স্বামী বিবেকানন্দ বিষয়ক কবিতা-৪
জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়
একগলা অন্ধকারে দাঁড়িয়ে সামান্য আলোর আভাস
শীতরাতে দূরের আলো হয়ে যায়।পাঁকগন্ধ, গুঞ্জন ওঠে
গুলিয়ে ওঠে গা,প্রাণকেন্দ্র ঘ্রাণকেন্দ্রে প্রবল বিবমিষা
ডেকে উঠি,অতলে ডুবছি আলো কই? ডাঙা কই?
সাঁতার জানি না,গলা পর্যন্ত কালোর কসরত, ডুবে যাবো
এতটুকু খড়কুটো নেই,দিশাহীন,আলো দাও।
অধিকারের প্রবল দাপটে বলি,অন্ধকে আলো দাও.....দাও....
এ যে অধিকার। মানবিক সংবিধান দানবেরও প্রিয়
তুমি ছিলে,তুমি আছো,নিশ্চিন্ত হয়েছি,উজ্জ্বল রশ্মিগুলো
রশি হবে,বিপত্তারণ মই হবে,সাপের আগ্রাস থেকে তুলে নেবে
প্রবল প্রেমে,দুর্জয় প্রহরী আছে,প্রহরে প্রহরে ডাকে,
ওঠো,জাগো,কর্তব্যে যাও,শুদ্ধতার শপথ নাও......
ভোরের ঘুম আঁকড়ে তবু আলস্যের শ্যাওলার মাছেরা
ঘুমিয়ে থাকবো একপ্রহর বেলা,তারপর, যতটুকু কম করা যায়
কাজের নাটকে যাবো
এভাবেই আবার নামবো,ডুববো,কাদা মাখবো,পাঁকগন্ধ পাবো
তুমি আলোর জাদুতে সব শোধন করবে,ঠিক জানি,
তুমি আছো তাই ,তুমি আছো আলোর তাপস,
জাগ্রত বিবেক,আলোর সন্ন্যাসী।
একগলা অন্ধকারে দাঁড়িয়ে সামান্য আলোর আভাস
শীতরাতে দূরের আলো হয়ে যায়।পাঁকগন্ধ, গুঞ্জন ওঠে
গুলিয়ে ওঠে গা,প্রাণকেন্দ্র ঘ্রাণকেন্দ্রে প্রবল বিবমিষা
ডেকে উঠি,অতলে ডুবছি আলো কই? ডাঙা কই?
সাঁতার জানি না,গলা পর্যন্ত কালোর কসরত, ডুবে যাবো
এতটুকু খড়কুটো নেই,দিশাহীন,আলো দাও।
অধিকারের প্রবল দাপটে বলি,অন্ধকে আলো দাও.....দাও....
এ যে অধিকার। মানবিক সংবিধান দানবেরও প্রিয়
তুমি ছিলে,তুমি আছো,নিশ্চিন্ত হয়েছি,উজ্জ্বল রশ্মিগুলো
রশি হবে,বিপত্তারণ মই হবে,সাপের আগ্রাস থেকে তুলে নেবে
প্রবল প্রেমে,দুর্জয় প্রহরী আছে,প্রহরে প্রহরে ডাকে,
ওঠো,জাগো,কর্তব্যে যাও,শুদ্ধতার শপথ নাও......
ভোরের ঘুম আঁকড়ে তবু আলস্যের শ্যাওলার মাছেরা
ঘুমিয়ে থাকবো একপ্রহর বেলা,তারপর, যতটুকু কম করা যায়
কাজের নাটকে যাবো
এভাবেই আবার নামবো,ডুববো,কাদা মাখবো,পাঁকগন্ধ পাবো
তুমি আলোর জাদুতে সব শোধন করবে,ঠিক জানি,
তুমি আছো তাই ,তুমি আছো আলোর তাপস,
জাগ্রত বিবেক,আলোর সন্ন্যাসী।

অসাধারণ
উত্তরমুছুন