শনিবার, ৫ আগস্ট, ২০২৩

অঙ্কুরীশা পত্রিকা ও আপনার অভিজ্ঞতা ।। অভিজ্ঞতা —৬।। লেখক হিসাবে কী পেলাম 'অঙ্কুরীশা'-র থেকে? — দীপক বন্দ্যোপাধ্যায়।।Ankurisha।। E.Magazine।। Bengali poem in literature।।

 





অঙ্কুরীশা পত্রিকা ও আপনার  অভিজ্ঞতা 



অভিজ্ঞতা —৬


লেখক হিসাবে কী পেলাম 'অঙ্কুরীশা'-র থেকে?

দীপক বন্দ্যোপাধ্যায়

          ২০২২-এর গোড়ায় হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগটা ঘটে ছিল বিমল মন্ডলের সঙ্গে । ও-ই যোগাযোগটা করেছিল । জানিয়ে ছিল যে, আমাকে 'অঙ্কুরীশা'-র শারদ সংখ্যা ১৪২৯ -এর জন্য আমন্ত্রিত প্রবন্ধকার মনোনীত করা হয়েছে এবং আমি যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সাহিত্যের কোনো একটা বিষয়ে একটা প্রবন্ধ লিখে পাঠাই । যদিও প্রয়াত পূর্ণচন্দ্র দিন্দা, হরপ্রসাদ সাহু , শুভঙ্কর দাসের মতো পূর্ব মেদিনীপুরের মহিষাদল ও ‌হলদিয়ার কয়েকজন‌ কবি, পত্রিকা সম্পাদক ও প্রকাশকের সঙ্গে ইতিপূর্বে কমবেশি পরিচয়সূত্রে মহিষাদলের সাহিত্যানুষ্ঠানে বার কয়েক যাওয়া এবং ওই অঞ্চলের একাধিক পত্রিকায় আমার কবিতা প্রকাশ পেয়েছে ; কিন্তু পারস্পরিক ঘোরতর অপরিচিতি সত্ত্বেও অঙ্কুরীশা-সম্পাদকের কাছ থেকে পথের এতটা দূরত্বে থাকা একটা পত্রিকার পক্ষে আমার মতো একজন "প্রান্তিক লেখক"-এর কথা জানা ও তার কাছ থেকে আবার কবিতা নয়, একেবারে প্রবন্ধ চাওয়া --- আমাকে একযোগে বিস্মিত ও আনন্দিত করেছিল । কী ক'রে আমার সন্ধান পেয়েছে, জানতে চাইলে বিমল জানিয়েছিল যে, সোশ্যাল মিডিয়া থেকে আমার লেখক-পরিচিতি পেয়েছে । অর্থাৎ আমার প্রধানত কবি-পরিচিতির বাইরে প্রাবন্ধিক-পরিরিচির সঙ্গে বিমলের একটা পরিচয় ঘটেছে । এটাও আমাকে আনন্দিত এবং সেইসঙ্গে "অঙ্কুরীশা" পত্রিকা ও তার এহেন সন্ধানী ও উদ্যোগী সম্পাদক সম্পর্কে‌ বিশেষ আগ্রহান্বিত ক'রে তুলেছিল । আজও সেই আগ্রহ সমানভাবে বজায় রেখে চলেছি । কারণ আমার স্বভাবের মধ্যেই আছে, এই বিরলতার যুগেও ভালো মানুষ, ভালো বন্ধু খুঁজে চলা । সেটা বিমলের মধ্যে পেয়েছি ১০০ শতাংশ । কী যত্নে, কতটা আন্তরিকতায় যে "অঙ্কুরীশা"-র মতো মননশীল ও সমৃদ্ধ একটা মুদ্রিত পত্রিকা বিমল প্রকাশ ক'রে চলেছে, তার অনুভব ও প্রত্যক্ষ পরিচয় আমাকে বিমুগ্ধ করে । দেখা-সাক্ষাৎ তো হয়ই না, তবু আন্তরিক 'দাদা' সম্বোধনে সে যেমন 'লেখক' হিসাবে আমাকে আপন ক'রে নিয়ে "অঙ্কুরীশা"-র নিয়মিত লেখক হয়ে ওঠার সুযোগ ও মর্যাদা দিয়েছে, ঠিক তেমনই সেও আমার ভ্রাতৃপ্রতিম পরমবন্ধু হয়ে উঠেছে । পাশাপাশি বিমলের পরিশ্রমসাধ্য আর-এক প্রয়াস "অঙ্কুরীশা ই-ম্যাগাজিন"-এর "প্রতিদিনের বিভাগ" । সেখানেও কত কবি-লেখককে ও তাঁদের লেখনীকে প্রতিদিন ধরে বছরের ৩৬৫ দিনে এক উদার মানসিকতা নিয়ে বিমল তুলে ধরে চলেছে নিরবচ্ছিন্ন ধারাবাহিকতায়, ভাবলে অবাক লাগে ! সেখানেও আমার  ‌লেখনী প্রায়শই স্থান পাচ্ছে তার মতো অনন্য এক "বন্ধু" সম্পাদকের বিবেচনার গুণে । এই নিবন্ধটাও লিখছি বিমলের হোয়াটসঅ্যাপযোগে অনুরোধক্রমেই । এটাই বিমলের সবিশেষ পরিচয়, যা আমাকে অনায়াসে অঙ্কুরীশা পরিবারের সদস্য ক'রে নিয়েছে নির্দ্বিধায় ও পরম আন্তরিকতায় । 
          এগিয়ে চলুক এভাবেই চিরনতুনের সন্ধানে "অঙ্কুরীশা" ও তার সুযোগ্য সম্পাদক, আমাদের‌ বন্ধু, বিমল মন্ডল প্রত্যাশাভরা সৃষ্টির অভিযানে ।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন