------------------------------------
শ ঙ্খ শু ভ্র পা ত্র
--------------------------------------
লিখনশৈলী
লিখনশৈলীর কাছে চোখ মুদে বসে থাকি ৷
মনে মনে বলি : একবার দেখাও তো জাদু !
জোনাকিগ্রামেই যদি উড়ে যায় সব পাখি
তবে কে গাইবে আর প্রাণ খুলে টুসু,ভাদু ?
আদুরে গলায় সুর হয় বটে ৷ বটের অধিক
ছায়া কোনখানে আছে ? সেই এক ঘর
যে জানে সে জানে — দুর্বলতা আর পূর্বদিক
অদৃশ্য করার মোহে দণ্ড হাতে জাদুকর
রচনা করছে ছায়া ৷ সন্ধ্যাভাষা ৷নিবিড়, গহন
এই তো লিখনশৈলী ৷ বাদবাকি পক্ষ-বিধুনন...
এইসব নিখিল জিজ্ঞাসায়...
এইসব নিখিল জিজ্ঞাসায় শুরু হতে পারে আমাদের সন্ধ্যা ৷ একটি আশ্চর্য ব্যবধান রেখে
বসে থাকি অনিমিখ
ডালে বিশ্রামরত পাখিটির মতো ৷ জানি, গোধূলি
সম্পর্কে আমাদের যাবতীয় উল্লাস ক্রমশ অদৃশ্য
বয়ান...
হলুদ পোস্টকার্ডের মতো ভালবাসা
স্মৃতির আড়ালে থেকে যায় ৷
বন্দিজীবন
সাত-ভায়া পাখিরা আবার এসেছে ৷ কৃপণতা ভুলে
কিছু চাল-ডাল ছড়িয়ে দিই তাদের সামনে ৷ ওদের উড়ুৎ-ফুড়ুৎ, হল্লাবাজি দেখতে দেখতে সাঙ্গ হয়ে এল ভোর ৷ এক অন্যরকম পৃথিবীতে আমাদের অনির্দেশ
যাত্রা... কী দুরপনেয় ইচ্ছে নিয়ে জেগে আছে
বৃক্ষ,কীট-প্রত্যঙ্গ, পক্ষিকূল...
মনুষ্য আর কবে শিখবে সহমর্মিতা ? এক অদৃশ্য ঘাতকের কাছে আমাদের অসহায়ত্ব — পৃথিবী চিনিয়ে দিল বন্দিজীবন...
ভুলগুলি
বন্ধু আর বন্ধু থাকে না সরল নিয়মে ৷
সংশোধনের দিকে দর্শনীয় স্থানগুলি কীভাবে অদৃশ্য হয় মধুকর-ডিঙা ?
প্রত্যুষ নিমিত্তমাত্র ৷ রেড জোন ৷ সিঁড়ি থেকে কদাচিৎ...
না-আমি বিঘত দূরে ! পুর্নবার অভিধান ৷
ভুলগুলি শিখে নিই ক্রমে...
জীবন
সারাদিন অলসতা ৷ সারারাত স্বপ্নের শিশির
শিরোপরে প্রণিপাত ৷পাঠহীন সমূহ পুস্তক...
ভালবেসে তোর হাতে তুলে দিই নিজ নতশীর
দেখো সে নিরীহ মুখ, কোল বসে-যাওয়া দুটি চোখ।
সুখী তবে এইবার ! আঁকিবুকি ভাবনারা ঠিক
মগজে সহজে এসে এঁকে দেবে অনন্য ভুবন,
তুই আর তুমিতেই আছে এক সূক্ষ্ম-নান্দনিক
ব্যবধান, ভূমিদেশ ৷ অাজ সে বুঝেছে গৃহকোণ ৷
সারাদিন অলসতা ৷ সারারাত ঘুমের সীবন
শিশিরে সবুজঘাস,অন্যদিকে অবুঝ জীবন...

খুব সুন্দর দাদা
উত্তরমুছুনসুন্দর...
উত্তরমুছুনখুব ভালো কবিতা।সবগুলোই ভালোলাগল
উত্তরমুছুনভালো লাগলো ৷
উত্তরমুছুন