প্রকৃতি -ই সুর—৭
শ্রীমন্ত দাস
১.
বাংলা অহংকার
বাংলা আমার মাতৃভাষা
বাংলাতে গাই গান,
বাংলা আমার তীর্থক্ষেত্র
বাংলা আমার প্রাণ।
বাংলার বন বনান্তরে
সবুজের রং মাখি,
কূজনে কূজনে করে মুখরিত
রংবেরঙের পাখি,
অলি গুঞ্জনে পরাগ মিলনে
সবুজে সবুজে ঢল
সেজে ওঠে তাই অতুল ছন্দে
শ্যামল বনাণী তল।
বাংলার সোঁদা মাটির গন্ধে
চাষির মনে দোলা,
সারা বছর ফলবে ফসল
চলবে সবুজ মেলা।
ডিঙ্গী বেয়ে বাংলার জেলে
নদীর মোহনায়,
ভাটিয়ালি সুরে গানের তালে
জাল পেতে পেতে যায়।
বাংলার বাউল পথে প্রান্তরে
উদাস গানের সুরে,
একতারাটা বাজায় আবেগে
সুখ-স্বপ্নের ঘোরে।
সাঁঝের বেলায় তুলসী তলায়
সন্ধ্যা প্রদীপ জ্বেলে,
বাংলার বধু সূচী করে মন
শংখধ্বনী তোলে ।
আজানের সুরে ভরে যায় মন
সোনালী সাঁঝের বেলা,
মহব্বতের আশমানে জমে
হাজার মিলন মেলা।
বাংলা ভাষা সাজাবো যতনে
সঙ্গে অলংকার,
প্রানের বাংলা, আমরা বাঙালি
বাংলা অহংকার।
২.
সিক্ত করো বর্ষা তুমি
সিক্ত করো বর্ষা তুমি
তপ্ত পৃথ্বী বক্ষতল,
চৈতি চিতা নির্বাপিতে
ঝাঁপিয়ে ঝরাও বৃষ্টি জল।
শুকিয়ে সারা দিশেহারা
বিদির্ণ সব জলাশয়,
শ্যামবনানীর আঁচল ছায়ে
লুকিয়ে কাঁপে কিশলয়।
তৃষা কাতর বৃষ্টি যাচে
আকাশ পানে চাতকী,
বারি জলের আকুল আশা
সিক্ত বারি পাবে কি?
ধরার বুকে তৃণ কনার
নেই তো কোন সঞ্চরণ,
শুকনো বীজে সিক্ত জলে
বর্ষা জাগাও অঙ্কুরণ।
আয়তো বৃষ্টি, পড় তো ঝেঁপে!
ডাকছে খোকা খুকুর দল,
ভিজবে তারা আদুড় গায়ে
মাখবে সুখে বৃষ্টি জল।


দুটি কবিতাই খুব সুন্দর। ভালো লাগলো।
উত্তরমুছুনভাবনা তো ঠিক আছে কিন্তু বানানগুলোর দিকে সতর্কতা থাকলে ভাল।
উত্তরমুছুন