
ঢেকে দিয়েছিল ফুলের বাগান।
কুয়াশায় ঢাকা পাহাড়ি গ্রাম থেকে দুটো পাখি
উড়ে গেল অজানার দেশে, কেউ দেখেনি।
কখন আলো ফুটেছিল;
কেউ জানতে চায়নি কেন আলো ফুটেছিল।
কেউ প্রতিবাদ করেনি কেনই বা
অন্ধকারে ঢেকে যায় নির্দিষ্ট গন্তব্য।
কী নিপুনভাবে দুটো পাখি হারিয়ে গেল ।
তাতে কারোর কিছুই যায় আসে না,
সেইদিন একটু দেরি করেই সকাল হলো।
বাগানের ফুলগুলোর মুখে হাসি নেই
কেউ ফিরে তাকায়নি-
দুটো পাখির খোঁজ রাখার
বোধহয় প্রয়োজন ছিল না।
৩.
অবহেলা
হয়তো ফুলদানিতে
রঙ উঠে গেছে বহুদিন
বিবর্ণ বিষাদ ছেয়ে ফেলেছে
সারা আকাশ।
আমি তুমি দুজনেই
ভিন্ন পথের পথিক;
আলো নেই আলো নেই
জমাট অন্ধকার।
হয়তো এবার
বিদায় নেবার পালা
ফুলগুলো সব
গেছে বুঝি ঝরে
আঁধার রাতে
ভাঙা চাঁদের খেলা
অবহেলায় গুমরে ওঠে ঘরে।
৪.
কল্পতরু
পিছন ফিরে তাকাই যখন আমি
পথ হারা এক দামাল কিশোর-
সঙ্গে একটা পাগলমতো লোক
হাসি মুখে বলছে, ভয় কি তোর?
কিশোর বুঝি অন্ধবিশ্বাসী নয়
ধর্মের প্রতি নেই কোন টান,
যুক্তি তর্ক ছাড়া মানে নাতো কিছুই
গরিবের জন্য মন করে আনচান।
যত মত তত পথ বলেছিল পাগল
কিশোর তখন অবাক চোখে চেয়ে
শিষ্য মায়ের খুলে দিলেন দরজা
কল্পতরু আসল সোপান বেয়ে।

অনুভূতি গুলো বিষণ্ন সৌন্দর্যে মন ছুঁয়ে গেল
উত্তরমুছুনভালো লাগলো
উত্তরমুছুন