রবিবার, ৩০ মে, ২০২১

আজকের গল্প।। বৃক্ষ হওয়া নিষ্প্রয়োজন — মনোজ ভৌমিক।। Ankurisha ।।E.Magazine ।।Bengali poem in literature ।।

 






আজকের গল্প

 বৃক্ষ হওয়া নিষ্প্রয়োজন 

 মনোজ ভৌমিক 



দূরত্বের ব্যবধান বাড়তে বাড়তে সকল সম্পর্কের ব্যবচ্ছেদ ঘটলেও,কিছু  সম্পর্কের রেশ রয়েই যায়। সময়ের এই দূরত্ব বিধিও হয়তো তাকে মুছে দিতে পারে না। জীবন সায়াহ্নে এসে অরিত্র আজ উপলব্ধি ও অনুভূতির পুঙ্খানুপুঙ্খ পর্যবেক্ষণ করে। 




সেদিন মাটির বুক চিরে বীজ থেকে যে উদ্ভিদ উৎপন্ন হয়েছিল, তার সাথে শিকড়ের দূরত্ব ছিল বড়ই ক্ষীণ। তারথেকে বেড়ে ওঠা এক সতেজ চারাগাছ।দূরত্ব একটু বাড়লেও অন্তরের টান ছিল গভীর। ধীরে ধীরে বেড়ে ওঠে চারাগাছ। গোটা ছয় সাতেক শাখা গজায়,হয়ে ওঠে একটা গাছ। শিকড়ের দূরত্ব কিঞ্চিৎ বাড়লেও সম্পর্কের নিগূঢ়তা বিদ্যমান। সময়ের দেহ ছুঁয়ে বৃক্ষ হয়ে ওঠে সেই উদ্ভিদ! শাখাগুলি থেকে গজিয়ে ওঠেঅজস্র প্রশাখা!ক্রমে ক্রমে ফলবতী হয়ে বৃক্ষ।দূরত্ব ঘনীভূত হয়ে ওঠে। সম্পর্কের ব্যবচ্ছেদ শুরু হয়। কিন্তু সেই প্রশাখাগুলি! যারা শাখাদের আন্তরিকতা ছুঁয়ে বৃক্ষের উপস্থিতিতে প্রবল বাতাসে দোল দোল খেলতো! তারা কি করে ভুলবে বৃক্ষের সেই আন্তরিক সম্পর্কের আস্বাদন!! প্রজন্ম প্রশাখার মধ্যে আজ স্বীয় সালোকসংশ্লেষের ক্ষমতাকে যদি ভেবে থাকে স্বায়ত্ত হয়ে উঠেছে তাহলে তা মূর্খতা ব্যতীত কিছুই না। সময়ের দূরত্ব বিধির অনুসারে বৃক্ষ ও শাখার সাথে সম্পর্ক ভুললেও, অন্তরে অকৃতজ্ঞতার রেশ রয়েই যায়।তাই বুঝি আজ সময় বুঝিয়ে দিতে চায়.....বৃক্ষ হওয়া নিষ্প্রয়োজন!চন্দ্রাণী ট্যাংকের মধ্যে আরিত্র আর নিজের কিছু কাপড়চোপড় গুছিয়ে নিয়ে ধীরে ধীরে ওর সামনে বসে,অন্যমনস্কতা ভেঙে,হৃদয় নিংড়ানো শব্দে বললো, 

- এবার ওঠো,খালি হয়েছে বৃদ্ধাশ্রম....









এই বিভাগে আপনিও আপনার মৌলিক অপ্রকাশিত লেখাটি পাঠিয়েদিন 👇👇

ankurishapatrika@gmail.com





আরও পড়ুন 👇👇👇



 https://wwwankurisha.blogspot.com/2021/05/ankurisha-emagazine-bengali-poem-in_29.html







 bimalmondalpoet: https://bartasamprotik.com/?p=10851







কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন